Logo
শিরোনাম

প্রতি কেজি সবজির দাম ১ লাখ টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারাবিশ্বের কাছে এই গাছটির অবশ্য আলাদা একটি পরিচয় রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে দামি সবজির গাছ এটি। এর প্রতি কেজির দাম ১ লাখ টাকারও বেশি!

বাজারে চাহিদা না থাকায় ভারত-বাংলাদেশে এই সবজির চাষ হয় না। মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকায় এর বহুল উৎপাদন হয়ে থাকে।

হিউমুলাস লুপুলাস একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। সম্প্রতি ভারতের বিহারের এক ব্যক্তি তার জমিতে এই গাছের চাষ করেন। এক আইএএস অফিসার সবজির ছবিসহ দামের উল্লেখ করে ইন্টারনেটে পোস্ট করা মাত্রই হইচই পড়ে গেছে।

বিহারের ওই ব্যক্তির নাম অমরেশ সিংহ। ভারতে তিনিই প্রথম এই সবজির চাষ করছেন। এর নাম হপ শুটস।বিহারের আওরঙ্গবাদে প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ৫ কাঠা জমিতে তিনি এই সবজির চাষ করেছেন।

সবজিটি দেখতে অনেকটা অ্যাসপারাগাসের মতো। খেতেও অনেকটা সে রকমই। অ্যাসপারাগাস যেভাবে রান্না করে খেতে হয় এই সবজিও সেভাবেই খেতে পারেন। এ ছাড়া আরও অনেক ব্যবহার রয়েছে এর।

এই গাছের ফুল হপ নামে পরিচিত। এই ফুল দিয়ে বিয়ার তৈরি করা হয়। কোনও পানীয়তে সুগন্ধী দেওয়ার কাজেও লাগে এই ফুল। হপ ফুল দিয়ে তৈরি বিয়ার সহজে নষ্ট হয় না।

মূলত পানীয় তৈরিতেই প্রথম এই গাছের ব্যবহার সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারপর ধীরে ধীরে এর ঔষধি গুণ সামনে আসতে শুরু করে।

ওই সবজি প্রথম চাষ হয় ৭৩৬ সালে জার্মানিতে। তবে প্রথম হপ শুটস পানীয়তে ব্যবহার করা হয় ১০৭৯ সালে। পরবর্তী কালে হপ শুটস-এর আরও অনেক ঔষধি গুণের কথা সামনে আসে।

এর বিশেষ অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল গুণ রয়েছে। টিবি রোগীদের ওষুধ তৈরিতে, ক্যানসারের চিকিৎসায় কাজে লাগে হপ শুটস। এই সমস্ত কারণেই হপ শুটস-এর এমন আকাশছোঁয়া দাম।

হপ শুটস-এর মধ্যে থাকা অ্যাসিড ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ক্যানসারের ওষুধ তৈরিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই হপ শুটস নিয়ে বহু গবেষণাও চলছে।

এই গাছটি মূলত ঝোপ প্রকৃতির। ফুলগলো সবুজ রঙের আর খুব নরম। তাই খুব সাবধানে গাছ থেকে তুলতে হয় সেগুলো। তোলার সময় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা আর বিক্রির যোগ্য থাকে না।


আরও খবর



দক্ষিণখানে আ.লীগ নেতা জাপানি হান্নানের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর দক্ষিণখানে আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম হান্নান ওরফে জাপানি হান্নানের শটগানের গুলিতে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দক্ষিণখানের আইনুছবাগে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ব্যবসায়ীর নাম আব্দুর রশিদ (৪২)। তিনি ওই এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। আব্দুর রশিদ রড ও সিমেন্টের ব্যবসা করতেন। তার বড় ভাই দক্ষিণখান থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

জানা যায়, দক্ষিণখান থানাধীন আশকোনায় ময়লার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আজ দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাপানি হান্নান ও সোহেল রেজা গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয়পক্ষে গোলাগুলির ঘটনায় একজন নিহত ও একাধিক আহত হন।

দক্ষিণখান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয় জাপানি হান্নান নিহত যুবককে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন। প্রথম গুলিটি না লাগলেও দ্বিতীয় গুলিটি যুবকের মাথায় লাগে। পরে ওই যুবককে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

এদিকে ঘটনার পরপরই সেখানে থাকা একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।


আরও খবর

লকডাউনেও ট্রাফিক জ্যাম

মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১




সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৯৭১ ও তার পূর্ববর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের বাংলাদেশে কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একটা চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে আছে। এর মধ্যেও সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় আক্রমণ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং এদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক দল ও জোট এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনভাবেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে, রাম-রহিমের বাংলাদেশে, ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সে ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হবে। কঠোরভাবে তাদের দমন করা হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু,  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ খান টিটু প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী এবং এদেশীয় দোসররা নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেজন্য ইতিহাসে ২৫ মার্চ একটা বর্বরোচিত কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ নির্মম ঘটনা যারা সংগঠিত করেছিল তাদের দোসর এদেশীয় একটি শ্রেণি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুনর্বাসিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রাজনীতিতে ও সরকারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এভাবেই পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করার ব্যবস্থা করেছিল।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ২৫ মার্চ নতুন নয়। অথচ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার আমলে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অতীতে কেউ এটি করেনি। কারণ ২৫ মার্চের গণহত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের উত্তরসূরিরা বাংলাদেশের প্রশাসনে, রাষ্ট্র ক্ষমতায়, রাজনীতিতে রয়ে গেছে। এজন্য ২৫ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতীতের সরকারগুলো পালন করেনি। কিন্তু দৃঢ়চেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলেই মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য। কারণ বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ যেখানে প্রত্যেকের অধিকার থাকবে সম পর্যায়ে, ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ছোট করে দেখা হবে না। কেউ বঞ্চনার শিকার হবেন না। এরকম বাংলাদেশ যারা চায়নি তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, এ মূহুর্তেও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বিষোদগার করা হচ্ছে। আবার এক শ্রেণির মৌলবাদিরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসার জন্য বিক্ষোভ করার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি অতিথিরা এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবেন, সেক্ষেত্রেও বিএনপি বাধা দিচ্ছে। ভারতবিরোধী রাজনীতির একটা ট্রাম্পকার্ড ছুঁড়ে দেয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছেন। তারা ভুলে গেছেন বাংলাদেশে এ রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড এখন চলে না। এ জাতীয় রাজনীতির ভন্ডামিতে মানুষ এখন বিভ্রান্ত হয় না।

ঐক্যবদ্ধভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সুন্দরভাবে আমাদের বিনির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা আবশ্যক। কারণ বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে আমরা কেউ ভালো থাকবো না। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী ও এদের পৃষ্ঠপোষকদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।


নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর



দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী ও মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সফররত মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে একান্ত বৈঠকে বসেন দুই নেতা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আসেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ। এ সময় কার্যালয়ের টাইগার গেটে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৈশভোজে অংশ নেবেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম সলিহ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দশ দিনের আয়োজনে যোগ দিতে তিন দিনের সফরে বুধবার সকালে বাংলাদেশে আসেন ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ এবং ফাস্টলেডি ফাজনা আহমেদ।

বুধবার জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ও ফাস্টলেডি।


আরও খবর



সুনামগঞ্জের শাল্লা থানার ওসি সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি বদলি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুনামগঞ্জ থেকে জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রাম নোয়াগাঁও হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে সুনামগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত নূর আলমকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমনার বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাল্লা থানা ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছিলো।

এ ব্যাপারে সিলেট পুলিশ রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শাল্লা উপজেলায় হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে হামলার ঘটনায় শাল্লার থানার ওসি ও দিরাই থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গিয়েছে সেজন্য শাল্লা থানার ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করে বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত হতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামে মৌলভীবাজার জেলায় বদলী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের গোপেন্দ্র দাসের ছেলে ঝুটন দাস আপন।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ সেই রাতে শশখাই বাজার থেকে ঝুটন দাসকে আটক করে। পরদিন, ১৭ মার্চ সকালে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে  হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ১৮ মার্চ সকালে র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এলাকা পরিদর্শন করেন। ওই দিন বিকালে বাড়ি ঘরে হামলার বিষয়ে পৃথক দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় সহস্রাধিকজনকে আসামী করা হয়েছে। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। মামলায় ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০০জনকে আসামী করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে ১৯ মার্চ গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে আত্বগোপনে থাকা শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মেম্বারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও নোয়াগাও গ্রামের সংখ্যালঘুদের গ্রামে হামলার ঘটনায় ১৮ মার্চ দুটি ও ২২ মার্চ আরেকটি মামলা হয়। ১৮ মার্চ করা দুটি মামলার একটির বাদী শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম। ২২ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছেন শাল্লা থানার এসআই আবদুল করিম। এদিকে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আদালতে ৭২জনের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছেন নিভা রানী দাস। তিনি ঐ গ্রামের বাসিন্দা ও মাওলানা মামুনুল হক কে কটুক্তি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আসামী ঝুমন দাস আপনের মা। মামলায় আসামি করা হয়েছে শহীদুল ইসলাম স্বাধীন মেম্বার সহ ৭২ জন ও অজ্ঞাত ২ হাজার। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট শাল্লা জোন আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



হেলে পড়ায় চট্টগ্রামে পাঁচতলা ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বড় ধরনের দুর্ঘটনা যাতে না ঘটতে পারে সেজন্য আশপাশের অন্তত ৪০টি পরিবারের প্রত্যেককে আমরা বলেছি সেই পরিবারগুলো এরই মধ্যে সরে গিয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে

চট্টগ্রামের এনায়েত বাজারে পাঁচতলা একটি ভবন হেলে পড়ায় ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে ফায়ার সার্ভিস। গতকাল শনিবার রাতে এনায়েতবাজার গোয়ালপাড়া এলাকায় ভবনটি হেলে পড়ার ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, শনিবার রাত ১০টার দিকে গোয়ালপাড়ার পাঁচতলা কার্তিক ভবনটি হেলে পড়ে। ভবনে কার্তিকের পরিবারসহ তারা পাচঁভাই বসবাস করছিল। সামনের একটি পিলার ভবন থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া এবং ও ভবন হেলে পড়ার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ভবনের ফ্লোরে থাকা লোকজনকে নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। আশপাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থাকা ৪০টি পরিবারের মানুষজনকেও সরিয়ে নেয় পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, কারিগরি ত্রুটির কারণে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণভাবে হেলে পড়েছে। ভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আগে ভবনটি সরিয়ে নিতে কার্যকর উদ্যেগের কথা জানায় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) উপকমিশনার বিজয় বসাক বলেন, বড় ধরনের দুর্ঘটনা যাতে না ঘটতে পারে সেজন্য আশপাশের অন্তত ৪০টি পরিবারের প্রত্যেককে আমরা বলেছি সেই পরিবারগুলো এরই মধ্যে সরে গিয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিতেও বলেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে নির্মাণে ত্রুটির কারণে এটি হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মো. আলী বলেন, ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। রবিবারই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে।


আরও খবর