Logo
শিরোনাম

রিভিউ খারিজ: অধ্যাপক হত্যায় দুই জনের ফাঁসির রায় বহাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মার্চ 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | ১৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ও যাবজ্জীবন দণ্ডিত এক আসামির আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আট বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

ফলে একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নিহত অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলমকে ফাঁসির কাষ্ঠে যেতেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে তার আগে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষার আবেদন করতে পারবেন। আর যথারীতি যাবজ্জীবন দণ্ডিতদের সাজাভোগ করতে হবে।

আদালতে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী ও নিখিল কুমার সাহা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তিন আসামির আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদেশের জন্য ২ মার্চ দিন রাখেন আদালত।

২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাবির কোয়ার্টারের ম্যানহোলে পাওয়া যায় পদোন্নতি সংক্রান্ত বিষয়ের জের ধরে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ। ৩ ফেব্রুয়ারি নিহত অধ্যাপক তাহেরের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

এ মামলায় ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ।  এ হত্যা মামলার বিচার শেষে ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালত চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন।  দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নিহত অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম, নাজমুল আলম ও আব্দুস সালাম।

খালাসপ্রাপ্ত দুজন হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী। ২০০৮ সালে বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিতকরণ) হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি আসামিরা আপিল করেন।

শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন হাইকোর্ট। ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রাখা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম।

ফাঁসির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি হলেন- নাজমুল আলম ও আব্দুস সালাম। এরপর আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন। পাশাপাশি যাবজ্জীবন দণ্ডিত দুই আসামির দণ্ড বাড়াতে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি শেষে গত বছরের ৫ এপ্রিল আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখেন।

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, আসামিদের স্বীকারোক্তিগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, হত্যার এ ষড়যন্ত্রে মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিনই মুখ্য এবং সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। আমাদের এটা বলতে দ্বিধা নেই যে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মহিউদ্দিন শুধুমাত্র প্রফেসর হিসেবে পদোন্নতি পেতেই ড. তাহেরকে এ পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেন। তার ধারণা ছিল, ড. তাহের বেঁচে থাকলে অধ্যাপক হিসেবে তার পদোন্নতি পাওয়া সম্ভব না। 

আমাদের এও বলতে দ্বিধা নেই যে, আপিলকারী জাহাঙ্গীর আলম এবং আবেদনকারী আব্দুস সালাম ও নাজমুল আর্থিক সুবিধাসহ অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার জন্য অধ্যাপক তাহেরকে হত্যার জন্য ড. মহিউদ্দিনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন। 

১৫ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলম এবং যাবজ্জীবন দণ্ডিত সালাম রিভিউ আবেদন করেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রিভিউয়ের ওপর শুনানি শুরু হয়। এরপর শেষ হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি।


আরও খবর



বিশ্ব নারী দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | ১৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন- প্রতিপাদ্য সঙ্গে নিয়ে আজ বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হবে নারী দিবস। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, নারী-পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করা, নারীর কাজের স্বীকৃতি প্রদানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সাফল্য উদযাপনের উদ্দেশ্যে নানা আয়োজনে বিশ্বব্যাপী পালিত হয় দিনটি।

তথ্যপ্রযুক্তির উপযুক্ত ব্যবহারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে নারীকে অনুপ্রেরণা জোগাতে এই বছরের নারী দিবসের স্লোগান নির্বাচন করা হয়েছে। স্লোগানের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতিসংঘ বলছে, বর্তমানে আমাদের জীবন শক্তিশালী প্রযুক্তিগত একীকরণের উপর নির্ভর করে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের যেকোনো কাজ যেমন প্রিয়জনকে কল করা, ব্যাংক লেনদেন করা বা একটি মেডিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা সবকিছু একটি ডিজিটাল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়। তা সত্ত্বেও বিশ্বব্যাপী ৩৭ শতাংশ নারী ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না। পুরুষদের তুলনায় ২৫৯ মিলিয়ন নারীর ইন্টারনেটে কমপ্রবেশাধিকার রয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে যে যদি নারীরা ইন্টারনেটে ব্যবহার না করেন অথবা অনলাইনে নিরাপদ বোধ না করেন তবে তারা ডিজিটাল দুনিয়ায় জড়িত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতার বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হবেন না, যা তাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত সম্পর্কিত পেশা অর্জনের সুযোগ হ্রাস করবে। ধারণা করা হচ্ছে ২০৫০ সালের মধ্যে ৭৫ শতাংশ চাকরি এই ক্ষেত্রগুলোর সাথে সম্পর্কিত হবে। ফলে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর কম পদচারনার কারণে উন্নয়ন ও লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে প্রতি বছরই সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় নানা আয়োজন। তবে এ বছর ৮ মার্চ শবে বরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি। তাই কর্মসূচিতেও কাটছাঁট করা হয়েছে। সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে প্রতি বছর ৮ মার্চ যে আয়োজন থাকে তা অনুষ্ঠিত হবে ৯ মার্চ।

বেলা আড়াইটায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর সামাজিক প্রতিরোধ কমিটির যে প্রতিপাদ্য তা হলো- ডিজিটাল বিশ্ব হোক সবার: নারীর অধিকার সুরক্ষায় ও সহিংসতা মোকাবিলায় চাই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন বৈষম্যহীন সৃজনশীল প্রযুক্তি।

'নারীজন্ম ধন্য হোক আপনভাগ্য গড়ার অধিকারে স্লোগানে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদলের আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে স্বপ্নদল প্রযোজনা হেলেন কেলার-এর বিশেষ মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতি বছর দিবসের প্রথম প্রহরে মোমবাতি জ্বালিয়ে আঁধার ভাঙার শপথ নেয় `আমরাই পারি' জোট। ৮ মার্চ রাত ঠিক ১২টা বেজে এক মিনিটে শহীদ মিনারে সম্মিলিতভাবে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে এই শপথ নেওয়া হয়। তবে এ বছর এই কার্যক্রম হবে না। নারীপক্ষসহ ৫২টি সংগঠন দিবসটি পালন করবে সন্তানের ওপর মায়ের অভিভাবকত্বের অধিকার প্রতিপাদ্য নিয়ে। ১১ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টায় রমনা পার্কের অরুণোদয় গেটের সামনে জমায়েত হয়ে শুরু হবে পদযাত্রা।

জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে আজ সকাল সাড়ে দশটায় বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করবে।

উল্লেখ্য, এই দিনটির শুরু ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি সুচ কারখানার নারী শ্রমিকেরা দৈনিক শ্রম ১২ ঘণ্টা থেকে কমিয়ে আট ঘণ্টায় আনা, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন। আন্দোলন করার অপরাধে সেসময় গ্রেফতার হন বহু নারী। কারাগারে নির্যাতিত হন অনেকেই। তিন বছর পরে ১৮৬০ সালের একই দিনে গঠন করা হয় নারীশ্রমিক ইউনিয়ন। ১৯০৮ সালে পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের কারখানার প্রায় দেড় হাজার নারীশ্রমিক একই দাবিতে আন্দোলন করেন। অবশেষে আদায় করে নেন দৈনিক আট ঘণ্টা কাজ করার অধিকার। ১৯১০ সালের এই দিনে ডেনমাকের্র কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে জার্মানির নেত্রী ক্লারা জেটকিন ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই সারা বিশ্বে দিবসটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে আন্তর্জাতিক নারীবর্ষে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করা শুরু করে। এর দুই বছর পর ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। নারী দিবস হচ্ছে সেই দিন, যেই দিন জাতিগত, গোষ্ঠীগত, ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনভাবে নারীর অর্জনকে মর্যাদা দেবার দিন। এদিনে নারীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাসকে স্বরণ করে এবং ভবিষ্যতের পথ পরিক্রমা নির্ধারণ করে, যাতে আগামী দিনগুলো নারীর জন্য আরও গৌরবময় হয়ে ওঠে।


আরও খবর

ট্রাম্প বললেন, ‘আই এম ব্যাক’

শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩




টাকা ফেরত পেলেন ইভ্যালির ১৪ গ্রাহক, পর্যায়ক্রমে পাবেন বাকিরা

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | ১৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পেমেন্ট গেটওয়ে আটকে থাকা টাকা ফেরত পেয়েছেন ইভ্যালির ১৪ গ্রাহক। এসএসএল সার্ভিসের মাধ্যমে পেমেন্ট করা ১৪টি লেনদেনের প্রেক্ষিতে প্রথম ধাপে এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৬৭ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলমান আছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ তারিখ থেকে রিফান্ড কার্যক্রম শুরু করেছে ইভ্যালি। ধাপে ধাপে বিকাশ, নগদ ও এসএসএল-এ আটকে থাকা টাকাগুলো গ্রাহকদের রিফান্ড করা হবে। ইভ্যালির সবচেয়ে বেশি ১৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আটকে আছে নগদে। বিকাশে চার কোটি ৯১ লাখ টাকা ও এসএসএল-এ আছে তিন কোটি ৪০ লাখ টাকা। এছাড়া ছোট কিছু অ্যামাউন্ট আছে বিভিন্ন সার্ভিসে, তবে সেটির পরিমাণ খুবই কম।

আরও জানা গেছে, প্রথম ধাপে এসএসলের মাধ্যমে কিছু টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আজ অথবা কালকের মধ্যে নগদে আটকে থাকা দেড় কোটি টাকার একটি বড় পেমেন্ট রিফান্ড করা হবে।  

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ জুলাই থেকে এস্ক্রো নীতিমালা কার্যকর হয়। এরপর পণ্য কেনার জন্য পেমেন্ট গেটওয়েতে টাকা জমা দেওয়ার পর গ্রাহক তা বুঝে পেলে সেই টাকা পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে জমা হত।


আরও খবর

স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমল

সোমবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




জ্বালানির উচ্চমূল্যে অতিদরিদ্র হবে ১৪ কোটি মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ মার্চ ২০২৩ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জ্বালানি নিয়ে গোটা বিশ্বই এক ধরনের সংকটের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে। জ্বালানির দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই তার রেশ পড়ে অন্য নিত্যপণ্যের দামের ওপর। এর ধারাবাহিকতায় বেড়ে যায় জীবনযাপনের ব্যয়, দরিদ্র মানুষ হয়ে পড়ে আরো দরিদ্র। সম্প্রতি জার্নাল নেচার এনার্জিতে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ব্যয়ের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অতিদরিদ্র হবে ১৪ কোটির বেশি মানুষ।

 

গবেষণাটিতে অংশ নিয়েছেন নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক। বিশ্বের ১১৬টি দেশের মানুষের ওপর ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দামের প্রভাব নিয়ে কাজ করেন তারা। এসব দেশের পরিবারগুলো কীভাবে এ বাড়তি ব্যয় সমন্বয় করছে, কতটুকু বেড়েছে পরিবারের খরচ সেসব উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। গবেষণায় দেখা গেছে, যুদ্ধের কারণে কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় এসব দেশের পরিবারগুলোর ব্যয় বেড়েছে গড়ে ৪ দশমিক ৮ শতাংশ।

 

নিম্ন আয়ের দেশগুলোর দরিদ্র পরিবারগুলো এরই মধ্যে ভয়াবহ খাদ্য সংকটে ভুগতে শুরু করেছে। জ্বালানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এসব দেশের দরিদ্ররা আরো দরিদ্র হয়ে উঠছে। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতেও পরিবারগুলোয় পড়তে শুরু করেছে জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা বাজেটে কাটছাঁট করে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন। যা নিম্ন আয়ের দেশগুলোর মানুষের পক্ষে অসম্ভব। এ পরিস্থিতি চলমান থাকলে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৪ কোটি ১০ লাখ মানুষ দরিদ্র থেকে অতিদরিদ্র শ্রেণীর কাতারে পড়বে।

 

কিছু কিছু দেশ জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে সৃষ্ট সংকটে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে এস্তোনিয়া, পোল্যান্ড ও চেক রিপাবলিকের কথা বলা যায়। এসব দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে বৈশ্বিক গড় দামের চেয়ে বেশি। এর কারণ হলো এ দেশগুলো শক্তিভিত্তিক শিল্প খাতের ওপর বেশি নির্ভরশীল। ২০২০ সালের হিসাব অনুযায়ী, পোল্যান্ড জ্বালানি উৎপাদনের জন্য কয়লার ওপর ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ভরশীল।

 

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ জ্বালানির দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বাড়িয়েছে নিত্যপণ্য, প্রয়োজনীয় খাদ্যের দামও। এক বছর আগের সঙ্গে বর্তমানের দামে বিরাট পার্থক্য দেখা যাচ্ছে, আর তা বিশ্বব্যাপীই। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে এক বছরের ব্যবধানে ডিমের দাম বেড়েছে ৭০ দশমিক ১ শতাংশ, মার্জারিনের ৪৪ দশমিক ৭ শতাংশ, মাখনের ২৬ দশমিক ৩ শতাংশ, ময়দার ২০ দশমিক ৪ শতাংশ, রুটির ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ, চিনির বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ, দুধের ১১ শতাংশ, মুরগির ১০ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এ সময়ের ব্যবধানে দেশটিতে ফল ও সবজির দাম বেড়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ। ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, শিগগিরই দাম কমার কোনো লক্ষণও দেখা যাচ্ছে না।

 

বহুজাতিক কোম্পানি নেসলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পণ্যের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এর আগে ইউনিলিভার ও প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বলের মতো প্রতিষ্ঠানও দাম বৃদ্ধির কথা জানায়। এসব দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা সংকটের কথা বলা হচ্ছে।

 

ইউনিলিভারের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা গ্র্যামি পিটক্যাথি বলেন, ‘‌সম্ভবত আমরা মূল্যস্ফীতির চূড়ায় রয়েছি। তবে সর্বোচ্চ দামের চূড়ায় এখনো পৌঁছিনি। একই সময়ে চলতি বছর খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন ইউনিলিভারের প্রধান নির্বাহীও।’

 

প্রতিবেদনে বলা হয়, এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবারগুলোর ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কমাতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানির ওপর থেকে কর কমানো, জ্বালানির বিলে ছাড়, প্রণোদনা ইত্যাদি।

 

গবেষকরা বলছেন, সরকারগুলোর পক্ষে আরো পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। যেমন জ্বালানির দামে ভর্তুকি, টেকসই উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ ইত্যাদি। ক্ষতিগ্রস্ত দেশে সরকার পাশে না দাঁড়ালে সাধারণ মানুষের জন্য জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়বে। বিশেষ করে দরিদ্ররা আরো দরিদ্রের পথে এগিয়ে যাবে।


আরও খবর

ট্রাম্প বললেন, ‘আই এম ব্যাক’

শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩




নিউইয়র্কে বাসায় আগুন, দুই শিশুসহ নিহত ৫

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুই শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। স্থানীয় সময় শনিবার (৪ মার্চ) ভোরে নিউইয়র্কের স্প্রিং ভ্যালির একটি বাড়িতে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

রোববার (৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানায়, স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে ১১৮ লেক স্ট্রিটে একটি আবাসিক বাসভবনে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রকল্যান্ড কাউন্টির ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কো-অর্ডিনেটর ক্রিস্টোফার কিয়ার বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া একটি বাড়ির ভেতরে বেশ কয়েকজন আটকা পড়েছে বলে খবয় পাওয়া যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে বাড়িটিতে প্রবেশের চেষ্টা চালানো হলেও, পরিস্থিতি ভয়াবহ থাকায় ভেতরে ঢোকা সম্ভব হয়নি।

একপর্যায়ে ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও, বাড়ির ভেতরে আটকে থাকা লোকজনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা। পরে ভবনটির একতলা থেকে দুটি ও দুতলা থেকে তিনটি মরদেহ বাইরে নিয়ে আসা হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্ধারকাজ পরিচালনার সময় ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হন। তাকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, আহত বাকি পাঁচজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিয়ার আরও বলেন, আগুন ছড়িয়ে পড়লে এক ব্যক্তি দুতলা থেকে লাফ দেন। আগুন লাগার কারণ ও উৎস উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে। স্প্রিং ভ্যালির পুলিশ প্রধান রিক ওলেসজুক বলেন, তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানতে পারবো বলে আশা করছি। এ ঘটনায় আমরা পুরো স্প্রিং ভ্যালি ও নিউইয়র্কবাসী শোক জানাচ্ছি।


আরও খবর

ট্রাম্প বললেন, ‘আই এম ব্যাক’

শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩




আফগানিস্তানের রুক্ষ-শুষ্ক উত্তরাঞ্চলে খাল খুঁড়ছে তালেবান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ মার্চ ২০23 | ৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের রুক্ষ-শুষ্ক উত্তরাঞ্চলে নতুন একটি খাল খুঁড়ছে তালেবান। সম্প্রতি ইউটিউবে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বালির ওপর গর্জন করছে একঝাঁক খননযন্ত্র। সেখানে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠীর শ্রমিকরা। তালেবান সরকার বলছে, এই বিশাল প্রকল্পে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ ও তিন হাজারের বেশি যন্ত্রপাতি ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।

 

কাজ শেষ হলে কোশ টেপা খাল দিয়ে বয়ে যাবে আমু দরিয়া নদীর পানি। একসময় অক্সাস নামে পরিচিত নদীটি আফগানিস্তান-তাজিকিস্তান সীমান্তে সৃষ্টি হয়ে উজবেকিস্তানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এটি মধ্য এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘতম নদী। তালেবানের আশা, তাদের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের সাড়ে পাঁচ লাখ হেক্টর মরুভূমি সবুজ কৃষিজমিতে পরিণত হবে।

 

প্রচণ্ড দুঃসময়ের মধ্যে থাকা আফগানিস্তানে শত শত খারাপ খবরের মধ্যে এই প্রকল্পটি তালেবানের প্রশাসনিক সক্ষমতার জন্য একটি বড় পরীক্ষা। দেশটির প্রায় চার কোটি মানুষ ভয়াবহ দারিদ্র্যের হুমকিতে রয়েছে। তালেবানের নির্দেশে পড়াশোনা বন্ধ আফগান মেয়েদের।

 

আফগানিস্তানের ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রধান আবদুল রহমান আত্তাশ বলেন, আমাদের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে অনেকের মনেই সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু আমরা প্রমাণ করবো, আফগানিস্তান নিজের অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে এবং নিজস্বভাবে জাতীয় প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে।

 

কোশ টেপা খাল খনন প্রকল্পটি অবশ্য নতুন নয়। উত্তর আফগানিস্তানে একটি খাল খননের পরিকল্পনা কয়েক দশক ধরে আলোচনায় ছিল। পশ্চিমা-সমর্থিত সাবেক আফগান সরকারের অধীনে এর সম্ভাব্যতা যাচাইও করা হয়েছিল। তবে এই মুহূর্তে তালেবান প্রশাসনের হাতে প্রকল্পটির অগ্রগতি অসাধারণই দেখাচ্ছে। প্ল্যানেট ল্যাবস, পিবিসির মতো সংস্থাগুলো প্রকাশিত স্যাটেলাইটের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গত ১০ মাসে ১০০ কিলোমিটারের বেশি খাল খনন করা হয়েছে।

 

তবে দ্রুত কাজ মানেই ভালো কাজ নয়। জার্মানিতে বসবাসরত আফগান প্রকৌশলী নাজিবুল্লাহ সাদিদের শঙ্কা, খালটি ঠিকভাবে আচ্ছাদিত হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে, এর বেশিরভাগ পানি ওই অঞ্চলের শুষ্ক, বালুকাময় মাটি শুষে নেবে। তাছাড়া খাল তৈরির প্রকল্পে খননের অংশটিই সবচেয়ে সহজ। এরপরে আসন্ন কালভার্ট, সেতুনির্মাণের মতো জটিল প্রকৌশল কাজগুলো পরিচালনার ক্ষমতা তালেবানের রয়েছে কি না তা নিয়ে সন্দিহান সাদিদ। তার মতে, তালেবান তাড়াহুড়ো করছে।

 

সশস্ত্র গোষ্ঠীটির জন্য এ প্রকল্পে অর্থায়নও সহজ নয়। আফগানিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, তারা দেশীয় রাজস্ব থেকে অর্থ জোগাড় করবে। কর পরিহার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে তালেবান সরকারের আয় সত্যিই কিছুটা বেড়েছে। তবে তাদের হাতে বিকল্প খুবই সামান্য। বিদেশি দাতারা বিশাল প্রকল্পের জন্য তালেবানের হাতে অর্থ দিতে রাজি নয়। পরিকল্পিত ২৮৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের প্রকল্পটিতে প্রথম ধাপে কাজ হবে ১০০ কিলোমিটারের বেশি। এর জন্য ৮২০ কোটি আফগানি (৯ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার) ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ২০২২ সালের প্রথম আট মাসে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজস্বের প্রায় আট শতাংশের সমতুল্য।

 

আরেকটি সমস্যা হলো, খালের কাজ শেষ হলে সেটি আঞ্চলিক বিবাদ বাড়িয়ে দিতে পারে। খালটি উজবেকিস্তানের সীমান্তের কাছাকাছি আমু দরিয়া নদী থেকে পানি সরাবে। উজবেকরা তাদের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল তুলার ক্ষেতে সেচ দেওয়ার জন্য এই নদীর ওপর নির্ভর করে। তাছাড়া আফগানিস্তান তার বেশিরভাগ বিদ্যুৎ আমদানি করে উজবেকিস্তান থেকে। ফলে উজবেকদের রাগিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য আপাতত তাদের নেই।

 

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কাবুলের বাসিন্দারা দিনে মাত্র দুই ঘণ্টার মতো বিদ্যুৎ পেয়েছেন। কারণ তাসখন্দ সরকার আফগানিস্তানে রপ্তানি কমিয়ে নিজেদের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ফলে পানি নিয়ে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও খারাপ করে তুলতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: আফগানিস্তান

আরও খবর

ট্রাম্প বললেন, ‘আই এম ব্যাক’

শনিবার ১৮ মার্চ ২০২৩