Logo
শিরোনাম

পরিবারের অন্ন যোগাতে সার্টিফিকেট নিলামে বিক্রি করতে চায় ফিরোজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৬৯২জন দেখেছেন

পরিবারের অন্ন যোগাতে সার্টিফিকেট নিলামে বিক্রি করতে চায় ফিরোজ


আরও খবর

ভাটারায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ২

বৃহস্পতিবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২3




কানাডায় বাড়ি কিনতে পারবেন না বিদেশিরা

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাড়ি কেনার সুযোগ বন্ধ করে দিচ্ছে কানাডা। করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে দেশটিতে বাড়ির দাম আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, এ বিষয়ে একটি আইনও পাস করেছে কানাডার সরকার। নতুন আইন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম দিন থেকেই বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ওপর বাড়ি কেনা বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলো। মূলত নিজ দেশের নাগরিকদের আবাসন সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় এমন পদক্ষেপ। 

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানা যায়, এই নিষেধাজ্ঞা শুধু শহর অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া বিনোদনমূলক সম্পত্তি কেনার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে জানিয়েছে অটোয়া কর্তৃপক্ষ।  দাম বেশি হওয়ায় অনেক কানাডিয়ান বাড়ি কিনতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় ২০২১ সালের নির্বাচনী প্রচারে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দুই বছরের জন্য এমন পদক্ষেপের প্রস্তাব দেন। 

সে সময় ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি জানায়, কানাডায় বাড়ি কেনা মুনাফাখোর, ধনী ব্যবসায়ী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে আগ্রহের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এতে বাড়িগুলোর দাম আকাশ ছোঁয়া হয়েছে। বাড়ি তো জনগণের, বিনিয়োগকারীদের জন্য নয়।

এদিকে কানাডিয়ান রিয়েল এস্টেট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ২০২২ সালের শুরু থেকে বাড়ির দাম কমেছে। বাড়ির দাম গড়ে সর্বোচ্চ ৮ লাখ কানাডিয়ান ডলার থেকে কমে ৬ লাখ ৩০ হাজার কানাডিয়ান ডলারে নেমে এসেছে।  এ ছাড়া দেশটির জাতীয় আবাসন সংস্থা কানাডা মর্টগেজ অ্যান্ড হাউজিং করপোরেশন এক প্রতিবেদনে বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে কানাডায় প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখের মতো আবাসন ইউনিট প্রয়োজন হবে। এ ক্ষেত্রে অন্তত ৫৮ লাখ নতুন বাড়ি নির্মাণ করতে হতে পারে। 

নিউজ ট্যাগ: কানাডা

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে চীনা গোয়েন্দা বেলুন

শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




চীনে লকডাউন তুলে নেওয়ায় যেভাবে চাপে পড়বে বিশ্ব অর্থনীতি

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস শনাক্ত হয় চীন থেকে। এরপর তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। মহামারির শুরুর দিকে বিদেশি শিক্ষার্থীরা চীন ছাড়ে। পর্যটকরা বন্ধ করে ভ্রমণ। চীনের বিজ্ঞানীরা বিদেশি কনফারেন্সে যোগ দেওয়া বন্ধ করেন। তাছাড়া বিদেশি কর্মকর্তারা চীনের ব্যবসায় ফিরতে বাধাগ্রস্ত হন। ৮ জানুয়ারি থেকে করোনার বিধিনিষেধ তুলে নিচ্ছে চীন। ফলে পুনরায় বাণিজ্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চীনের অভ্যন্তরে করোনার প্রকোপ মারাত্মকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। প্রতি দিন লাখ লাখ মানুষ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর ঠাই হচ্ছে না। করোনার শূন্য নীতি জীবন রক্ষায় ভালোই কাজে দিয়েছিল। তবে নানা ধরনের অসঙ্গতির কারণে চীন সরকার যথাযথ প্রস্তুতি নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান অনুযায়ী যদি ভাইরাস ছাড়াতে থাকে তাহলে আসন্ন মাসগুলোতে ১৫ লাখের মতো চীনা নাগরিক মারা যেতে পারে।

মূলত চীন ইস্যুতে বাইরের লোকদের সাহায্য করার মতো তেমন কিছু নেই। চীন সরকার ইউরোপ থেকে বিনামূল্যে কার্যকর ভ্যাকসিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনীতি বিভিন্ন ধরনের ধাক্কা সামলানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে। পরিস্থিতি সামলানো খুব একটা সহজ হবে না। তাছাড়া চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের অর্থনীতি সংকোচিত হতে পারে। বিশেষকরে যদি স্থানীয় কর্মকর্তারা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে উল্টো পদক্ষেপ নেয়। তবে সবকিছু ছাপিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বাড়বে। কারণ এসময় চীনাদের চাহিদা বেড়ে যাবে। চীনের করোনা বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হতে যাচ্ছে ২০২৩ সালের অর্থনীতির জন্য বড় ঘটনা। এদিকে করোনার বড় ঢেউ শেষ হয়ে গেছে। অনেক রোগীই আবার কর্মস্থলে ফিরবে। মনে করা হচ্ছে, কেনাকাটায় ও ভ্রমণে ব্যয় করবে মানুষ। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, ২০২৪ সালের প্রথম তিন মাসে জিডিপি ২০২৩ সালের প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হতে পারে।

যেসব জায়গা চীনাদের ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে তাদের জন্য বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া একটি ভালো খবর। কারণ চীনের পর্যটক ছাড়া পুখেটের হোটেল ও হংকংয়ের মলগুলো সংগ্রাম করছে। এখন এসব এলাকা ঘুরে দাঁড়াবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় বুকিং বেড়েছে। যেসব দেশ চীনে রপ্তানি করে তারাও সুবিধা পাবে। বিশ্বের এক-পাঁচ শতাংশ জ্বালানি তেল আমদানি করে দেশটি। কিন্তু চীনের এমন পদক্ষেপের রয়েছে ব্যাপক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। বিশ্বের অনেক জায়গা প্রবৃদ্ধির বদলে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও উচ্চ সুদের হার দেখতে পারে। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। চীনের পদক্ষেপে অনেক দেশে মূল্যের ওপর চাপ বাড়তে পারে। এতে আরও কঠোর মুদ্রানীতি আরোপ করা হতে পারে। যেসব দেশ পণ্য আমদানি করে তাদের ওপর চাপ বাড়বে, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর।

কারণ চীনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বেড়ে গেলে তেলের চাহিদা বাড়বে। এতে ইউরোপ ও আমেরিকাকে ভোক্তাদের ব্যয় ঠিক রাখতে আরও পদক্ষেপ নিতে হবে। গোল্ডম্যান স্যাশ জানিয়েছে, চীনের পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারিলপ্রতি বেড়ে ১০০ ডলারে দাঁড়াতে পারে। ফলে জ্বালানি খরচ ফের বোঝ হয়ে দাঁড়াবে। একইভাবে গ্যাসের ওপর চাপ বাড়বে। বিশ্ববাজার থেকে এলএনজি আমদানিতে প্রতিযোগিতা তৈরি হবে।

নিউজ ট্যাগ: বিশ্ব অর্থনীতি

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে চীনা গোয়েন্দা বেলুন

শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখার আহ্বান

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ বলেছেন, দেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সুমহান ঐতিহ্য আরো সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে। তিনি সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে এ দেশের মানুষ পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের মধ্যদিয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে আসছে।

তিনি বলেন, সরস্বতী পূজা বাংলাদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ধর্মীয় উৎসব। জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে বাণী অর্চনার এই আবহ দেশব্যাপী বিস্তৃত। জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত হয়ে দেশের প্রতিটি মানুষ সাম্প্রদায়িকতা, অজ্ঞানতা, কূপমূন্ডকতা থেকে মুক্ত হয়ে একটি কল্যাণকর ও উন্নত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসবে-এটাই সকলের প্রত্যাশা।

আবদুল হামিদ বলেন, সরস্বতী পূজা বাঙালির একটি অনন্য উৎসব। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ উৎসব ছড়িয়ে পড়ে বাংলার ঘরে ঘরে। দেশে বিদ্যমান সম্প্রীতির এই সুমহান ঐতিহ্যকে আরো সুদৃঢ় করতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমি আশা করি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পরিক্রমায় একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, জ্ঞানের আলোকে উদ্ভাসিত হোক আমাদের দেশ, জাতি ও সমাজের প্রতিটি নাগরিক।


আরও খবর

গণতন্ত্র সূচকে দুই ধাপ এগিয়ে ৭৩তম বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারের জন্য লড়ছে পরাশক্তিগুলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাধীনতার ৫১ বছর পেরিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক নানা কারণে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রে এখন ঢাকা। এমনকি বড় বড় পরাশক্তিগুলোর শক্তি প্রতিযোগিতা এবং প্রভাব বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে প্রভাব বিস্তারে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মতো পরাশক্তিরা। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা প্রকাশকারী ম্যাগাজিন দ্য ডিপ্লোম্যাট। ম্যাগাজিনটি মূলত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূ-রাজনীতি নিয়ে বেশি ফোকাস করে।

দ্য ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন এবং চীনা কর্মকর্তাদের সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু ঢাকা সফর করেন। সেসময় তিনি রাজনৈতিক দল, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সুশীল সমাজের নেতাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। আগের সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের দক্ষিণ এশিয়ার সিনিয়র ডিরেক্টর রিয়ার অ্যাডমিরাল আইলিন লাউবাচার চার দিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল কালাম আবদুল মোমেনের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। মোমেনের সঙ্গে লাউবাচারের বৈঠকের একদিন পর চীনের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিন গ্যাং বিমানবন্দরে বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আসেন। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এটাই ছিল তার প্রথম বিদেশ সফর।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, নবনিযুক্ত চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত সেই সফরে দেশটির কূটনৈতিক ঐতিহ্য কার্যত ভেঙে গেছে। কারণ চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা প্রতি বছর আফ্রিকার কোনো দেশকে তাদের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্যে পরিণত করার বিষয়ে দীর্ঘদিন চালু থাকা প্রথা মেনে আসলেও এ বছর নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমে ঢাকায় আসেন। যদিও কিন সেসময় আফ্রিকায় যাচ্ছিলেন এবং মোমেনের সঙ্গে বৈঠকটি কোনো সরকারি সফর ছিল না।

তারপরও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশের রাজধানীতে সংক্ষিপ্ত বিরতি ও মাঝরাতে মোমেনের সঙ্গে বিমানবন্দরে তার সাক্ষাৎ ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ এবং এই বিষয়টি ঢাকা ও বিদেশের কূটনৈতিক মহলের নজর এড়ায়নি। কিনের সেই সফরের পরপরই চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের উপ-প্রধান চেন ঝো-এর নেতৃত্বে সিসিপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসে। সফরে প্রতিনিধি দলটি ২০তম সিসিপি জাতীয় কংগ্রেসের স্পিরিট তথা মূল কথা ব্যাখ্যা করে নানা বক্তৃতা দেয়।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, ১৯৭১ সালে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি যে নীতির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়েছে, তা হলো- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। পররাষ্ট্রনীতির এই কৌশল বাংলাদেশের জন্য ভালো কাজ করেছে। তবে দিন যত যাচ্ছে বড় পরাশক্তিগুলো তাদের বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে যেকোনো একটি পক্ষকে বেছে নিতে ঢাকাকে ক্রমবর্ধমানভাবে চাপ দিচ্ছে।

২০২০ সালের অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন ডেপুটি সেক্রেটারি অব স্টেট স্টিফেন ই বিগান বাংলাদেশকে কোয়াডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে বিগান সেসময় অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করতে... মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিককে এগিয়ে নিতে মার্কিন প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন। বাংলাদেশ এই অঞ্চলে আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) কাজের কেন্দ্রবিন্দু হবে।

বাংলাদেশকে মার্কিন ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে টানতে যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রচেষ্টার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল চীন। ২০২১ সালের মে মাসে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং সতর্ক করে দেন, চার দেশের ছোট ক্লাব অর্থাৎ কোয়াড-এ বাংলাদেশ যোগ দিলে চীনের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

যদিও চীন প্রায়ই বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে বিদ্যমান দ্বন্দ্বে বাংলাদেশকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়েছে, তারপরও বেইজিং এর উল্টো কাজটিও করে আসছে। চীন তার গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) এবং গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই)-এ যোগ দিতে বাংলাদেশকে প্ররোচিত করছে। এদিকে বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে বাকযুদ্ধও চলছে। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা মস্কোতে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিন্দা করেছিলেন। তিনি সেসময় বলেন, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াগুলোকে প্রভাবিত করার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করছেন।

এর আগে ঢাকায় অবস্থিত রাশিয়ান দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে নিজেদের উন্নত গণতন্ত্র হিসেবে দাবি করা দেশগুলোর আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমালোচনা করা হয়। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষার অজুহাতে, যারা নিজেদের বিশ্বের শাসক বলে মনে করে সেই রাষ্ট্রগুলো অন্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার কাজ করে চলেছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে পিটার হাসের ক্রমবর্ধমান নানা কর্মকাণ্ডের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সমালোচনামূলক এই বক্তব্য সামনে এসেছিল। গত বছরের জুন মাসে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন পরিদর্শনের সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সাথে দেখা করেন। সেসময় রাষ্ট্রদূত পিটার হাস দেশে স্বচ্ছ নির্বাচনের আহ্বান জানান। বাংলাদেশে চলতি বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, ২০১৩ ও ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচন ব্যাপক অনিয়মের জন্য বিশ্বব্যাপী সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিল এবং এখনো উদ্বেগ রয়েছে যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করবে না। অতি সম্প্রতি, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস এক দশক ধরে নিখোঁজ বিরোধী দলের নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের পরিবারকে দেখতে যান। গত এক দশকে আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছে। আবার অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে বেশ চাঙ্গা হয়ে ওঠা বিএনপি অর্থনীতিতে সরকারের ভুল ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই বিক্ষোভগুলো গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় একটি বিশাল সমাবেশে পরিণত হয়েছিল। তবে সেখানেও বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর ঢাকায় মহাসমাবেশের কয়েকদিন পর সুমনের বাসায় যান পিটার হাস।

এদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে রাশিয়ার সমালোচনার জবাবে সরব হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক টুইট বার্তায় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে। রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিবৃতি ও পাল্টা বিবৃতি দিয়ে মোমেন বলেছিলেন, বাংলাদেশ চায় না রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশ আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান দেশটিকে ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে। ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান বিশেষজ্ঞ রবার্ট কাপলান ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, ভারত মহাসাগর হবে বিশ্বব্যাপী সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। কারণ বিশ্ব অর্থনীতিতে শিপিং বা পরিবহনের রুট হিসেবে এর গুরুত্ব রয়েছে। ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া এবং ভারত মহাসাগরে পরাশক্তিগুলোর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। অন্যদিকে ভারত মহাসাগরে চীনের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ সারা বিশ্বেই সুবিদিত। ভারত মহাসাগর এবং এর বিভিন্ন উপসাগর দিয়ে আফ্রিকার সাথে চীনের বেশিরভাগ বাণিজ্য হয়ে থাকে। এছাড়া নিজেদের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে এই অঞ্চলে চীনা উপস্থিতি বাড়ানোরও চেষ্টা করেছে বেইজিং। এ ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতিও হয়েছে।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, অতীতে পাকিস্তান এবং ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বলে যদি এখন ধরে নেওয়া হয় তাহলে বলতে হবে ওয়াশিংটন এখন ক্রমবর্ধমানভাবে বাংলাদেশ, নেপাল ও মিয়ানমারসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। এছাড়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ক্রমশ সোচ্চার হয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বাংলাদেশের এলিট আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এবং এর সাতজন বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন। অবশ্য বড় পরাশক্তি দেশগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ আরও দৃঢ় ভূমিকা পালন করতে পারত। কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, অর্থনৈতিক সংকট, সরকারের বৈধতা নিয়ে সংকট, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অভাব এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে দেশটির স্বাধীন ও যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল; বাংলাদেশি পণ্যের একক বৃহত্তম বাজারও যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া এশিয়ায় যেসব দেশ সবচেয়ে বেশি মার্কিন সাহায্য পেয়ে থাকে বাংলাদেশ সেসব দেশের একটি। অন্যদিকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে দৃঢ় অর্থনৈতিক সম্পর্ক। বাংলাদেশে বেইজিংয়ের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা কোনো একক দেশের কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বেশি। পরাশক্তি দেশগুলোর ওপর অর্থনৈতিক নির্ভরতা বাংলাদেশের স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাকে সীমিত করেছে বলে দাবি ডিপ্লোম্যাটের। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র গণতন্ত্রের লাঠি ব্যবহার করে বাংলাদেশকে নিজেদের দিকে টানছে, সেখানে চীন ও রাশিয়া আওয়ামী লীগ সরকারকে আর্থিক সহায়তাসহ নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে আসছে এবং সেটা আরও শক্তিশালী করার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রেখেছে।

দ্য ডিপ্লোম্যাট বলছে, যখন বৃহৎ শক্তিগুলো প্রভাব বিস্তারের জন্য লড়াই করছে এবং ক্ষমতাসীন সরকারও রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার দিকে মনোনিবেশ করছে, তখন সাধারণ মানুষের চাহিদা ঠিক কী সেদিকে কারো মনোযোগ নেই।

নিউজ ট্যাগ: পরাশক্তি

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে চীনা গোয়েন্দা বেলুন

শুক্রবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




কুমিল্লাকে উড়িয়ে বিপিএল শুরু রংপুরের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নবম আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৩৪ রানে পরাজিত করেছে রংপুর রাইডার্স।

প্রথমে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই কুমিল্লার বোলারদের ওপর চড়াও হন রনি তালুকদার। করলেন বাংলাদেশিদের মধ্যে বিপিএলের সবচেয়ে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি।

রংপুর রাইডার্স তাতে পেলো বেশ বড় সংগ্রহ। বোলাররাও পরে তাদের কাজটুকু করলেন ঠিকঠাক। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে রংপুর রাইডার্স। 

শুক্রবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩৪ রানে জয় পেয়েছে রংপুর। শুরুতে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে কুমিল্লার সামনে ১৭৭ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাট করে সব উইকেট হারিয়ে ১৪২ রানের বেশি করতে পারেনি কুমিল্লা। 

এই ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামে রংপুর রাইডার্স। আগের ম্যাচে একশ রানও তুলতে পারেনি শুরুতে ব্যাট করা দল। দ্বিতীয়টিতে পাওয়ার-প্লের ছয় ওভারেই কোনো উইকেট না হারিয়ে ৬৪ রান তুলে রংপুর। বিধ্বংসী শুরু এনে দেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটার নাঈম শেখ ও রনি তালুকদার। 

তাদের জুটি ভাঙে ৮৪ রানে এসে। খুশদিল শাহর বল সামনে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিং হন রনি। এর আগেই ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েছেন এই ব্যাটার। শেষ অবধি ১১ চার ও ১ ছক্কায় ৩১ বলে ৬৭ রান করেছেন তিনি। তার উদ্বোধনী সঙ্গী নাঈম ৩৪ বলে ২৯ রান করে ফজল হক ফারুকীর বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান। 

দুই ব্যাটারের বিদায়ের পর নিজের ইনিংসকে বড় করতে পারেননি সিকান্দার রাজা। ১০ বলে ১২ রান করে মোসাদ্দেক হোসেনের বলে ক্যাচ আউট হন তিনি। এরপর দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন শোয়েব মালিক। কিন্তু তিনি সোহানের সঙ্গে ভুল বুঝাবুঝিতে রান আউট হয়ে যান। 

ফারুকীর ওভারে প্রথম রান নেওয়ার পর দ্বিতীয়টির জন্য দৌড়ান মালিক। কিন্তু নিজের ক্রিজ ছেড়ে বের হননি সোহান। রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় ১ চার ও ছক্কায় ২৬ বলে ৩৩ রান করা মালিককে। অধিনায়ক সোহান অপরাজিত থেকে ১১ বলে করেন ১৯ রান। রংপুর পায় ১৭৬ রানের সংগ্রহ। 

জবাব দিতে নেমে কুমিল্লা উদ্বোধনী জুটিতে লিটন দাসের সঙ্গে সৈকত আলিকে পাঠায়। ১২ বলে ১০ রান করে রাকিবুল হাসানের বলে লিটন ফিরলে তাদের ২৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে যায়। ২১ বলে ১৬ রান করে ফেরেন সৈকত। 

উইকেটে এসে প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন ডেভিড মালান। তাকেও রংপুর ফেরায় ভয়ঙ্কর হওয়ার আগেই। ২ চার ও ১ ছক্কায় ৯ বলে ১৭ রান করেন মালান। এরপর মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নেন ইমরুল কায়েস। 

তাদের দুজনের জুটিতে আসে ৫৮ রান। ২৩ বলে ৩৫ রান করে ইমরুল কায়েসকে আজমাতুল্লাহ ওমারজাই ফেরালে জুটি ভেঙে যায়। এরপর আর বেশিদূর আগাতে পারেনি কুমিল্লা। ৯ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়ে ছিটকে যায় ম্যাচ থেকে। রংপুরের পক্ষে ৩ ওভার ১ বল হাত ঘুরিয়ে ২০ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন হাসান মাহমুদ।


আরও খবর