Logo
শিরোনাম

শবে বরাত নিয়ে হাদিসে যা বলা আছে

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অনেক হাদিসের ইমামগণ তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। হাদিসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে ‘কিতাবুস সহীহ’ এ বর্ণনা করেছেন

শবে বরাতের নিয়ে সমাজে কিছুটা মতভেদ রয়েছে আলেমদের মাঝে। কেউ কেউ বলে থাকে সহীহ হাদিস দ্বারা শবে বরাত প্রমাণিত না। তারা অন্য রাতের মতই মনে করেন। তবে হাদিসে এ রাতের মহিমা ও ফজিলত বিশেষভাবে উল্লেখ রয়েছে। এ হাদিসগুলো সহীহ।

সম্মিলিত কোন রূপ না দিয়ে এবং এই রাত উদযাপনের বিশেষ কোনও পন্থা উদ্ভাবন না করে বেশি ইবাদত করা নির্ভরযোগ্য বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত। এই রাতকে অন্য সাধারণ রাতের মতো মনে করা এবং এ রাতের ফজিলতের ব্যাপারে যত হাদিস এসেছে তার সবগুলোকে মওযূ বা যয়ীফ মনে করা ভুল। তবে এ রাতকে শবে কদরের মতো বা তার চেয়েও বেশি ফজিলতপূর্ণ মনে করাও একটি ভিত্তিহীন ধারণা। এখানে শবে বরাত তথা পনের শাবানের রাত সম্পর্কে একটি হাদিস সনদের নির্ভরযোগ্যতার বিবরণসহ উল্লেখ করা হলো।

হযরত মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) বলেন, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।

এই হাদিস দ্বারা প্রমাণ হয় যে, এই রাতে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফেরাতের দ্বার ব্যাপকভাবে উন্মুক্ত হয়। কিন্তু শিরকী কাজকর্মে লিপ্ত ব্যক্তি এবং অন্যের ব্যাপারে হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী মানুষ এই ব্যাপক রহমত ও সাধারণ ক্ষমা থেকেও বঞ্চিত থাকেন।

এখন আসুন, উল্লেখিত হাদিসটির সনদ নিয়ে আলোচনা করি। উপরোক্ত হাদিসটি অনেক নির্ভরযোগ্য সনদের মাধ্যমে বর্ণিত হয়েছে। ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে হিব্বান তার কিতাবুস সহীহ এ (যা সহীহ ইবনে হিব্বান নামেই প্রসিদ্ধ, ১৩/৪৮২এ) এই হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন। এটি এই কিতাবের ৫৬৬৪ নম্বর হাদিস। এ ছাড়া ইমাম বায়হাকী (রহঃ) শুআবুল ঈমান এ(৩/৩৮২, হাদিস ৩৮৩৩) ইমাম তাবরানী আলমুজামুল কাবীর ও আলমুজামুল আওসাতে এ বর্ণনা করেছেন।

এছাড়াও আরও অনেক হাদিসের ইমামগণ তাদের নিজ নিজ কিতাবে হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। হাদিসটির সনদ সহীহ। এজন্যই ইমাম ইবনে হিব্বান একে কিতাবুস সহীহ এ বর্ণনা করেছেন। এমনকি শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহঃ) সিলসিলাতুল আহাদীসিস সাহীহা ৩/১৩৫-১৩৯ এ এই হাদিসের সমর্থনে আরও আটটি হাদিস উল্লেখ করার পর লেখেন, এসব বর্ণনার মাধ্যমে সমষ্টিগতভাবে এই হাদিসটি নিঃসন্দেহ সহী প্রমাণিত হয়

এরপর শায়খ আলবানী (রহঃ) ওই সব লোকের বক্তব্য খণ্ডন করেন, যারা কোনও ধরনের খোঁজখবর ছাড়াই বলে দেন যে, শবে বরাতের ব্যাপারে কোনও সহীহ হাদিস নেই।

শবে বরাতের পরদিন রোজা রাখা সম্পর্কে একটি হাদিস রয়েছে- হযরত আলী ইবনে আবু তালেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পনের শাবানের রাত যখন আসে, তখন তোমরা এ রাতটি ইবাদত বন্দেগীতে কাটাবে এবং দিনের বেলা রোজা রাখ। কেননা এ রাতে সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তাআলা প্রথম আসমানে আসেন এবং বলেন, কোনও ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। আছে কি? কোন রিজিক প্রার্থী? আমি তাকে রিজিক দেব। এভাবে সুবহে সাদিক পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা মানুষের প্রয়োজনের কথা বলে তাদের ডাকতে থাকেন।(ইবনে মাজা, হাদিস নম্বর-১৩৮৪)।

নিউজ ট্যাগ: পবিত্র শবে বরাত

আরও খবর



শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবিতে প্রাণহানির ঘটনায় ভারতের শোক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলায় মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। শোকাহত পরিবার বর্গ ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। এই দুঃখের মুহূর্তে আমাদের

নারায়ণগঞ্জের মদনগঞ্জ ঘাট এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে কোস্টার ট্যাংকারের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চডুবিতে ৩৫ জনের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছে প্রতিবেশি দেশ ভারত।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এই শোক প্রকাশ করেন।

টুইটারে অরিন্দম বাগচী বলেন, বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলায় মর্মান্তিক লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে আমরা গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। শোকাহত পরিবার বর্গ ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের গভীর সমবেদনা। এই দুঃখের মুহূর্তে আমাদের প্রার্থনা বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম মানুষের সঙ্গে রয়েছে।

উল্লেখ্য, রবিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকের শীতলক্ষ্যার চর সৈয়দপুর এলাকার ব্রিজের কাছে এই লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। সাবিত আল হাসান নামের ডুবে যাওয়া লঞ্চটি মুন্সীগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল। লঞ্চটিতে ৫০ থেকে ৬০ জন যাত্রী ছিল বলে জানান জীবিত উদ্ধার কয়েকজন যাত্রী।

নিউজ ট্যাগ: নারায়ণগঞ্জ

আরও খবর



ফেসবুকের যে অশ্লীল পেজ ফলো করে হেফাজতের মামুনুল হক!

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
‘পরশমনি’ নামের ওই পেজে সর্বশেষ কয়েকটি পোস্ট মামুনুল হককে নিয়ে হলেও এর আগেকার বেশিভাগ পোস্টই ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য সব বিষয় নিয়ে। অশ্লীল এ পেজটিতে বিভিন্ন সময়ে

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জে নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার পর থেকে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শেষ হচ্ছে না। গ্রামের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে জাতীয় সংসদেও। যদিও শুরু থেকেই ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন মাওলানা মামুনুল হক। এবার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অশ্লীল পেজ ফলো করার প্রমাণ মিললো।

সোনারগাঁওয়ের রয়াল রিসোর্টে গত শনিবার (৩ এপ্রিল) নারীসহ তাকে অবরুদ্ধ করেছিল স্থানীয় লোকজন। এরপর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। মুক্ত হওয়ার পর লাইভে এসে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুনুল হক। ফেসবুকে একটি প্রোফাইল থেকে মামুনুল হক লাইভে আসেন। এই আইডি থেকে লাইভে মামুনুল দাবি করেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেননি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়বা। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

প্রায় তিন লাখ ফলোয়ার বিশিষ্ট যে প্রোফাইল থেকে মামুনুল এসব কথা বলেন সে প্রোফাইলটিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পরশমনি নামে একটি পেজে ফলো দেওয়া রয়েছে। পরশমনি নামের ওই পেজে সর্বশেষ কয়েকটি পোস্ট মামুনুল হককে নিয়ে হলেও এর আগেকার বেশিভাগ পোস্টই ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য সব বিষয় নিয়ে। অশ্লীল এ পেজটিতে বিভিন্ন সময়ে ধারণকৃত এবং ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ ভিডিওগুলোর বেশিরভাগই গোপনে ধারণকৃত।

মামুনুল হক আমেনা তৈয়বা নামে যে নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন তার আসল নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর এ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। জান্নাতের বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়ও এখন ঝর্ণাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে, দুটি সন্তানও আছে, এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনো খবরই জানেন না এলাকাবাসী।

সরেজমিনে রবিবার (৪ এপ্রিল) ঝর্ণার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মেয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণার নয় বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তার বাড়ি বাগেরহাটের কচুড়িয়া এলাকায়। তাদের আব্দুর রহমান (১৭) ও তামীম (১২) নামে দুজন ছেলে রয়েছে।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে আড়াই বছর আগে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপরে দুবছর আগে পরিবার থেকে পাত্র দেখে মেয়েকে বিয়ে করার কথা বললে ঝর্ণা বলত তার বিয়ে হয়ে গেছে, তাই তার জন্য আর কোনো পাত্র না দেখতে। তবে কার সঙ্গে সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, সে কথাটি পরিবারকে জানায়নি কখনো। শুধু একবার ভিডিও কলে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুল হককে দেখিয়েছিল। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি তিনি ছিলেন মাওলানা মামুনুল হক।

প্রথম স্বামী হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহর সঙ্গে জান্নাত আরা ঝর্ণার পরিবারের কোনো যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তারা জানান, ডিভোর্সের পরে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ রাখেনি তারা। তাই হাফেজ শহীদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের কোনো মাধ্যম না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আরও খবর



বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ আর নেই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ আর নেই। বাংলাদেশ সময় ৬টা ৩০ মিনিটে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস, বুকে ব্যথা অনুভব করলে ২৯ ডিসেম্বর মওদুদকে ঢাকায় এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদারের অধীনে চিকিৎসা নেন। সেখানে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ায় তার হৃদযন্ত্রে স্থায়ী পেসমেকার বসানো হয়।

১৩ জানুয়ারি সিসিইউ থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। ২০ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় নেওয়া হয়। এরপর আবার ২১ জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টায় সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি দেশ ছাড়েন। সেখানে দীর্ঘদিন আইসোলেশনে থেকে পরে এলিজাবেথে চিকিৎসা নেন। সঙ্গে তার স্ত্রী হাসনা জসিমউদদীন রয়েছেন।


আরও খবর



মাস্ক ছাড়া বেখেয়ালি চলাফেরা আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে। আজ বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সকালে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ১০টি আইসিইউ বেডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, যে হারে রোগী বাড়ছে তাতে ঢাকা শহরকে হাসপাতালে পরিণত করলেও সবাইকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না। করোনার উৎপত্তির উৎস বন্ধ না করলে শুধু সেবা দিয়ে সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রায় সব হাসপাতালের বেড বাড়ানোর চেষ্টা করছি, সাধারণ রোগী কমিয়ে করোনা রোগীদের জন্য ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছি। যদিও সাধারণ রোগীদেরও এতে কষ্ট হবে।

আমাদের ডাক্তার-নার্সরা টানা কাজ করতে করতে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের আমরা ছুটি দিতে পারছি না। এ অবস্থায় যদি আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারি তবে হাসপাতালে আর রোগী জায়গা দেওয়া সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, আমরা যতই হাসপাতালগুলোতে বেড বৃদ্ধি করি এতে কোভিড আক্রান্ত রোগী কমাতে পারবো না। আমাদের আক্রান্তের উৎপত্তিতে আরও সচেতন হতে হবে। কোভিড নিয়ন্ত্রণে সরকারের ১৮ নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, মাস্ক ছাড়া আমাদের বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মেহেদী হাসানের জোড়া আঘাত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দলীয় ২৮ রানে মার্টিন গাপটিলকে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। ৪৩ ও ৫৩ রানের মাথায় আরও দুটি উইকেটের পতন। হেনরি নিকোলাস ও উইল ইয়ং বিদায় নিয়েছেন মেহেদী হাসানের বলে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের দেয়া ২৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আউট হন গাপটিল। মুস্তাফিজুরের বলে তার হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে ২৪ বলে ২০ রান করেন এই ওপেনার।

হেগলি ওভালে নবম ওভারের তৃতীয় বলে অফস্পিনার মেহেদীর বলে বোল্ড হন নিকোলাস। ১৮ বলে ১৩ রান করে মাঠ ছাড়েন ডান-হাতি এই ওপেনার।

ক্রাইস্টচার্চের এই মাঠে ১১তম ওভারের পঞ্চম বলে একই পরিণতি হয় উইল ইয়েংর। বোল্ড হওয়ার আগে ৭ বলে ১ রান করেন তিনি।

১৪ ওভার পর তিন উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৬১ রান। ২৬ বলে ২১ করেছেন ডেভন কনওয়ে। তার সঙ্গে যোগ দেয়া অধিনায়ক টম ল্যাথাম ৯ বলে ৪ রান তুলেছেন।

এদিন টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৭১ রান তুলে টাইগাররা। দলের হয়ে তামিম ইকবাল ৭৮ ও মোহাম্মদ মিঠুনের ৭৩ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুটি উইকেট তুলেন মিচেল স্যান্টনার।

নিউজ ট্যাগ: মেহেদী হাসান

আরও খবর