Logo
শিরোনাম

সাহরিতে যে ৪ খাবার কখনোই খাবেন না

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রমজান মাস চলছে। সেহরি থেকে ইফতার আর ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ইবাদতে ব্যস্ত সময় পার করেন মুসলিমরা। এবার প্রখর গরমে রোজা চলছে। বাইরে চলাফেরায় বেশ সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে সবাইকে। এদিকে দেশে গত ২৬ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায় গত ২৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তীব্র এই গরমে রোজাদারদের সেহরি ও ইফতারের খাদ্য তালিকায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

রোজায় শরীর ও মন ভালো রাখার জন্যই খাদ্য তালিকায় পরিবর্তন অনেক বেশি জরুরি। এমন খাবার খাওয়া যাবে না যা শরীরের ক্ষতি করে এবং রোজা রাখতে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এবার তাহলে রোজাদারদের সেহরিতে যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত তা তুলে ধরা হলো-

কাঁচা শাক-সবজি : ডায়েট অবশ্যই করবেন। ডায়েটে সালাদ অন্তর্ভুক্ত করা ভালো হলেও সেহরিতে এসব না রাখা ভালো। কাঁচা শাক-সবজিতে ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। এতে হজমজনিত সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া এসব খাওয়ার ফলে গ্যাস, পেট ব্যথা কিংবা পেট ফোলাভাব সমস্যা হতে পারে।

ফাস্টফুড : অধিকাংশ ফাস্টফুড তৈরির সময় চিনি বা চিনিজাতীয় জিনিস ব্যবহার করতে হয়। এছাড়া ফাস্টফুডে ফাইবার জাতীয় খাবার খুবই কম থাকে। এসব খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়।

কফি : অনেকের অভ্যাস সকালের নাস্তার পর এক কাপ কফি পান করা। তাই তারা সেহরিতেও কফি পান করে থাকেন। বিষয়টিকে সাধারণভাবে নিলেও এটি শরীরকে বিশেষ ক্ষতির মুখে ফেলে দিতে পারে। সেহরিতে কফি পানের পর সারাদিন রোজা থাকায় পেটে অ্যাসিডিক রস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে যা গ্যাস্ট্রাইটিসের কারণও হতে পারে।

প্যাকেটজাত ফলমূল বা রস : সেহরিতে কখনোই প্যাকেটজাত ফলমূল কিংবা ফলের রস পান করবেন না। প্যাকেটজাত ফলে অতিরিক্ত চিনি যোগ করা হয়। যা কিনা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়।


আরও খবর



জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশনের সদস্য হলো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ এপ্রিল 20২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশনের (সিএনডি) সদস্য হিসেবে আগামী তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) সহযোগী সংস্থা সিএনডিয়ের এ নতুন পরিষদ ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে দায়িত্বভার গ্রহণ করবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘ সদরদফতর ইকোসকের ব্যবস্থাপনা সভায় সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচন হয়। এতে বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইরান এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে সংস্থাটির কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

নির্বাচনে জয়লাভের পর জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেন, সিএনডিয়ের এ নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। বাংলাদেশ এতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩ ভোট পায়। এই বিজয় বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরো বলেন, আমরা বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাদক ও মাদকজাতীয় দ্রব্যের ক্রমবর্ধমান অবৈধ ব্যবহার নিয়ে ভীষণ উদ্বিগ্ন। সংশোধনমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে এসব সমাধান করা প্রয়োজন। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহারের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে কমিশনের সদস্য হিসেবে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করব।

নিউজ ট্যাগ: জাতিসংঘ সিএনডি

আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




পাটুরিয়া ঘাটে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ভোগান্তি। সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউনের মধ্যে দেশের সব দোকানপাট-শপিংমল খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। তবে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সব নৌযান ও গণপরিবহণ চলাচল বন্ধের নির্দেশ এখনও বলবৎ রয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

আজ সোমবার সকালে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী আসতে দেখা গেছে। যদিও ফেরিতে যাত্রী পারাপারের নির্দেশনা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। শুধু জরুরি পরিষেবার জন্য হাতেগোনা তিন থেকে চারটি ফেরি চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে লঞ্চ পারাপার বন্ধ থাকলেও বিকল্প পথে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় লোকজনকে পার হতে দেখা গেছে।

এদিকে, আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা সেক্টরের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, দৌলতদিয়া ঘাটে যাত্রীদের বেশ চাপ রয়েছে। তবে ফেরির সংখ্যা কম থাকায় পাটু‌রিয়া ঘা‌টে চাপ অতটা লক্ষ করা যাচ্ছে না। দু-একটি জরুরি পরিষেবা বহনকারী যানবাহন পরিবহণের সময় ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী আসতে দেখা যাচ্ছে।

যদিও এই ঘাটে ১৬ থেকে ১৭টি ফেরি সবসময় পরিবহণ পারাপারের জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কিন্তু লকডাউনের কারণে তিন থেকে চারটি ফেরিকে জরুরি পরিষেবা বহনকারী পরিবহণের জন্য ঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা হয়েছে।

অপরদিকে, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় গণপরিবহণ না থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তবে, বিভিন্ন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোট-ছোট প্রাইভেটকারে করে চড়ামূল্যে ঢাকা যাচ্ছেন যাত্রীরা। এ ছাড়া ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের সারিও দেখা গেছে।


আরও খবর



ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতরা সবাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

রবিবার সকাল দশটায় সালালাহ থেকে মাস্কাটগামী সড়কের আল তামরিত এলাকায় দ্রুতগামী প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহতরা মাস্কট মডার্ন রোজ ট্রেডিং ইন্টারপ্রাইজ এলএলসি নামক একটি কোম্পানির পর্দার সেকশনে চাকরি করতেন।

কোম্পানিটির সত্ত্বাধিকারী মোহাম্মদ রেজাউল করিম দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারা রাজাধানী থেকে ১ হাজার কি.মি. দূরে সালালাহ নামক অপর এক সিটিতে এক সপ্তাহ আগে পর্দার কাজ করতে গিয়েছিল। কাজ শেষ করে সকালে মাস্কটে ফিরছিল। পথে তামরিত নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি সড়ক থেকে অনেক দূরে গিয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তারা প্রাণ হারায়। নিহতদের মধ্যে গাড়িচালক জাহেদ আমার আপন ভাগিনা।

সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যমতে, মরদেহগুলো পুলিশ উদ্ধার করে সালালাহর একটি হাসপাতালের মর্গে রেখেছে। সোমবার মাস্কাটে নিয়ে আসার কথা রয়েছে।

নিহতরা হলেন, পোমরা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের জাহেদ (৪২), সরফভাটা ইউনিয়নের আসকার আলী রোড এলাকার সালাউদ্দিন (৪০) ও বেতাগী ইউনিয়নের বালুরচর গ্রামের আবছার(৪৫)।


আরও খবর



মালয়েশিয়াগামী ৩০ রোহিঙ্গা উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের টেকনাফের উপকূল থেকে ভাসমান অবস্থায় মালয়েশিয়াগামী ৩০ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশুকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে টেকনাফের উপকূলীয় ইউনিয়ন বাহারছড়ার বড় ডেইল সৈকত থেকে উদ্ধার করা হয় তাদের। এদের মধ্যে পুরুষ ৫ জন, নারী ২০ জন ও শিশু রয়েছে ৫ জন। এ সময় পাচারে জড়িত ট্রলারটিও জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আমিরুল হক বলেন, উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গারা গত ২৩ এপ্রিল বাহারছড়া মেরিন ড্রাইভ এলাকার বড়ডেল ঘাট থেকে একটি নৌকায় করে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। গত ২৫ এপ্রিল রাতে সমুদ্রে অবস্থানকালীন সময় ডাকাতদের কবলে পড়ে তারা। ডাকাতরা মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায় এবং নৌকার ইঞ্জিন বিকল করে দেয়। নৌকাটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সমুদ্রে ভাসতে থাকে। এই খবরের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্টেশন বাহারছড়ার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে যায় এবং রোহিঙ্গাদের অবস্থায় উদ্ধার করে।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা জানিয়েছে দালালের মাধ্যমে মালয়েশিয়া রওনা হয়েছিল তারা। প্রকৃত দালালের নাম কেউ বলতে পারেনি। রোহিঙ্গা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের স্ব স্ব রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



সরকারের পতন ঘটাতে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিল মামুনুলের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ১০৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
প্রাথমিকভাবে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ আসামি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে মুসলমান ও মাদরাসা ছাত্রদের

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক বর্তমান সরকারের পতনের মাধ্যমে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের জন্য হেফাজত নেতাকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমান সরকারের পতন হলে কাউকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে হলে হেফাজতের সমর্থন লাগবে। এই মিশনে তিনি আফগান ফেরত মুজাহিদ ও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ সব কথা বলেছেন।

এদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় করা মোবাইল চুরির মামলায় গ্রেফতার মামুনুল হককে সাতদিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, হেফাজতের মধ্যে অন্যতম উগ্রপন্থীনেতা মামুনুল হক। তিনি যেকোনো মূল্যে এই সরকারের পতন ঘটাতে চেয়েছেন। পরের দুই স্ত্রীর বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক বলেছেন, তিনি পরের দুইজনকে বিয়ে করেননি। তবে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তাদের সঙ্গে পৃথকভাবে মামুনুলের চুক্তি হয়েছিল। এই চুক্তির কপিও উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। চুক্তিতে বলা হয়েছে, মামুনুল হক তাদের বিয়ে করবেন না। স্ত্রীর মর্যাদাও দেবেন না। তবে তাদের ভরণপোষণ দেবেন। এই শর্তে যে, তিনি স্ত্রীর মতো করে তাদের সঙ্গে মিশবেন। যেখানে যেতে বলবেন, সেখানে যেতে হবে এবং তার সঙ্গে রাত্রিযাপন করতে হবে।

গোয়েন্দা পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, মামুনুল হকের কাছে তারা জানতে চেয়েছিলেন, বিয়ে না করে কারো সঙ্গে চুক্তি করে থাকা যায় কি-না? জবাবে মামুনুল হক তাদের বলেছেন, এই শরীয়ত সম্মত। তিনি স্ত্রীর মর্যাদা না দিলেও তাদের ভরণপোষণ দিচ্ছেন। তার বিনিময়ে তারা তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন। এটা ইসলামের বিধিবিধানের মধ্যেই তিনি করেছেন বলে দাবি করেছেন। তবে এই পরিস্থিতিতে সোনারগাঁওয়ের রিসোর্টে যাওয়া তার ঠিক হয়নি। আর গেলেও আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে নেতাকর্মীদের জানিয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল।

সরকারের পতনের বিষয়ে তাদের পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়েন্দাদের এই হেফাজত নেতা বলেন, ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে এই সরকারের পতন ঘটাতেই হতো। আর এই সরকার পড়ে গেলে হেফাজতের অনুগ্রহ ছাড়া কেউ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে পারবে না। এই কারণে তিনি রাজধানীর যেকোনো কর্মসূচিতে সহিংসতার উস্কানি দিতেন। তার মতে, হেফাজতের আমীর জুনায়েদ বাবুনগরীর চেয়েও বেশি উগ্রপন্থীতিনি। অন্য নেতাদের দিয়ে বিপ্লব হবে না। এই কারণে তিনি নিজেই দায়িত্ব নিয়ে নানা আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

এদিকে সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে হাজির করা হয় মামুনুল হককে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাজেদুল হক আসামিকে সাতদিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। এ সময় প্রথমে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু আসামিকে সাতদিন রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। পরে আসামির পক্ষে জয়নুল আবেদীন মেজবা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক মামুনুল হকের কাছে জানতে চান তার কিছু বলার আছে কি না।

তখন মামুনুল হক আদালতে বলেন, স্যার, আমাকে গ্রেফতার করে গতকাল যেখানে রাখা হয়েছিল সেটি থাকার মতো জায়গা না। ওই রকম জায়গায় ইবাদত করা যায় না। অন্যান্য রমজানে আমি নিয়মিত কোরআন খতম করি। রিমান্ডে পাঠালে সুষ্ঠু পরিবেশ থাকবে না এবং আমার ইবাদত করা কঠিন হয়ে যাবে। গ্রেফতারের পর আমাকে অনেক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমাকে রিমান্ড দিয়েন না। এ মামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। শুনানি শেষে মামুনুলের ইবাদতে যেন বিঘ্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখার নির্দেশ দিয়ে আদালত ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতে দাখিল করা রিমান্ড আবেদনে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাওলানা মামুনুল হক এবং তার ভাইয়ের নির্দেশে অন্যান্য আসামিরা এ মামলার বাদির একটি স্যামসাং এ-৫০ মডেলের মোবাইল, নগদ ৭ হাজার টাকা, ২০০ ইউএস ডলার, ব্র্যাক ব্যাংকের একটি ডেবিট কার্ডসহ মানিব্যাগ চুরি করে নিয়ে যায়। গত বছরের ৬ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে মোহাম্মদপুর সাত গম্বুজ মসজিদে আমল করাকালীন মামুনুল হক এবং তার ভাই মোহতামিম মাহফুজুল হকের নির্দেশে জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ওমর ও ওসমান এ মামলার বাদি জি এম আলমগীর শাহিনসহ অন্যদের আমল করতে বাঁধা দেয়।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে এবং মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে। রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে আসামি ওমর, ওসমান, শাহিন, মাওলানা আনিস, জহির মসজিদে এসে বাদিসহ তার সঙ্গে থাকা অন্যদের কিল-ঘুষি মারে। মামুনুল হক এবং তার ভাইয়ের নির্দেশে মাদ্রাসার আরও প্রায় ৭০/৮০ জন এসে তাদের আবারও মারধর করে। বাদি জি এম আলমগীর শাহিনের একটি স্যামসাং মোবাইল, ৭ হাজার টাকা, ২০০ ইউএস ডলার, ব্র্যাক ব্যাংকের একটি ডেবিট কার্ডসহ বাদির মানিব্যাগ নিয়ে যায় আসামিরা।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, প্রাথমিকভাবে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে এ মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ আসামি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে মুসলমান ও মাদরাসা ছাত্রদের উষ্কে দেয়। আসামির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, এজাহারনামীয় পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতার, অজ্ঞাত আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ ও তাদের শনাক্তপূর্বক চোরাই যাওয়া মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে তার ৭ দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা বেআইনি সংঘবদ্ধ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদিকে এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর আঘাত করে। এ ঘটনায় রাজধানীর মোহম্মদপুরের চাঁন মিয়া হাউজিংয়ের ৪১/৪০ নম্বর বাসার বি/১ ফ্লাটের বাসিন্দা জি এম আলমগীর শাহীন বাদি হয়ে ৬ মার্চ মামলা করেন।


আরও খবর