
বুধবার তাঁকে
অনুশীলনে না দেখতে পেয়েই জল্পনা শুরু হয়েছিল। তা বৃহস্পতিবার নিশ্চিত হয়ে গেল পর্তুগালের
কোচ ফের্নান্দো সান্তোসের কথায়। পর্তুগিজ কোচ জানিয়ে দিলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে
শেষ ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকে না খেলানোর সম্ভাবনাই বেশি। নকআউট রাউন্ডের আগে
তাঁকে নিয়ে আর ঝুঁকি নেওয়া হবে না।
আগের ম্যাচে উরুগুয়েকে
হারিয়ে প্রি-কোয়ার্টারে উঠে গিয়েছে পর্তুগাল। দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ গ্রুপ
শীর্ষে থাকার লড়াই। হারলেও মোটামুটি গ্রুপ শীর্ষে থাকা নিশ্চিত রোনাল্ডোদের। তাই রোনাল্ডোকে
বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সান্তোস বলেছেন, দেখা যাক। রোনাল্ডো খুব দ্রুত অনুশীলনে
ফিরবে এটা বলতে পারি। কিন্তু শুক্রবারের ম্যাচে ওর খেলার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ। যদি স্বাভাবিক
অনুশীলন করে তা হলেই খেলবে।
সান্তোসের সংযোজন,
আগের দুটো ম্যাচেই রোনাল্ডোকে তুলে নিয়েছিলাম। ক্রিশ্চিয়ানো না খেললেও অন্য পরিকল্পনা
রয়েছে আমাদের। সব সময়েই এক জন ফুটবলার খেলবে এটা হতে পারে না। পরিকল্পনা না থাকলে তো
এগোতেই পারতাম না।
বুধবার রোনাল্ডোর
পাশাপাশি মিডফিল্ডার ওটাভিয়ো, দানিলো এবং নুনো মেন্দেসও অনুশীলন করেননি। পরের দু’জন চোট সারিয়ে উঠছেন। রোনাল্ডো খেললে তাঁর
সামনে সুযোগ থাকবে ইউসেবিয়োকে ছোঁয়া বা টপকানোর। পর্তুগালের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করার
নজির রয়েছে তাঁরই (৯)। আগের ম্যাচেই রোনাল্ডো হয়তো তাঁকে ছুঁয়ে ফেলতে পারতেন। কিন্তু
সেই গোল দেওয়া হয় ব্রুনো ফের্নান্দেসকে।
তাঁকে কেন গোল
দেওয়া হয়নি সেই নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন রোনাল্ডো। শোনা গিয়েছিল, পর্তুগালের
তরফে ফিফার কাছে আবেদন করা হয়েছে গোলটি রোনাল্ডোকে দেওয়ার জন্য। এ দিন সেই প্রশ্ন উঠতেই
হাসতে হাসতে সান্তোস বলেছেন, “আমি তো ফিফার কাউকে চিনিই না। জাতীয়
দলও কাউকে এ ব্যাপারে কোনও অনুরোধ করেনি।

