
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
কখনো রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
তবে কেউ রাজনীতি করবে কি করবে না- তা তার নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আর প্রতিষ্ঠান
তো রাজনীতি নিষিদ্ধ করে দিতে পারে না। কারণ যেটি অধিকার সেটি তো নিষিদ্ধ করা যায় না।
বুধবার বাংলাদেশ
শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোতে (ব্যানবেইস) ইউনেসকো পার্টিসিপেশন প্রোগ্রামের চেক
বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি বেশ
কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
কমিটি ঘোষণা করেছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের রাজনীতি
চলবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে
ছাত্ররাজনীতির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দীপু মনি বলেন, ‘রাজনীতি করা অধিকার। আমাদের জাতি হিসেবে
যত অর্জন তার প্রতিটিতে ছাত্ররাজনীতি বিশেষ অবদান রেখেছে সব সময়। রাজনীতিসচেতন হওয়া
প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জরুরি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা আমাদের দেশের জন্য ভবিষ্যৎ।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব যে গড়ে উঠবে- তা এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠবে।’
রাজনীতির নামে
সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা চান না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দলীয় রাজনীতি কীভাবে হবে, সেখানে রাজনীতি
যারা করবেন, সেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের বোঝাপড়া, সৌহার্দ্য থাকা উচিত। তবে
আমরা চাই, দলীয় রাজনীতির নামে যেন কোনো সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা, অরাজকতা না হয়।’
আওয়ামী লীগের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি আরও বলেন, ‘রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে কেউ যেন অন্যায়ভাবে কোনো ধরনের নেতিবাচক
কিছু না করে। যদি ইতিবাচকতা থাকে আমার মনে হয় না সেখানে প্রতিষ্ঠানের দিক থেকেও কোনো
আপত্তি থাকার কথা।’

