Logo
শিরোনাম

পূর্ব ঘোষিত সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করলেন কাদের মির্জা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ ফেব্রুয়ারী 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জা তার পূর্ব ঘোষিত সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এবং ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন।

ফেইসবুক লাইভে এবং স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, নোয়াখালীর রাজনীতির চলমান সংকট নিরসনে আমাদের সকলের আস্থার শেষ ঠিকানা জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে আমাদের ইতোপূর্বে ঘোষিত সকল ধরনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিলাম। আশাকরি জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের নেতা জনাব ওবায়দুল কাদের সাহেবের হস্তক্ষেপে সকল সমস্যার সমাধান অতিশীঘ্রই হবে।

প্রসঙ্গত গত ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের আগ থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় আসে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা। আর এ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন বসুরহাট পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।

Share

আরও খবর



বগুড়ায় বিএনপির বাদশা হলেন পৌর মেয়র

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান আকন্দ।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ ফল ঘোষণা করা হয়। পৌরসভার ২ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭০ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ১১২ জন ভোট দিয়েছেন। যা মোট ভোটের ৫৯.৮৫ শতাংশ।

নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮২ হাজার ২১৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আকন্দ জগ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯০, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবু ওবায়দুল হাসান ববি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২০ হাজার ৮৯ ভোট।

উল্লেখ্য, গতকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পঞ্চম ধাপে বগুড়া পৌর নির্বাচন ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব, পুলিশ, আনসার সদস্য কাজ করেন।

নিউজ ট্যাগ: বগুড়া
Share

আরও খবর



বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ গুনিজন পেলেন একুশে পদক

প্রকাশিত:শনিবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1 | ৫১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক চলতি বছর (২০২১) একুশে পদক পেয়েছেন। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই পদক তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পদক তুলে দেন।

এ বছর ভাষা আন্দোলনে তিনজন, মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে তিনজন, শিল্পকলায় সাতজন, ভাষা ও সাহিত্যে তিনজন এবং সাংবাদিকতা, শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও সমাজসেবায় একজনকে একুশে পদক দেয়া হয়েছে।

পদক বিজয়ীরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রীর কাছ থেকে নিজ নিজ পদক গ্রহণ করেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ীদের পক্ষে তাদের পরিবারের সদস্যরা এই পদক গ্রহণ করেন।

ভাষা আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক পেয়েছেন মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)। মোতাহার হোসেনের পুত্রবধূ জান্নাত আরা সিদ্দিকী পদক গ্রহণ করেন।

এছাড়া ভাষা আন্দোলনে শামছুল হক (মরণোত্তর) এবং অ্যাডভোকেট আফসার উদ্দীন আহমেদ (মরণোত্তর) পদক পেয়েছেন। শামছুর হকের ছেলে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদ এবং আফসার উদ্দীনের মেয়ে শারমীনা পারভীন পদক গ্রহণ করেন।

শিল্পকলায় পদক পেয়েছেন পাপিয়া সরোয়ার (সংগীত), রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়), সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়), আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক), সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র), ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি) ও পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)।

মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে গোলাম হাসনায়েন, ফজলুর রহমান খান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর) পদক পেয়েছেন। সৈয়দা ইসাবেলার ছেলে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার পদক গ্রহণ করেন।

এছাড়া সাংবাদিকতায় অজয় দাশগুপ্ত, গবেষণায় অধ্যাপক ড. সমীর কুমার সাহা, শিক্ষায় মাহফুজা খানম, অর্থনীতিতে ড. মির্জা আব্দুল জলিল, সমাজসেবায় অধ্যাপক কাজী কামরুজ্জামানের হাতে একুশে পদক তুলে দেয়া হয়।

ভাষা ও সাহিত্যে কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী, গোলাম মুরশিদ পদক নিয়েছেন।

পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেককে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, একটি সম্মাননাপত্র ও ৪ লাখ টাকার চেক দেয়া হয়। ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চালু করা একুশে পদক সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দিয়ে থাকে।

অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্ত সুধীজনে নাম ঘোষণা ও পরিচিতি পাঠ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। স্বাগত বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন।

নিউজ ট্যাগ: একুশে পদক
Share

আরও খবর



থামলেন তামিম-মুমিনুলও, বিপদে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৫৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুমিনুল হক বিদায় নিলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ক্রিজে ভরসা হয়ে ছিলেন তামিম ইকবাল। সামনে ছিল হাফ সেঞ্চুরির হাতছানি। কিন্তু পারলেন না বাঁহাতি ওপেনার। পরের ওভারে আলজারি জোসেফের শিকার হলেন তামিম। ৫২ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ৪৪ রানে তার ক্যাচ নেন শেন মোসলে। দুই রান করতে গিয়েই তৃতীয় ও চতুর্থ উইকেট হারালো স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশ অধিনায়ক বিদায়ের পরপরই সেট হয়েও সাজঘরে ফিরেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল (৪৪)। ফিফটি থেকে ৬ রান দূরে থাকতে আলঝেরি জোসেফের বলে শেন মোসলের হাতে বন্দী হন তিনি। 

এর আগে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতেই এসেই ওপেনার সৌম্য সরকার (০) ও নাজমুল হাসান শান্তকে (৪) সাজঘরে ফেরান শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। 

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রথম ইনিংসে ৩০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৯ রান করেছে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে আছেন মুশফিকুর রহিম (২৪) ও মোহাম্মদ মিঠুন (৪)। স্বাগতিকরা এখনও পিছিয়ে আছে ৩০৯ রানে।  

এর আগে শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয়দিন শুরু করে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম ইনিংস থামে ৪০৯ রানে। 

নিউজ ট্যাগ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ
Share

আরও খবর



বাংলাদেশ থেকে নেপালে ট্রানজিট সুবিধা দিল ভারত

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে নেপালে পণ্য রফতানি করা হয় এবং অন্যান্য দেশ থেকে নেপালের আমদানি করা পণ্যগুলো ভারতীয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে

বাংলাদেশ থেকে নেপালে সার রফতানিতে ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছে ভারত। বিবিআইএন (বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল সংযুক্তি) সংযোগ এবং উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার এক বিরাট অগ্রগতি হিসেবে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর ও ভারতের সিঙ্গাবাদ রেলপথ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে নেপালে সার রফতানিতে ট্রানজিট সুবিধা দিয়েছে ভারত।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে নেপালে পণ্য রফতানি করা হয় এবং অন্যান্য দেশ থেকে নেপালের আমদানি করা পণ্যগুলো ভারতীয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ট্রাফিক ইন ট্রানজিট হিসেবে পরিবহন করা হয়। নেপালের সঙ্গে রফতানি ও স্থল বাণিজ্যের জন্য ভারত বিশেষভাবে বাংলাদেশকে ট্রানজিট সুবিধা দিয়ে আসছে।

রেলপথে ট্রাফিক ইন ট্রানজিট মূলত দুটি ভারত-বাংলাদেশ ক্রসিং পয়েন্ট, রহনপুর (বাংলাদেশ)সিঙ্গাবাদ (ভারত) এবং বিরল (বাংলাদেশ)রাধিকাপুর (ভারত) রেলপথ হয়ে পরিবহন করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আমদানি করা সার নেপালে পাঠানো হচ্ছে। চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ রেলওয়ে নেপালে রফতানি করা সার বোঝাই প্রথম ট্রেনটি ভারতীয় রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করে। বর্তমানে রেলওয়ে ট্রানজিট ব্যবহার করে প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন সার নেপালে রফতানি করা হবে।

সূত্র জানায়, পরে নেপালে আরও ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার রফতানির পরিকল্পনা রয়েছে। এ পদক্ষেপগুলো আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে।

নিউজ ট্যাগ: ট্রানজিট নেপাল
Share

আরও খবর



হাজী মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই পাঁচটি দোকান

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
Share

Image

শুক্রবার (৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টায় হাজী মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন একঘণ্টার চেষ্টায় সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে যায় টিভি, ফ্রিজ, জুতার দোকানসহ ৫টি দোকান। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয়রা জানান, ফজরের নামাজ শেষে মুসুল্লিরা বাসায় ফেরার সময় হাজী মার্কেটের একটি দোকানে হঠাৎ আগুন দেখতে পান। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা ভূঞাপুর ফায়ার স্টেশনে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক ইব্রাহীম আকন্দ বলেন, আমার চারটি দোকানে টিভি, ফ্রিজ ও প্লাস্টিকের ফার্নিচার ছিলো। সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কিছুই বের করতে পারিনি। ১৬ লাখ টাকার মালামাল নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের লিডার একাব্বর আলী জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে অল্প সময়ের মধ্যে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Share

আরও খবর