Logo
শিরোনাম

প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ উনিশ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ঢাকার উত্তরে জয়দেবপুরে (বর্তমান গাজীপুর) অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।

এই উপলক্ষে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে শহীদদের কবর জিয়ারত ও আলোচনা সভা  ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসন সকাল ১১টায় আলোচনা সভা এবং বিকেলে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেয়া ভাষণে তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে, এই মন্ত্রবলে বলিয়ান হয়ে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই ঢাকার অদূরে জয়দেবপুরে অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা সশস্ত্র সেনাবাহিনীর সামনে প্রথমবার রুখে দাঁড়িয়েছিল। হাজার-হাজার জনগণ অবতীর্ণ হয়েছিল সেই সম্মুখযুদ্ধে।

১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়। এ খবর জানা-জানি হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই  শহীদ হতাহত হয় অনেকে। এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম  সশস্ত্র  প্রতিরোধ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ জয়দেবপুরের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে স্বহস্তে লিখে একটি বাণী প্রদান করেছিলেন। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে এই বাণী বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ওই সময় বাণীতে বঙ্গবন্ধু বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ শে মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি স্মরণীয় দিন। ঐ দিন পাক মিলিটারি বাহিনী জয়দেবপুরে ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের জওয়ানদের নিরস্ত্র করার প্রয়াস পেলে জয়দেবপুর থানা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগের যৌথ নেতৃত্বে কৃষক, ছাত্র, জনতা সবাই বিরাট প্রতিরোধের সৃষ্টি করে। ফলে, মিলিটারির গুলিতে তিনটি অমূল্য প্রাণ নষ্ট হয় এবং বহু লোক আহত হয়।’

বাণীতে তিনি বলেন, আমি তার কয়েকদিন মাত্র পূর্বে ৭ই মার্চ তারিখে ডাক দিয়েছিলাম, যার কাছে যা আছে, তাই দিয়ে  প্রতিরোধ গড়ে তোল। জয়দেবপুরবাসীরা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। আমি তাদের মোবারকবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, কোন মহৎ কাজই ত্যাগ ব্যতীত হয় না। জয়দেপুরের নিয়ামত, মনু, খলিফা ও চান্দনা চৌরাস্তায় হুরমতের আত্মত্যাগও বৃথা যায় নাই। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না। তাই, আজ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের ফলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধু বলেন, দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রাম শেষ হয়েছে। আসুন আজ আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশ গড়ার সংগ্রামে লিপ্ত হই।’ তিনি জয় বাংলা বলে বাণীটি শেষ করেন।


আরও খবর



ইউরোপের ৮৫ কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করেছে রাশিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিবিদদের বহিষ্কার করেছে রাশিয়া। ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেনের ৮৫ জন কূটনৈতিক কর্মকর্তাকে রাশিয়া থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটি। বুধবার ইউরোপের দেশগুলো থেকে রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের বহিষ্কারের প্রতিশোধ হিসেবে রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছেতাঁরা ফ্রান্সের ৩৪ জনকে কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করেছে। তাদের দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে রাশিয়া ত্যাগ করার জন্য। রাশিয়ায় নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত পিয়েরে লেভিকে রাশিয়ার তলব করে জানিয়ে দিয়েছে, ফ্রান্স থেকে রাশিয়ার ৪১ কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করার বিষয়টি স্পষ্টতই উসকানিমূলক এবং অমূলক সিদ্ধান্ত।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে আরও জানায়, তাঁরা স্প্যানিশ দূতাবাসের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও রাশিয়া থেকে অবাঞ্ছিত বলে ঘোষণা করেছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে তাদের রাশিয়া ত্যাগ করতে হবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাঁরা রাশিয়ায় স্পেনে রাষ্ট্রদূত মারকোস গোমেজ মার্টিনেজকে জানিয়েছে, মাদ্রিদ থেকে রাশিয়ার কূটনীতিবিদদের বহিষ্কারের বিষয়টি রাশিয়া-স্পেন সম্পর্কে ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না। বিপরীতে স্পেন রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে।

এদিকে, রাশিয়া থেকে ইতালিরও ২৪ কূটনীতিবিদকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ বিষয়ে রাশিয়ার তরফ থেকে অফিশিয়াল কোনো বিবৃতি না দিলেও ইতালি তাদের কূটনীতিবিদদের বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভাও রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি রাশিয়ার এই পদক্ষেপকে বৈরী আচরণ বলে আখ্যা দিয়েছেন।


আরও খবর



‘সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তে ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।  নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



তেল-জ্বালানিসহ সবকিছুর দাম সারা বিশ্বেই ঊর্ধ্বমুখী: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তেল, জ্বালানিসহ সবকিছুর দাম সারা বিশ্বে ঊর্ধ্বমুখী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (৬ মে) দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিঙ্ক রোড ছয় লেনে উন্নীতকরণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের প্রতিবেশী দেশসহ অনেক দেশে ডাবলেরও বেশি বেড়েছে। এর কারণ হলো ইউক্রেন যুদ্ধ। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেলের দামের ওপর প্রভাব পড়ছে। তেল, জ্বালানিসহ সবকিছুর দাম সারা বিশ্বেই ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ তো আইসোলেটেড কোনো আইল্যান্ড নয়। কাজেই এর প্রভাব-প্রতিক্রিয়া সব জায়গায় পড়বে, কিছু করার নেই।

ঈদযাত্রা নিয়ে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আসল কথা হলো, মানুষ যখন আনন্দ পায়, বিএনপির তখন কষ্ট হয়, তাদের গায়ে জ্বালা হয়, তারা কষ্ট পায়। মানুষ নির্বিঘ্নে এবারের ঈদযাত্রা সম্পন্ন করেছে এবং ফিরতি যাত্রায়ও কোনো ভোগান্তি হয়নি।


আরও খবর



সাকিবের করোনায় আক্রান্ত, অনিশ্চিত চট্টগ্রাম টেস্টে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম টেস্টের আগে করোনা পজিটিভ হয়েছেন সাকিব আল হাসান।

প্রথম টেস্টে থাকছেন না তিনি। খবরটি নিশ্চিত করেছেন বিসিবি চিকিৎসক মনজুর কাদের।

চট্টগ্রামে বাংলাদেশ দল অনুশীলন শুর করলেও দুদিন বাড়তি ছুটি দেওয়া হয়েছিল সাকিবকে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে মঙ্গলবার সকালে দেশে ফেরেন তিনি। শ্রীলঙ্কা সিরিজে জৈব সুরক্ষা বলয় না থাকলেও নিয়ম অনুযায়ী করোনা পরীক্ষা করিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিতে হবে যে কাউকে। 

সাকিবের করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে মনজুর কাদের বলেছেন, সাকিব আজকে সকালে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। এই সিরিজে আমাদের মেডিকেল প্রটৌকল অনুযায়ী, যে কাউকে দলে যোগ দিতে হলে করোনা টেস্টে নেগেটিভ হতে হবে। আমরা আজকে সকালে সাকিবের করোনা পরীক্ষা করেছি, ওই টেস্টের রিপোর্টে উনি পজিটিভ এসেছেন।

প্রথম টেস্টে সাকিবের খেলার সম্ভাবনা জানিয়ে মনজুর বলেছেন, মেডিকেল প্রটৌকল অনুযায়ী পাঁচদিন উনাকে আইসোলেশনে থাকতে হবে। ওই অনুযায়ী ১৪ তারিখ পর্যন্ত উনার আইসোলেশন থাকতে হবে। এরপর কোভিডের পর ফিটনেস ইস্যু হিসাব করে প্রথম টেস্টে উনার না খেলার সম্ভাবনাই বেশি।


আরও খবর



‘২ ছেলেকে হত্যার পর ফ্যানে মাথা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা সাদিয়ার’

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিজের দুই ছেলেকে হত্যা করে চলন্ত ফ্যানের মধ্যে মাথা দিয়ে মা সাদিয়া বেগম নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

রোববার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনর্বাসন এলাকা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শিশু দুটির মাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহত ওই দুই শিশুর নাম সাজিম (৬) ও দেড় বছরের সানি। তারা উপজেলা নিকরাইল ইউনিয়নের ১ নম্বর পুনর্বাসন এলাকার ইউসুফ মিয়ার ছেলে।

প্রথমে পরিবারের সদস্যসহ স্থানীয়রা ধারণা করেছিলেন, ঘরের ভেতর ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় চলন্ত ফ্যান তাদের উপর খুলে পড়ে। এতে ওই দুই শিশুর মৃত্যু হয় এবং তাদের মা সাদিয়া আহত হয়। স্থানীয়রা জানান, সাদিয়া বেগমের তৃতীয় স্বামী ইউসুফ মিয়া এবং সাদিয়া ইউসুফের দ্বিতীয় স্ত্রী।

নিহত শিশুদের নানি সূর্য বেগম জানান, তার জামাতা তাদের এখানে থেকে মাছ শিকার করে সংসার চালান। ভোরে তিনি মাছ ধরার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। অনেক বেলা হলেও তার মেয়ে এবং নাতিদের সাড়াশব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। পরে তিনি তার জামাতাকে ফোন করে বিষয়টি জানান। ইউসুফ এসে টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দুই ছেলের মরদেহ এবং স্ত্রীকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সাদিয়াকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত সাদিয়াকে দুপুরে হাসপাতালে আনা হয়। মাথায় কয়েকটি সেলাই দেয়ার পর তাকে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, সাদিয়া বেগম দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে কষ্টের মধ্যে ছিলেন। সাদিয়ার ধারণা ছিল ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী তার দুই ছেলেকে হত্যা করতে পারে। এ কারণে তিনি নিজেই ভোরে দুই ছেলেকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন। এরপর চলন্ত ফ্যানের মধ্যে মাথা দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় ফ্যানের দুটি পাখা দুটি ভেঙে নিচে পড়ে যায়। বর্তমানে সাদিয়া টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সাদিয়া দুই ছেলেকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে জানান পুলিশ সুপার।


আরও খবর