Logo
শিরোনাম

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বুধবার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল জানিয়েয়েছন, ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার (২৫ জানুয়ারি) ঘোষণা করা হবে। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

বৈঠক শেষে সিইসি বলেন, বৈঠকে তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে বুধবার সকালে কমিশন সভার আহ্বান করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, শূন্য হওয়া ছয়টি আসন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বাধা হবে না।

এদিন সংসদের কার্যালয়ে বৈঠকে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত না থাকলেও নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম অংশ নেন। দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাকে সামনে রেখে তারা বৈঠকে মিলিত হন।

এর আগে ইসি সচিব জানিয়েছেন, আগামী ২৩ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে আমরা সংসদ সচিবালয় থেকে সময় পেয়েছি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী, একাধিক প্রার্থী হলে সংসদের অধিবেশন কক্ষে নির্বাচনী কর্মকর্তার সামনে নির্ধারিত ব্যালট পেপারে পছন্দের প্রার্থীর নাম ও নিজের স্বাক্ষর দিয়ে তা জমা দিতে হবে। এর মুড়ি অংশে স্বাক্ষর দিয়ে ভোটারদের ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। ভোট দেয়ার পর সংসদ কক্ষে স্থাপিত এক বা একাধিক ব্যালট বাক্সে তা জমা দিতে হবে।

প্রত্যেক সংসদ সদস্যের একটি মাত্র ভোট থাকবে। সংসদ সদস্য হিসেবে স্পিকারও এ নির্বাচনে একজন ভোটার। ভোটের দিন গ্যালারিসহ সংসদ কক্ষে প্রার্থী, ভোটার, ভোট নেয়ায় সহায়তাকারী কর্মকর্তা ছাড়া সবার প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করবেন নির্বাচনী কর্মকর্তা। ভোট শেষে নির্বাচন কমিশনার প্রকাশ্যে ভোট গণনা করবেন। সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্তকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। আর সমান ভোট পেলে প্রার্থীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়াচ্ছে গ্যাসের চুলা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রান্নার কাজে গ্যাসের ব্যবহার নিয়ে সম্প্রতি উত্তপ্ত বিতর্ক শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত ৯ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় সংস্থা কনজ্যুমার প্রোডাক্ট সেফটি কমিশনের (সিপিএসসি) অন্যতম কমিশনার রিচার্ড ট্রুমকা জুনিয়র মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে জানান, তারা গ্যাস হব নিষিদ্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। এটিকে গোপন বিপদ বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার এই মন্তব্যে ফুঁসে ওঠেন রক্ষণশীলরা। অনেকেই এর জন্য সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে দায়ী করেছেন।

টেক্সাসের রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান রনি জ্যাকসন টুইটারে ক্ষোভপ্রকাশ করে বলেন, হোয়াইট হাউসের পাগলরা যদি চুলা নিতে আসে, তারা আমার মৃতের মতো ঠান্ডা হাত থেকে সেটি ছিনিয়ে নিতে পারে। এসো, নিয়ে যাও! অ্যান্ড্রু গ্রুয়েল নামে টেলিভিশনের এক তারকা শেফ ওই পরিকল্পনার প্রতিবাদে টেপ দিয়ে নিজেকে চুলার সঙ্গে বাঁধেন। এমনকি কিছু ডেমোক্র্যাটও ক্ষোভপ্রকাশ করেন। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার সিনেটর জো মানচিন এই নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনাকে বিপর্যয়ের রেসিপি হিসেবে অভিহিত করেছেন।

কিন্তু হঠাৎ গ্যাসের চুলা যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলো কেন? দেশটিতে প্রায় ৩৮ শতাংশ পরিবারে গ্যাসের চুলা রয়েছে। যদিও রাজ্যভেদে এর হার ভিন্ন হতে পারে। অনেকের মতে, এগুলো বৈদ্যুতিক চুলার তুলনায় সস্তা এবং বেশি কার্যকরী, এমনকি গ্যাসের চুলায় রান্না করা খাবারের স্বাদও নাকি বেশি ভালো।

১৯৩০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিজ্ঞাপনের স্লোগান ছিল কুকিং উইথ গ্যাস (গ্যাস দিয়ে রান্না)। এটি মার্কিনিদের মনে পাকাপোক্ত আসন করে নিয়েছে। আমেরিকান গ্যাস অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি বাণিজ্যিক সংগঠন কুকিং উইথ গ্যাস ডট অর্গ ওয়েবসাইটে নিয়মিত রেসিপি প্রকাশ করে থাকে। স্পনসর করা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দেশটির ইনফ্লুয়েন্সাররাও তাদের গ্যাসের চুলা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

কিন্তু সমস্যা হলো, এসব চুলা নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইডসহ বিভিন্ন দূষণকারী পদার্থ নির্গত করে এবং হাঁপানিসহ স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত নানা ঝুঁকি তৈরি করে। ভেন্টিলেশন বা বায়ু চলাচলের উন্নত ব্যবস্থা থাকলে এসব বিপদের ঝুঁকি হয়তো কিছুটা কমানো সম্ভব। কিন্তু তাতেও অভ্যন্তরীণ দূষণ খুব একটা কমে না। জ্বলন্ত গ্যাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড ও মিথেনসহ নানা গ্রিনহাউস গ্যাসও নির্গত হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ আইনে গ্রাহকদের গ্যাসের চুলার পরিবর্তে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহারের জন্য প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। এতে ৮৪০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়। কিন্তু দেশটিতে যেহেতু ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎই গ্যাস ও কয়লা পোড়ানোর মাধ্যমে উত্পাদিত হয়, তাই গ্যাসের চুলার বিকল্পও পুরোপুরি সবুজ বা নিরাপদ থাকছে না।

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর চেষ্টায় বেশ কিছু ডেমোক্র্যাট-শাসিত সিটি কাউন্সিল গ্যাসের ব্যবহার সীমিত করতে আইন পাস করেছে। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শহর হিসেবে নতুন ভবনগুলোতে হিটিং ও রান্নার কাজে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার নিষিদ্ধ করে বার্কলে। সে সময় ক্যালিফোর্নিয়ার রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন নগর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করার চেষ্টা করেছিল (পরে এক বিচারক মামলাটি খারিজ করে দেন)।

চলতি বছর নিউইয়র্ক সিটিতে কিছু নতুন ভবনে গ্যাসের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হবে। নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের জন্য প্রস্তাবিত অনুরূপ পরিকল্পনাটি গত বছর আইনসভায় পাস হতে ব্যর্থ হয়েছিল। তবে সেখানকার ডেমোক্র্যাট গভর্নর ক্যাথি হোচুল হয়তো আবার চেষ্টা করতে পারেন। ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ২০টির বেশি রাজ্য স্থানীয় নিষেধাজ্ঞাগুলো আটকানোর জন্য আইন চালু করেছে৷ এসব রাজ্যের মধ্যে বেশিরভাগই রিপাবলিকান-শাসিত এবং কিছু রাজ্য গ্যাস উত্পাদকও।

প্রশ্ন হলো, যুক্তরাষ্ট্রে কি সত্যিই গ্যাসের চুলা নিষিদ্ধ হতে পারে? আপাতত মার্কিনিদের রান্নার অভ্যাসে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ অবশ্যম্ভাবী নয়। গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন, এই মুহূর্তে বাইডেন প্রশাসনের গ্যাসের চুলা নিষিদ্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই। স্বাধীন সংস্থা সিপিএসসি-ও কারো গ্যাসের চুলার নিতে আসছে না বলে টুইটারে জানিয়েছেন কমিশনার ট্রুমকা। এরপরও জাতীয়ভাবে যদি কখনো কোনো নিষেধাজ্ঞা আসে, সেটি হতে পারে বড়জোর নতুন কুকারের ওপর, পুরোনো গ্যাসের চুলায় নয়। সিপিএসসির বর্তমান অগ্রাধিকার হলো নতুন পণ্যের মান উন্নত করা। এটি গ্যাসের চুলা রক্ষাকারীদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেওয়া উচিত।

নিউজ ট্যাগ: গ্যাসের চুলা

আরও খবর



চাঁপাইনবাবগঞ্জে শৌচাগারের ট্যাংক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর শৌচাগারের ট্যাংকির ভেতর থেকে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়নের হরিশপুর গুচ্ছগ্রামে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত শিক্ষার্থীর নাম মো. আলহাজ (১৪)। সে হরিশপুর মহলদারপাড়া গ্রামের মো. বাবলুর ছেলে। সে নরেন্দ্রপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র। গত শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, গত শুক্রবার রাত থেকে নিখোঁজ হয় আলহাজ। এরপর থেকেই পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজন ও আশেপাশের এলাকায় তাকে খুঁজলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা রোববার আশ্রয়ন প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামে ট্যাংকি খুললে মরদেহটি দেখতে পায়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরপর মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ইউপি সদস্য মো. লালবর আলী জানান, গত দুইদিন থেকে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজি করলেও ছেলেটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। গুচ্ছগ্রাম থেকে সামান্য কিছু দূরেই নিখোঁজ স্কুলছাত্রের বাড়ি। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা গুচ্ছগ্রামের প্রত্যেকটি ঘরে খোঁজাখুজি করে। পরে মলের ট্যাংকির ঢাকনা খুললে মরদেহটি দেখতে পাওয়া যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




১৯৬১ সালের পর প্রথমবার কমলো চীনের জনসংখ্যা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে চীন সরকার এক সন্তান নীতি গ্রহণ করেছিল, যার প্রভাব পড়েছে চীনের জন্মহারে। ২০১৬ সালে চীন সরকার এই বিধিনিষেধ শিথিল করেছ, তার পরেও জনসংখ্যার বৃদ্ধি কাঙ্ক্ষিত হারে হচ্ছে না।

৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো জনসংখ্যা কমেছে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ চীনে বর্তমান জন্মহার রেকর্ড পরিমাণ কম। আর এ কারণে দিনে দিনে কমছে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, জন্মহার কমের বিষয়টি চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কোণঠাসা করে দিতে পারে।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সাল শেষে দেশটির মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪১ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজারে। যা ২০২১ সালের তুলনায় ৮ লাখ ৫০ হাজার কম।

২০২২ সালে দেশটিতে জন্ম নিয়েছে ৯০ লাখ ৫৬ হাজর শিশু। আর একই সময় মারা গেছেন ১ কোটি ৪১ হাজার মানুষ।

সর্বশেষ চীনের জনসংখ্যা কমেছিল ১৯৬০ সালে। ওই বছর মাও সে তুংয়ের বিপর্যয়কর কৃষি নীতি গ্রেট লিপ ফরওয়ার্ডের কারণে দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল দেশটির মানুষ।

তবে এরপর দেশটিতে জনসংখ্যা বাড়া শুরু করে। কিন্তু অধিক জনসংখ্যার ভয়ে ১৯৮০ সালে চীন বিতর্কিত এক শিশু নীতি গ্রহণ করে। যার কারণে জনসংখ্যা অনেক বেশি হ্রাস পায়। ভুল উপলব্ধি করতে পেরে ২০১৬ সালে এই নীতি পরিহার করে দেশটি। বর্তমানে অঞ্চলভেদে চীনে কোনো দম্পতি চাইলে তিন ছেলে-মেয়েও নিতে পারবেন। তবে এ বিষটি জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে খুব বেশি প্রভাব রাখতে পারেনি।

জীবনমানের খরচ বৃদ্ধি, বেশিরভাগ নারীর কর্মক্ষেত্রে যাওয়া এবং উচ্চ শিক্ষার প্রতি ঝোঁক থাকার বিষয়গুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি ধীর করে দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া ইউনিভার্সিটি অব ভিক্টোরিয়ার প্রফেসর শিউজান পেং বলেছেন, কয়েক দশক পুরোনো নীতির কারণে চীনের সাধারণ মানুষ ছোটো পরিবারের সঙ্গেই বেশি মানানসই হয়ে গেছেন। জন্মহার বৃদ্ধিতে চীনা সরকারকে কার্যকরী নীতি গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে জনসংখ্যা ক্রমশ কমতেই থাকবে।


আরও খবর



বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে সংসদ অধিবেশন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় শুরু হবে।

এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকেল ৩টায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। এই সভায় অধিবেশনের কার্যদিবস এবং সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়ন দেয়া হবে।

এবারের সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ উপনেতা মনোনয়ন দেয়া হবে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে এ পদটি শূন্য হয়।

এদিকে বছরের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অধিবেশনের প্রথমদিন ভাষণ দেবেন। পরে তার এই ভাষণের উপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

এর আগে রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন। একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন আহ্বানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে অনুযায়ী ৫ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশন শুরু হবে। গত ৬ নভেম্বর সংসদের ২০তম অধিবেশন সমাপ্ত হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, এই অধিবেশনে মোট ১৭টি বিল উত্থাপিত হতে পারে। এ বিলগুলোর মধ্যে অন্তত ৭ থেকে ৮টি বিল পাস হতে পারে। গত ২০তম অধিবেশনে পাস না হওয়া ১০টি বিল জমা রয়েছে। নতুন ৭টি বিল জমা পড়েছে বলে আইন শাখা জানিয়েছে।


আরও খবর



বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে শিশু শিহাবকে হত্যা করা হয় : পিবিআই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুর মহানগরীর মাজুখান এলাকার শিশু সিহাব হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ছাড়া এ হত্যা মামলার আসামি নাসির মিয়াকে (২৮) গত ১৬ জানুয়ারি মাজুখান থেকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নাসিরের বাড়ি নোয়াখালির কবিরহাট থানার সোনাপুর জমিদারহাট গ্রামে। তিনি গাজীপুর মহানগরের মাজুখান বাগের টেকের সাইদের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

নিহত শিশু শিহাব মাজুখান এলাকার জুয়েলের ছেলে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। পরদিন সকালে হাজী ছালাম মুন্সির বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিহাবের দাদি বাদী হয়ে পুবাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর পুবাইল থানা-পুলিশ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ব্যর্থ হলে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে এর দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই। ঘটনার প্রায় চার মাসের মধ্যেই হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন করেছে পিবিআই।

পিবিআই জানায়, মাজুখান উত্তরপাড়ায় ফারুকের মুরগীর দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন নাসির। বেশির ভাগ সময় মালিক দোকানে থাকতেন না। তখন নাসির নিজেই মুরগি ও ফিড বেচাকেনা করতেন। পাশের গলির জুয়েলের ছেলে সিহাব মাঝে মধ্যে তার দোকানে আসত।

ফিড খেয়ে ফেলার সময় মুরগি তাড়ানোর জন্য দোকানদার খেলনা পিস্তল ব্যবহার করতেন। খেলনা পিস্তলের ছোড়া গুলি সিহাব কুড়িয়ে আনত। নাসির মাঝে-মধ্যে সিহাবকে চিপস্ কিনে দিতেন। ভুক্তভোগী সিহাব নাসিরকে মুরগি চাচ্চু বলে ডাকত। এভাবে সিহাবের সঙ্গে নাসিরের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ২৫ নভেম্বর নাসির তার ভাড়া বাসায় নিজ কক্ষে ল্যাপটপে পর্ণ দেখছিলেন। দুপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সময় সিহাব নাসিরের রুমে যায়। তখন নাসির সিহাবকে বলাৎকার করতে চাইলে সে চিৎকার দেয়।

নাসির মুখ চেপে ধরলে সিহাবের দেহ নিথর হয়ে যায়। সিহাবের মরদেহ খাটের নিচে রেখে দরজা লাগিয়ে নাসির বাইরে চলে যান। পরে ভোর রাতে সিহাবের মরদেহ সালাম মুন্সীর বাড়ির পাশে ফেলে রাখেন নাসির। ঘটনার তিন দিন পরে নাসির এলাকা ছেড়ে চট্টগ্রাম চলে যান। দুই দিন পরে চিটাগাং থেকে ফিরে আসেন তিনি। এর এক সপ্তাহ পর নাসির তাবলিগ জামাতের ৪০ দিনের চিল্লায় চলে যান।

এ বিষয়ে পিবিআই, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি নাসির বিকৃত মানসিকতা সম্পন্ন। ল্যাপটপে নীল ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে শিশু সিহাবকে বলৎকারের চেষ্টাকালে পাশবিক নির্যাতনের পর  হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর