Logo
শিরোনাম

শেখ রাসেল: অমিত সম্ভাবনার অকাল মৃত্যু

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শেখ রাসেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ উত্তরাধিকার। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ভুবন আলোকিত করা উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়ণের মনি, আদরের ছোট ভাই। অমিত সম্ভাবনা জাগিয়ে যে নক্ষত্র অকালেই হারিয়ে গেছে কালের গর্ভে। কিন্তু আসলেই কি শেখ রাসেল হারিয়ে গেছে? না, শেখ রাসেল হারিয়ে যায়নি। জাগতিক অস্তিত্বের ঊর্ধ্বে উঠে গেলেও শেখ রাসেল প্রতিটি বাঙালির অস্তিত্বে অমর, অবিনাশী হয়ে বেঁচে থাকা এক সত্তার নাম। তাঁর নির্মল, নিষ্পাপ অথচ তেজোদীপ্ত চোখ আজও ভাস্বর।

পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উৎকন্ঠার সময়ে যখন বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগরুক, ঠেক সে সময়েই ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর হেমন্তের এক প্রহরে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের ৬৭৭ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধু পরিবার আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে শিশু রাসেল। নোবেল জয়ী ব্রিটিশ দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলকে পছন্দ করতেন বলে নামে বঙ্গবন্ধু কনিষ্ট তনয়ের নাম রাখের রাসেল। শিশু রাসেলের জন্ম নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিচারণ করেছেন এভাবে, রাসেলের জন্মের আগের মুহূর্তগুলো ছিল ভীষণ উৎকণ্ঠার। আমি, কামাল, জামাল, রেহানা ও খোকা চাচা বাসায়। বড় ফুফু ও মেজ ফুফু মার সাথে। একজন ডাক্তার ও নার্সও এসেছেন। সময় যেন আর কাটে না। জামাল আর রেহানা কিছুক্ষণ ঘুমায় আবার জেগে ওঠে। আমরা ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে জেগে আছি নতুন অতিথির আগমন বার্তা শোনার অপেক্ষায়। মেজ ফুফু ঘর থেকে বের হয়ে এসে খবর দিলেন আমাদের ভাই হয়েছে। খুশিতে আমরা আত্মহারা। কতক্ষণে দেখবো। ফুফু বললেন, তিনি ডাকবেন। কিছুক্ষণ পর ডাক এলো। বড় ফুফু আমার কোলে তুলে দিলেন রাসেলকে। মাথাভরা ঘন কালোচুল। তুলতুলে নরম গাল। বেশ বড়সড় হয়েছিল রাসেল”।

ছোট বয়সেই শেখ রাসেলের মানবতাবোধ, ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষ, নেতৃত্বের সৌকর্য, পরোপকারী মনোভাব আর দশজন শিশু থেকে তাঁকে স্বাতন্ত্র্য অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। জাতির পিতার প্রতিচ্ছবি ছিলেন শিশু রাসেল। টুঙ্গিপাড়ায় বেড়াতে গেলে শিশু রাসল তাঁর সমবয়সীদের জড়ো করে তাতের জন্য খেলনা বন্দুক বানাতেন আর সেগুলো দিয়ে তাদের প্যারেড করাতেন। বন্ধুদের জন্য তিনি জামাকাপড় কিনে দিতেন। বাবা ও বোন শেখ রেহানার সঙ্গে যখন বিদেশ ভ্রমণে গিয়েছিল ছোট্ট রাসেল, তখন প্রিন্সকোট পরা এই শিশুর ব্যক্তিত্বে বিমোহিত হয়েছেন বিশ্ব নেতারা। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরে জাপান সফরে যান বঙ্গবন্ধু। শেখ রাসেলের বয়স তখন মাত্র ৯। কিন্তু তার প্রাণবন্ত কিন্তু পরিমিত হাসি, আত্মবিশ্বাসী চাহনি, করমর্দনের ধরণ সবকিছুর মধ্যেই ফুটে উঠেছিল একজন ভবিষ্যত নেতার ছাপ। আবার ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের বেঞ্চে যখন সে বসতো, তখন হয়ে যেতো সহপাঠীদের খুব নিকটজন। বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া টিফিনটাও ভাগ করে খেতেন বন্ধুদের সাথে। রান্নাঘরে কাজের মানুষরা যখন খেতে বসতো, তখন লাল ফুলতোলা প্লেট নিয়ে তাদের সঙ্গে খেতে বসে যেতেন। বাঙালি জুলফিকার আলী ভুট্টো, বাঙালি জাতিকে শোষণ করার প্রতিকে পরিণত হয়েছিল। তার প্রভাব পড়েছিল শিশু শেখ রাসেলের মনে। ওই বয়সে তিনি হয়তো অতো রাজনীতি বুঝতো না। কিন্তু বিভিন্ন শ্লোগান ও আলোচনার কথা শুনে এটা বুঝতে শিখেছিল যে ভুট্টো নামটা একটা নেতিবাচক শব্দ, এটা একটা শোষকের নাম। একবার বড় আকারের এক কালো পিঁপড়া (ওলা) কামড়ে দেওয়ায় ফুলে গেল শিশু রাসেলের আঙুল। ওই আক্রমণকারী বড় কালো পিঁপড়ার নাম দিল সে ভুট্টো। যুদ্ধমুখর দেশে, রাজনৈতিক আবহে বেড়ে ওঠা শৈশবে, অবচেতনভাবেই এক তীব্র সচেতনতা বোধের সৃষ্টি হচ্ছিল ছোট্ট রাসেলের মনে।

শেখ রাসেলের জন্মের পর বঙ্গবন্ধু অনেকটা সময় কারা অন্তরীণ ছিলেন। যার কারণে বাবার সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ঐ সময়টায়। বাবার অনুপস্থিতিতে তাঁর অনেকটা সময় কাটতো তার প্রিয় হাসুপার (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) সাথে। আর বাবাকে কাছে না পেয়ে মা ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে আব্বা’ বলে সম্বোধন করতেন রাসেল। আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ বইয়ের একুশ পৃষ্ঠায় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার বিষয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা লিখেছেন, আব্বার সঙ্গে প্রতি ১৫ দিন পর আমরা দেখা করতে যেতাম। রাসেলকে নিয়ে গেলে ও আর আসতে চাইত না। খুবই কান্নাকাটি করত। ওকে বোঝানো হয়েছিল যে, আব্বার বাসা জেলখানা আর আমরা আব্বার বাসায় বেড়াতে এসেছি। আমরা বাসায় ফেরত যাব। বেশ কষ্ট করেই ওকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হতো। আর আব্বার মনের অবস্থা কী হতো, তা আমরা বুঝতে পারতাম। বাসায় আব্বার জন্য কান্নাকাটি করলে মা ওকে বোঝাতেন এবং মাকে আব্বা বলে ডাকতে শেখাতেন। মাকেই আব্বা বলে ডাকতো”। বাবাকে কাছে না পাওয়ার কষ্ট যেমন অনুভব করতেন শিশু রাসেল, ঠিক তেমনি বাবা মুজিবও। কারাগারের রোজনামচা’য় শেখ রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, ৮ ফেব্রুয়ারি ২ বছরের ছেলেটা এসে বলে, আব্বা বাড়ি চলো। কী উত্তর ওকে আমি দেবো। ওকে ভোলাতে চেষ্টা করলাম, ওতো বোঝে না আমি কারাবন্দি। ওকে বললাম, তোমার মার বাড়ি তুমি যাও। আমি আমার বাড়ি থাকি। আবার আমাকে দেখতে এসো। ও কী বুঝতে চায়! কী করে নিয়ে যাবে এই ছোট্ট ছেলেটা, ওর দুর্বল হাত দিয়ে মুক্ত করে এই পাষাণ প্রাচীর থেকে! দুঃখ আমার লেগেছে। শত হলেও আমি তো মানুষ আর ওর জন্মদাতা। অন্য ছেলে-মেয়েরা বুঝতে শিখেছে। কিন্তু রাসেল এখনও বুঝতে শিখেনি। তাই মাঝে মাঝে আমাকে নিয়ে যেতে চায় বাড়িতে”।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আর দশটা দিনের মতো ছিলনা। বাঙালি জাতির ভাগ্যাকাশে অমানিশার অন্ধকার নেমে আসা সেই দিন পিতা-মাতা ও তাঁর ভাই-ভাবীদের সাথে ঘাতকের নির্মম বুলেট বিদীর্ণ করেছিল শিশু রাসেলের বুক। মায়ের কাছে যাওয়ার অনন্ত আকুতিকে পদদলিত করে কিছু নরপিশাচ চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়েছেল শেখ রাসেলের কন্ঠস্বর।

বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম আর  বাংলাদেশের জন্মের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়ের সাক্ষী হয়ে বেড়ে উঠেন শেখ রাসেল। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ছয় দফা প্রণয়ন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং মহান স্বাধীনতা অর্জনের পর দেশ পুনর্গঠন এসবগুলো ঘটনার মধ্যে যার জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তিনি শেখ রাসেল। বাঙালি জাতির আত্মপ্রকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে ডানা মেলেছে তার শৈশব। বাল্যকালেই যে সচেতনতা, মানবতাবোধ ও অসাধারণ ব্যক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছিল তার জীবনাচরনে, সেটা প্রস্ফুটিত হলে বঙ্গবন্ধুর মতোই আজ বিশ্বব্যাপী মানবতাবাদী নেতৃত্ব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতেন তিনি। তিনি হতে পারতেন আধুনিক বাংলাদেশের একজন উজ্জ্বল পথিকৃৎ। হতেন বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও রাজনৈতিক আদর্শের যথার্থ উত্তরসূরি। কিন্তু অমিত সম্ভাবনার অকাল মৃত্যু ঘটেছিল ৭৫ এর ১৫ আগস্ট শেখ রাসেলকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে। এটি বাঙালি জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। শেখ রাসেলের নাতিদীর্ঘ জীবন নিয়ে গবেষণার প্রয়োজন। তাঁর জীবনাচরণ, চিন্তা-চেতনা, আদর্শ শিশু-কিশোরদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া প্রয়োজন। তাই শেখ রাসেলের জীবনীপাঠ সময়ের দাবী।

লেখকঃ শ ম রেজাউল করিম এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।


আরও খবর

আমরা এখন একা

বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১

এই দুঃখ কোথায় রাখি?

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং এর কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে আবহাওয়া অফিস এ তথ্য জানিয়েছে।

সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং এর আশেপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর থেকে আগত অন্য একটি লঘুচাপের বাড়তি অংশ উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তেঁতুলিয়ায় আজ (৯ নভেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।


আরও খবর

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে হাড় কাঁপাবে শীত

বৃহস্পতিবার ১৮ নভেম্বর ২০২১




ঘোষণা হবে পঞ্চম ধাপে ইউপি নির্বাচনের তফসিল

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের পঞ্চম ধাপের ভোটের আজ তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সারাদেশের প্রায় এক হাজার ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় ইসির মুলতবি কমিশন সভা শেষে তফসিল ঘোষণা করা হবে। গতকাল শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ইসি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইসির যুগ্মসচিব এস এম আসাদুজ্জামান আরজু বলেন, গত ২২ নভেম্বর (সোমবার) ইসির ৯০তম কমিশন সভা শুরুর দুই ঘণ্টা পর মুলতবি করা হয়েছে। সেই মুলতবি সভাটি শনিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভা শেষে পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসি সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন চার ধাপে তিন হাজার ৪৯টি ইউপি নির্বাচনের দফসিল ঘোষণা করেছে। শনিবার আরও প্রায় এক হাজার ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

এর আগে, গত গত ১৫ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। ফলে শিগগিরই পঞ্চম ধাপের ইউপি ভোটের তফসিল ঘোষণা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২১ জুন ও ২০ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপের দুই দফায় ৩৬৯টি এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৩৩টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২৮ নভেম্বর রোববার তৃতীয় ধাপে এক হাজার এবং চতুর্থ ধাপে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ৮৪০টি ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পঞ্চম ধাপে প্রায় এক হাজার ইউপির নির্বাচনের তফসিল আগামীকাল ঘোষণা করা হবে। সেইক্ষেত্রে ডিসেম্বর মাসে শেষ সপ্তাহ অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর



মুশফিককে সতর্কবার্তা, গণমাধ্যমেও কথা বলায় নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুশফিকুর রহিম পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশ দলে নেই। নির্বাচকরা বলেছেন, তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু মুশফিক গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেন, তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে বোর্ড ও নির্বাচকদের সমালোচনা করায় তাকে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এই দিনই হোম অব ক্রিকেট মিরপুরে এসে বসেছিলেন বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির প্রধান আকরাম খানের অফিসে। সেখানে অবশ্য নিজের মন্তব্যের পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়ে পার পেয়েছেন মুশফিককে। এবারের মতো মুশফিককে সতর্ক করেছে বিসিবি। সংবাদ মাধ্যমে আপাতত কথা বলায় নিষেধাজ্ঞাও দেয়া হয়েছে সাবেক অধিনায়ককে। 

ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান আকরাম খানের কক্ষে জবাবদীহি করতে হয় মুশফিককে। শুনানিতে উপস্থিতি ছিলেন প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও বিসিবি প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন সুজন। সেখানে শুনানিতে মুশফিকের স্বপক্ষ শোনার পর তাকে বোর্ডের বিরুদ্ধে কথা বলায় সতর্ক থাকতে বলা হয়। এছাড়া সংবাদ মাধ্যমেও কথা না বলার জন্য বলা হয়েছে।

পরিষ্কার ভাবে বিশ্রামের কথা জানানো হলেও মুশফিক কেন বাদ পড়ার বিষয়টি সামনে আনেন সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয় তার কাছে।

এর আগে ১৬ সদস্যের দল ঘোষণার দিন গত মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন মুশফিকের না থাকার ব্যাপারে বলেছিলেন, 'আমাদের পরপর চারটি টেস্ট আছে। পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু। তার পরপরই নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ আছে। মুশফিক আমাদের অন্যতম সেরা ও গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার। আমরা চাচ্ছি মুশফিক যেন সেরাটা দিতে পারে। এ জন্য টি-টোয়েন্টি সিরিজে ওকে বিশ্রাম দিয়েছি। '


আরও খবর



আজ মওলানা ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার (১৭ নভেম্বর)। ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাকে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়।

এ উপলক্ষে ঢাকা ও টাঙ্গাইলের সন্তোষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইলের সন্তোষে তার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা এবং দোয়া মাহফিল।

স্থানীয় প্রশাসন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এ উপলক্ষে পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। তিনি কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।


আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলার রায় পেছাল

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী (২২) হত্যা মামলার রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেছেন আদালত।

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আজ রোববার আবরার হত্যা মামলার রায় ঘোষণার নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে কারাগারে থাকা ২২ আসামিকে আজ বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানা থেকে এজলাসে নেওয়া হয়।

এর আগে আজ সকাল সোয়া ১০টায় কড়া পুলিশি পাহারায় কারাগার থেকে আসামিদের আদালতের হাজতখানায় হাজির করা হয়।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের একটি কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ৭ অক্টোবর ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এরপর ২০২০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর জন্য ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটরের (পিপি) কার্যালয়ে আবেদন করেন মো. বরকত উল্লাহ। পরে ১২ মার্চ আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক আবরার হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর ফাইল অনুমোদন করেন।


আরও খবর