Logo
শিরোনাম

পরিবারের অন্ন যোগাতে সার্টিফিকেট নিলামে বিক্রি করতে চায় ফিরোজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন

পরিবারের অন্ন যোগাতে সার্টিফিকেট নিলামে বিক্রি করতে চায় ফিরোজ


আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় অটোরিক্সার ৩ যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ

ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সার তিনজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

বৃহস্পতিবার(১৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বোর্ড অফিস নামক এলাকার ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান (৪৫), আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ি এলাকার বাসিন্দা চঞ্চল (৩৫) ও কচুবাড়ি এলাকার সুরজ আলীর ছেলে গোলাম মোস্তাফা (৪৫)।

আহতরা হলেন: কচুবাড়ি এলাকার মোটাই মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (৪০) ও সদরের সালন্দর ইউনিয়নের শিংপাড়া গ্রামের সফির উদ্দীনের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৩)।

প্রত্যক্ষদর্শীর বলেন, দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে একটি ট্রাক পঞ্চগড়ে যাচ্ছিল। পথে সদরের আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের পূর্ব দিকের সড়ক থেকে একটি মোটরসাইকেল পঞ্চগড় মহাসড়কে উঠছিল। অপরদিকে আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের পশ্চিম দিকের সড়ক থেকে একটি ট্রাক পঞ্চগড় মহাসড়কে উঠছিল। এসময় ঠাকুরগাঁও শহর থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রাকটি ওই মোটরসাইকেলটিকে বাঁচাতে গেলে মহাসড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকা ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে অটোরিক্সার যাত্রী মজিবর রহমান ও চঞ্চল মারা যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় অটোরিক্সার যাত্রী জহিরুল ইসলাম,রবিউল ইসলাম ও গোলাম মোস্তফাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এসময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাম মোস্তফার মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ রকিবুল আলম চয়ন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তিনজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকী দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হবে।

ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুইটি ট্রাককে আটক করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালকরা পালিয়ে গেছে, তাকে আটক করতে আমাদের অভিযান চলছে। এ দুর্ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
Image

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা ১০ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেখানকার কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। সরেজমিনে হাসপাতালটিতে গিয়ে অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া যায়। ৩ টাকার টিকেট ৫ টাকা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালে আসা গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাহিরে, সেখানে দরকষাকষিতে মহিলাদের মাতৃত্ব চিকিৎসা দিচ্ছেন নার্স সাবিনা।

প্রতিবেদক এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন নার্স সাবিনা, আর সে নিজেই স্বীকার করেন হাসপাতাল চলাকালীন সময় বাহিরে কাজ করে দরদাম এর মাধ্যমে স্বল্প খরছে ভালো চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তিনি।

নার্স সাবিনার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। আবার এদিকে দেখা গেছে ইমারজেন্সিতে কর্মরত ডাক্তার থাকা সত্বেও নাইটগার্ড আব্দুল কে দিয়ে রোগীর ইনজেকশন দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা এই নাইটগার্ডের মাধ্যমে কেমন সেবা পাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে! এখানেই শেষ নয়, ভর্তি হওয়া রোগীদের খাবার বিতরণে রয়েছে নানান অনিয়মের অভিযোগ।

আবার দেখা যায়, প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও জনসাধারনের জন্য কোন টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই হাসপাতালটিতে। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারগণ টিএইচও'র চোখ ফাঁকি দিয়ে আশপাশের ক্লিনিক ও চেম্বারগুলোতে নিয়মিত রোগী দেখছেন।

হাসপালে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়েই রোগীদের দামাদামী টেস্ট করাতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন তাদের কমিশনভুক্ত ক্লিনিকগুলোতে। জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকরতা ডাঃ পলাশ কুমার শাহা বলেন, যারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে যাচাই পূর্বক অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



অক্সিজেন সিলিন্ডার পাল্টাতে দেরি হওয়ায় ৬৩ রোগীর প্রাণহানি

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইন্দোনেশিয়ার একটি হাসপাতালে অক্সিজেন সংকটে ৬৩ জন কোভিড রোগী মারা গেছেন।  রবিবার ডক্টর সারদজিতো জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটেছে।

ভয়েস অব আমেরিকা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অক্সিজেন সংকট কাটানোর জন্য হাসপাতালের কর্মীরা অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা করেন। তবে তারা ৬৩ জন রোগীর জীবন বাঁচাতে ব্যর্থ হন।

এক বিবৃতিতে হাসপাতালের পরিচালক রুকমন সিস্বিশান্ত বলেন, হাসপাতালে ইয়গ্যাকারতা আঞ্চলিক পুলিশের দেয়া ১০০ সিলিন্ডারসহ আরও কিছু অক্সিজেন সিলিন্ডার বদলানোর চেষ্টা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেরি হয়ে যায়।

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়গ্যাকারতা শহরসহ ইন্দোনেশিয়া জুড়েই করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে হাসপাতালগুলো জরুরি ভিত্তিতে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট এবং কোয়ারেন্টিন সেন্টার তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

পরিসংখ্যান ভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস জানায়, ইন্দোনেশিয়ার সোমবার সকাল পর্যন্ত ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৮৪ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। মারা গেছে ৬০ হাজার ৫৮২ জন।


আরও খবর



কারিগরি কমিটি পরামর্শ দিলে বিধিনিষেধ বাড়তে পারে

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ জুলাই ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদ উপলক্ষে চলমান বিধিনিষেধে শিথিলতার বিষয়ে নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত বিধিনিষেধের সময়সীমা রয়েছে। আমাদের যেহেতু টেকনিক্যাল কমিটির পরামর্শক যারা আছেন তাদের পরামর্শে সরকার যদি মনে করে বিধিনিষেধ এগিয়ে নেয়ার ব্যাপারে সেটিও হতে পারে। সবকিছুই এখন পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। একটা কথা বারবার বলছি, আমাদের জীবনে ঈদ অনেকবার আসবে যদি আমরা বেঁচে থাকি। আমাদের এ অবস্থা থেকে বের হতেই বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে, সেটি সবার মানা উচিত।

ঈদের আগে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করে গণপরিবহন চলবে কি-না এমন প্রশ্নে তিনি জানিয়েছেন, স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় আমরা এখনো পৌঁছতে পারিনি।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধ চলমান থাকলে গণপরিবহন চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। বিধিনিষেধ যদি প্রত্যাহার হয় সেটা কীভাবে প্রত্যাহার হবে, যদি সীমিত আকারে হয় সীমিত আকারেই চলবে। যদি পুরোপুরি উঠে যায় পুরোপুরিই চলবে। আমার মনে হয়, পরিস্থিতি যা আছে সেখানে আমরা পুরোপুরি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছতে পারিনি।

রবিবার (১১ জুলাই) বিকেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নৌ-সেক্টরে করোনা ভ্যাকসিন দেয়ার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

বিধিনিষেধের মধ্যেও ভিড় দেখা গেছে- তাদের নিভৃত করার জন্য কোনো উদ্যোগ নেবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেরিতে মানুষ চলে যাচ্ছে, সেখানে ব্যাপক সমাগম হচ্ছে। আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ, আমরা তো এই মানুষগুলোর ওপর আক্রমণাত্মক হতে পারি না। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্থানীয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার সেটিই নিচ্ছে। এর বাইরে আমাদের একটি বিষয়ই বলার আছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য এবং সরকারের বিধিনিষেধ মানার জন্য। এটাকে ঘিরে কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য না দেয়ার জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাব।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধে যেটা আছে গণপরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি পারপার করবে না। ফেরি চলবে অ্যাম্বুলেন্স, সরকারি কার্যক্রম, গণমাধ্যম এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ প্রয়োজনে। কিন্তু এ বিশেষ প্রয়োজনের জন্য আমাদের ফেরিগুলোতে যখন মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে, তাদের ওপর তো আমরা আক্রমণাত্মক হতে পারি না। সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন, সচিবালয় থেকে সেই সিদ্ধান্ত দেয়া কঠিন। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন।

ঈদে ফেরি চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ফেরি কখনো বন্ধ করিনি, ফেরি এখনো চালু আছে। বিশেষ ক্ষেত্রে এটাকে ব্যবহার করেছি। আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে, অ্যাম্বুলেন্স, সাংবাদিক, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিশেষ প্রয়োজনে কিছু মুভমেন্ট দরকার হয় সেজন্য ফেরি সচল ছিল। আমরা কিন্তু সরকারের বিধিনিষেধের বিষয় কঠোর ছিলাম।

সর্বসাধারণকে বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছি। অনেকগুলো দেশে রেড জোনে আছি, দীর্ঘদিন এভাবে পড়ে থাকলে আমরা পিছিয়ে যাব। তাই সব নাগরিকের সচেতন হতে হবে। আমরা জানি ঘরে থাকা কঠিন, যুদ্ধক্ষেত্রেও মানুষ ঘরে থাকতে চায় না। কিন্তু এটাও একটা যুদ্ধ, এটাকে না মানায় কিন্তু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়েছে। গ্রামে অনেকে করোনা টেস্ট করছে না, অনেকে মারা যাচ্ছেন আমরা জানতেই পারছি না। এটি এখন ছড়িয়ে গেছে। সেজন্য সরকারঘোষিত বিধিনিষেধ মেনে চললে আমরা তার সুফল পাব, গতবারও কিন্তু সেটি পেয়েছি।



আরও খবর



নোয়াখালীতে করোনায় আরও ১৬৪ জন শনাক্ত

প্রকাশিত:শনিবার ১০ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে; নতুন করে  শনাক্ত হয়েছে ১৬৪ জনের। ৫৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় এ ফল পাওয়া যায়। এতে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ।

এতে জেলায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে বার হাজার ৪৬৭ জন। মোট আক্রান্তের হার ১২ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় এই নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৪ জনে।

এর মধ্যে সদর উপজেলায় মারা যায় ২৭ জন, সুবর্ণচরে চারজন, বেগমগঞ্জ ৫৪ জন, সোনাইমুড়ীতে আট, চাটখিল ১৬, সেনবাগে ২০, কোম্পানীগঞ্জ চার, কবিরহাটে রয়েছে ২১ জন। মৃত্যুর হার এক দশমিক ২৪ শতাংশ।  

শনিবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো.মাসুম ইফতেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর