Logo
শিরোনাম

শেখ হাসিনা না এলে ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইতিহাসের গতি-প্রকৃতির বিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ দেখা যায়, কাঙ্ক্ষিত একটি লক্ষ্য নিয়েই সময় ও কাল এগিয়ে চলে। পরিস্থিতি ও পারিপার্শ্বিকতাকে এগিয়ে নিয়ে যায় সময়ের সাহসী নেতৃত্ব। অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে স্বীকার করতে হয় বিপুল ত্যাগের। কিন্তু যার বা যাদের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়ে গতিময় হয়ে ওঠে পরিবর্তনের ধারা, তারা অনেকেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য দেখার সুযোগ পান না। তাদের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়ে অভীষ্ট সাফল্য অর্জিত না হলে সেটাই হয় ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ। বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ তার থেকে ব্যতিক্রম নয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এ দেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা পাকিস্তানপন্থী দালাল চক্র, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী ও প্রতিক্রিয়াশীল মহল সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি নাগরিকের মনে শঙ্কা জন্মেছিল যে, তাদের লালিত স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে কার্যত বাংলাদেশকে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করা হয়, কেবলমাত্র নামটি রাখা হয় বাংলাদেশ। হতবিহ্বল আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়েন। এমন একটি সময়ে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে প্রবাসী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ঐক্যের প্রতিক হিসেবে সভাপতি নির্বাচন করা হয়। কোনো কোনো বিশ্লেষক শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তার পিতার সপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরে তিনি হয়তো নিজেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরে না-ও আসতে পারেন। কিন্তু সেই আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সাদর সম্ভাষণ জানাতে দাঁড়িয়েছিল। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাকে দেশে আসার অনুমতি দিতে চাননি, পরিস্থিতি বিপাকে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। রাস্তায় লোকজনের ভিড় না করার জন্য ফর্মান জারি করা হয়েছিল। সব ফর্মান উপেক্ষা করে শেখ হাসিনাকে বাঙালি জাতি সেদিন তাদের প্রিয় নেত্রীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে গ্রহণ করেছিল। তার ফিরে আসাটা ছিল প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ। নিজ বাড়িতে তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি, রাস্তায় দাঁড়িয়ে চরম অসহায় অবস্থায় পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য দোয়া করতে হয়েছে তাকে। হাত তুলে আল্লাহর কাছে বিচার প্রার্থনা করেছিলেন। দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছিলেন, আমি সব হারিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি, আপনাদের মাঝেই খুঁজে পেতে চাই আমার হারানো স্বজনদের। এরপর শুরু হয় তার কণ্টকাকীর্ণ দুর্গম পথের অভিযাত্রা। দলের অভ্যন্তরেও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। দলের বাইরে প্রায় সব রাজনৈতিক সংগঠন ছিল বৈরী অবস্থানে। সেনাশাসক, বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধী মহল, প্রতিক্রিয়াশীল চক্র, বিদেশি শক্তিসহ অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পায়ে হেঁটে, রিকশা, ভ্যান, নৌকায় চড়ে পিতার মতো বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলসভাবে লড়াই করতে থাকেন।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের খুনি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা বুঝতে পারেন যে, শেখ মুজিব বিনাশ হয়নি। তার প্রতিচ্ছবি হয়ে সশরীরে আবির্ভূত হয়েছে তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি। তাই তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। অন্তত ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার ও সরকার সম্মিলিতভাবে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা চালায়। আল্লাহর অসীম রহমতে প্রতিটি আক্রমণ থেকে তিনি রক্ষা পান। ২১ বছর রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগকে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এনে সরকার গঠন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা সম্ভব হয়েছিল কেবলমাত্র শেখ হাসিনার মতো যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই। ক্ষমতায় এসেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্য জেনারেল জিয়ার করা ইনডেমনিটি আইন বাতিল করেন। এই বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খুনিরা হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে মামলা করে। সেখানেও আইনি লড়াই করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের প্রতিবন্ধকতা দূর করেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ২১ বছর প্রশাসনে, রাজনীতিতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন বাহিনীতে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। দীর্ঘদিনের জমে থাকা জঞ্জাল রাতারাতি দূর করার অসম্ভবকে তিনি সম্ভব করে তোলেন। পদে পদে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সুকৌশলে আওয়ামী লীগকে পরাজিত দেখানো হয়। ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগোতে থাকেন সামনের দিকে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের চূড়ান্ত বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারের পথ প্রশস্ত করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিচার সম্পন্ন করে গোটা জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন। ক্ষমতায় আসার স্বল্প সময়ের মধ্যে বিডিআর বিদ্রোহের ভয়াবহ ঘটনা সংঘটিত হয়। নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সেনাবাহিনীকে উসকানি দেবার চেষ্টা করা হয়। অসীম ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার বিচার সম্পন্ন করেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেন। বড় বড় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতির মামলাসহ সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসেন। অবসান হয় দায়মুক্তির সংস্কৃতির। দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের কারাদণ্ড হয়। ২১ আগস্টের বর্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তারেক রহমানসহ বিএনপি সরকারের একাধিক মন্ত্রী, গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর প্রধানরাসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা পরিবর্তনের সাংবিধানিক বিধানকে সমুন্নত করেন। অবৈধ শক্তি এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে মাথাচড়া দিয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য গোটা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রস্তুত করেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষিত হয়। সর্বোচ্চ আদালত জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদকে তস্কর, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করে ওই রায়ে। শুধু তা-ই নয়, তারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, তাই তাদের কৃতকর্মকেও আদালত অবৈধ ঘোষণা করেন। এভাবে সামরিক বাহিনীর উচ্চাভিলাষী কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দখলকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অবৈধ ঘোষণা করার দ্বারা ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হয়। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা ধাম্ভিকতার সঙ্গে বলতেন, তাদের কেউ কিছু করার ক্ষমতা রাখে না। সেই ধাম্ভিকতাকে চূর্ণ করে দিয়ে ইতিহাসে অনন্য নজির স্থাপন করেন শেখ হাসিনা। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে সংবিধানে সংযুক্ত করেন এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, ক্ষমতাকে নির্বিঘ্ন করতে খালেদা জিয়া জেনারেল জিয়া হত্যার বিচার করা থেকে বিরত থাকেন। শেখ হাসিনা রাজনীতিতে হঠাৎ করে আবির্ভূত হননি। পারিবারিকভাবেই রাজনীতিতে শিশুকাল থেকেই তার হাতেখড়ি। পিতার রাজনীতির ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য ছিল তার, বাসায়, সভা-সমাবেশে, রাজপথে এবং কারাগারের গেটে। ছাত্রজীবনে ইডেন কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। বিশ্বাসে, বাস্তবতায় ও ধমনিতে ধারণ করেছেন যোগ্য পিতার শুধু রক্তের উত্তরসূরি নন, আদর্শেরও উত্তরসূরি। তাইতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে অগ্রযাত্রার অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে বিধ্বস্ত ও দরিদ্রপীড়িত বাঙালি জাতিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতিতে পরিণত করতে অনন্য উচ্চতার নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে।

নারীর ক্ষমতায়ন, অসহায়দের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, আমার বাড়ি আমার খামার, পরিবেশ সুরক্ষা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ বিকাশ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের মতো অসংখ্য কর্মসূচি গ্রহণ ও সাফল্যের মধ্য দিয়ে দেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। ৬৭ বছরের ঝুলে থাকা ছিটমহল সমস্যা সমাধান করেছেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ এলাকায় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেরা কূটনীতির মধ্য দিয়ে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রোরেল, সোনাদিয়া গভীর সমুন্দ্রবন্দর নির্মাণ, পায়রা সমুন্দ্রবন্দর নির্মাণ। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিটি জেলায় একটি করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, পর্যায়ক্রমে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা তার অনন্য অসাধারণ সাফল্যের পরিচয় বহন করে। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মাথাপিছু গড় আয় বৃদ্ধি, গড় আয়ু বৃদ্ধি, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, গড় প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা, জিডিপির আনুপাতিক হার প্রতিবেশী অনেক দেশের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি করাসহ সাফল্যের সংখ্যা ও পরিমাণ বিপুল পর্যায়ে পৌঁছেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আকাশে উৎক্ষেপণ, যা ছিল অকল্পনীয়, তা বাস্তবতায় পরিণত করেছেন। বিশ্বপরিমণ্ডলে তিনি মানবতার জননী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করায় তাকে উন্নয়নের জাদুকর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সততা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের তিনজন সেরা রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। বিভিন্ন কর্মে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দা আর্থ, স্টেটম্যান, ইস্টার অব ইস্ট, মাদার অব হিউম্যানিটি, ভ্যাকসিন হিরোসহ ৪০টির বেশি পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ দেশ ও সংগঠন থেকে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক তহবিলে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান ও ৫টি বাস্তবতাসম্মত প্রস্তাব তাকে বিশ্বে নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সব সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে জাতির জনকের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। যারা তার পিতার খুনিদের প্রশ্রয় দিয়েছিল, এমনকি তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, তেমন একজন প্রতিপক্ষকে উচ্চ আদালত কর্তৃক কারাদণ্ড দেয়ার পরও নিজ বাসায় মুক্ত জীবনে থাকার সুযোগ করে দিয়ে যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা ইতিহাসে বিরল। তিনি দলীয় নেতা, সরকারের প্রধানমন্ত্রী এসব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে এখন আন্তর্জাতিক পরিসরে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দূরদৃষ্টি, সততা, নিষ্ঠা, পরিশ্রম মহানুভবতায় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়া শেখ হাসিনা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ৭৪ বছরে পা রাখবেন। স্বজন হারানোর বেদনা এবং বয়সের ভার কোনোভাবেই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদনে কখনো ক্লান্ত করতে পারে না। দলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি অনন্য অসাধারণ নেত্রী, সরকারে তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার একমাত্র আশ্রয়স্থল। বিশ্বপরিমণ্ডলে তিনি সফল রাষ্ট্রনায়ক এবং দেশবাসীর কাছে তিনি মমতাময়ী মায়ের আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত। শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতো না, ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো। শেখ হাসিনাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শেখ হাসিনাই বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি, শেখ হাসিনাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষার একমাত্র ভরসাস্থল। বয়সের হিসাবে ৭৪-এ পৌঁছালেও কর্মস্পৃহা, দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত শেখ হাসিনা পৃথিবীর অন্যতম সেরা পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রমাণ করেছেন যে, বয়স তাকে স্পর্শ করতে পারে না। অদম্য সাহসী ও শক্তির আধার শেখ হাসিনারই বাঙালি জাতির সব অন্ধকারের আলোকবর্তিকাবাহী দুঃসাহসী অভিযাত্রী। দীর্ঘজীবী হোন শেখ হাসিনা।

লেখক : শ ম রেজাউল করিম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী


নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর

শেখ ফজিলাতুন নেছা, আমার মা

রবিবার ০৮ আগস্ট ২০২১




মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ আগস্ট ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ইউএমএনও (ইউনাইটেড মালয়েজ ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন) নেতা ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব।

শুক্রবার মালয়েশিয়ার রাজা আল সুলতান আব্দুল্লাহ তাকে দেশের প্রধানমন্ত্রীর পদে নিয়োগ দেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

গত ১৬ আগস্ট  রাজার কাছে পদত্যাগপত্র পেশ করেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিদ্দিন ইয়াসিন। পদত্যাগের ফলে তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভারও পতন ঘটে। ইসমাইল সাবরি ইয়াকোব ছিলেন সাবেক সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী।

মুহিদ্দিন ইয়াসিনের পদত্যাগের পর দেশটির পার্লামেন্ট দেওয়ান রাকাইতে আস্থাভোটের আয়োজন করা হয়েছিল। আস্থাভোটে দেওয়ান রাকাইতের ২২২ জন আইন প্রণেতার মধ্যে ১১৪ জন তার পক্ষে ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মালয়েশিয়ার রাজার দফতর।

২০২০ সালে মালয়েশিয়ার পার্লামেন্ট দেওয়ান রাকাইয়েতের সদস্যদের ভোটে জিতে দেশটির ক্ষমতাসীন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হয়েছিলেন মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক দল মালয়েশিয়ান ইউনাইটেড ইনডিজেনাস পার্টির (এমইউআইপি) নেতা মুহিদ্দিন ইয়াসিন। তবে তার পক্ষে ও বিপক্ষে পড়া ভোটের ব্যাবধান ছিল একদমই অল্প।

ফলে, নিজের পদ ধরে রাখার ব্যাপারে সারাক্ষণ চাপে ছিলেন তিনি। সম্প্রতি সেই চাপ আরও বেড়ে যায় তার দলের কয়েকজন আইন প্রণেতা বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট সরকারের অন্যতম শরিক ও মালয়েশিয়ার বৃহত্তম রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড মালয়স ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনে (ইউএমএনও) যোগ দেওয়ার পর।

ইউএমএনও বরাবরই অভিযোগ করে আসছিল, আস্থাভোটে কারচুপির মাধ্যমে মুহিদ্দিন ইয়াসিন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ইসমাইল সাবরি ইয়াকোবের প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হওয়ায় জোট সরকারে অবস্থান আরও দৃঢ় হলো মালয়েশিয়ার বৃহত্তম দলটির।


আরও খবর

ভারতে একদিনে ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বন্যায় ২২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে বন্যায় অন্তত ২২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং আরও ২০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অন্যদিকে হারিকেন হেনরি তার গতি কমিয়ে রবিবার সকাল নাগাদ মৌসুমি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে রোড আইল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে আঘাত হেনেছে।

টেনেসি অঙ্গরাজ্যের ওয়েভারলি এলাকার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রধান গ্রান্ট গিলেস্পি বলেন, গত কয়েকদিন আমাদের ভয়াবহ প্রাণহানির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এই ওয়েভারলিতেই স্থানীয় সময় শনিবার দিনে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্য একটি শহরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে প্রথমে নিখোঁজের সংখ্যা ৪৫ জন বলা হলেও পরে তা সংশোধন করে ২০ জনের কথা জানানো হয়। ব্যাপক ঝড়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হওয়ায় নিখোঁজদের বিষয়ে সঠিক তথ্য পেতে অসুবিধা হচ্ছে।

টেনেসির রাজধানী শহর ন্যাশভিলে অঙ্গরাজ্যের গভর্নর বিল লি ওয়েভারলিতে প্রাণহানি, জনজীবনের দুর্বিষহ অবস্থা ও ক্ষয়ক্ষতি তুলে ধরতে আলাদা সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে এবং পানিতে গাড়ি ভেসে অন্য এলাকায় চলে গেছে। হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মানুষের জীবন।

বন্যায় ওয়েভারলির মানুষজনের ঘরবাড়ি, স্কুল ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব মেরামতে সরকারি সহায়তার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন ওয়েভারলি শহরের পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রধান গ্রান্ট গিলেস্পি।



আরও খবর

ভারতে একদিনে ধর্ষণের শিকার ৭৭ জন

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ১২০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২১ আগস্ট 20২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পঞ্চাশ দিন পর দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু একশো ত্রিশের নিচে নেমে এসেছে। গত একদিনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২০ জন। এর আগে গত ২ জুলাই সারাদেশে ১৩২ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৯৯১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১২০ জনকে নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে মোট ২৪ হাজার ১৪৩ জন মৃত্যুবরণ করলেন। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হওয়া তিন হাজার ৯৯১ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৯৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৬৬৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হলেন ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ জন।

শনিবার (২১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৩ হাজার ৪৯৩টি আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮৮২টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৬ লাখ ১৭ হাজার ৮২৮টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৫৯টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৯টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭১ শতাংশ, আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৩ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৩ শতাংশ।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ১৬৩ রোগী

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ আগস্ট ২০21 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে এবার তাজিয়া মিছিল বন্ধের নির্দেশনা থাকলেও তা উপেক্ষা করে রাজধানীর রাস্তায় মিছিল হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুরান ঢাকার ইমামবাড়া হোসেনি দালান থেকে মিছিলটি বের হয়। পরে চকবাজার, লালবাগ, আজিমপুর, নিউ মার্কেট ও জিগাতলা বাসস্ট্যান্ডের দিকে যায় মিছিলটি।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের লালবাগ বিভাগের ডিসি জসিম উদ্দিন মোল্লা বলেন, করোনা বিধিনিষেধের কারণে রাজধানীতে শিয়া সম্প্রদায়ের তাজিয়া মিছিল নিষিদ্ধ। আমরা এখন পর্যন্ত কোথাও তাজিয়া মিছিল বের হওয়ার কোনো খবর পাইনি। কোনোভাবেই তাজিয়া মিছিল বের করতে দেয়া হবে না। করোনার বিধিনিষেধ পরিপালনে কাজ করছে পুলিশ।

এর আগে মঙ্গলবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করোনার কারণে এবার তাজিয়া মিছিল বন্ধের নির্দেশনা দেয়। প্রতিবছর এ দিনটিতে রাজধানীতে শিয়া সম্প্রদায়ের উদ্যোগে তাজিয়া মিছিল বের হয়। এবার করোনা মহামারির কারণে আগে থেকেই তাজিয়া মিছিল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এবার ভোর থেকে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ইমামবাড়ায় আসতে থাকেন ভক্তরা। নিশান ও পাকপাঞ্জা নিয়ে কালোসবুজ পোশাক পরা কিশোর-তরুণ-যুবকেরা ইমামবাড়ার এদিকেওদিকে ঘুরছিলেন। ঠিক সকাল ১০টায় বের হয় মহররমের শোকের মিছিল। হোসেনি দালান ইমামবাড়া প্রাঙ্গণেই মিছিলটি ঘুরপাক খায়।

ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে এই মিছিলের শুরুতে যুবকেরা ছিলেন নিশানপাকপাঞ্জা নিয়ে। তারপর ছিল দুটি দুলদুল ঘোড়া। এরপর ছিল হাসান ও হোসেইনের তাজিয়া। সবশেষে ছিলেন কালো পোশাক পরা তরুণেরা। তারা সংক্ষিপ্ত মিছিলের সঙ্গে হায় হোসেন! হায় হোসেন! বলে আশুরার মাতম করছিলেন।

ইমামবাড়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রচুর জনসমাগম হয়েছে। তবে ইমামবাড়া চত্বর ছোট হওয়ায় অনেকেই ভেতরে ঢুকতে পারেনি।

হোসেনি দালান ইমামবাড়া মিছিল পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ বাকার রেজা মাজলুম বলেন, ৪০০ বছর ধরে এখান থেকে ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। এ বছর করোনার কারণে তা সীমিত আকারে করা হচ্ছে। এজন্য মিছিল আয়োজনে কষ্ট হচ্ছে।


আরও খবর



ডেঙ্গুতে আরও ২৩৪ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৩৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৮২ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫২ জন।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৩৪ জন ভর্তি হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৪৭ জন।

এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছে এক হাজার ৪৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছে ২০০ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৫ হাজার ৬৫ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ১৩ হাজার ৭৬১ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ১৬৩ রোগী

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১