Logo
শিরোনাম

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মনোরঞ্জনে জলসা ঘরে রয়েছে নারী-মদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্পের সামনে গড়ে ওঠা একটি মার্কেটে দোকান রয়েছে অন্তত ২ হাজার। ক্যাম্পের পাশে রয়েছে এমন আরও মার্কেট।

এসব মার্কেটে মিলছে অভিজাত কাপড়ের শোরুম, পারলার, কসমেটিকস, জুয়েলারি শপ, দামি ব্র্যান্ডের মোবাইলের শোরুম। 

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে থাকা রোহিঙ্গাদের এসব বিলাসী জীবনের পেছনের গল্প। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ওই মার্কেটের ৯০ শতাংশ ক্রেতা খোদ রোহিঙ্গারা। পণ্যের বিক্রেতাও তারা।

এছাড়া রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মনোরঞ্জনে জলসা ঘরে রয়েছে নারী ও মদের ব্যবস্থা। সেখানে বসে খেমটা নাচের আসর। 

অনেক অভিজাত কাপড়ের দোকান সেখানে। আছে অন্তত ২৫টি জুয়েলারি শোরুম, ১০টি বিউটি পারলার, দুইশর বেশি দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল শোরুম। 

প্রায় প্রতিটি ক্যাম্পের অভ্যন্তরে গড়ে ওঠা মার্কেটের ব্যবসায়ীরা চাহিদা সাপেক্ষে আরও দামি কাপড় কিংবা আসবাবপত্র সরবরাহ করেন রোহিঙ্গা ক্লায়েন্টদের।

নৃশংসতা আর মাদক ব্যবসা পুঁজি করে বিলাসী জীবনযাপন করছেন রোহিঙ্গারা। উখিয়া, টেকনাফে গড়ে ওঠা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর পাশের বিভিন্ন মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য। সাদা চোখে কর্মহীন মনে হলেও রোহিঙ্গারাই এসব বিলাসী পণ্যের ক্রেতা। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরীহ রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে বিশেষ ফায়দা লুটে নিচ্ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে গড়ে ওঠা আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি (আরসা), রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন, আল মাহাজসহ বিভিন্ন সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা। আবার মানবাধিকারের কথা বলে নেপথ্য থেকে তাদের সমর্থন জোগাচ্ছে দেশি-বিদেশি কিছু উন্নয়ন সংস্থা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের ডা. আজিজ। বখতিয়ার মার্কেটে রয়েছে ওষুধের দোকানের আড়ালে তার মাদক ব্যবসা। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মাদক মামলা। ক্যাম্পে তার বাড়ি পাঁচ শতাংশের ওপর। বাইরে থেকে বোঝা না গেলেও বাড়ির ভিতরের সাজসজ্জা চোখে পড়ার মতো। 

একই ক্যাম্পের আরেকজন রোহিঙ্গা ডা. ওসমান। তার বিরুদ্ধেও রয়েছে দুটি মাদক মামলা। বর্তমানে তিনি সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। ক্যাম্পের ভিতরে তার বাড়ি কমপক্ষে ৫ শতাংশের ওপর। ঘরের অভিজত আসবাবপত্র যে কারও নজর কাড়বে। 

একই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা হাফেজ জালাল। ক্যাম্পে অভ্যন্তরে রয়েছে তার একটি মাদরাসা। অভিযোগ, আরসার সঙ্গে রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ। মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা তার মাদরাসায় পড়তে আসে।

মুন্না গ্রুপের সেকেন্ড ইন কমান্ড দেলোয়ার রীতিমতো আতঙ্ক। তার সরাসরি নেতৃত্বে চলছে মাদক ব্যবসা। এই প্রতিবেদক ক্যাম্পে অবস্থানের সময় চাঁদা না দেওয়ার অপরাধে এক নিরীহ রোহিঙ্গার কান কেটে দেয় সে। পরে ওই নিরীহ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি রাশিদুল ইসলামকে অবহিত করেন।

ক্যাম্প-১২ বি-ব্লকের বাসিন্দা জাহিদ হোসেন লালু আরসার ভয়ংকর সন্ত্রাসী হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে চিহ্নিত। ৩৫ বছরের লালু এরই মধ্যে অফিশিয়ালি পাঁচটি বিয়ে করেছেন। 

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার কিছু লোকের সঙ্গে তার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। মাঝেমধ্যে ক্যাম্প-১-এর হেড মাঝি মশিউল্লার পৃষ্ঠপোষকতায় সেখানকার কয়েকটি ঘরে বসে বিশেষ বৈঠক। এসব বৈঠকে অংশ নেন শীর্ষ কমান্ডার শমির উদ্দীন, আবদুর রহিম, খায়রুল আমীন, ফয়জুল্লাহ, জুবায়ের, মাস্টার রফিক, হেফজুর রহমান। বৈঠক শেষে সেখানে রাখা হয় মনোরঞ্জনের বিশেষ ব্যবস্থা। শমির উদ্দীনের তিনটি বিয়ের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, খুন, ডাকাতি, ছিনতাই করে নিজেদের শক্তি-সামর্থ্য জানান দিচ্ছে ক্যাম্পগুলোয় গড়ে ওঠা সশস্ত্র গ্রুপগুলো। ক্যাম্পের অভ্যন্তরের দোকান ও বাড়ি টার্গেট করে বাড়িয়ে দিচ্ছে চাঁদার হার। পছন্দ অনুযায়ী মেয়েদের তুলে নিয়ে ধর্ষণ করছে। মাঝেমধ্যে সুন্দরী তরুণীদের বিয়েও করছে জোরপূর্বক। সন্ত্রাসীদের বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার দুঃসাহস দেখানোর মতো অভিভাবক পাওয়া খুবই বিরল। প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া পরিবারের ওপর নেমে আসে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। 

জলসা ঘরের পাহারায় থাকে গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। সারা রাত ফুর্তি করার পর ভোরের দিকে এসব দুর্বৃত্ত অজ্ঞাত স্থানে চলে যায় বলে জানিয়েছেন অনেক নিরীহ রোহিঙ্গা সদস্য। 

তবে আরসার অনেক সদস্য সুন্দরী তরুণীদের কিছুদিনের জন্য বিয়ে করেন। কিছুদিন পর অন্য কোনো সুন্দরীকে চোখে পড়লে আগের জনকে ডিভোর্স দিয়ে দেন।

জানতে চাইলে এপিবিএন-৮ (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন)-এর অধিনায়ক শিহাব কায়সার খান বলেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা অনেক প্রস্তাব দিয়েছি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে। একটা প্রস্তাব ছিল তালিকাভুক্ত অপরাধীদের পরিবারে রেশন সুবিধা বন্ধ করার। তবে এ প্রস্তাবে তারা সাড়া দিচ্ছে না। একই সঙ্গে ক্যাম্পসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করার জন্য আমরা দাবি জানিয়েছি। তাতেও সাড়া মিলবে বলে মনে করছি না। 


আরও খবর



ইরাকের প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার চেষ্টা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-খাদিমিকে ড্রোন হামলার মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তিনি অক্ষত রয়েছেন। দেশটির রাজধানী বাগদাদে খাদিমির বাসভবনেই তাকে হত্যায় এই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে।

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-খাদিমির বাসভবনটি রাজধানী বাগদাদের গ্রিনজোনে অবস্থিত। তবে সুরক্ষিত এলাকা হলেও বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন দিয়ে হামলার মাধ্যমে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

এদিকে হামলার পর তিনি অক্ষত আছেন বলে নিজেই জানিয়েছেন মোস্তফা আল-খাদিমি। অবশ্য সংবাদমাধ্যমগুলো আগে জানিয়েছিল যে, ড্রোন হামলার পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

হামলার পর টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় মোস্তফা আল-খাদিমি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরাকের স্বার্থে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে কয়েকটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে এক বিবৃতিতে ইরাকের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-খাদিমির বাসভবনকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে এবং তিনি নিরাপদে ও ভালো আছেন। বিবৃতিতে এর বেশি কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

ইরাকের দুজন সরকারি কর্মককর্তা জানিয়েছেন, ড্রোন হামলার পর প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে কমপক্ষে একটি বিস্ফোরণ হয় এবং মোস্তফা আল-খাদিমি নিরাপদে আছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তারা।

নিরাপত্তা কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানান, মোস্তফা আল-খাদিমির ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের ৬ সদস্য বাসভনের বাইরে দায়িত্বপালন করছিলেন এবং ড্রোন হামলায় তারা সবাই আহত হয়েছেন।

বিবিসি বলছে, বাগদাদের ওই গ্রিনজোনে বহুসংখ্যক সরকারি দফতর এবং বিদেশি দূতাবাস অবস্থিত। এমন সুরক্ষিত এলাকায় ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ড্রোন হামলার দায় এখনও কেউ স্বীকার করেনি।

গত বছরের মে মাসে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন মোস্তফা আল-খাদিমি। এর আগে তিনি দেশটির গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে দায়িত্বপালন করেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানপন্থি সশস্ত্র গ্রুপগুলোর সমর্থকরা বাগদাদের গ্রিনজোনের কাছে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। সেসময় তারা ইরাকের সর্বশেষ পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফলাফলের বিরোধীতা করেন। কারণ সর্বশেষ নির্বাচনে ইরাকি পার্লামেন্টে কিছু ক্ষমতা হারিয়েছেন ইরানপন্থিরা।


আরও খবর



২১ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি রাজ পরিবারের ‘ধর্মযুদ্ধ’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০১৯-এ ছবি তৈরির ঘোষণা। ২০২০-তে মুক্তির কথা ছিল। মহামারির সঙ্গে এক বছর যুদ্ধ চালিয়ে নতুন বছরের ২১ জানুয়ারি মুক্তি পেতে চলেছে রাজ চক্রবর্তীর ধর্মযুদ্ধ। রাজ মানেই এখন বিষয়নির্ভর ছবি। আর তাতে রাজ-ঘরনি শুভশ্রী নায়িকা কম অভিনেত্রী বেশি। পরিণীতা ছবি থেকেই চেনা ছক থেকে বেরিয়ে নিজেদের ভেঙেছেন রাজশ্রী। তারই যেন আরও পরিণত রূপ ধর্মযুদ্ধ

তারকা দম্পতির পাশাপাশি ছবির জোরালো খুঁটি এক ঝাঁক তারকা। রয়েছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, সপ্তর্ষি মৌলিক, পার্নো মিত্র, ঋত্বিক চক্রবর্তী, সোহম চক্রবর্তী। ২০২১ মঞ্চ, পর্দা সফল প্রবীণ অভিনেত্রী স্বাতীলেখাকে কেড়ে নিয়েছে। নতুন বছরে পর্দাজুড়ে তিনি নব রূপে। ধর্মযুদ্ধ ছাড়াও স্বাতীলেখা জীবন্ত হবেন উইনডোজ প্রোডাকশনের বেলাশুরু ছবিতে। সপ্তর্ষি এই ছবিতে শুভশ্রীর স্বামী। পেশায় অটোচালক। খবর, শুভশ্রীর পাশাপাশি তাঁর লুক-এও বড় পরিবর্তন এনেছেন পরিচালক। শ্যুট শুরুর আগে তাঁকে অটো চালানো শিখতে হয়েছিল

ছবি-মুক্তির খবর সপ্তর্ষি প্রথম জানলেন আনন্দবাজার অনলাইন থেকে। আনন্দের পাশাপাশি ছোট্ট আক্ষেপ তাঁর, রাজ যখন ছবিটি বানিয়েছিলেন সেই সময় দেশ-রাজ্যজুড়ে ধর্ম নিয়ে কাটাছেঁড়া চলছে। ছবিটি সেই সময় মুক্তি পেলে আরও প্রাসঙ্গিক হত। এখন কি তা হলে ছবির প্রাসঙ্গিকতা তুলনায় কমে গিয়েছে? মানতে রাজি নন স্বাতীলেখা সেনগুপ্তের একমাত্র জামাই।

তাঁর কথায়, দেশ বা রাজ্যে ধর্মযুদ্ধ থিতিয়েছে। থেমে যায়নি। তা ছাড়া, দর্শক অত্যন্ত বুদ্ধিমান। তাঁরা ছবি দেখে বুঝবেন পরিচালক কী বলতে চাইছেন। আশা, তাঁরা খুশি মনেই ছবিটিকে গ্রহণ করবেন। শুভশ্রীর স্বামী হওয়ার অনুভূতি কেমন? অনবদ্য, দাবি সপ্তর্ষির। সারা ছবিতেই শুভ অন্তঃসত্ত্বা। সেই অনুভূতি ধরে রেখে ছবিতে অভিনয় করে যাওয়া সহজ নয়। এত দিন গ্ল্যামারাস নায়িকা হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পরে 'পরিণীতা' থেকে শুভ জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এ ভাবে ভেঙে নিজেকে প্রমাণ করতে যথেষ্ট সাহসের প্রয়োজনবক্তব্য অভিনেতার।


আরও খবর



রাজধানীতে মাদকসহ আটক ৪৫

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৬টা থেকে রবিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত  ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ তাদের গ্রেফতার করে। খবর ডিএমপি নিউজের।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪ গ্রাম ২৩৩ পুরিয়া হেরোইন, ৫ হাজার ৬৭২ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৩১৮ গ্রাম ৭১ পুরিয়া গাঁজা ও ১০৩ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৯টি মামলা করা হয়েছে।


আরও খবর



১০ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়

১০ নভেম্বর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৩১৫তম (অধিবর্ষে ৩১৬তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৫০ দিন বাকি রয়েছে। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।


ঘটনাবলি

    ১৪৯৮ - পর্তুগালের বিখ্যাত নাবিক ভাস্কো দা গামার সমুদ্র অভিযান শুরু হয়।

    ১৭৯৩ - শিক্ষাব্রতী ধর্মযাজক উইলয়াম কেরি ইংল্যান্ড থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছান।

    ১৭৯৮ -  ব্রিটিশ গভর্নরের আদেশে কলকাতায় রবিবারে ঘোড়দৌড় ও সব রকম জুয়াখেলা নিষিদ্ধ হয়।

    ১৮৬৬ - কেশব চন্দ্র সেনের নেতৃত্বে কলকাতায় ভারতবর্ষীয় আদি ব্রহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯০৮ -  এলিজাবেথ ন্যারেথ অ্যান্ডারসন বৃটেনের প্রথম মহিলা নির্বাচিত হন।

    ১৯১৭ -  রাশিয়ায় বিপ্লবের পর লেনিনের নেতৃত্বে গঠিত হয় শ্রমিক-কৃষকের প্রথম সরকার।

    ১৯১৮ - মিত্রশক্তি ও জার্মানির মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি।

    ১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসিরা ফ্রান্স দখল করে।

    ১৯৫২ - ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রথম ভিডিও রেকর্ডারের কার্যক্রম প্রদর্শিতি হয়।

    ১৯৫৩ - পোলিও রোগের ভাইরাস আবিস্কৃত হয়।

    ১৯৬৫ - ব্রিটেনে হত্যার দায়ে মৃত্যুদন্ড আইন রহিত ঘোষণা করা হয়।

    ১৯৬৬ - এডুইন ইউগেন অলড্রিন এবং জেমস এ লোভেল নভোযান জিনিনি-১২ তে চড়ে চারদিনের সফরে মহাশূন্যে যাত্রা করেন।

    ১৯৬৮ - মালদ্বীপের প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।

    ১৯৭০ - ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯৭২ - বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    ১৯৮২ - দক্ষিণ লেবাননে ঘাঁটি গেড়ে বসা ইহুদীবাদী ইসরাইলের সেনা কমান্ডের সদর দফতরে শহীদ আহমাদ কাসির ভয়াবহ বোমা হামলা চালান।

    ১৯৮৯ - বার্লিন প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু হয়।

    ১৯৯০ -  নেপালের রাজা বীরেন্দ্র নতুন সংবিধান চালু করে দলহীন পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

    ১৯৯০ -  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উপসাগর এলাকায় দুই লাল সেনা পাঠায়।

    ১৯৯১ - কিউবা থেকে সোভিয়েত ফৌজ প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করা হয়।

    ১৯৯৫ - মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে কমনওয়েলথ থেকে নাইজেরিয়ার সদস্যবাতিল করা হয়।

    ১৯৯৬ - বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত বাণিজ্য চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    ১৯৯৯ -  জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেস্কো নির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়।

 

জন্ম

    ১৪৯৩ - পারাচেলসুস, সুইস জার্মান চিকিৎসক, উদ্ভিদবিদ ও জ্যোতিষী।

    ১৭৪৩ - কার্ল পিটার থাউনবেরগ, সুইডিশ উদ্ভিদবিদ, পতঙ্গবিশারদ ও মনোবৈজ্ঞানিক।

    ১৭৭১ - মারি ফ্রাঁসোয়া বিশা, আধুনিক কোষতত্ত্বের জনক।

    ১৮১৮ - রাশিয়ার খ্যাতনামা উপন্যাস লেখক ইভান তুরগেনেভ।

    ১৮২১ - ফিওদোর দস্তয়েভ্‌স্কি, বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক।

    ১৮৩২ - এমিলে গাবরিয়াউ, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক ও সাংবাদিক।

    ১৮৪১ - ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের রাজা সপ্তম অ্যাডওয়ার্ড।

    ১৮৬৪ - আলফ্রেড হারমান ফ্রিয়েড, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।

    ১৮৭২ - ভারতের খ্যাতনামা হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী আবদুল করিম খাঁ।

    ১৮৭৬ - স্যার আবদুল হালিম গজনভি, বাঙালি রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি।

    ১৮৭৭ - আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল, তিনি ছিলেন বিভাগপূর্ব ভারতবর্ষের ফার্সী ভাষী মুসলিম কবি, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ।

    ১৮৮৫ - ডি.এইচ লরেন্স, ইংরেজ সাহিত্যিক।

    ১৮৮৮ - মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী।

    ১৮৯৭ - রোনাল্ড জর্জ রেফর্ড নোরিশ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ রসায়নবিদ ও অধ্যাপক।

    ১৯০১ - আলেকসান্দার ফাদায়েভ, সোভিয়েত লেখক।

    ১৯০৭ - সুফী মোতাহার হোসেন, বাঙালি কবি।

    ১৯০৮ - গজেন্দ্রকুমার মিত্র, ভারতীয় কথাসাহিত্যিক ও প্রকাশক।

    ১৯১১ - জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, বিংশ শতকের অন্যতম প্রধান আধুনিক বাঙালি গায়ক ও কবি।

    ১৯১৩ - হেডি লেমার, তিনি ছিলেন অস্ট্রীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

    ১৯১৪ - হাওয়ার্ড ফাস্ট, মার্কিন লেখক ও চিত্রনাট্যকার।

    ১৯২৮ - হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পীকার ও কূটনীতিবিদ।

    ১৯২৮ - কার্লোস ফুয়েন্তেস, মেক্সিকান ঔপন্যাসিক।

    ১৯২৯ - ইমরে কার্তেজ, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান লেখক।

    ১৯৩২ - অনিতা বসু , ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব

    ১৯৩৫ - রবীন্দ্র সংগীতে ১৯৯৭ সালে সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার প্রাপ্ত অর্ঘ্য সেন, বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

    ১৯৩৬ - মালা সিনহা, নেপালী-ভারতীয় অভিনেত্রী।

    ১৯৩৬ - সুজান কোনার, মার্কিন টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

    ১৯৩৯ - আব্দেল মাজিদ লাখাল, তিউনিশিয়ার অভিনেতা ও পরিচালক।

    ১৯৪৮ - লুইজ ফেলিপে স্কলারি, তিনি সাবেক ব্রাজিলের ফুটবলার ও ম্যানেজার।

    ১৯৬০ - আনড্রেয়াস ব্রেহমা, তিনি সাবেক জার্মান ফুটবলার ও ম্যানেজার।

    ১৯৬৪ - অ্যালিসন ডোডয়, আইরিশ মডেল ও অভিনেত্রী।

    ১৯৬৭ - রিকি আটর, তিনি ইংরেজ ফুটবলার।

    ১৯৭৪ - লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও, মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক।

    ১৯৭৭ - মানিশ, পর্তুগিজ ফুটবলার।

    ১৯৮৩ - ফিলিপ লাম, জার্মান ফুটবলার।

    ১৯৮৪ - সেভেন, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার গায়ক, ড্যান্সার ও অভিনেতা।

    ১৯৯০ - জরজিনিও ওয়িজনাল্ডুম, ওলন্দাজ ফুটবলার।

 

মৃত্যু

    ০৯৫৯ - কনস্টান্টটাইন সপ্তম, তিনি ছিলেন বাইজেন্টাইনের সম্রাট।

    ১০২৮ - কনস্ট্যান্টিন অষ্টম, তিনি ছিলেন বাইজেন্টাইন সম্রাট।

    ১৭৭৮ - গিওভানি বাটিস্টা পিরানেসি, তিনি ছিলেন ইতালিয়ান ভাস্কর ও চিত্রকর।

    ১৮২৩ - অর্থনীতিবিদ ডেভিট রিকার্ডো।

    ১৮৪৮ -  রবার্ট বলুম, তিনি ছিলেন জার্মান কবি ও রাজনীতিবিদ।

    ১৮৫৫ - সারেন কিয়েরকেগর ডেনীয় দার্শনিক এবং তাত্ত্বিক।

    ১৯১৯ - পাভেল খিস্ট্যাকভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান চিত্রশিল্পী ও শিক্ষক।

    ১৯২৩ - সমাজসেবক রাজনীতিক লেখক আশ্বিনীকুমার দত্ত।

    ১৯৪৮ - পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

    ১৯৫৩ - ইংরেজ কবি ডিলান টমাস।

    ১৯৫৩ - সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল আজিজ ইবন সৌদ।

    ১৯৭০ - জেনারেল চার্লস দ্য গল, তিনি ছিলেন ফরাসি সাধারণ ও নীতি ও ১৮ তম প্রেসিডেন্ট।

    ১৯৭১ - সোভিয়েত রাষ্ট্রনায়ক নিকিতা ক্রুশ্চেভ।

    ১৯৭৩ - আর্টটুরি ইলমারি ভিরটানেন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিনিশ রসায়নবিদ ও একাডেমিক।

    ১৯৮০ - উপমহাদেশের বিশিষ্ট কমিউনিস্ট নেতা পি সি যোশী।

    ১৯৮৪ - প্রখ্যাত বাঙালি নট ও নাট্যকার মহেন্দ্র গুপ্ত।

    ১৯৮৫ - মারি-জর্জ পাস্কাল, তিনি ছিলেন ফরাসি অভিনেত্রী।

    ১৯৮৭ - প্রগতিবাদী রাজনৈতিক নেত্রী মণিকুন্তলা সেন।

    ১৯৯৯ - মোহাম্মদউল্লাহ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।

    ২০০১ - জিওভান্নি লিওন, তিনি ছিলেন ইতালীয় রাজনীতিবিদ ও ৬ষ্ঠ প্রেসিডেন্ট।

    ২০০৪ - আইরিস চ্যাং, তিনি ছিলেন আমেরিকান ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক ও লেখক।

    ২০০৪- ইয়াসির আরাফাত, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফিলিস্তিন ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদ, ফিলিস্তিন জাতীয় কর্তৃপক্ষের ১ম প্রেসিডেন্ট।

    ২০০৫ - পিটার ড্রুকের, অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, তাত্তিক ও শিক্ষাবিদ।

    ২০০৮ - ইমাম সামুডরা, তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান সন্ত্রাসীর।

    ২০১২ - সের্গেই নিকলস্কয়, তিনি ছিলেন রাশিয়ান গণিতবিদ ও অধ্যাপক।

 

ছুটি ও অন্যান্য

জাতীয় শিক্ষা দিবস (ভারত)


আরও খবর

১৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১

৬ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে

শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১




৫০ বল হাতে রেখেই ইংল্যান্ডের বিশাল জয়

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের র‌্যাংকিংটা প্রতিপক্ষকে ভালোই টের পাইয়ে দিচ্ছে  ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পিষ্ঠ হয়েছে ইংলিশদের চাপায় পড়ে।

এরপর তাদের রোষানলে জ্বলে পুড়ে ছাড়খার হয়েছে বাংলাদেশ। এবার তাদের সামনে পড়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া।

দুবাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।  ইংলিশ বোলারদের তোপে ১২৫ রানেই গুটিয়ে যায় অসিদের ইনিংস।

আর ১২৬ রানের মামুলি লক্ষ্য হেসেখেলেই পার করে দিয়েছে ইংলিশরা। ৫০ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেট হাতে রেখেই টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ইয়ন মরগানের দল।

এক কথায় ইংল্যান্ডের কাছে পাত্তায়ই পায়নি দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংল্যান্ডের ব্যাটার জস বাটলারের ঝড়েই উড়ে গেছে প্রোটিয়ারা।

প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজলউড, অ্যাডাম জাম্পাদের তুলোধোনা করে ছাড়লেন তিনি।

সমান ৫ বাউন্ডারিআর ছক্কায় মাত্র ৩২ বলে ৭১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেললেন।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চোখে সর্ষে ফুল দেখতে থাকে অসিরা। স্কোরবোর্ডে ১৫ রান তুলতেই হারিয়ে বসে ৩ উইকেট।

দ্বিতীয় ওভার থেকেই শুরু হয় প্রোটিয়া ব্যাটারদের আসা-যাওয়া। ক্রিস ওকসের দারুণ এক ডেলিভারিতে গত ম্যাচের হাফসেঞ্চুরিয়ান ডেভিড ওয়ার্নার ১ রানে ফেরেন। উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি।

পরের ওভারে ওয়ার্নারকে অনুসরণ করেন স্টিভেন স্মিথও। ক্রিস জর্ডানকে পুল করতে গিয়ে মিডঅনে ওকসের হাতে ধরা পড়েন। তিনিও যোগ করেন মাত্র ১ রান।

তার পরের ওভারে জোড়া আঘাত হানেন ওকস। এবার হার্ডহিটার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। ৯ বলে করেন মাত্র ৬ রান জমা করতে পারেন তিনি।

এবার ভেলকি দেখান স্পিনার আদিল রশিদ। সপ্তম ওভারের প্রথম বলে আদিলের ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে রানের খাতাই খুলতে পারেননি মার্কাস স্টয়নিস।

২১ রানে ৪ উইকেটহারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দলের এমন বিপর্যয়ে হাল ধরে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।

পঞ্চম উইকেটে ম্যাথু ওয়েড ও ষষ্ঠ উইকেটে অ্যাশটন অ্যাগার নিয়ে রান সংগ্রহ এগিয়ে নিয়ে যান ফিঞ্চ।

১৮ বলে ১৮ করে লিভিংস্টোনের শিকার হন ওয়েড। অ্যাশটন অ্যাগারকে নিয়ে ৩৫ বলে ৪৭ রানের জুটি গড়েন ফিঞ্চ। দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়ায়। ২০ বলে ২০ করে সাজঘরে ফেরেন অ্যাগার।

১৯তম ওভারের দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ৩ বলে ১২ রান করে ক্রিস জর্ডানের বলে আউট হন প্যাট কামিন্স। একপ্রান্ত ধরে ব্যাট চালিয়ে যাওয়া অসি অধিনায়ক আউট হন ১৯তম ওভারের প্রথম বলে। জর্ডানের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে ফিঞ্চ ৪৯ বলে ৪৪ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন।

শেষদিকে পেসারমিচেল স্টার্ক ৬ বলে ১৩ রান করলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৫ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।

ইংলিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ক্রিস জর্ডান, ১৭ রানে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। ২টি করে শিকার ক্রিস ওকস আর টাইমল মিলসের।


আরও খবর