শিরোনাম

সালমনর-এর সঙ্গে কাজ করে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন আমির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আন্দাজ আপনা আপনা ছবিতে তাঁদের রসায়নে বুঁদ হয়েছিলেন দর্শক। বলিউড পেয়েছিল নতুন জুটি। আমির খান এবং সলমন খান। কিন্তু জানেন কি, টাইগার-এর সঙ্গে প্রথম বারের কাজের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হয়নি মিস্টার পারফেকশনিস্টের?

এক সাক্ষাৎকারে নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়েছিলেন আমির স্বয়ং। ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, সলমনের সঙ্গে আন্দাজ আপনা আপনা ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব খারাপ। তখন ওকে আমার একদমই ভাল লাগেনি। আমার ওকে খুবই রূঢ় এবং বিবেচনাহীন বলে মনে হয়েছিল। সলমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার পর ওর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চেয়েছিলাম।

সময়ের সঙ্গে সলমনের প্রতি আমিরের এই ধারণা বদলায়। ২০০২ সালে যখন আমিরের বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছিল, তখন সলমন ছিলেন তাঁর পাশে। জীবনের সেই টালমাটাল পরিস্থিতিতে ভাইজান-এর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় আমিরের। তিনি বলেন, আমার জীবনের খুব খারাপ সময়ে সলমন বন্ধু হয়ে এসেছিল। আমার বিবাহ বিচ্ছেদ চলছিল তখন। আমরা দেখা করতাম, মদ্যপান করতাম। এ ভাবেই আমাদের বন্ধুত্ব শুরু। সময়ের সঙ্গে সেই বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হচ্ছে।

শোনা যাচ্ছে, আমিরের লাল সিং চড্ডা ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে দেখা যাবে সলমনকে। পর্দায় ফের দুজনকে একসঙ্গে দেখার অপেক্ষায় অনুরাগীরা।


আরও খবর



চতুর্থ ধাপের ইউপি ভোট শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চতুর্থ ধাপে দেশের ৫৮ জেলার ১১৮ উপজেলার ৮৩৮টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টায় এসব ইউপিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। ভোটাররাও শীত উপেক্ষা করে সকাল সকাল কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন।

ইতোমধ্যে চতুর্থ ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৯৫ জন নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান ৪৮ জন, সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার ১১২ এবং ১৩৫ জন সাধারণ মেম্বার। এ ধাপের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৯ হাজার ২২৪টি, ভোটকক্ষ ৪৯ হাজার ৮৩২টি। নির্বাচনে এক কোটি ৬২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৬০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

এই ধাপে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ৮১৪ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৯ হাজার ৫১৩ এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩০ হাজার ১০৬ জন প্রার্থী ভোটের লড়াই করছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ৮৩৮টি ইউপির মধ্যে ৩৮টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) এবং বাকিগুলোতে প্রচলিত ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাত (রাত ১২টা) থেকে এসব এলাকায় সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা বন্ধ। একই সময় থেকে মোটরসাইকেল চলচলও বন্ধ রয়েছে। মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে ২৯ নভেম্বর (সোমবার) দিবাগত মধ্যরাত (রাত ১২টা) পর্যন্ত। এছাড়া শনিবার (২৭ নভেম্বর) দিবাগত মধ্যরাত (রাত ১২টা) থেকে ২৬ নভেম্বর (রোববার) দিবাগত মধ্যরাত (রাত ১২টা) পর্যন্ত যন্ত্রচালিত সব যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

তবে সাংবাদিক, নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ জরুরি সেবার কাজে নিয়োজিতদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

এসএম আসাদুজ্জামান আরও জানান, ভোটের পরিবেশ শান্ত রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ইতোমধ্যে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভোটের দায়িত্বে থাকবেন।

এছাড়া প্রতি ইউপিতে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে একটি করে মোবাইল ফোর্স এবং প্রতি তিনটি ইউপিতে তিনটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতি উপজেলায় র্যাবের দুটি মোবাইল টিম ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স, বিজিবির দুটি মোবাইল ফোর্স (দুই প্লাটুন), একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স (এক প্লাটুন); প্রতি উপকূলীয় উপজেলায় কোস্টগার্ডের দুটি মোবাইল টিম (দুই প্লাটুন) ও একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স (এক প্লাটুন); প্রতি উপজেলায় একজন করে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন বলেও জানান ইসির এ যুগ্ম সচিব।

ইতোমধ্যে তিন ধাপের ভোটগ্রহণ শেষ করেছে ইসি। পঞ্চম ধাপে ৭০৭টি ইউপিতে ৫ জানুয়ারি এবং ষষ্ঠ ধাপে ২১৯ ইউপিতে ৩১ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



পাবনার ভাঁড়ারা ইউপির সব পদের নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:সোমবার ২০ ডিসেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সব পদের নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গত ১১ ডিসেম্বর সকালে দুপক্ষের নির্বাচনি প্রচারণার সময় সংঘর্ষে ইয়াসিন আলম (৩৫) নামের এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর নিহতের ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পাবনা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান গতকাল সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাহবুবুর রহমান জানান, ইসির উপ-সচিব আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে গতকাল রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ দফায় অনুষ্ঠেয় পাবনা জেলার সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউপির সব (চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য, সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য) পদের নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

গত ১১ ডিসেম্বর সকালে ভাঁড়ারা ইউপির নির্বাচনি প্রচারণা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াসিন আলম নিহত হন। ওইদিনই চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিতের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল ইসি।


আরও খবর

পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২




ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গুলিবিদ্ধ ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৮৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাহফিল থেকে ফেরার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত চেয়ারম্যান প্রার্থী এরশাদুল হকও (৩৫) মারা গেছেন। শুক্রবার রাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হওয়ার পর ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এনিয়ে গুলির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দুজনে দাঁড়ালো।

নিহত এরশাদুল হক নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের ছেলে এবং আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

এরআগে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার নাটঘর ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন বাদল সরকার (২৩) নামে এক যুবক। নিহত বাদল একই ইউনিয়নের নান্দুরা গ্রামের সন্তোষ সরকারের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাটঘর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বার্ধক্যজনিত কারণে প্রায় সময় অসুস্থ থাকেন। তাই আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবুল কাশেমের স্থলে তার ছেলে এরশাদুল হক এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

শুক্রবার রাতে ইউনিয়নের কুড়িঘর গ্রামের বাজার এলাকায় ওয়াজ মাহফিলে চলছিল। সেই ওয়াজ মাহফিলে এরশাদ ও বাদলসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে যান। ওয়াজ মাহফিলে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে উপস্থিত সবার নিকট দোয়া কামনা করেন এরশাদুল। সেখান থেকে তারা ফেরার পথে মোটরসাইকেলে চালাচ্ছিল বাদল এবং তার পেছনে বসা ছিল এরশাদ। পথিমধ্যে দুর্বৃত্তরা গুলি ছুড়লে সামনে চালকের আসনে বসা বাদল প্রথমে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এসময় এরশাদকে লক্ষ্য করে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

গুলিবিদ্ধ এরশাদকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসক তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। ঢাকায় পৌঁছার আগেই রাস্তায় এরশাদুল মারা যান।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, নবীনগরে বাদলের পর এরশাদও ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা গেছেন। আমি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আটক করতে চেষ্টা চলছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


আরও খবর



আকরাম খানের পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন পাপন

প্রকাশিত:বুধবার ২২ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত দুইদিন ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের যে বিষয়টি সামনে এসেছে সেটি আকরাম খানের ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্ব ছাড়া। বিসিবির গুরুত্বপূর্ণ পদ ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন আকরাম খান, এমনটা জানিয়ে তার স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।

এরপর আকরাম খান সংবাদ সম্মেলনে জানান, আট বছর ধরে এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। এখন দায়িত্ব ছাড়ার বিষয়টি বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনা করে তবেই ছাড়বেন পদ।

তার একদিন পর আজ বুধবার (২২ ডিসেম্বর) মিটিং বসে আকরাম খান ও নাজমুল হাসান পাপন। মিটিং শেষে আকরাম খান কথা বলেননি, নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, ও বলে নাই, ও করবে না। বলেছে আপনার সিদ্ধান্ত। ও বলেছে আট বছর আছে, এটাতে প্রচুর কাজ। সে বলেছে এটাতে যেহেতু এত কাজ, অন্য কোনোটায় দিলে তার আপত্তি নাই। আবার এটাও বলেছে, আপনি যেটা বলেন সেটাই ফাইনাল।

চলতি বছরের অক্টোবরে বোর্ডের নির্বাচন হওয়ার পর এখনও বিসিবি দায়িত্ব বণ্টন করা হয়নি পরিচালকদের মধ্যে। তাই যে যে পদে ছিল তারা দায়িত্ব সামলে আসছে। নাজমুল হাসান জানালেন, আগামী শুক্রবারের (২৪ ডিসেম্বর) বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হবে কাকে কোন দায়িত্ব দেওয়া হবে। তাই আপাতত বলা যাচ্ছে না আকরাম খান তার পুরনো পদে থাকবেন কী না।

২৪ তারিখে আমরা কমিটির জন্য বসব। সেদিন কমিটি করব। প্রথম কথা হলো, এটা নিয়ে আমি চিন্তাই করিনি। ছেড়ে দেওয়াটা বড় কথা না। কাকে দিব, এটা হলো বড় কথা। একজনকে ছেড়ে দিলে আরেকজনকে দিতে হবে, এমন একজনকে দিতে হবে যে নাকি এটা করতে পারবে এবং করতে চায়। দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। চেঞ্জ হবে এটাও বলছি না, চেঞ্জ হবে না এটাও বলছি না।


আরও খবর

উন্মোচন করা হল ঢাকা দলের জার্সি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




‘স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা সব বয়সীরাই বুস্টার ডোজ পাবেন’

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বয়স বিবেচনায় না নিয়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছেন এমন সবাইকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরে হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ কথা জানান।

খুরশীদ আলম বলেন, মৃত্যু ঝুঁকিতে আছেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ—এমন ব্যক্তিদের করোনাভাইরাসের টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে থাকাদের ক্ষেত্রে বয়স কোনও বাধা হবে না।’

এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন, করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি, তাদের বুস্টার ডোজ নেওয়া উচিত। এ ক্ষেত্রে টিকা কার্ড নিয়ে টিকা কেন্দ্রে যেতে হবে। তাকে বলতে হবে যে, তার শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে। একটা লোকের ক্যানসার আছে, কিন্তু বয়স ৪০। সে বাদ যাবে কেন? আমরা তাকে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

অধিদফতরের মহাপরিচালক বলেন, টিকার জন্য নিবন্ধন করার সময় সব তথ্য নেওয়া হয়েছে। এটা দেখেই নিশ্চিত হওয়া যাবে তার কো মরবিডিটি আছে কিনা। আর কেউ যদি নিবন্ধনের সময় তথ্য না দিয়ে থাকে, তাহলে সে দেখাবে যে সে ক্যানসারে আক্রান্ত।’

তিনি বলেন, অনেক ধরনের কো মরবিডিটি আছে। যেমন: ক্যানসারে আক্রান্ত, অ্যান্টিক্যানসার ড্রাগ খেয়েছে, রেডিয়েশন পেয়েছে, কেমোথেরাপি পেয়েছে, ইমিউন দুর্বল—এ ধরনের মানুষের আমরা প্রাধান্য দিতে চাচ্ছি।’

ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম বলেন,  এসএমএস ছাড়াও ষাট বছরের কম বয়সী কো মরবিড রোগীরা আগের কেন্দ্রে টিকা নিতে পারবেন, সে ক্ষেত্রে তাদের রোগের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমাণ থাকতে হবে।’

দেশে গত ২৮ ডিসেম্বর বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। বর্তমানে ৬০ বছরের বেশি বয়সী এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সম্মুখ সারির ব্যক্তিরা বুস্টার ডোজ পাচ্ছেন। বুস্টার ডোজ পাওয়ার জন্য করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার ছয় মাস পার হতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরুর পর থেকে গতকাল রবিবার পর্যন্ত ৭ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজারের বেশি মানুষ টিকা পেয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ৫ কোটি ২৮ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ।

গত মাসের শেষ সপ্তাহে চালু হওয়ার পর এ পর্যন্ত বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৪০ জন।


আরও খবর

দেশে মোট ৫৫ জনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২