Logo
শিরোনাম

সারাদেশে করোনায় আরও ৮ মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও দুইজন নারী। মৃতদের সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ নিয়ে দেশে এই মহামারিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৮ হাজার ৩৩৭ জনে।

এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪০৬ জন। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২১৪টি ল্যাবরেটরিতে ১৪ হাজার ২৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯ লাখ ২২ হাজার ৪৮৯টি।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় এবং ১৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়।

Share

আরও খবর

বিশ্বে করোনায় সুস্থ ৯ কোটি

সোমবার ০১ মার্চ ২০২১




আল-জাজিরার সম্প্রচার নিষিদ্ধের দাবি আইইবির

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), ঢাকা কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটি। চ্যানেলটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-শিবিরের মুখপত্র বলে উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আইইবির ঢাকা কেন্দ্রের পক্ষে এ দাবি জানান ঢাকা কেন্দ্রের সম্পাদক প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আল-জাজিরা বহু আগে থেকেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি করে চলেছে। জঙ্গিবাদকে উসকে দেওয়ার কাজও তারা সুচারুভাবেই চালিয়ে যাচ্ছে। এবার তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারা ব্যাহত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, আল-জাজিরা কর্তৃক বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্র অতীতের মতো ভবিষ্যতেও রুখে দেবেন দেশের সচেতন নাগরিকরা।

তারা বলেন, আল-জাজিরা শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রেই পক্ষপাতমূলক সংবাদ পরিবেশনা করছে না, বরং এ ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুবিদিত। পশ্চিমা বিশ্বে আল-জাজিরাকে দেখা হয় সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের পরোক্ষ প্রেরণাদাতা হিসেবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশনের কারণে মিসর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সরকার এই সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এই যখন পরিস্থিতি, তখন বাংলাদেশেও জনমত জোরদার হচ্ছে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আল-জাজিরা কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদন একগুচ্ছ বিভ্রান্তিকর শ্লেষ আর বক্র ইংগিত ছাড়া আর কিছু নয়, যা আসলে চরমপন্থী গোষ্ঠী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কুখ্যাত কিছু ব্যক্তির দ্বারা পরিচালিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, যারা ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ রাষ্ট্রের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক নীতির বিরোধিতা করে আসছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আল-জাজিরার প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তার মূলসূত্র একজন সন্দেহভাজন আন্তর্জাতিক অপরাধী, যাকে আল-জাজিরাই সাইকোপ্যাথ আখ্যায়িত করেছে। প্রধানমন্ত্রী বা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সামান্যতম প্রমাণও সেখানে নেই। আর মানসিক ভারসাম্যহীন কারো কথার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া একটি আন্তর্জাতিক নিউজ চ্যানেলের জন্য বড় ধরনের দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর আল-জাজিরার প্রামাণ্যচিত্র প্রচারের প্রতিবাদে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), ঢাকা কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটি ও কাউন্সিলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানানো হয়।

তারা বাংলাদেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রের অপরাধে আল-জাজিরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর পেইড এজেন্ট ডেভিড বার্গম্যানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

Share

আরও খবর



ছোট ভাইয়ের কিডনি বিক্রির চেষ্টায় অভিযুক্ত বড় ভাই আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ছোট ভাইয়ের কিডনি বিক্রির চেষ্টায় ফেঁসে গেলেন বড় ভাই। ছোট ভাই রায়হান এহসান রিহানকে (৫) অপহরণ করেন বড় ভাই ফাহাদ বিন ইহসান তারেক। অপহরণের অভিযোগে বড় ছেলের বিরদ্ধে হাজীগঞ্জ থানায় মামলা করেন বাবা মো. আবু তাহের। পরে পুলিশ তারেককে গ্রেপ্তার করে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন রনি ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্তের মাধ্যমে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পুলিশ জানায়, রিহানকে অপহরণের পর বাসায় একটি চিঠি লিখে যান বড় ভাই।

চিঠিতে তারেক যা যা লিখেন

আমি শুধু এই দিনটির অপেক্ষায় ছিলাম। আমি যেদিন কিডনি বিক্রি করেছিলাম, ঠিক সেদিন থেকে আপনারা আমার অবহেলা করা শুরু করেছেন। অথচ আপনাদের অত্যাচারে আমি বাধ্য হয়েছি নিজের অঙ্গ বিক্রি করতে। আপনারা আমার জীবনের সব শেষ করে দিয়েছেন।

সেখানে তিনি আরও বলেন, আমার সন্তানের মুখ আজ পর্যন্ত দেখি নাই। আমার জীবন নষ্ট করে আপনারা শান্তিতে থাকবেন ভাবলেন কীভাবে? আমি এতোদিন অপেক্ষা করেছি। আপনাদের হাতে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আপনারা আমার কোনো ব্যবস্থা করে দেন নাই। আপনার সন্তান যেখানে বেকার সেখানে আপনারা হিন্দুর সন্তানকে ২০ লক্ষ টাকা দেন ব্যবসা করার জন্য। আপনাদের টাকা-পয়সা মানুষের জন্য। আপনাদের সবকিছু মুখ বুজে সহ্য করেছি। আমার মতো এবার আপনাদের ছোট ছেলে কিডনি দেবে। আপনারা আমার ব্যবস্থা করেন নাই তাই এটা ছাড়া আমার আর কিছুই করার ছিল না। আপনারা আপনাদের টাকা-পয়সা নিয়েই থাকেন। আর মানুষের ছেলেদেরই বড় বানান। আমার কিডনি বিক্রির সময় যেমন কিছু করতে পারেন নাই। এবারও পারবেন না।

চিঠির সূত্র ধরেই হাজীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তারেকের বাবা। পরে কৌশলে তারেককে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলে হাজীগঞ্জে নিয়ে আসেন। পরে হাজীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ তারেককে গ্রেপ্তার করেন।

তারেকের মা ফরিদা সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, আমার ছেলে আগে থেকেই মাদক সেবন করতো। নেশার কারণে সে অনেক টাকা নষ্ট করেছে। তাই আমরা তাকে টাকা দিতে সাহস করিনি।

তারেক বলেন, আমি আমার ছোট ভাইকে অপহরণ করেছি শুধু টাকার জন্য। কিডনি বিক্রির কথাটি চিঠিতে লিখে মা-বাবাকে ভয় দেখিয়েছিলাম। তারা আমাকে বাধ্য করেছেন এমন ঘটনা ঘটাতে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোশারফ বলেন, সোমবার অপহরণকারীকে আটক করা হয়েছে এবং অপহৃত রিহানও আমাদের জিম্মায় রয়েছে। মঙ্গলবার অপহরণকারীকে আদালতে পাঠানো হবে।


নিউজ ট্যাগ: অপহরণ চাঁদপুর
Share

আরও খবর

চাঁদপুরের বাস দুর্ঘটনার ভিডিও ভাইরাল

মঙ্গলবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১




করোনায় দেশে আরও ১৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৯৬

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৩ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৯৮ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৩৯৬ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ জন।

মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৭৫১ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৬২১ জন।

এর আগে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ৪৪৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১১ জন।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৯৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৭৩ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৪ লাখ ১৮ হাজার ২৫০ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ কোটি ৪২ লাখ ৫ হাজার ৮৯ জন।

Share

আরও খবর



নারায়ণগঞ্জে চার শ্রমিক হত্যা: মৃত্যুদণ্ড ২, যাবজ্জীবন ৯

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
Share

Image

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলীতে চার বাল্কহেড শ্রমিক হত্যা মামলায় দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৭ আদালতের বিচারক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন সাত আসামির উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন।

এছাড়া যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বাল্কহেডের দুই ফিডারম্যান (ইঞ্জিনমিস্ত্রী) তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন। মামলায় বার আসামির মধ্যে চারজন এখনও পলাতক রয়েছেন এবং একজন ইতোপূর্বে মারা গেছেন।

মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জানান, ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শাহপরাণ নামের বাল্কহেড সিলেট থেকে পাথর বোঝাই করে মুন্সীগঞ্জে একটি সিমেন্ট কারখানায় যায়। সেখানে পাথর খালাস করে ২১ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটি ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকায় ধলেশ্বরী নদীতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে থেমে যায়। পরে বাল্কহেডটি মেরামত করার জন্য এর চালক দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনকে ফোন করে ডেকে আনেন। মেরামত শেষে বাল্কহেডটি সচল হলে দুই ফিডারম্যান তা পরীক্ষা করার কথা বলে রাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ডাকাতদের যোগসাজশে বক্তাবলীর চরে নিয়ে থামিয়ে দেয়। ওইদিন রাতের কোন এক সময় দুই ফিডারম্যান সহযোগিদের সাথে নিয়ে চালক নাসির মিয়া, কর্মচারি মঙ্গল, ফয়সাল ও হান্নানকে হাত পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হয়। পরে মেঘনা নদী থেকে হাত পা বাঁধা ও গলাকাটা অবস্থায় নাসির এবং মঙ্গলের লাশ উদ্ধার হলেও ফয়সাল ও হান্নান নামের অপর দুই শ্রমিক নিখোঁজ থাকেন। পরে বাল্কহেডটি বক্তাবলীর চর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশ জব্দ করে।

এ ঘটনার পরদিন ২০০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বাল্কহেডটির মালিক এরশাদ মিয়া ফতুল্লা থানায় বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ দুই ফিডারম্যান তাজুল ইসলাম ও মহিউদ্দিনসহ সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে ও দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দী দিলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফতুল্লা থানার উপ-পরিদর্শক বদরুল আলম আসামিদের জবানবন্দীর ভিত্তিতে ২০০৯ সালের ২৬ মার্চ ১২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত যুক্তিতর্ক ও ১৮ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এই রায় প্রদান করেন।

বাংলাদেশ কার্গো বাল্কহেড ও ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বেপারী জানান, হত্যার সাথে আসামিরা সকলেই জড়িত ছিল। সবার মৃত্যুদণ্ড হলে এ রায় পরিপূর্ণ হতো।

Share

আরও খবর



‘হয় পরীক্ষা নাও, না হয় জীবন নাও’

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ২৭জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নীলক্ষেত অবরোধ চলাকালে ঢাকা কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের তৌকির আহমেদ নিজেদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘ হওয়ার কথা বলছিলেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৫-১৬ সেশনের ২৪ ফেব্রুয়ারির পরীক্ষাটা বাকি ছিল। কিন্তু গতকাল আকস্মিক নোটিশে পরীক্ষা স্থগিত হওয়ার ফলে অর্নাস কমপ্লিট হলো না। অপরদিকে ২০১৬-১৭ সেশনের ২৫, ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ৩, ৬ মার্চ পরীক্ষা ছিল।

তিতুমীর কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের কুতুব উদ্দীন বলেন, আমরা একমাস ধরে পরীক্ষা দিচ্ছি। তখন করোনা হলো না। কোন যুক্তিতে আজকের পরীক্ষা স্থগিত হলো। আমরা অনতিবিলম্বে পরীক্ষা দিয়ে গ্র্যাজুয়েশান শেষ করতে চাই।

কর্মসূচি পালনকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। দাবি মোদের একটাই, পরীক্ষা চাই। পরীক্ষা কেন স্থগিত প্রশাসন জবাব চাই, রক্ত চাইলে রক্ত নিন তবুও পরীক্ষা নিন। শিক্ষার্থীদের কয়েকজন কাফনের কাপড় পরে রাস্তায় শুয়ে পড়ে। বুকে লাল কালিতে লেখা পরীক্ষা নাও, না হয় জীবন নাও

  1. তিন বছর ধরে থার্ড ইয়ারে আছি। ২০১৯ সালের পরীক্ষা আমরা ২০২১ সালে এসে দিচ্ছি। আমাদের বন্ধুরা প্রাইভেটে পড়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে জবে ঢুকে গেছে। আর আমরা অর্ধেক পরীক্ষা দিয়ে আবারও আটকে গেলাম। আমরা চাই চলমান পরীক্ষা নির্ধারিত শিডিউলে নেওয়া হোক।

নিউজ ট্যাগ: ঢাকা কলেজ
Share

আরও খবর