Logo
শিরোনাম

রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতি দক্ষিণ কোরিয়ার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | ৪৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৪ হাজার ৭২০ কোটি ডলার। ২০০৮ সালে বাণিজ্য ঘাটতির হিসাব রাখা শুরুর পর তা রেকর্ড সর্বনিম্ন। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানিতে নতুন রেকর্ড হয়েছে। তবে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি মূল্যের কারণে বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে দেশটি।

সরকারি উপাত্তে জানা গেছে, ২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭২০ কোটি ডলার, যা দেশটির ইতিহাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ এবং ১৯৯৬ সালের রেকর্ড বাণিজ্য ঘাটতির প্রায় দ্বিগুণ। ২০০৮ সালে বাণিজ্য ঘাটতির উপাত্ত রাখা শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথম বছরে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৩২৬ কোটি ডলার।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় ১ জানুয়ারি জানায়, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে দেশটির রফতানি আয় ছিল ৫ হাজার ৪৮৯ কোটি ডলার। ২০২১ সালের একই মাসের তুলনায় যা ৯ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এ নিয়ে টানা তিন মাস রফতানি কমল দক্ষিণ কোরিয়ার। খাতওয়ারি, সেমিকন্ডাক্টর রফতানি কমেছে ২৯ দশমিক ১ শতাংশ এবং ইস্পাত, পেট্রোকেমিক্যাল ও ডিসপ্লে রফতানি কমেছে যথাক্রমে ২০ দশমিক ৯ শতাংশ, ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ ও ৩৫ দশমিক ৯ শতাংশ। গত ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি আমদানি ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৯৬৮ কোটি ডলার। এতে ২০২২-এর শেষ মাসে দেশটির বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৪৬৯ কোটি ডলার।

২০২২ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৬৮ হাজার ৩৯০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। দৈনিক গড় রফতানি ছিল ২৫১ কোটি ডলার। দেশটির দৈনিক রফতানি প্রথমবারের মতো ২৫০ কোটি ডলার ছাড়াল। সেমিকন্ডাক্টর রফতানি রেকর্ড সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৯২০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। গাড়ি রফতানি হয়েছে ৫ হাজার ৪৩০ কোটি ডলারের।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো দেশটির রফতানি ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। শীর্ষ তিন রফতানি গন্তব্য আসিয়ান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) রফতানি বেড়েছে যথাক্রমে ১৪ দশমিক ৮, ১৪ দশমিক ৫ ও ৭ দশমিক ১ শতাংশ। ভারতে দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি বেড়েছে ২১ শতাংশ। শীর্ষ চার গন্তব্যেই দক্ষিণ কোরিয়ার রফতানি রেকর্ড সর্বোচ্চ ছিল। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার আমদানি হয়েছে ৭৩ হাজার ১২০ কোটি ডলার, যা বছরওয়ারি ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানিতে বার্ষিক আমদানি ব্যয়ের ২৬ দশমিক ১ শতাংশ গেছে।

ডিসেম্বরে টানা সাত মাসের মতো চীনে রফতানি কমেছে দক্ষিণ কোরিয়ার। বার্ষিক রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। চীনের অর্থনীতিতে শ্লথগতি ও দ্বিতীয়ার্ধে সেমিকন্ডাক্টরের দাম হ্রাসে এমনটা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: দক্ষিণ কোরিয়া

আরও খবর

রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন এরদোয়ান

মঙ্গলবার ২৯ আগস্ট ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩