Logo
শিরোনাম

সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে ব্যাংক

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয়

করোনাভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বাড়ায় দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। লকডাউনে সীমিত পরিসরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু থাকবে।

রবিবার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আগামী সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে রবিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত লকডাউন দিয়ে রবিবার (৪ এপ্রিল) এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



সারা দেশে নিয়োগ দেবে কাজী ফার্মস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কাজী ফার্মস গ্রুপ। প্রতিষ্ঠানটিতে  সিনিয়র অফিসার/এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

সিনিয়র অফিসার/ এক্সিকিউটিভ (ফিশ ফিড সেলস অ্যান্ড টেকনিক্যাল সার্ভিসেস)।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিশারিজ/ মেরিন বায়োলজি বিষয়ে বিএসসি অথবা এমএসসি পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল ও পাওয়ার পয়েন্টে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে। চাপের মধ্যে কাজের মানসিকতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল : সারা দেশ (প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত)

বেতন : আলোচনা সাপেক্ষে।

আবেদন প্রক্রিয়া : প্রার্থীরা বিডিজবস অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ তারিখ : ৮ এপ্রিল, ২০২১।

সূত্র : বিডিজবস

নিউজ ট্যাগ: কাজী ফার্মস

আরও খবর



সুনামগঞ্জের শাল্লা থানার ওসি সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি বদলি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুনামগঞ্জ থেকে জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রাম নোয়াগাঁও হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে সুনামগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত নূর আলমকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমনার বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাল্লা থানা ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছিলো।

এ ব্যাপারে সিলেট পুলিশ রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শাল্লা উপজেলায় হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে হামলার ঘটনায় শাল্লার থানার ওসি ও দিরাই থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গিয়েছে সেজন্য শাল্লা থানার ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করে বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত হতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামে মৌলভীবাজার জেলায় বদলী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের গোপেন্দ্র দাসের ছেলে ঝুটন দাস আপন।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ সেই রাতে শশখাই বাজার থেকে ঝুটন দাসকে আটক করে। পরদিন, ১৭ মার্চ সকালে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে  হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ১৮ মার্চ সকালে র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এলাকা পরিদর্শন করেন। ওই দিন বিকালে বাড়ি ঘরে হামলার বিষয়ে পৃথক দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় সহস্রাধিকজনকে আসামী করা হয়েছে। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। মামলায় ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০০জনকে আসামী করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে ১৯ মার্চ গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে আত্বগোপনে থাকা শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মেম্বারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও নোয়াগাও গ্রামের সংখ্যালঘুদের গ্রামে হামলার ঘটনায় ১৮ মার্চ দুটি ও ২২ মার্চ আরেকটি মামলা হয়। ১৮ মার্চ করা দুটি মামলার একটির বাদী শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম। ২২ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছেন শাল্লা থানার এসআই আবদুল করিম। এদিকে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আদালতে ৭২জনের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছেন নিভা রানী দাস। তিনি ঐ গ্রামের বাসিন্দা ও মাওলানা মামুনুল হক কে কটুক্তি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আসামী ঝুমন দাস আপনের মা। মামলায় আসামি করা হয়েছে শহীদুল ইসলাম স্বাধীন মেম্বার সহ ৭২ জন ও অজ্ঞাত ২ হাজার। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট শাল্লা জোন আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



বসুরহাট পৌর ভবনের চারপাশে পুলিশ, ভেতরে কাদের মির্জা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা ভবন চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ভবনের ভেতর রয়েছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি সেখানেই রাত কাটিয়েছেন। তার সঙ্গে কয়েকজন কর্মীও রয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার ভোরে কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারেএমন কথা ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো জেলায়। তবে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সেটি গুজবেই সীমাবদ্ধ ছিল।

বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে তিন শতাধিক পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্য। পরিস্থিতির দেখভাল করার জন্য বসুরহাটে অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের একজন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পুলিশের দাবি, বসুরহাটে এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোনো ধরনের সমস্যা নেই।

অপর দিকে বৃহস্পতিবার জেলা শহর থেকে গ্রেপ্তার করা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলকে পৌরসভা ভবনে হামলা-ভাঙচুর ও গুলির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে গভীর রাতে কিংবা শুক্রবার ভোরে বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করতে পারে পুলিশ। এ নিয়ে উৎকণ্ঠা ছিল সবার মাঝে। ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে পৌঁছে যান অনেক গণমাধ্যমের কর্মী। কিন্তু পরিস্থিতি ছিল আগের মতোই। কাদের মির্জা তার পৌরসভা কার্যালয়েই রয়েছেন। পৌরসভা ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল। তারা রাতভর সেখানে নির্ঘুম ছিল।

এদিকে মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় যান। কিন্তু এজাহার থেকে প্রধান আসামি কাদের মির্জাকে বাদ দেওয়াসহ কিছু ত্রুটির থাকা কথা বলে পুলিশ সেটি গ্রহণ করেনি বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন এমদাদ হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত আলাউদ্দিনের ভাই একটি এজাহার নিয়ে থানায় এসেছিলেন। কিন্তু এজাহারে সাক্ষীর নামসহ কিছু ত্রুটি ছিল, সে জন্য তিনি আবার এজাহার সংশোধনের জন্য নিয়ে গেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে তিন শতাধিক পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। রয়েছে র‌্যাবের দুটি দল। বর্তমান পরিস্থিতি একেবারে শান্ত। কোথাও কোনো সমস্যা নেই।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের চাপরাশিরহাট বাজারে আবদুল কাদের মির্জা ও মিজানুর রহমান বাদল সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি মারা যান। ৯ মার্চ রাত ৯টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান যুবলীগ কর্মী আলাউদ্দিন (৩২)।


আরও খবর

নোয়াখালীতে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ

রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১




লক্ষ্মীপুরে অগ্নিকাণ্ডে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে দুটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মায়া আক্তার (৪৭) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত মায়া পূর্ব বিগা গ্রামের মৃত সুজা মিয়ার মেয়ে।

উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের পূর্ব বিগা গ্রামে আজ রোববার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে দুটি ঘর ও আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবার।

স্থানীয়রা ও ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, কুতুব উল্যার ঘরে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লেগে তা মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রামগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই আসবাবপত্রসহ দুটি ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মায়া আর বের হতে পারেননি। আগুনে দগ্ধ হয়ে মায়া নিহত হয়েছেন।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন খান বলেন, মায়ার দাফন প্রক্রিয়া চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে কিছু অর্থ ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকেও খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের রামগঞ্জ স্টেশনের ইনচার্জ আবদুর রশিদ বলেন, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে দগ্ধ হয়ে মায়া আক্তার নামের একজন মারা গেছেন। আসবাবপত্র ও ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হচ্ছে।


আরও খবর



অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বিশ্বের ১৫ দেশ স্থগিত করেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারের ফলে শরীরে রক্তজমাট বেঁধে যাচ্ছে। এ জন্য টিকা গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অ্যাস্ট্রাজেনেকা/অক্সফোর্ডের টিকা এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৫ দেশ ব্যবহার স্থগিত করেছে। এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের দুটি দেশ ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড আর গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র হলো আফ্রিকা মহাদেশের। বাকি ১২ দেশ ইউরোপ মহাদেশের। খবর আলজাজিরার।

ইউরোপের যেসব দেশ এ পর্যন্ত অ্যস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার স্থগিত করেছে, তারা হলোনেদারল্যান্ডস, আইসল্যান্ড, ইতালি, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও লুক্সেমবার্গ। এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারের ফলে শরীরে রক্তজমাট বেঁধে যাচ্ছে। এ জন্য টিকা গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।

তবে ইন্দোনেশিয়াতে এ টিকার ব্যবহার শুরুর আগেই তা স্থগিত করা হয়েছে। আবার কোনো কোনো দেশে মাত্র কয়েকজন কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার স্থগিত করেছে। এ পরিস্থিতিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলেছে এই টিকা ব্যবহারের কারণে দেহে রক্ত জমাট বাঁধার কোনো প্রমাণ নেই।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি বা ইএমএ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এই টিকার নিরাপত্তার বিষয়ে নিজেদের আস্থার কথা জানিয়েছে। তবে এই আশ্বাস বাণী খুব একটা কাজে আসেনি বলেই মনে হচ্ছে।


আরও খবর