Logo
শিরোনাম

রান্নার ছোট ছোট ভুল থেকেই মৃত্যুর আশঙ্কা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কেবল ডায়েট অনুসরণ করার জন্য নয়, ছোট থেকে বড় বড় বিভিন্ন অসুখ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যও রান্নার সঠিক পদ্ধতি জানা দরকার। রান্নার ছোট ছোট ভুল থেকেই মৃত্যুর দিকে ধেয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো রোগের সৃষ্টি হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে কোন তেল, ভাজা-পোড়ায় কত তাপমাত্রা, কতক্ষণ খাবার গরম রাখা উচিতসহ অন্যান্য যাবতীয় রান্নায় কিছু সাধারণ নিয়ম মেনে চলা উচিত। সে সবের উপর নির্ভর করে সুস্বাস্থ্য।

রান্নার নিয়ম যেমন হওয়া উচিত : সেদ্ধ খাবার ক্রমশ খেতে থাকলে মুখে উঠবে না। আবার ভুল পদ্ধতিতে রান্না করার জন্য খাবারে কোনো পুষ্টি থাকবে না। শাক-সবজি ও মাংস রান্নার ক্ষেত্রে প্রথমে সেদ্ধ করে তারপর কষানো হলে এতে খাদ্যগুণ বজায় থাকে। এছাড়া কম সময় নিয়ে ঢেকে রান্না করলে পুষ্টি বজায় থাকে। তবে সাবধান, কষানোর সময় খাবারের পানি ফেলে দিলে ভিটামিন-বি, সি ও অন্যান্য উপকারী খনিজ উপাদানের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ বেরিয়ে যাবে। ভাতের ক্ষেত্রে একই রকম এই বিষয়টি। ভাতের মাড় বা ফ্যান ফেলে দিলে এর সঙ্গে পুষ্টি বের হয়ে যায়। তাই ভাত রান্নার সময় পরিমাণ করে পানি দিতে হয় যেন রান্না শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানিও শেষ হয়। এছাড়া সবজি-মাংস তরকারির ঝুলে ব্যবহার করুন।

কম আঁচে রান্না : কম আঁচে রান্না করতে হয়। ভাপে রান্নার ফলে পুষ্টির প্রায় সবটুকু বজায় থাকে। এতে স্বাদও ঠিক থাকে। কখনো কখনো ভাপের সময় স্বাদ বৃদ্ধি করতে ঢাকনা দিয়ে হালকা করে ঢেকে কষিয়ে নিতে পারেন। এছাড়া যারা মাছ প্রিয় তারা ডিম পোচের মতো মাছও পোচ করে খেতে পারেন। এজন্য গরম কড়াইতে অল্প পানি দিয়ে হালকা লবণ, মরিচ ও লেবু দিয়ে ঢেকে রান্না করলে পুষ্টি বজায় থাকে।

ভাজার সমস্যা ও সমাধান : ছাঁকা তেলে কিছু ভাজলে খাবারের ভিটামিন ও প্রোটিন কমে যায়। এতে অপুষ্টি, ক্যালোরি বৃদ্ধি পায়, ওজন বেড়ে যায় ও ট্রান্স ফ্যাটের সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও অ্যালডিহাইড নামে জৈব রাসায়নিকের জন্য ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও পার্কিনসনিজমের আশঙ্কাও থাকে।

গ্রিলের নিয়ম : গ্রিল করা খাবার খাওয়া ভালো। এই খাবার পুষ্টিকর ও এতে ক্যালোরিও কম। তবে সাবধান, গ্রিলের পোড়া খাবার খাওয়ার ফলে প্যানক্রিয়াস ও ব্রেস্ট ক্যানসারের শঙ্কা থাকে। এছাড়া উচ্চ তাপের জন্য মাংসের ফ্যাট ও প্রোটিনে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়ে বিষাক্ত পদার্থ তৈরির সম্ভাবনা থাকে। যা থেকে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।


আরও খবর



বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ লাখ ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৯ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ কোটি ৩৬ লাখ ৮০ হাজার ৫৬৬ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৯০৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১০ কোটি ৭৮ লাখ ১ হাজার ৮৩ জন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৮৪৯ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ৩ কোটি ১৬ লাখ ৩৭ হাজার ২৪৩ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৩১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৯৭ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ২৯ লাখ ২৬ হাজার ৬১ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯২ জনের। দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯ হাজার ৪৪৭ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৭৮ জন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




হেফাজতের ডাকা হরতালে বন্দরনগর চট্টগ্রামেও কোন সাড়া নেই

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ডাকা হরতালে বন্দরনগর চট্টগ্রামে রোববার (২৮ মার্চ) সকাল থেকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। রাস্তায় দেখা যায়নি হরতাল আহ্বানকারীদের।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ-র‌্যাবের পাশাপাশি মাঠে রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা। যে কোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করতে পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।

সকালে নগরের বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচল করলেও সংখ্যায় ছিল কম। দূরপাল্লার যাত্রীদের বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এছাড়া হাটহাজারী এলাকায় কওমী মাদরাসার ছাত্ররা রেললাইনের স্লিপার তুলে ফেলায় নাজিরহাট-দোহাজারী লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম অঞ্চলের সভাপতি মো. মূছা বলেন, কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। হরতালে গাড়ি চলাচলে কোন ধরনের প্রভাব পড়বে না। গাড়ি স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে।

পূর্বাঞ্চল রেলপথে চলাচলকারী সব ট্রেনই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে চলাচল করছে। কর্মকর্তারা জানান, সহিংসতার কারণে সিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। সহিংসতা প্রতিরোধের অংশ হিসেবে ধীরগতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে। 

পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েই এখন ট্রেন চালাতে হচ্ছে। হরতালেও ট্রেন চলবে। রাতের ট্রেনগুলো ছাড়ার আগে একটি ইঞ্জিন দিয়ে সামনের পথ পরিদর্শন করা হবে। ইমারজেন্সি সেল থেকে নির্দেশনা পেলেই ট্রেন চালানো হচ্ছে।  


আরও খবর



৭০ জনকে হত্যা করেছে মিয়ানমার নিরাপত্তা বাহিনী : জাতিসংঘ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত দেশটির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুলেছেন। মিয়ানমারে অভ্যুত্থান পরবর্তী বিক্ষোভের সময় অন্তত ৭০জনকে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। হত্যা, নিপীড়ন এবং নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী বিরোধী অপরাধের প্রমাণ ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ দূত। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে এসব অভিযোগ তোলা হয়। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চির নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমারে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়। অভ্যুত্থানের পর গ্রেফতার করা হয়েছে সু চিসহ তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) শীর্ষ নেতাদের। সেনাবাহিনীর অভিযোগ,গত নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি করে জয় পেয়েছে এনএলডি। তবে এই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। দেশটিতে বর্তমানে জান্তা শাসকদের বিরুদ্ধে টানা বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে তাতে দমছেন না আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে মিয়ানমার বিষয়ক দূত এবং মানবাধিকার তদন্তকারী থমাস অ্যান্ড্রুস এক ভয়াবহ সত্যের বিষয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন মিয়ানমার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এক খুনি ও অবৈধ শাসক দ্বারা।

অ্যান্ডুস বলেন, নিহত বিক্ষোভকারীদের অর্ধৈকের বেশিরভাগেরই বয়স ২৫ বছরের নিচে। অভ্যুত্থানের পর থেকে দুই হাজারের বেশি মানুষকে বেআইনিভাবে গ্রেফতার করা হচ্ছে আর সহিংসতা ক্রমেই বাড়ছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রচুর ভিডিও প্রমাণ রয়েছে যেখানে দেখা গেছে নিরাপত্তা বাহিনী নির্বিচারভাবে বিক্ষোভকারী, চিকিৎসাকর্মী এবং পথচারীদের পেটাচ্ছে। এছাড়া সেনা এবং পুলিশবাহিনী বিভিন্ন বসতির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করে সম্পত্তি নষ্ট, দোকানপাটে লুট, নির্বিচারে বিক্ষোভকারী এবং পথচারীদের আটক এবং মানুষের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিচ্ছে- এমন ভিডিও রয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন নেতাদের ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান জাতিসংঘ দূত থমাস অ্যান্ড্রুস। এছাড়া সেনাবাহিনীর আয়ের অন্যতম উৎসগুলো যেমন সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত ব্যবসা এবং মিয়ানমারের তেল ও গ্যাস ব্যবসার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানান।

তবে থমাস অ্যান্ডুস এসব অভিযোগ তোলার কয়েক ঘণ্টা পরই তা অভিযোগ করেছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী সচিব চান আয়ে। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, সহিংস বিক্ষোভকারীদের সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সংযম চর্চা করছে।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




মমতার সম্পত্তির পরিমাণ ১৭ লাখ রুপি, নেই বাড়ি-গাড়ি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত গাড়ি ও নিজের কোনো বাড়ি নেই। হাতে নগদ এক লাখেরও কম রুপি রয়েছে।

নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসাবে বুধবার হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই হলফনামায় পাওয়া গেছে এমন তথ্য। এ খবর জানিয়েছে কলকাতার প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।

হলফনামায় দাখিল করা সম্পত্তির বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৯-২০ আর্থিক বছরে মমতার বার্ষিক আয় ছিল ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৩৭০ টাকা। ২০১৮-১৯ আর্থিক বছরে বার্ষিক আয় ছিল ২০ লাখ ৭১ হাজার ১০ টাকা। এর আগের তিনটি আর্থিক বছরের আয়ের হিসাবও দেওয়া রয়েছে ওই হলফনামায়। তবে তার মধ্যে সর্বোচ্চ আয় ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষেই।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে নগদ রয়েছে ৬৯ হাজার ২৫৫ রুটি। এছাড়া কয়েকটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং ন্যাশনাল সেভিং সার্টিফিকেট অনুযায়ী অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৩৫২ রুপি ৭১ পয়সা। এ অস্থাবর সম্পত্তির মধ্যেই রয়েছে কিছু অলংকার, যার পরিমাণ ৯ গ্রাম ৭৫০ মিলিগ্রাম।

হলফনামায় বলা হয়েছে, তার নামে কোনো গাড়ি, চাষযোগ্য জমি অথবা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য কোনো জমি নেই। পৈতৃকসূত্রে তিনি কোনো সম্পত্তি পাননি। পাশাপাশি তার কোনো ঋণ নেই।

হলফনামায় অনুযায়ী, ১৯৮২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজ থেকে আইনে স্নাতক হন তিনি। তার আগে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল আরও ৬ মাস

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তবে, এ সময়ে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

সোমবার (১৫ মার্চ) একটি গণামধ্যকে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাজা আরো ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতও প্রস্তাবের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল।

এর আগে গত ৮ মার্চ খালেদা জিয়ার শাস্তি স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আগের শর্তগুলো বহাল রাখার বিষয়ে তাদের মতামতের কথাও জানায় আইন মন্ত্রণালয়।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় দফায় ৬ মাসের মুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ মার্চ।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার উপধারা ১-এ খালেদা জিয়ার সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে দেশের অভ্যন্তরে বিশেষায়িত চিকিৎসা নেওয়ার শর্তে এ মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

গত ২ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেন।

জানা গেছে, শামীম এস্কান্দারের আবেদনে বলা হয়েছে, করোনাকালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই সময়ে তাঁর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাও সম্ভব হয়নি। তাই চিকিৎসার সুবিধার্থে তাঁকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার অনুমতিও চাওয়া হয় আবেদনে। পরে ওই আবেদন মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার (০৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সাজা স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য পরিবারের যে আবেদন, সেটি আমাদের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছিল। আমরা আগের মতো সাজা স্থগিত আরো ছয় মাস বাড়ানোর জন্য মতামত দিয়েছি। যে শর্তগুলো আগে ছিল তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, সেই শর্ত সাপেক্ষে এটিকে বাড়ানো হয়েছে। আবেদনে তাঁরা একটি কথা লিখেছিলেন বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যাপারে, মতামতে বলা হয়েছে দেশের ভেতরে তিনি যদি বিশেষায়িত চিকিৎসা নেন, সরকারের তাতে কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, তবে তাঁর চিকিৎসার জন্য কোনো হাসপাতাল নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তিনি স্পেশালিস্ট কাকে রাখবেন সেই স্বাধীনতা তাঁর রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চয়ই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য যাবে। কারণ আগেও এভাবেই হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দু-এক দিনের মধ্যে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এ মামলায় আপিলে তার আরো পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।


আরও খবর