Logo
শিরোনাম

পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ট্রেইনি কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। জেলা অনুযায়ী শূন্যপদের বিপরীতে ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও জানা গেছে এবার সব জেলা মিলিয়ে প্রায় ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে ন্যূনতম এসএসসি পাস করা বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি যেকোনো নারী ও পুরুষ আবেদন করতে পারবেন। তবে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ যারা বয়সসীমার মধ্যে পৌঁছেছেন তারাও এবার সুযোগ পাচ্ছেন আবেদনের। এক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য কোটা অনুসরণ করা হবে।

শুক্রবার সকাল থেকে ১০টা থেকে চলতি বছরের ৭ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে আবেদন করা যাবে। police.teletalk.com.bd এ লগ ইন করে আবেদন করা যাবে। মাত্র ৩০ টাকা (অফেরতযোগ্য) খরচে এই নিয়োগে আবেদনের সুযোগ মিলছে।

আবেদনের যোগ্যতায় জিপিএ-৫ এরমধ্যে কমপক্ষে ২.৫ থাকতে হবে। হতে হবে বাংলাদেশি। তবে বিবাহিত বা তালাকপ্রাপ্ত কেউ এতে আবেদন করতে পারবেন না।

এবার নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চতা ও বুকের মাপে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুরুষদের কনস্টেবল হওয়ার জন্য উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি থাকতে হবে। তবে এবার নারীদের জন্য ৫ ফুট ২ ইঞ্চির স্থলে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশে ২ লাখ ১০ হাজারের মতো ফোর্স রয়েছে। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধাপে ধাপে আরও ৫০ হাজার পুলিশ নিয়োগের নির্দেশনা দেন। তবে করোনার কারণে ২০২০ সালে পুলিশের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি।

এবার নতুন নিয়মে কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সাত ধাপে এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে কোনো ধাপে অকৃতকার্য হলে ওই প্রার্থী আর কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবেন না।

নতুন নিয়মের পরীক্ষার ধাপগুলো হচ্ছে প্রিলিমিনারি স্ক্রিনিং, শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল অ্যান্ডুরেন্স টেস্ট, লিখিত পরীক্ষা, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা, প্রাথমিক নির্বাচন, পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভূক্তকরণ।

আবেদনের পর আবেদনকারীর মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস করা হবে। এসএমএসে নিয়োগ সংক্রান্ত ওয়েব পোর্টালে লগইন করার জন্য ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। সেই পোর্টালে লগইন করে আবেদনকারীকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিতে হবে।

সেই প্রবেশপত্র প্রিন্ট করে নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে অংশগ্রহণ করতে হবে। নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর দিন প্রার্থীদের পুলিশের নির্ধারিত স্কেলে বুকের মাপ ও ওজন-উচ্চতা নেওয়া হবে। এরপর প্রার্থীর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে তাকে পরবর্তী পরীক্ষার জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে তার ফরমে একটি সিল দেওয়া হবে।

পরবর্তী ধাপে অনুষ্ঠিত হবে শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা। এই পরীক্ষার আগে প্রার্থীকে ইনডেমনিটির ঘোষণাপত্র নামে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমে ওই প্রার্থী শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ আছে বলে ঘোষণা দিয়ে স্বাক্ষর করবেন।

শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য ধাপে ধাপে সাতটি ইভেন্টে অংশ গ্রহণ করতে হবে। সেগুলো হচ্ছে- দৌড়, পুশ আপ, লং জাম্প, হাই জাম্প, ড্র্যাগিং ও রোপ ক্লাইমিং। এই ধাপের কোনো একটিতে অকৃতকার্য হলে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না এবং সেখানেই তার পুলিশ হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাবে।

শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের ষষ্ঠ ধাপে রয়েছে ড্র্যাগিং পরীক্ষা। এই ধাপে পুরুষ প্রার্থীদের ১৫০ পাউন্ডের টায়ারকে টেনে ৩০ ফুট দূরত্ব ও নারী প্রার্থীদের ১১০ পাউন্ড ওজনের টায়ার ২০ ফুট দূরত্বে আনতে হবে। এছাড়াও রোপ ক্লাইমিং পরীক্ষায় পুরুষদের ১২ ফিট এবং নারীদের ৮ ফিট দড়ি বেয়ে ওপরে উঠতে হবে।

শারীরিক সক্ষমতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সব ডকুমেন্ট নিয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। লিখিত পরীক্ষায় বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত ও সাধারণ বিজ্ঞান বিষয়ে ৪৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ১৫ নম্বরের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এরপর লিখিত, মৌখিক ও মনস্তাত্ত্বিক পরীক্ষার পর উত্তীর্ণদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


আরও খবর



ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছ অহরণে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে

সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উপকূলীয় মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা: সুনীল অর্থনীতি ও রুপকল্প ২০৪১ প্রেক্ষিত শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেস্ট ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ সমুদ্রসীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সমুদ্র আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সম্ভার। সমুদ্রে থাকা জলজ সম্পদ তথা প্রচলিত বা অপ্রচলিত মাছ, সীউইড সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারলে এগুলো বহির্বিশ্বে রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় যোগান হবে। সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হলে প্রচলিত মৎস্য, অপ্রচলিত মৎস্য এবং সীউইডকে পরিচর্যা করে এ ক্ষেত্রকে উপযুক্ত করে নিয়ে আসতে হবে। সামুদ্রিক এ মৎস্যসম্পদ আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির যোগানের পাশাপাশি রপ্তানির মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, রূপকল্প ২০৪১ হচ্ছে সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ উন্নত হবে। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হলে আমাদের অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে হবে। আর অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে আমাদের সম্পদ রপ্তানি করতে হবে। এজন্য সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সুনীল অর্থনীতিকে কার্যকর করতে হবে। আর এ কাজে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে

এ সময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তীতে দূরদৃষ্টি দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। একসময় নানা কারণে দেশে মাছের সংকট দেখা দিয়েছিল। মাছ দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল, হারিয়ে যাচ্ছিলো। সে জায়গা থেকে গবেষণা ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ৩১ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। সরকারের সঠিক ভূমিকা ও ব্যবস্থাপনার কারণে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছ অহরণে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চলসহ ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে স্থান উপযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মৎস্য খাতে রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হতে পারে, উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারে, খাবারের বড় জোগান তৈরি হতে পারে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হতে পারে। এ জন্য মৎস্যসম্পদের উন্নয়সে সবাই মিলে কাজ করতে হবে- যোগ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য খাতে যারা গবেষণা করছেন, বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছেন, মাঠে কাজ করছেন এবং যারা ব্যবস্থাপনা করছেন তাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। তাদের নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্রকে ধারণ করতে হবে, দায় নিতে হবে। সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রত্যেককেই অবদান রাখতে হবে।-জানান মন্ত্রী।

বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও বিএফআরআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মৎস্য বিজ্ঞানী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধি সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




গাজীপুর থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুর থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (২৫ আগস্ট) মধ্যরাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ)।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এটিইউর পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান।

এটিইউ জানায়, এটিইউর একটি দল গোপন সংবাদ ও নিজস্ব নজরদারির ভিত্তিতে গাজীপুরের শরিফপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো. শরিফুল ইসলাম (১৯) নামে ওই জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। সে কামরাঙ্গীরচর থানার একটি মামলায় আটক আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য মো. পারভেজের অন্যতম সহযোগী। শরিফুল দীর্ঘদিন ধরে পারভেজের উগ্রপন্থী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। এটিইউর অভিযানে মো. পারভেজ কামরাঙ্গীর চর থেকে গ্রেফতার হওয়ায় সে অবস্থান পরিবর্তন করে এবং পুরনো ও নতুন সদস্যদের সংগঠিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল শরিফুল।

মোহাম্মদ আসলাম খান জানান, গ্রেফতার মো. শরিফুল ইসলাম সোশ্যাল মিডিয়া ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ব্যবহার করে উগ্রপন্থী মতবাদ প্রচার এবং অন্যদের জঙ্গিবাদে জড়াতে উৎসাহিত করে সশস্ত্র জিহাদে অংশগ্রহণ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পরিকল্পনা করে আসছিল। সেই প্রস্তুতিকালেই তাকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে কামরাঙ্গীরচর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, বিভিন্ন উগ্রপন্থী কন্টেন্ট, সাংগঠনিক আলাপ-আলোচনা ও পরিকল্পনা সংক্রান্ত স্ক্রিনশটের প্রিন্ট কপি ডিজিটাল এভিডেন্স হিসেবে জব্দ করেছে এটিইউ।


আরও খবর

ইভ্যালির এমডি রাসেল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




শাফিন আহমেদকে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ প্রদান

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা ও সংগীত পরিচালক শাফিন আহমেদকে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ প্রদান করেছেন দলটির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। ৯ম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা মোতাবেক তিনি এ নিয়োগ দেন।

রবিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় পার্টির যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সংগীতশিল্পী শাফিন আহমেদকে (ঢাকা) জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে (নোয়াখালী) কেন্দ্রীয় সদস্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের দলের ৯ম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা মোতাবেক তাদেরকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়োগ ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে মেয়র পদে নির্বাচন করেন শাফিন আহমেদ। যদিও এরপর তাকে দলটির কার্মকান্ডে আর সক্রিয় দেখা যায়নি।



আরও খবর



কালো বলে আমাকে আলাদা করে রাখা হয়েছিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জর্জ ফ্লয়েডের ঘটনায় যখন উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা বিশ্ব, ঝড় উঠেছিল বর্ণ-বৈষম্যের প্রতিবাদে, তখন সেই ঝড়ের হাওয়া এসে পড়েছিল ভারতেও। অনেকেই সে সময় নেটমাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন। তবে আর এক দল এই দৃষ্টান্তের সমালোচনা করে বলেছিলেন যে যারা ভিন দেশের এক বাসিন্দার এই করুণ পরিণতিতে চোখের জল ফেলছেন, তাদের অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না নিজের দেশে বর্ণবিদ্বেষমূলক ঘটনার নিন্দায়।

 অথচ, আমেরিকার মতো প্রকট না হলেও, ভারতে বর্ণবিদ্বেষমূলক ঘটনা ঘটে আকছার। কখনও রঙ কালো হওয়ায় বিয়েতে প্রত্যাখ্যাত হচ্ছেন কোনও মহিলা, তো কখনও অপমানজনক মন্তব্যের শিকার হতে হচ্ছে কাউকে। বিশেষত ফিল্ম ও মডেলিংয়ের জগতে বহু দিন ধরেই এমন সমস্যার শিকার হয়ে এসেছেন কলাকুশলীরা। সম্প্রতি তেমন এক অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী এষা গুপ্ত।

এষা প্রথম বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন ইমরান হাসমির বিপরীতে, জন্নত ২ ছবিতে। তার পর থেকে নিজের ছবির জন্য না হলেও, সাজ-পোশাক এবং রূপটানের জন্য মাঝেমাঝেই শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। কিন্তু এই ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করে নেওয়া সহজ ছিল না তাঁর জন্য, বিশেষত নিজের গায়ের রঙের জন্য। গায়ের রঙ সামান্য চাপা হওয়ায় প্রথম থেকেই আলাদা করে রাখা হয়েছিল তাঁকে।

তাঁর অপরিচিত সহকর্মী অভিনেতারাও তাঁকে উপদেশ দিতেন ফর্সা হওয়ার জন্য। একটি সাক্ষাৎকারে এষা অকপটে জানিয়েছেন যে এমন এক সময় ছিল যখন তাঁর রূপটান শিল্পীরাও সচেতন ভাবে চেষ্টা করতেন তাঁর কালো রঙ ঢাকা দিতে। সেক্সি বা লাস্যময়ী হিসেবে সহজেই তাঁকে দেগে দেওয়া হয়েছিল যেহেতু তাঁর গায়ের রং কালো।

নিউজ ট্যাগ: এষা গুপ্ত

আরও খবর



কানাডায় স্ত্রীর নামে এমপি শিমুলের ‘আলিশান’ বাড়ির তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের তালিকায় নাটোরের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুল ও তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নাম বাদ পড়ায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়

নাটোর-২ আসনের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নামে কানাডার বাড়ি কেনার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের নিয়ে এক মামলার শুনানির সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি বিচারপতি এসএম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, এর আগে দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের একটি তালিকা দাখিল করা হয়।

দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের তালিকায় নাটোরের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুল ও তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নাম বাদ পড়ায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

এ বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে নাটোরের সানরাইজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. রেজাউল চৌধুরী হাইকোর্টে পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করেন।

রোববার আদালত আবেদন নিষ্পত্তি করে তার কাছে নাটোরের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রীর নামে কানাডার বাড়ি কেনার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা তাকে নিজে হলফনামা করে হাইকোর্ট, দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে আদেশ দিয়েছেন।

‘স্ত্রীর নামে কানাডায় বাড়ি কিনেছেন এমপি শিমুল’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার টরন্টো থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরত্বের নিরিবিলি শহর স্কারবোরো। শহরটির হেয়ারউড সড়কের ৭৩ নম্বর বাড়িটির মালিক একজন বাংলাদেশি নাগরিক। নাম শামীমা সুলতানা জান্নাতী। গত বছরের শুরুর দিকে প্রায় দুই মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার খরচ করে ডুপ্লেক্স ওই বাড়িটি কেনেন তিনি। বাংলাদেশি পাসপোর্ট অনুযায়ী তার পেশা গৃহবধূ’ হলেও শামীমা কোনো সাধারণ নারী নন, নাটোরের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রী।

টরন্টোর ল্যান্ড রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল বলছে, ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি পাঁচ রুম, পাঁচ বাথ এবং তিনটি পার্কিংসহ ওই বাড়িটির মালিকানা বদল হয়। সঞ্চিত এবং সুধীর মদন নামের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ১৪ লাখ ৫৬ হাজার কানাডিয়ান ডলারে বাড়িটি কেনেন শামীমা সুলতানা জান্নাতী। ওই দিনই দুই লাখ ৭০ হাজার ডলার ট্যাক্সও পরিশোধ করেন তিনি। সব মিলিয়ে বনেদি বাড়িটি কিনতে তার খরচ হয় প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা।

অনুসন্ধান বলছে, স্ত্রীর নামে শিমুলের আলিশান বাড়ি কেবল কানাডাতেই সীমাবদ্ধ নয়। নাটোর সদরেও বিদেশি নকশার একটি রাজপ্রাসাদ’ গড়েছেন তিনি। করোনাকালে নির্মিত জান্নাতী প্যালেস’ নামের ট্রিপ্লেক্স ওই বাড়িটি নির্মাণে ঠিক কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার সঠিক তথ্য কেউ দিতে না পারলেও স্থানীয়দের ভাষ্য, দশ কোটি টাকার নিচে এমন আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত বাড়ি নির্মাণ সম্ভব নয়।

নাটোরের লোকেরা ভবনটিকে এমপি বাড়ি’ হিসেবে জানলেও দলিল অনুযায়ী এই বাড়িটিরও মালিক শামীমা সুলতানা জান্নাতী। কাগজে-কলমে দেশ-বিদেশে দু-দুটি অভিজাত বাড়ির মালিক হলেও এমপিপত্নী শামীমার ব্যক্তিগত আয়-ব্যয়ের হিসাব বেশ চমকপ্রদ।

তিন বছর আগে (২০১৮-১৯) শামীমার মোট সম্পদের মূল্য ছিল দুই কোটি ১৪ লাখ টাকা। পরের বছর (২০১৯-২০) এই সম্পদ মাত্র ১৬ লাখ টাকা বৃদ্ধি পায়। তবে চলতি বছর অর্থাৎ করোনা জর্জরিত ২০২০-২১ অর্থবছরে শামীমার সম্পদ বেড়েছে চার কোটি ২২ লাখ টাকারও বেশি, যা রীতিমতো বিস্ময়কর। এর ফলে শামীমার মোট সম্পদের মূল্য এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ছয় কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার ২৮৪ শতাংশ।

সরকারি খাতায় ব্যক্তিগত আয়-ব্যয়ের হিসাবে শামীমার সম্পদের এমন ঊর্ধ্বগতির সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা যেমন নেই, তেমনি মোট সম্পদের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে কেনা কানাডার বাড়িটিরও কোনো উল্লে­খ কোথাও নেই।


আরও খবর