Logo
শিরোনাম

শেখ হাসিনা না এলে ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইতিহাসের গতি-প্রকৃতির বিবর্তনের ধারা বিশ্লেষণ দেখা যায়, কাঙ্ক্ষিত একটি লক্ষ্য নিয়েই সময় ও কাল এগিয়ে চলে। পরিস্থিতি ও পারিপার্শ্বিকতাকে এগিয়ে নিয়ে যায় সময়ের সাহসী নেতৃত্ব। অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে স্বীকার করতে হয় বিপুল ত্যাগের। কিন্তু যার বা যাদের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়ে গতিময় হয়ে ওঠে পরিবর্তনের ধারা, তারা অনেকেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য দেখার সুযোগ পান না। তাদের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়ে অভীষ্ট সাফল্য অর্জিত না হলে সেটাই হয় ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ। বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয় ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ তার থেকে ব্যতিক্রম নয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট এ দেশের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা পাকিস্তানপন্থী দালাল চক্র, আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী ও প্রতিক্রিয়াশীল মহল সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রতিটি নাগরিকের মনে শঙ্কা জন্মেছিল যে, তাদের লালিত স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে কার্যত বাংলাদেশকে পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করা হয়, কেবলমাত্র নামটি রাখা হয় বাংলাদেশ। হতবিহ্বল আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কিছুটা দিশেহারা হয়ে পড়েন। এমন একটি সময়ে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে প্রবাসী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ঐক্যের প্রতিক হিসেবে সভাপতি নির্বাচন করা হয়। কোনো কোনো বিশ্লেষক শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, তার পিতার সপরিবারে নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পরে তিনি হয়তো নিজেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফিরে না-ও আসতে পারেন। কিন্তু সেই আশঙ্কা মিথ্যা প্রমাণ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরে আসেন। প্রচণ্ড বৈরী আবহাওয়া, ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিমানবন্দর থেকে শেরেবাংলা নগর পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সাদর সম্ভাষণ জানাতে দাঁড়িয়েছিল। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তাকে দেশে আসার অনুমতি দিতে চাননি, পরিস্থিতি বিপাকে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। রাস্তায় লোকজনের ভিড় না করার জন্য ফর্মান জারি করা হয়েছিল। সব ফর্মান উপেক্ষা করে শেখ হাসিনাকে বাঙালি জাতি সেদিন তাদের প্রিয় নেত্রীকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়ে গ্রহণ করেছিল। তার ফিরে আসাটা ছিল প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ। নিজ বাড়িতে তাকে ঢুকতে দেয়া হয়নি, রাস্তায় দাঁড়িয়ে চরম অসহায় অবস্থায় পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য দোয়া করতে হয়েছে তাকে। হাত তুলে আল্লাহর কাছে বিচার প্রার্থনা করেছিলেন। দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছিলেন, আমি সব হারিয়ে আপনাদের মাঝে এসেছি, আপনাদের মাঝেই খুঁজে পেতে চাই আমার হারানো স্বজনদের। এরপর শুরু হয় তার কণ্টকাকীর্ণ দুর্গম পথের অভিযাত্রা। দলের অভ্যন্তরেও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। দলের বাইরে প্রায় সব রাজনৈতিক সংগঠন ছিল বৈরী অবস্থানে। সেনাশাসক, বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধী মহল, প্রতিক্রিয়াশীল চক্র, বিদেশি শক্তিসহ অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পায়ে হেঁটে, রিকশা, ভ্যান, নৌকায় চড়ে পিতার মতো বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে নিরলসভাবে লড়াই করতে থাকেন।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের খুনি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকেরা বুঝতে পারেন যে, শেখ মুজিব বিনাশ হয়নি। তার প্রতিচ্ছবি হয়ে সশরীরে আবির্ভূত হয়েছে তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি। তাই তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। অন্তত ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবার ও সরকার সম্মিলিতভাবে শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা চালায়। আল্লাহর অসীম রহমতে প্রতিটি আক্রমণ থেকে তিনি রক্ষা পান। ২১ বছর রাষ্ট্রক্ষমতার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগকে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এনে সরকার গঠন করেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা সম্ভব হয়েছিল কেবলমাত্র শেখ হাসিনার মতো যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই। ক্ষমতায় এসেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্য জেনারেল জিয়ার করা ইনডেমনিটি আইন বাতিল করেন। এই বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে খুনিরা হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে মামলা করে। সেখানেও আইনি লড়াই করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের প্রতিবন্ধকতা দূর করেন শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ২১ বছর প্রশাসনে, রাজনীতিতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন বাহিনীতে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র। দীর্ঘদিনের জমে থাকা জঞ্জাল রাতারাতি দূর করার অসম্ভবকে তিনি সম্ভব করে তোলেন। পদে পদে প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হয় তাকে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে সুকৌশলে আওয়ামী লীগকে পরাজিত দেখানো হয়। ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে এগোতে থাকেন সামনের দিকে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের চূড়ান্ত বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচারের পথ প্রশস্ত করে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিচার সম্পন্ন করে গোটা জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেন। ক্ষমতায় আসার স্বল্প সময়ের মধ্যে বিডিআর বিদ্রোহের ভয়াবহ ঘটনা সংঘটিত হয়। নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সেনাবাহিনীকে উসকানি দেবার চেষ্টা করা হয়। অসীম ধৈর্য ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলা করে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার বিচার সম্পন্ন করেন। হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নেন। বড় বড় রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতির মামলাসহ সব অপরাধীকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসেন। অবসান হয় দায়মুক্তির সংস্কৃতির। দুর্নীতির দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার পুত্র তারেক রহমানের কারাদণ্ড হয়। ২১ আগস্টের বর্বর গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তারেক রহমানসহ বিএনপি সরকারের একাধিক মন্ত্রী, গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর প্রধানরাসহ অন্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা পরিবর্তনের সাংবিধানিক বিধানকে সমুন্নত করেন। অবৈধ শক্তি এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে মাথাচড়া দিয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য গোটা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রস্তুত করেন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে সংবিধানের পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী অবৈধ ঘোষিত হয়। সর্বোচ্চ আদালত জেনারেল জিয়া ও জেনারেল এরশাদকে তস্কর, অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করে ওই রায়ে। শুধু তা-ই নয়, তারা অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিলেন, তাই তাদের কৃতকর্মকেও আদালত অবৈধ ঘোষণা করেন। এভাবে সামরিক বাহিনীর উচ্চাভিলাষী কর্মকর্তাদের ক্ষমতা দখলকে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অবৈধ ঘোষণা করার দ্বারা ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হয়। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা ধাম্ভিকতার সঙ্গে বলতেন, তাদের কেউ কিছু করার ক্ষমতা রাখে না। সেই ধাম্ভিকতাকে চূর্ণ করে দিয়ে ইতিহাসে অনন্য নজির স্থাপন করেন শেখ হাসিনা। সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ বন্ধ করতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে সংবিধানে সংযুক্ত করেন এবং বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসে চাকরি দেন। অভিযোগ রয়েছে যে, ক্ষমতাকে নির্বিঘ্ন করতে খালেদা জিয়া জেনারেল জিয়া হত্যার বিচার করা থেকে বিরত থাকেন। শেখ হাসিনা রাজনীতিতে হঠাৎ করে আবির্ভূত হননি। পারিবারিকভাবেই রাজনীতিতে শিশুকাল থেকেই তার হাতেখড়ি। পিতার রাজনীতির ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য ছিল তার, বাসায়, সভা-সমাবেশে, রাজপথে এবং কারাগারের গেটে। ছাত্রজীবনে ইডেন কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। বিশ্বাসে, বাস্তবতায় ও ধমনিতে ধারণ করেছেন যোগ্য পিতার শুধু রক্তের উত্তরসূরি নন, আদর্শেরও উত্তরসূরি। তাইতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পিতার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে অগ্রযাত্রার অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে বিধ্বস্ত ও দরিদ্রপীড়িত বাঙালি জাতিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতিতে পরিণত করতে অনন্য উচ্চতার নেতৃত্বে অধিষ্ঠিত করেছেন নিজেকে।

নারীর ক্ষমতায়ন, অসহায়দের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, আমার বাড়ি আমার খামার, পরিবেশ সুরক্ষা, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ বিকাশ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের মতো অসংখ্য কর্মসূচি গ্রহণ ও সাফল্যের মধ্য দিয়ে দেশকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছেন। ৬৭ বছরের ঝুলে থাকা ছিটমহল সমস্যা সমাধান করেছেন শান্তিপূর্ণ উপায়ে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ এলাকায় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছেন সেরা কূটনীতির মধ্য দিয়ে। স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রোরেল, সোনাদিয়া গভীর সমুন্দ্রবন্দর নির্মাণ, পায়রা সমুন্দ্রবন্দর নির্মাণ। ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিটি জেলায় একটি করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, পর্যায়ক্রমে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা তার অনন্য অসাধারণ সাফল্যের পরিচয় বহন করে। অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি, মাথাপিছু গড় আয় বৃদ্ধি, গড় আয়ু বৃদ্ধি, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা, গড় প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি করা, জিডিপির আনুপাতিক হার প্রতিবেশী অনেক দেশের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি করাসহ সাফল্যের সংখ্যা ও পরিমাণ বিপুল পর্যায়ে পৌঁছেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আকাশে উৎক্ষেপণ, যা ছিল অকল্পনীয়, তা বাস্তবতায় পরিণত করেছেন। বিশ্বপরিমণ্ডলে তিনি মানবতার জননী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করায় তাকে উন্নয়নের জাদুকর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। সততা ও পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বের তিনজন সেরা রাষ্ট্রনায়কের মধ্যে অন্যতম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। বিভিন্ন কর্মে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দা আর্থ, স্টেটম্যান, ইস্টার অব ইস্ট, মাদার অব হিউম্যানিটি, ভ্যাকসিন হিরোসহ ৪০টির বেশি পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ দেশ ও সংগঠন থেকে। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক তহবিলে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান ও ৫টি বাস্তবতাসম্মত প্রস্তাব তাকে বিশ্বে নতুন উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার সব সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করে জাতির জনকের অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। যারা তার পিতার খুনিদের প্রশ্রয় দিয়েছিল, এমনকি তাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল, তেমন একজন প্রতিপক্ষকে উচ্চ আদালত কর্তৃক কারাদণ্ড দেয়ার পরও নিজ বাসায় মুক্ত জীবনে থাকার সুযোগ করে দিয়ে যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন, তা ইতিহাসে বিরল। তিনি দলীয় নেতা, সরকারের প্রধানমন্ত্রী এসব পরিচয়ের ঊর্ধ্বে এখন আন্তর্জাতিক পরিসরে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দূরদৃষ্টি, সততা, নিষ্ঠা, পরিশ্রম মহানুভবতায় অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়া শেখ হাসিনা আজ ২৮ সেপ্টেম্বর ৭৪ বছরে পা রাখবেন। স্বজন হারানোর বেদনা এবং বয়সের ভার কোনোভাবেই তাকে দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদনে কখনো ক্লান্ত করতে পারে না। দলের নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি অনন্য অসাধারণ নেত্রী, সরকারে তিনি ইতিহাসের সবচেয়ে সফল প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার একমাত্র আশ্রয়স্থল। বিশ্বপরিমণ্ডলে তিনি সফল রাষ্ট্রনায়ক এবং দেশবাসীর কাছে তিনি মমতাময়ী মায়ের আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত। শেখ হাসিনা ফিরে না এলে ইতিহাসের আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হতো না, ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় ইতিহাসের স্বপ্ন ভঙ্গ হতো। শেখ হাসিনাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, শেখ হাসিনাই বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি, শেখ হাসিনাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আশা-আকাঙ্ক্ষার একমাত্র ভরসাস্থল। বয়সের হিসাবে ৭৪-এ পৌঁছালেও কর্মস্পৃহা, দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেমের মন্ত্রে দীক্ষিত শেখ হাসিনা পৃথিবীর অন্যতম সেরা পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রমাণ করেছেন যে, বয়স তাকে স্পর্শ করতে পারে না। অদম্য সাহসী ও শক্তির আধার শেখ হাসিনারই বাঙালি জাতির সব অন্ধকারের আলোকবর্তিকাবাহী দুঃসাহসী অভিযাত্রী। দীর্ঘজীবী হোন শেখ হাসিনা।

লেখক : শ ম রেজাউল করিম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী


নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর

করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১




ভোরে সিলেটে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সিলেটে আবারও মৃদু ভূমিকম্পন অনুভূত হয়েছে। রোববার (৩০ মে) রাত ৪. ৩৫ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কতমাত্রা ছিলো এখনো জানা যায়নি

এর আগে, গতকাল শনিবার (২৯ মে) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিট, ১০টা ৫১ মিনিট এবং বেলা সাড়ে ১১টায় তিনবার ভূকম্পন অনুভূত হয়। ঢাকার আবহাওয়া অফিস বলছে, প্রথম ভূমিকম্পের পর বাকিগুলো আফটার শক হয়েছে।

সিলেট আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চারবার ভূকম্পন হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল সিলেট। এখানে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। সর্বশেষ বেলা ২টায় ভূকম্পন অনুভূত হয়।

সিলেট আবহাওয়া অধিদফতরের প্রধান আবহাওয়াবিদ সাঈদ চৌধুরী বলেন, সিলেটে ৩ বার ভূমিকম্প হয়েছে। অনেকেই চারবার দাবি করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, তিনবার ভূমিকম্প হয়েছে। ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল সিলেট। এখানে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১।


নিউজ ট্যাগ: সিলেটে ভূকম্পন

আরও খবর



সব রেকর্ড ভেঙে ভারতে একদিনে করোনায় ৬১৩৮ মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতে করোনাভাইরাসে একদিনে মৃত্যুর সংখ্যা আগের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেছে। দেশটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ১৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্বের অন্য কোনও দেশে এর আগে একদিনে এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয়নি। এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ভারতেই হয়েছিল।

গত মে মাসের মাঝামাঝিতে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তখন দেশটিতে একদিনে ৪ হাজার ৫২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর গত কয়েক মাস তাণ্ডব চালায় এই ভাইরাস। এক পর্যায়ে দৈনিক সংক্রমণ ৪ লাখ পার হয়ে যায়।

এদিকে বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের তালিকায় দেশটির অবস্থান চতুর্থ। দেশটিতে মোট আক্রান্ত হয়েছে ২ কোটি ৯১ লাখ ৮২ হাজার ৭২ জন। আর মারা গেছে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৫ জন।

অন্যদিকে করোনায় এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এ পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছে ৩ কোটি ৪২ লাখ ৬৪ হাজার ৭২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৪ জন। এছাড়া ব্রাজিল, মেক্সিকো, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে করোনা ছোবল অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, এই মহামারিতে বিশ্বে এ পর্যন্ত ১৭ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৭৫০ জন আক্রান্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ৩৭ লাখ ৭৬ হাজার ২৬১ জন। সুস্থ হয়েছে ১৫ কোটি ৮৬ লাখ ৬৮ হাজার ৯৩৮ জন।



আরও খবর



আরও ৩ জেলায় লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৮ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে বিধিনিষেধ না মেনে শপিং ও গ্রামের বাড়ি যাওয়ার ঘটনায় সংক্রমণ বাড়ার যে শঙ্কা করছিল সরকার তা এখন সত্যি হতে যাচ্ছে। প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমণ। বিশেষ করে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় এই সংক্রমণের হার বেশি।

শুক্রবার (২৮ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, সংক্রমণ ঠেকাতে সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে লকডাউন দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতির অবনতি হলে সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও খুলনা- এই তিন জেলায় লকডাউন দেওয়া হতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার খুরশীদ আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ইতোমধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় লকডাউন ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও তিনটি জেলা পর্যবেক্ষণে রয়েছে। সংক্রমণ বাড়লেই সেগুলোতে লকডাউন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিজি আরও বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় লকডাউন ঘোষণা করার সময় সেখানে সংক্রমণের হার ছিল ৪০ শতাংশের ওপরে। আর অন্য জেলাগুলোতে এখনো সংক্রমণ অনেক নিচে। এখন যদি সংক্রমণের হার বাড়তে থাকে তাহলে এলাকাভিত্তিক লকডাউন দেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার (২৪মে) করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সাত দিনের বিশেষ  লকডাউন ঘোষণা করে স্থানীয় প্রশাসন। এই সময় জেলায় দোকানপাট বন্ধ থাকার পাশাপাশি আন্তজেলা সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি লকডাউন কার্যকর করতে ১১ দফা নির্দেশনাও দেয় জেলা প্রশাসন।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



রাজশাহীতে হঠাৎ ধসে পড়লো চারতলা ভবন

প্রকাশিত:রবিবার ২০ জুন ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেক তলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙে পড়েছে।

রাজশাহী মহানগরীতে ভেঙে পড়েছে একটি নির্মাণাধীন চারতলা ভবন। রবিবার বেলা ৩টার দিকে মহানগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভবনটিতে কেউ না থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে চাপা পড়েছে কয়েকটি প্রাইভেটকার।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ জানান, ভবনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০ ফুট। প্রস্থে ছিল ৪০ ফুট। চারতলা পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছিল। ওপরে আরেক তলার জন্য বিম ওঠানো হয়েছিল। অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করা হচ্ছিল। এ কারণে ভবনটি ভেঙে পড়েছে।

জানা গেছে, ভবনটির মালিক আক্তারুজ্জামান বাবলু নামের এক ব্যবসায়ী। প্রায় এক বছর আগে তিনি মারা গেছেন। এখন ভবনের মালিকানায় আছেন তার ছোটভাই নুরুজ্জামান পিটার। তবে আক্তারুজ্জামান বাবলুর মৃত্যুর পর থেকে ভবনটিতে আর কাজ হয়নি।

ভবন মালিকের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জল হোসেন মডি দাবি করেন, ভালোমানের নির্মাণ সামগ্রীই ব্যবহার করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ভবন আগেই নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু কেউ থাকত না। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) কাছ থেকে এই ভবনটির নকশার অনুমোদন নেয়া হয়েছিল কিনা তা তিনি জানেন না।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুর রউফ বলেন, ভবনের নকশা অনুমোদন ছিল কিনা, কোন ধরনের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার হয়েছিল- এসব তারা তদন্ত করে দেখবেন।

নিউজ ট্যাগ: রাজশাহী ভবন ধস

আরও খবর



সোনালি চুল পেতে লেগে গেল দুই বছর

প্রকাশিত:রবিবার ১৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টাইটানিক ছবিতে রোজের (কেট উইন্সলেট) চুলের রং ছিল লাল। বাস্তবে এই হলিউড অভিনেত্রীর চুলের রং সোনালি। কেট উইন্সলেট সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, চুলের আসল রং ফিরে পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় দুই বছর।

রোজের চুলের রং কী হবে, চিত্রনাট্যে স্পষ্ট করে বলা ছিল না। তাঁর চুলের রং নিয়ে পরিচালক জেমস ক্যামেরনের সঙ্গে আমার আলাপের কথা স্পষ্ট মনে আছে। তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, তুমি কী মনে কর, যদি আমরা তাঁর চুলের রং লাল করি? এই লাল হবে তীব্র ও অস্বাভাবিক।। ফ্রেঞ্চ সাময়িকী এলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি সেই সময়ের অভিজ্ঞতা ভাগ করেছেন কেট উইন্সলেট।

লাল চুলের সেই রোজ পরে সারা বিশ্বের দর্শকহৃদয়েও রোমান্সের রং ছড়িয়েছিল। কে জানত, সিনেমায় অভিনয়ের পরে সেই স্বর্ণকেশ ফিরে পেতে তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় দুই বছর! বুঝিনি, শুটিংয়ের পরে আসল চুল ফিরে পেতে এতটা কষ্ট হবে।

সিনেমাতে রোজের চুল ছিল ঢেউখেলানো। যদিও কেট উইন্সলেটের আসল চুল স্বাভাবিক। চুলের এই ভাঁজ তৈরিতে বেশ কসরত করতে হয়, আমার চুল আসলে ঢেউখেলানো নয়। প্রতিদিনই চুলে ভাঁজ আনতে হতো। কিন্তু চুলের ভাঁজ ঠিক রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ত। কারণ, সেটজুড়েই পানি আর পানি। অনেকগুলো পানির ট্যাংকে শুটিং করি। প্রায়ই চুলে পানি লেগে যেত। প্রত্যেকের চুল ঠিক রাখতেই সমস্যা পড়ে যেতাম।

ঐতিহাসিক সেই ছবি দিয়ে খ্যাতির চূড়ায় উঠেছিলেন রোজ ওরফে কেট উইন্সলেট। তারকাদের খ্যাতি আবার অনেক সময় বিড়ম্বনারও কারণ।

টাইটানিক ছবির পরে তাঁর প্রতি গণমাধ্যমের মনোযোগকে রীতিমতো বুলিং মনে হয়েছে। টাইটানিক যখন মুক্তি পায়, কেটের বয়স তখন ২১। তাঁকে নিয়ে গণমাধ্যমের চুলচেরা বিশ্লেষণ তাঁকে মানসিকভাবে কতটা পীড়া দিয়েছিল, সে কথা স্মরণ করে এখনো শিউরে ওঠেন। ছবিটি মুক্তির পরে নিজেকে গুটিয়ে ফেলা শুরু করেন।

কেট উইন্সলেট জানান, রাতদিন যেন এক হয়ে গিয়েছিল। ব্যক্তিগত জীবন ও দৈহিক গড়ন আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম কেট উইন্সলেটের নির্দয়ভাবে সমালোচনা করে।

কেট আরও যোগ করেন, খুব ভয়ানক ছিল সময়টা। মনে মনে চাইতাম, এটা দ্রুত কেটে যাক। কেটেও গেছে। পরে বুঝতে পেরেছি, একেই যদি খ্যাতি বলা হয়, তাহলে আমি আসলে খ্যাতির জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলাম না।



আরও খবর