Logo
শিরোনাম

রাজস্বে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি, তবুও ঘাটতি ২ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ নভেম্বর ২০২৩ | ৯০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাসে রেকর্ড ১৫.৩৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)। জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটে ২১.৫১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি হলেও ঘাটতি থেকে মুক্তি মেলেনি। জুলাই মাস শেষে লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। ওই মাসে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২২ হাজার ৪২৭ কোটি ৫ লাখ টাকা। বিপরীতে আদায় হয়েছে ২০ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

এনবিআরের পরিসংখ্যান বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, জুলাই মাসে জুলাইয়ে মূল্য সংযোজন করে বা ভ্যাট প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১. ৫১ শতাংশ। জুলাইয়ে ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৭ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা।

গত অর্থবছরে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক আদায়ে মন্দা ভাব থাকলেও, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ১৩.৭০ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। সাত হাজার ১৬২ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় সাত হাজার ৬৯৩ কোটি টাকা।

অপেক্ষাকৃত কম রাজস্ব আদায় হয়েছে আয়কর খাত থেকে। এ খাতে ৯.৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে জুলাই আদায় হয়েছে ৫ হাজার ২১৩ কোটি টাকা।

এই তিন খাত মিলিয়ে জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৯১.৬৭ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। ২০২২-২৩ এর জুলাইয়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ছিল ৮৬.৫৭ শতাংশ।

সদ্য সমাপ্ত ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ভ্যাট বিভাগে ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে মোট ভ্যাট আহরণ হয় ১ লাখ ২৫ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ অর্জন সক্ষম ভ্যাট আদায়ে গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ১১ হাজার ৩৭৬ কোটি টাকা পিছিয়ে ছিল।

এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে এনবিআরের আমদানি-রপ্তানি খাত অর্থাৎ কাস্টমস বিভাগ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৯১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। প্রবৃদ্ধি ২.৫৬ শতাংশ।

অন্যদিকে আয়কর খাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯২১ কোটি টাকা। প্রবৃদ্ধি ৯.৬২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছর এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। যার মধ্যে মূসক থেকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১০০ কোটি টাকা, আয়কর থেকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ও আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার ১০০কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে।


আরও খবর

এলপিজির দাম আরও বাড়ল

বৃহস্পতিবার ০২ নভেম্বর 2০২3




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩