
রাজধানীতে আজ থেকে বাসের ‘সিটিং সার্ভিস’ ও ‘গেটলক সার্ভিস’ বন্ধ হচ্ছে।
এগুলো লোকাল বাস হিসাবে চলবে। সম্প্রতি ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির এক সভায় এ সিদ্ধান্তের
কথা জানানো হয়। সিটিং সার্ভিসের নামে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মালিকরা
এ সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে শনিবার ঢাকায় আটটি ও চট্টগ্রামে
দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। দুই
শহরের ২১৭টি বাসকে এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেলচালিত বাস
১৮৭টি এবং সিএনজিচালিত বাস ৩০টি। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা নেওয়ায় এ বাসগুলোকে
জরিমানা করা হয়েছে।
ঢাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিদর্শন
করেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার এবং পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মো. সরওয়ার
আলম। এছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত বাড়তি ভাড়া নেওয়ায়
শনিবার ছয়টি বাসকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
মানিক মিয়া এভিনিউয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের
কাছে যাত্রীরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়েছে। পারভিন আক্তার
নামের এক যাত্রী অভিযোগ করেন, আট নম্বর বাসে গাবতলী থেকে সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের
ভাড়া নেওয়া হয়েছে ৫০ টাকা। যদিও এ পথে সরকার নির্ধারিত ভাড়া ২৯ টাকা। বাড়তি ভাড়া যাত্রীদের
ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাসটিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উপস্থিত ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার
এনায়েত উল্যাহ বলেন, ভাড়ায় যতদিন শৃঙ্খলা না আসবে ততদিন পরিবহণ নেতারা মাঠে থাকবেন।
তিনি বলেন, রুট পারমিটে যতগুলো স্টপেজ নির্ধারণ করা রয়েছে, সবখানেই থেমে যাত্রী উঠাতে
ও নামাতে হবে। যেসব বাস সিটিং বা গেটলক সার্ভিস বন্ধ করবে না সেগুলোর রুট পারমিট বাতিল
করতে বিআরটিএকে অনুরোধ করা হবে। প্রয়োজনে এসব বাস কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেবে
মালিক সমিতি।

