Logo
শিরোনাম

‘রাষ্ট্রহীন’ শামীমাকে বাংলাদেশে পাঠালে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে: আইনজীবী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাজ্য থেকে সিরিয়ায় পাড়ি জমানো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণী শামীমা বেগমকে বাংলাদেশে পাঠালে সেখানে তিনি মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁর আইনজীবী ড্যান স্কয়ারস কেসি। শামীমার কাছ থেকে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার ফলে তিনি কার্যত রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছেন বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। যুক্তরাজ্যের স্পেশাল ইমিগ্রেশন আপিল কমিশনের শুনানিতে এসব কথা বলেছেন শামীমার আইনজীবী।

আদালতে শুনানিকালে ড্যান স্কয়ারস কেসি বলেন, ২০১৯ সালে শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। ওই সময়ের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বুঝতেই পারেননি এ নাগরিকত্ব বাতিলের গুরুতর বাস্তব পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এটা স্পষ্ট যে তাঁর সিদ্ধান্ত শামীমাকে রাষ্ট্রহীন করে দেবেএমন সম্ভাবনা তিনি বিবেচনায় নেননি। 

আদালতের নথিগুলো থেকে জানা গেছে, শামীমা বেগমের নাগরিকত্ব প্রত্যাহার করার আগের দিনই তাঁর রাষ্ট্রহীনতা নিশ্চিত করা হয়েছিল।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের মনোভাব জানার চেষ্টাও করেননি বলে শুনানিতে আইনজীবী অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, শামীমাকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না এবং তিনি কোনো সুরক্ষা পাবেন কি না, এসব বিষয়ও তিনি বিবেচনা করেননি। 

ড্যান স্কয়ারস কেসি আরও বলেছেন, শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করার পরপরই বাংলাদেশ এক বিবৃতিতে আপিলকারীর প্রতি তাদের কঠোর অবস্থান প্রকাশ করেছিল।

২০১৯ সালের মে মাসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, শামীমা বেগম বাংলাদেশে গেলে সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন।

শামীমার আইনজীবী বলেছেন, এটা স্পষ্ট যে সাজিদ জাভিদ যদি আপিলকারীকে তাঁর নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করার বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে অনুসন্ধান করতেন, তবে তিনি সম্ভবত বুঝতে পারতেন যে আপিলকারীকে কোনো রাষ্ট্রের সুরক্ষা ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া যায় না। তাঁর অন্তত এটুকু বোঝা উচিত ছিল যে একজন রাষ্ট্রহীন মানুষের বাস্তব জীবন কেমন হতে পারে।

শামীমা বেগমের বয়স যখন ১৫ বছর ছিল, তখন তিনি পূর্ব লন্ডনের বাড়ি ছেড়ে আরও দুই কিশোরীর সিরিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি একজন আইএস (ইসলামিক স্টেট) যোদ্ধাকে বিয়ে করেছিলেন। পরে ২০১৯ সালে সিরিয়ার একটি শরণার্থীশিবিরে তাঁকে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপরই ব্রিটেনের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ শামীমার ব্রিটিশ নাগরিকত্ব বাতিল করেছিলেন। ২৩ বছর বয়সী শামীমা বেগম এখন সিরিয়ার শরণার্থীশিবিরেই রয়েছেন। 


আরও খবর

‘নীতি পুলিশ’ বিলুপ্ত করলো ইরান

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




যখন তখন পেনাল্টি দেওয়া হতে পারে প্রস্তুতি ম্যাচে!

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুধু বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েই বিতর্ক নয়, এ বার ফুটবল মাঠে কাতার দলকে নিয়েও প্রশ্ন উঠে গেল। ম্যাচে কাতারকে অন্যায্য সুবিধা দেওয়া হতে পারে, এই বিষয়ে ফিফাকে সতর্ক করে দিল তাদেরই একটি সংস্থা। ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিশ্বকাপে কাতারের ম্যাচে রেফারিরা অন্যায্য সুবিধা দিতে পারেন। তাদের যখন তখন পেনাল্টি দেওয়া হতে পারে।

ফিফাকে ওই সংস্থা জানিয়েছে, প্রাক বিশ্বকাপ প্রদর্শনী ম্যাচে কাতারের ম্যাচগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পেনাল্টি দেওয়া হয়েছে। বেশির ভাগ ম্যাচই হয় রুদ্ধ দ্বারে হয়েছে, না হলে টিভিতে দেখানো হয়নি। সংস্থার দাবি, সেই ম্যাচগুলিতে কাতারকে প্রচুর পরিমাণে পেনাল্টি দেওয়া হয়েছে, যাতে ম্যাচের ফল তাদের পক্ষে যায়। এটাও বলা হয়েছে, বাকি দেশগুলির তুলনায় অনেক বেশি প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছে কাতার। জুলাই থেকে সাতটি ম্যাচ খেলেছে তারা। সেখানে ইংল্যান্ড মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছে।

সাতটি ম্যাচের মধ্যে পাঁচটি ম্যাচ রুদ্ধ দ্বারে খেলা হয়েছে। সেই ম্যাচে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ম্যাচের ফল কী হয়েছে তাও জানানো হয়নি। দলের স্পনসর এবং অতিথি যাঁরা, তাঁদেরও মাঠে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। চারটি ম্যাচে কাতার জেতে। ক্রোয়েশিয়ার অনূর্ধ্ব-২৩ দলের বিরুদ্ধে তারা হারে। ম্যাচ বিশ্লেষণের দায়িত্বে যে সংস্থা ছিল, তারাও কোনও তথ্য জোগাড় করতে পারেনি। ফিফা অবশ্য এখনও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চাওয়ার বদলে ফিফাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ আগেও উঠেছে কাতারের বিরুদ্ধে। ফিফার প্রাক্তন সভাপতি শেপ ব্লাটার আর্থিক তছরূপের দায়ে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত। কিছু দিন আগে তিনিও বলেছেন, কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে দেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।

বিশ্বকাপে গ্রুপ এ-তে রয়েছে কাতার। রবিবার প্রথম ম্যাচে তারা খেলবে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও নেদারল্যান্ডস এবং সেনেগালের বিপক্ষে খেলবে তারা। ২০১৮ বিশ্বকাপে তারা যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু কোচ ফেলিক্স স্যাঞ্চেসের অধীনে তারা বেশ সাফল্য পেয়েছে। ২০১৯-এ এশিয়ান কাপ জিতেছে। কনকাকাফ গোল্ড কাপের সেমিফাইনালে উঠেছে।


আরও খবর



১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে রাজপথ: পরশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রংপুরে ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেছেন, দেশের রাজপথ আগামী ১১ নভেম্বরের পর যুবলীগের দখলে থাকবে। বিএনপি এখন মিছিল সমাবেশ করছে। আমরা বলছি, এখন যত মিছিল সমাবেশ করার ইচ্ছে করে নেন। ১১ নভেম্বর যুবলীগ সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবে। সে দিনের পর দেশের রাজপথ যুবলীগের দখলে থাকবে।

শনিবার (৫ নভেম্বর) রংপুর জিলা স্কুল মাঠে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

যুবলীগের চেয়ারম্যান পরশ বলেন, বিএনপি ভণ্ড ও প্রতারকদের দল। এই দল সভা-সমাবেশের নামে এখন দেশজুড়ে মিথ্যাচার করছে। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করছে। মানুষের সীমা আছে কিন্তু বিএনপির ভণ্ডামির সীমা নেই। বিএনপি আজকে মানবাধিকারের কথা বলে। এদের আসলে কোনো লজ্জা নেই। আমি ৫ বছর বয়সে বাবা মাকে হারিয়ে ২১ বছর বিচার থেকে বঞ্চিত ছিলাম। তারা বিচার বন্ধ করে রেখেছিলো। আসলে এরা ভণ্ড আর প্রতারক। তারা শুরু থেকে দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এখন তারা আবারও মানুষের অধিকার হরণ করার জন্য মাঠে নেমেছে। বিএনপির মনে অনেক কষ্ট তারা অনেকদিন দুর্নীতি করতে পারছে না তাদের ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে। তিনি যুবলীগের প্রতিটি নেতা কর্মীকে বিএনপি জামায়াত চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে যুবলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপির সমাবেশ হলে পরিবহন ধর্মঘট আওয়ামী লীগ দেয় না। এই ধর্মঘট দেন পরিবহন শ্রমিকরা। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা জানেন বিএনপি অতীতে আন্দোলন সমাবেশের নামে জ্বালাও পোড়াও করেছে, ভাঙচুর করেছে। পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। এ কারণে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা বিএনপির হামলা ভাঙচুরের ভয়ে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেন।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই দলের শীর্ষ নেতা থেকে তৃণমূলের নেতা পর্যন্ত চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। এখন চাঁদাবাজ দলের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কিছু নেতা সুর মিলাচ্ছেন। বিএনপির শাসনামলে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে সবচেয়ে বেশি নির্যাতন করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে এরশাদকে কারাগারে রাখা হয়েছিল। জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা এই ইতিহাস ভুলে গেছেন। বর্তমান সরকার এবং আওয়ামী লীগ এরশাদের দল জাতীয় পার্টিকে ভালো রেখেছে।

এদিকে দীর্ঘ ২৬ বছর পর অনুষ্ঠিত হয়েছে রংপুর জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। সকাল থেকেই যুবলীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ে ভরে যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠ।

রংপুর ৪ আসনের এমপি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বিএনপি জামায়াতের বিরুদ্ধে আরও একবার যুদ্ধের প্রয়োজন আছে। এই পরাজিত শক্তিকে যুদ্ধ করে নিশ্চিহ্ন করে দিতে হবে। তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করে বলেন, রংপুরে বিএনপি মহাসমাবেশ করেছে আমরাও বিভাগীয় মহাসমাবেশ করে দেখাবো তাদের থেকে ১০ গুণ মানুষের সমাগম ঘটবে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাহাজাহান খান বলেন বিএনপির মহাসচিব নিজেকে যখন মুক্তিযোদ্ধা বলে দাবি করেন। তখন দেশের মানুষ লজ্জা পায় কারণ তার বাবা চোখা মিয়া ছিলো পিস কমিটির চেয়ারম্যান আর রাজাকার নেতা ফখরুলও ছিলো রাজাকার। তারা দেশ স্বাধীন হবার পর ৪ মাস ধরে ভারতে তাদের আত্মীয়দের বাসায় পালিয়ে ছিলো। মির্জা ফখরুলের কাছে মুক্তিযোদ্ধা দাবি করা প্রতারণার সামিল।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ডিউক চৌধুরী এমপি, রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাজুসহ অন্যান্য নেতারা।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শ্রী রমেশ চন্দ্র সেন, শাজাহান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা টিপু মুনশি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।


আরও খবর



ডেমোক্র্যাটদের সিনেট জয়ে উচ্ছ্বসিত বাইডেন

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টির জনপ্রতিনিধিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষ নেতা জো বাইডেন। ইস্ট এশিয়া সামিট সম্মেলন উপলক্ষে বর্তমানে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। সেখানেই সিনেট নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে তিনি অবহিত হন।

পরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সম্পর্কে বলেন, (ফলাফল জেনে) আমি অবকা হইনি; খুশি হয়েছিল এবং খুবই খুশি হয়েছি। আমরা যেমন প্রার্থী বাছাই করেছিলাম, সেই অনুযায়ী জনগণ রায় দিয়েছে। প্রার্থীদের গুণেই এ জয় এসেছে আমাদের। আর একটি কারণে আমি সন্তুষ্ট। (সিনেটে জয়ের সুবাদে) আগামী দু বছর খানিকটা হলেও স্বস্তিকর সময় আমি কাটাতে পারব।

সদ্যই শেষ হলো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। দেশটির শাসনতান্ত্রিক প্রথা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ২ বছর পর অনুষ্ঠিত হয় কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ও উচ্চকক্ষ সিনেটের একাংশ আসনের নির্বাচন। সেই প্রথা মেনেই নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ৪৩৫টি আসনের সব কটি ও উচ্চকক্ষ সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হয়েছে।

সিনেটের নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে, কক্ষের ১০০টি আসনের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টি পেয়েছে ৫০টি আসন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী, সিনেটে যদি কোনো দল ৫০ শতাংশ আসন পায়, সেক্ষেত্রে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট তার বিশেষ ভোট প্রদানের মাধ্যমে ওই দলের আসনসংখ্যা ৫১তে উন্নীত করতে পারবেন। সাধারণত হোয়াইট হাউসে যে দল ক্ষমতাসীন থাকে, কংগ্রেসে সেই দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় না। তবে এবারের নির্বাচনে উচ্চকক্ষ সিনেটে ডেমোক্রেটিক পার্টি জয়ী হয়েছে। নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ভোট গণনা এখনও শেষ হয়নি, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই কক্ষে এখনও এগিয়ে আছে রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধিরা।

যদি উভয়কক্ষেই রিপাবলিক পার্টির জনপ্রতিনিধিরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতেন, সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের জন্য কোনো কাজ করা খুব কঠিন হয়ে পড়ত। বিশেষ করে নতুন কোনো বিল আইন আকারে যদি তিনি পাস করাতে চাইতেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধিদের তা আটকে দেওয়ার ক্ষমতা থাকত। এখন উচ্চকক্ষে ডেমোক্রেটিক পার্টি জয় বাইডেনের জন্য সুখবর, কিন্তু নিম্নকক্ষে বিরোধী রিপাবলিকান পার্টি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে খানিকটা হলেও ক্ষমতা হ্রাস হবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের। কারণ, নিম্নকক্ষের এ স্পিকার পদটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্টের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা কাঠামোর সবচেয়ে প্রভাবশালী পদ।

তবে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, কোনো দলের প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় থাকাকালে আইনসভার কোনো কক্ষে ওই দলের জনপ্রতিনিধিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের ঘটনা ২০ বছর পর ঘটল যুক্তরাষ্ট্রে।

নিউজ ট্যাগ: জো বাইডেন

আরও খবর

‘নীতি পুলিশ’ বিলুপ্ত করলো ইরান

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




আবারও জেরার মুখে নোরা ফাতেহি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাতার ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল মঞ্চে লাইভ পারফরম্যান্স করে দেশে ফেরার পর আবারও ভারতের অর্থনৈতিক গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) জেরার মুখে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি।  বহুল আলোচিত ২০০ কোটি রুপির একটি অর্থ পাচার মামলার জেরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে জানা গেছে, দিন কয়েক আগেই কাতার ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল মঞ্চে লাইভ পারফরম্যান্স করে সদ্যই দেশে ফিরেছেন অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। এই প্রথম কোনো ভারতীয় অভিনেত্রী ফিফার মঞ্চে পারফরম্যান্স করে এলেন।ফিফার মঞ্চে লাইভ পারফরম্যান্স করে ভারতকে বিশ্বের দরবারে আরও অনেকটা এগিয়ে দিলেন অভিনেত্রী। 

আর সেখান থেকে দেশে ফিরেই ইডির পক্ষ থেকে তলব পড়ে নায়িকার। যদিও কিছুদিন আগেই এই মামলার সঙ্গে যুক্ত মূল অভিযুক্ত অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ জামিন পেয়েছেন। এই একই মামলায় নোরা ফাতেহিকেও জেরা করেছিল ইডি। এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর নোরাকে দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ (ইওডব্লিউ) শাখা চার ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে। এছাড়াও গত বছর ১২ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (পিএমএলএ) ধারা ৫০-এর অধীনে নোরার বক্তব্য রেকর্ড করেছিল ইডি।

সে সময় তিনি বলেছিলেন, লীনা পাওলোস (মামলার মূল হোতা সুকেশের স্ত্রী) তাকে গুচির একটি ব্যাগ এবং একটি আইফোন উপহার দিয়েছিলেন। লীনার ফোনে লাউড স্পিকারে সুকেশ তাকে বলেছিলেন, তারা তার ভক্ত এবং ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তাকে একটি বিএমডাব্লিউ গাড়ি উপহার দিতে চান। এই অর্থ পাচার মামলার মূল হোতা সুকেশ চন্দ্রশেখরের সঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে অভিযুক্ত করে গত ১৭ আগস্ট আদালতে চার্জশিট জমা দেয় ইডি। গত ১৫ নভেম্বর জ্যাকলিনকে দুই লাখ রুপির ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেয় দিল্লির পাটিয়ালা আদালত।

নিউজ ট্যাগ: নোরা ফাতেহি

আরও খবর



১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০২০-এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আজ সোমবার এনটিআরসিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার তারিখ জানানো হয়।

এনটিআরসিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ ডিসেম্বর স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষা এবং ৩১ ডিসেম্বর কলেজ পর্যায়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি ১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি দেয় এনটিআরসিএ। এতে ১১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৬ জন আবেদন করেন। ওই বছরের ১৫ ও ১৬ মে প্রিলিমিনারি এবং ৭ ও ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে ২৬ এপ্রিল পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।


আরও খবর