Logo
শিরোনাম

সাংবাদিক আফরোজার বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

দৈনিক আমাদের অর্থনীতির রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি আফরোজা সরকারের ডিজিটাল আইনসহ সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র। সোমবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধন থেকে এই দাবি জানায় সংগঠনটি।

মানববন্ধনে জানানো হয়, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে রংপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটিতে আবারো পূর্বের কমিটি নির্বাচিত হয়।

হঠাৎ কয়েকজন নামধারী গণমাধ্যমকর্মী সভা শেষে বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ সেখানে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা ক্লাবের সদস্যদের মারধর করেন। এতে ক্লাবের পাঁচ সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে ক্লাবের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজম পারভেজ ও সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা সরকারের অবস্থা গুরুতর ছিল। হামলাকারীরা এ সময় চেয়ার, টেবিল, ফ্যানসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। গুরুতর অবস্থায় সাংবাদিক আজম পারভেজ ও আফরোজা ছয় দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। হাসপাতালে থাকা অবস্থায় হামলাকারীরা আফরোজা ও আজম পারভেজসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ঘটনাটি নিয়ে ফেস দ্যা পিপল নামক একটি ফেসবুক লাইভ পেইজে কথা বললে আফরোজার বিরুদ্ধে তিনটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও দুটি হামলা মারপিট এবং ছিনতাইয়ের মামলা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু আফরোজাসহ সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারসহ হামলার ঘটনার বিচারও হামলাকারীদের শাস্তি দাবি করেন।

মানববন্ধনে দিলরুবা খান, জান্নাতুল ফেরদৌস পান্না, শাহনাজ পলি, ফাতেমা বেগমসহ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সেই সঙ্গে সংঘতি জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের কোষাধ্যক্ষ খায়রুজ্জামান কামাল, ডিইউজের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম। বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হরলাল রায় সাগর, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনিবাহী সদস্য সুশান্ত সাহা।

নিউজ ট্যাগ: সাংবাদিক আফরোজা

আরও খবর



পলাতক জঙ্গিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত ঝুঁকি থেকেই যায় : পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ২৩ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে থেকে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তাদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত ঝুঁকি থেকেই যায় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) বিপ্লব বিজয় তালুকদার। আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিপ্লব বিজয় তালুকদার বলেন, ঝুঁকি এড়াতে সারা দেশে পুলিশের ইউনিট ও বর্ডার নিয়ন্ত্রণে যারা রয়েছেন তাদের সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যে দুই জঙ্গি পালিয়েছে তাদের ছবি প্রতিটি থানায় পাঠানো হয়েছে।

ডান্ডাবেড়ি পরানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বলেন, দুর্র্ধষ আসামিদের ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানোর বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। এ বিষয়গুলো এড়ানোর জন্য সবাইকে সমন্বিত করে একটা জায়গায় আনার চেষ্টা চলছে।


আরও খবর



পাক অভিনেত্রীর প্রেমে মজেছেন শোয়েব

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৮ নভেম্বর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের প্রেমে পড়লেন কে? পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন, সানিয়া মির্জার সঙ্গে তার বিয়ে ভাঙতে বসেছে। তার অন্যতম কারণ নাকি তৃতীয় ব্যক্তি। অতঃপর প্রশ্ন উঠছে, শোয়েবে মজলেন কে? কে সেই তৃতীয় ব্যক্তি, যিনি ভারত-পাক জুটির মাঝে মধ্যমণি হয়ে দাঁড়িয়েছেন? আপাতত শোয়েবের সঙ্গে বিতর্কে নাম জড়িয়েছে দুজনের।

এই দুজনের মধ্যে প্রথম জন হলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী আয়েশা ওমর। ২০২১ সালে একটি ম্যাগাজিনের জন্য ফটোশুটে এক সঙ্গে দেখা গিয়েছিল শোয়েব এবং আয়েশাকে। তার পর থেকেই অভিনেত্রীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে পাক ক্রিকেটারের নাম।

ফটোশুটের ছবিগুলোতে শোয়েব এবং আয়েশাকে বেশ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল। পুলের জলে নেমে দুজনের সিক্ত শরীরে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। পাক অভিনেত্রীর সঙ্গে শোয়েবের এমন ঘনিষ্ঠ ছবি দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, দুজনের মধ্যে কোনও সম্পর্ক গড়ে উঠেছে কি না।

পুলের জলে শোয়েবের সঙ্গে রীতিমতো রোম্যান্সে মজেছিলেন অভিনেত্রী আয়েশা। গাঢ় কমলা রঙের পোশাকে উষ্ণতা ছড়িয়েছিলেন তিনি। তাকে জড়িয়ে ধরে ছবি তুলেছিলেন শোয়েব। তার পরনে ছিল হালকা বেগুনি রঙের শার্ট।

শুধু পুলের জলে দাঁড়িয়ে নয়, সংশ্লিষ্ট ম্যাগাজিনের জন্য আরও একাধিক ছবি তুলেছিলেন দুই পাক তারকা। কখনও তাদের দেখা গিয়েছিল শোয়ার ঘরে রোম্যান্টিক ভঙ্গিতে দাঁড়াতে, কখনও আবার খাবার টেবিলে দুজনের খুনসুটি ধরা পড়েছিল ক্যামেরায়।

আয়েশার সঙ্গে শোয়েবের সম্পর্ক নিয়ে যতই জল্পনা চলুক, কোনও পক্ষই তা নিয়ে মুখ খোলেনি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যখন শোয়েবের বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন শুরু হয়েছে, তখন অনেকে মনে করছেন, তার সঙ্গে গোপনে সাবেক পাক ক্রিকেটারের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে কি না। সেই কারণেই কি সানিয়ার সঙ্গে সম্পর্কে ভাঙনের সূত্রপাত?

অবশ্য আয়েশা নন, অন্য এক পাক অভিনেত্রীর সঙ্গেও শোয়েবের সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। চলতি বছরের শুরুর দিকে পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মাহিরা খানের সঙ্গে শোয়েবের নাম জড়িয়েছিল।

মাহিরার সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভে এক বার আড্ডায় বসেছিলেন শোয়েব। দেশের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেই শো-তে দেখা গিয়েছিল, অভিনেত্রীর সঙ্গে রীতিমতো ফ্লার্ট করছেন সানিয়ার স্বামী।

লাইভে মাহিরা বলেছিলেন, আমাদের দুজনেরই বয়স বেড়ে গিয়েছে। তার উত্তরে শোয়েবকে বলতে শোনা গিয়েছিল, তার নিজের বয়স বেড়েছে ঠিকই, তবে মাহিরার বয়স বাড়েনি। মজার ছলেই মাহিরা তখন শোয়েবকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বৌদি এই লাইভ দেখছে কি?

মাহিরার প্রশ্নের জবাবে শোয়েব জানিয়েছিলেন, সানিয়া তাদের লাইভ দেখছেন। তবে তিনি মাহিরার বৌদি নন। হাসতে হাসতে তখন অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, সানিয়া গোটা পাকিস্তানের বৌদি

শোয়েব, মাহিরার এই কথোপকথনের পরিপ্রেক্ষিতে সানিয়ার প্রতিক্রিয়াও পাওয়া গিয়েছিল। ইনস্টাগ্রামেই তিনি লিখেছিলেন, হ্যাঁ, আমি দেখতে পাচ্ছি তোমরা দুজন কী নিয়ে কথা বলছ।

ইনস্টাগ্রামে সেই শো-এর পরেই গুঞ্জন, মাহিরার সঙ্গে পাক ক্রিকেটারের কোনও গোপন সম্পর্ক গড়ে উঠেছে কি না। সানিয়া-শোয়েবের বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝে মাহিরার সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলেছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, সানিয়া-শোয়েবের দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্যে ভাঙন ধরতে চলেছে। ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল তাদের বিয়ে হয়। ক্রীড়া জগতের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত তারা। তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডেইলি জাং দাবি করেছে, সানিয়া এবং শোয়েব নাকি গত কয়েক দিন ধরে একসঙ্গে থাকছেন না। সামাজিক মাধ্যমে সানিয়ার কিছু পোস্ট থেকেও মন ভাঙার ইঙ্গিত মিলেছে।


আরও খবর

টস জিতেছে বাংলাদেশ

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




টিসিবির জন্য কেনা হবে দুই কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য দুই কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে খরচ হবে ৩৪৫ কোটি ৩৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। বুধবার (৩০ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিস্তারিত সাংবাদিকদের তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব। তিনি জানান, আজকে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির ৬টি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।  বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ২ কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৫৬ দশমিক ৯৮ টাকা। আগে এই তেলের দাম ছিল ১৬২ দশমিক ৯৪ টাকা। সে হিসাবে আগের তুলনায় প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৬ টাকা ২ পয়সা কমে কেনা হচ্ছে। তবে কোন দেশ কিংবা কোন কোম্পানির কাছ থেকে কেনা হবে, সেই তথ্য দেওয়া হয়নি।

এরআগে ১০ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ব্রাজিল থেকে ১২ হাজার ৫০০ মেট্রিকটন চিনি ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে খরচ হবে ৬৫ লাখ ৫২ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৫ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ৩৩৭ টাকা ব্যয় হবে। গত ৩ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে খরচ ধরা হয় ৮৯ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। প্রতি কেজি সয়াবিনের দাম ধরা হয় ১৬২ দশমিক ৯৪ টাকা। যা আগে ছিল ১৭১ দশমিক ৮৫ টাকা।

তার আগে গত ১৯ অক্টোবর ক্রয় কমিটি টিসিবি কর্তৃক এক কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ঢাকা মেঘনা ভোজ্য তেল শোধনাগার লিমিটেড কাছ থেকে ১৮৯ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেয়। প্রতি লিটারের দাম পড়ে ১৭১ দশমিক ৮৫ টাকা। যা আগে ছিল ১৮৫ টাকা। এছাড়া ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল সুপার ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে মোট খরচ ধরা হয় ৮৭ কোটি ৯৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রতি লিটার ১৫৯ দশমিক ৯৫ টাকা, যার পূর্বমূল্য ছিল ১৮৫ টাকা।

তারও আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় টিসিবির মাধ্যমে দেশীয় তিন কোম্পানি থেকে এক কোটি ৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই তেল কিনতে খরচ ধরা হয় ৩০৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনোর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এই তেল কিনতে খরচ ধরা হয় ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেডের কাছ থেকে ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মেঘনা এডিবল অয়ের রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ১০১ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

ফ্যামিলি বা পরিবার কার্ডের আওতায় একজন কার্ডধারীর কাছে সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি ও দুই কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করছে টিসিবি। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডাল ৬৫ টাকা ও প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে শুধু সিটি করপোরেশন এলাকা ও টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোয়।


আরও খবর



সমতায় থেকে বিরতিতে পর্তুগাল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ডিসেম্বর 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাতার বিশ্বকাপে নক আউট পর্বে যাওয়ার শেষ পরীক্ষায় পর্তুগালের সঙ্গে ১-১ গোলে সমতায় থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টায় এডুকেশন সিটি স্টেডিয়ামে মাঠে নামছে এই দু'দল। আগেই নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। ম্যাচের ৫ মিনিটেই এগিয়ে যায় পর্তুগাল। তবে ম্যাচের ২৮ মিনিটে গোল করে ম্যাচে সমতায় আনে দক্ষিণ কোরিয়া। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ১-১ গোলের সমতায় থেকে বিরতিতে যায় দু'দল।

ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায় পর্তুগাল। মাঝমাঠ থেকে বাড়ানো বলে ডান দিকে থেকে বল নিয়ে ডি বক্সে ঢুকে পাস দেন ডিওগো ডালোট। তার পাস থেকে বল জালে জড়ান রিকার্ডো হোর্টা। তার করা গোলে শুরুতেই লিড পায় পর্তুগাল। লিড পেয়েও আক্রমণ চালিয়ে যায় পর্তুগাল। ম্যাচের ১৪ মিনিটে বাম দিক থেকে বল নিয়ে ডি বক্সে ঢুকে  শট করেন আন্তোনিও সিলভা। তবে তা রুখে দেন দক্ষিণ কোরিয়ের গোলরক্ষক কিম সেংগিউ।

অন্যদিকে পাল্টা আক্রমণে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। ম্যাচের ১৬ মিনিটে পর্তুগালে জালে বল জড়ান কিম জিনসু। তবে তা অফ সাইডের কারণে বাতিল করে দেন রেফারি। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেলতে থাকে দু'দল। ম্যাচের ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে গোল শোধ করে দক্ষিণ কোরিয়া। কর্নার থেকে ভেসে আসা বল পেয়ে জালে জড়ান কিম ইয়ং-গওন। তার গোলে ম্যাচে সমতায় ফেরে দক্ষিণ কোরিয়া। 

ম্যাচের ৩৪ মিনিটে ডি বক্সের বাইর থেকে শট করেন ডিয়াগো ডালোট। তবে তা কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন কিম সেংগিউ। কর্নার থেকে কোন সুবিধা করতে পারেনি পর্তুগাল। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে সাজানো আক্রমণে যায় পর্তুগাল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারায় কোন বিপদ হয় না। 

এরপর বেশ কিছু আক্রমণ করে দু'দল। তবে গোলের দেখা পায় না কেউ। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ১-১ গোলে সমতায় থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে পর্তুগাল ও দক্ষিণ কোরিয়া।


আরও খবর

টস জিতেছে বাংলাদেশ

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের পথের কাঁটা কারা?

প্রকাশিত:শনিবার ১২ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্য দিয়েই মূলত ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিকে যাত্রা শুরু হয়ে গেছে। আর সেই গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতায় নাম লেখাতে অপেক্ষায় রয়েছেন বেশ কিছু রাজনীতিবিদ। রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়নের ক্ষেত্রে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তিনি যেভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, সেই সুযোগ আবারও পেতে পারেন। কিন্তু এ সপ্তাহের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্পের জন্য খুব একটা সুখকর হয়নি। কারণ, তার সমর্থিত বেশ কয়েকজন প্রার্থী হেরে গেছেন। এটি রিপাবলিকানদের মধ্যে জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও সাবেক প্রেসিডেন্টের ফের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

পরবর্তী নির্বাচনের সময় ট্রাম্পের বয়স হবে ৭৮ বছর। সম্ভবত তিনি দলের মধ্যেই মনোনয়নপ্রত্যাশী একটি অংশের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বেন। আর এই মনোয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে এমন নেতারাও রয়েছেন, যারা একসময় তার অনুসারী ছিলেন।

রন ডিসান্টিস: ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিস নিজেকে ট্রাম্পের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। গত ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে তিনি ১৫ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। ৪৪ বছর বয়সী ডিসান্টিস হার্ভার্ড ও ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে লেখাপড়া করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তিনি এখনো তুলনামূলক নতুন। একসময় নৌবাহিনীতে কাজ করেছেন ডিসান্টিস। ইরাকেও গিয়েছিলেন। ২০১৩-১৮ সালের দিকে তিনি প্রতিনিধি পরিষদের স্বল্প পরিচিত সদস্য ছিলেন। তবে ২০১৯ সালে গভর্নর হওয়ার পর থেকে ক্রমশ তারকা হয়ে ওঠেন এ নেতা। বিশেষ করে, তার রক্ষণশীল অবস্থানের কারণে। তার সময়েই প্রথমবারের মতো রাজ্যে রিপাবলিকান ভোটার ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে তিনি মাস্ক ও ভ্যাকসিন বিষয়ক বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছেন। দাঙ্গাবিরোধী আইন করেছেন এবং স্কুলে সমকামী শিক্ষা সীমিত করতে আইনে সমর্থন জুগিয়েছেন। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্প ডিসান্টিসের দিকে নিবিড়ভাবে নজর রাখছেন। এমনকি, ২০২৪ সালে নির্বাচনে দাঁড়াতে চাইলে তার তথ্য ফাঁস করার হুমকিও দিয়েছেন।

মাইক পেন্স:  গত বছরের শুরুতে মার্কিন পার্লামেন্টে দাঙ্গার আগপর্যন্ত ট্রাম্পের খুবই অনুগত ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন মাইক পেন্স। তার পিতা ছিলেন কোরিয়া যুদ্ধের একজন নায়ক। তবে পেন্সের ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিলো রেডিও উপস্থাপক হিসেবে। কংগ্রেস সদস্য হিসেবে ২০০০ সাল থেকে পরবর্তী ১৩ বছর তিনি নিজেকে একজন আদর্শ রক্ষণশীল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং টি পার্টি মুভমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৩ সাল থেকে পরবর্তী চার বছর ছিলেন ইন্ডিয়ানার গভর্নর। সে সময় রাজ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কর ছাড় দিয়েছিলেন এবং গর্ভপাত সীমিত করতে ও ধর্মীয় স্বাধীনতার সুরক্ষা বিলে সই করেছিলেন তিনি। ৬৩ বছর বয়সী এ নেতা তার ধর্মবিশ্বাসের কারণে আলাদা সুবিধা পাবেন। কারণ খ্রিস্টানদের মধ্যে তিনি যে অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন, তার আলাদা একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে। তারা ২০১৬ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিল। শান্ত ও স্থির প্রকৃতির পেন্সকে দেখা হয় উচ্চকণ্ঠের ডোনাল্ড ট্রাম্পের কার্যকর প্রতিনিধি হিসেবে। যদিও গত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করতে রাজি না হওয়ায় পেন্সের সাহসের অভাবকেই দায়ী করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পপন্থিরা ক্যাপিটল হিলে হামলা করেছিল এবং পেন্সের ফাঁসি দাবি করেছিল। একপর্যায়ে তারা তৎকালীন ভাইস-প্রেসিডেন্টের ৪০ ফুটের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছিল। এরপর থেকেই ট্রাম্প ও পেন্সের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। তাছাড়া, পেন্স এবারের নির্বাচনে এমন কয়েকজন প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন, যার বিরোধীকে সমর্থন দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পেন্স কখনো তার সাবেক বসের সরাসরি সমালোচনা করেননি।

লিজ চেনি: সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনির কন্যা লিজ চেনিকে একসময় রিপাবলিকান পার্টির উঠতি তারকা মনে করা হতো। ২০১৭ সালে পিতার আসনে দাঁড়িয়ে জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করায় দলের ভেতর সমর্থন হারান লিজ। কংগ্রেস ভবনে হামলার পর ট্রাম্পের অভিশংসন প্রস্তাবের পক্ষেও ভোট দিয়েছিলেন তিনি। তবে এই ভূমিকার জন্যেও মূল্য দিতে হয়েছে তাকে। উওমিং প্রাইমারিতে লিজ ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীর বিপক্ষে ৪০ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনায় কংগ্রেস যে তদন্ত করছে, সেখানে রিপাবলিকান দলের দুজন সদস্যের মধ্যে লিজ একজন। কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগ নিয়ে কাজ করছেন তিনি। তবে লিজ চেনি এখনো নিজেকে রিপাবলিকান ভাবেন ও দলের পুনরুজ্জীবনের জন্য যা দরকার তাই করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

মাইক পম্পেও: কানসাস থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য মাইক পম্পেও ২০১৬ সালেই সতর্ক করেছিলেন, ট্রাম্প কর্তৃত্ববাদী প্রেসিডেন্ট হতে পারেন এবং সংবিধানকে উপেক্ষা করবেন। মর্যাদাপূর্ণ ওয়েস্ট পয়েন্ট মিলিটারি একাডেমিতে গ্রাজুয়েশন করেছেন তিনি। হার্ভাডে পড়ালেখা করা এই আইনজীবী সিআইএ পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীও ছিলেন। ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পুরোনো নীতি থেকে সম্প্রতি বেরিয়ে এসেছেন পম্পেও। তবে তাকে ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। তিক্ততায় জড়িয়েছেন সংবাদকর্মীদের সঙ্গেও।

গ্লেন ইয়াংকিন: গত বছর ভার্জিনিয়ায় গভর্নর পদে জিতে রিপাবলিকানদের রীতিমতো বিস্মিত করেছিলেন গ্লেন। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের এক প্রভাবশালী প্রার্থীকে হারিয়েছিলেন তিনি। তার রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাটদের ভোট বাড়ছিল। বিভাজনের রাজনীতিকে খুবই তিক্ত বলে সমালোচনা করেছেন গ্লেন। তবে ৫৫ বছর বয়সী এই নেতা আলোচনায় আসেন দায়িত্ব গ্রহণের দিনই কোভিড বিধিনিষেধ তুলে ফেলা ও স্কুলে ক্রিটিক্যাল রেস থিওরি শেখানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর। এবার মধ্যবর্তী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে তিনি কাজ করেছেন। তবে স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির স্বামীর ওপর হামলার বিষয়ে মন্তব্য করে সমালোচিত হয়ে পরে ক্ষমা চেয়েছেন গ্লেন।

নিক্কি হ্যালি: একসময় তাকে রিপাবলিকান পার্টির সবচেয়ে উজ্জ্বল তারকা মনে করা হতো। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিক্কির অবস্থা কিছুটা মলিন হয়েছে। সাউথ ক্যারোলাইনায় পাঞ্জাবি শিখ অভিবাসী পরিবারে জন্ম নেওয়া নিক্কি ২০০৯ সালে সর্বকনিষ্ঠ গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

নিজেকে ট্রাম্পের ভক্ত নন বললেও ট্রাম্প প্রশাসনের তিনি জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধির দায়িত্ব পেয়েছিলেন। নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনি প্রতিনিধির বক্তব্যের সময় তিনি বিতর্কিতভাবে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। অনেক সমালোচনাও কুড়িয়েছেন ৫০ বছর বয়সী এই নেতা। ট্রাম্প গত বছর নিক্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বলে খবর ছড়িয়েছিল।

রিক স্কট: ফ্লোরিডা থেকে নির্বাচিত আইনপ্রণেতা রিক স্কট। এবার সিনেটে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছেন। দেশজুড়ে প্রার্থীদের তহবিল সংগ্রহে কাজ করেছেন। এর বাইরে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রার্থী হিসেবে টেক্সাসের সিনেটর ট্রেড ক্রুজ, ম্যারিল্যান্ডের সাবেক গভর্নর ল্যারি হোগান, টেক্সাসের সাবেক গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট ও সাউথ ডাকোটার প্রথম নারী গভর্নর ক্রিস্টি নোয়েমের নামও শোনা যাচ্ছে।


আরও খবর

জাপানে করপোরেট মুনাফা ঊর্ধ্বমুখী

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২