Logo
শিরোনাম

সিনেটরের কাছে যৌন হয়রানির শিকার হুমা

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। ওই সময় তার সহযোগী ছিলেন হুমা। এই মেয়াদকালে ওই যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটে বলে তার দাবি

একজন সিনেটরের কাছে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের সাবেক একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

হয়রানির শিকার হুমা আবেদিন স্মৃতিকথা লিখতে গিয়ে এ বিয়ষটি সামনে এনেছেন বলে এক প্রতিবেদনে বুধবার জানিয়েছে বিবিসি।

হুমা জানিয়েছেন, ২০০০-এর দশকের মধ্যভাগে কফির আমন্ত্রণ পেয়ে ওই সিনেটরের বাসায় গিয়েছিলেন তিনি।  সেখানেই তাকে যৌন হয়রানি করা হয়। জোর করে চুমু খাওয়ার চেষ্টা করলে তা প্রত্যাখ্যান করে তিনি ছুটে বের আসেন বলেও জানান হুমা।

হুমা আবেদিনের নতুন বই বোথ/অ্যান্ড: এ লাইফ ইন মাই ওয়ার্ল্ডস-এ এসব কথা বিস্তারিত লিখেছেন। বইটি আগামী সপ্তাহে প্রকাশ পাওয়ার কথা।

হিলারি বিশ্বস্ত সহযোগী বলা হয় হুমাকে। একবার হিলারি তাকে দ্বিতীয় কন্যা বলে অভিহিত করেছিলেন। ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দল থেকে যেসব প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন তার মধ্যে  হুমা অন্যতম।

২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর ছিলেন হিলারি ক্লিনটন। ওই সময় তার সহযোগী ছিলেন হুমা। এই মেয়াদকালে ওই যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটে বলে তার দাবি।

নিউজ ট্যাগ: হুমা আবেদিন

আরও খবর



বীরপ্রতীক তারামন বিবির চরিত্রে তানহা তাসনিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্য বীর প্রতীক খেতাব পেয়েছিলেন নারী মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি। প্রথমবারের মতো তাকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমা।

তারামন নামের এই সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়াকে। ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদের চিত্রনাট্যে এটি পরিচালনা করবেন আমিনুর ইসলাম লিটন। এতে উপদেষ্টা পরিচালক হিসেবে থাকছেন নন্দিত নির্মাতা নাসিরউদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু।

বুধবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে সিনেমাটির নাম ঘোষণা করা হয় এবং এর শিল্পীদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে সিনেমাটি প্রসঙ্গে চিত্রনায়িকা তানহা বলেন, এই সিনেমায় কাজ করতে পারাটা আমার জন্য আনন্দের পাশাপাশি গৌরবের। আমি তারামন বিবি সম্পর্কে আগে থেকে অল্প জানি। এখন বই পড়ে আরও বড় পরিসরে জানার চেষ্টা করছি। আশা করছি সবাই আমার পাশে থাকবেন।

পরিচালক জানান, সিনেমাটিতে তারামনের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ঘটনাবলি দেখানো হবে। ওই সময়ে তার বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৪ বছর। তিনি ছাড়াও এতে একইসঙ্গে অন্যান্য নারী মুক্তিযোদ্ধাদের গল্পও ওঠে আসবে।

নির্মাতা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে নারীদের যে ভূমিকা ও অবদান তা তুলে ধরার বিকল্প নেই। সবার মাঝে তাদের নাম ও গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে হবে। আমি এ সিনেমাটির সাফল্য কামনা করছি। 

আগামী ডিসেম্বরে কুড়িগ্রামে তারামন বিবির গ্রামের বাড়িতে তারামন সিনেমার শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সিনেমাটির অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করবেন মোমেনা চৌধুরী, শাহানশাহ উল হক, রুহুল আমিন তুহিন, সোনিয়া আকতার প্রমুখ।



আরও খবর



আরও ২৩ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গোয়েন্দা সংস্থা‌র কালো তালিকাভুক্ত চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজসহ ২৩ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব ক‌রে‌ছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএফআইইউ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সোমবার (১ নভেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিন গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা তালিকা দেওয়া হয় বিএফআইইউকে। সেসব কালো তালিকায় দারাজসহ নতুন করে এই ২৩টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ। প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্টের লেনদেন, গ্রাহকদের পাওনা, অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে আগামী ১১ নভেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দেওয়া হবে। গ্রাহকদের অর্থ ফেরতসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে।

ব্যাংক হিসাব তলব করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে র‌য়েছে দারাজ ও এর স্বত্বাধিকারী আলিবাবা ডটকম এবং প্রিয়শপ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আশিকুল আলম খান। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ ডিল এবং এ কোম্পানির ফারজানা কবির ইশিতা ও ফিদা মাহমুদ আশফাক, ইনফিনিটি মার্কেটিং ও এর চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে রয়েছে ওয়ালমার্ট ও এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ফরিদ আহম্মদ, আলীফ ওয়ার্ল্ড ও এর এমডি রাশেদুল ইসলাম রেয়ন, পরিচালক মিজানুর রহমান, সাজ্জাদ ও সাইফ; অ্যামস বিডি ও এর এমডি আশেকুল ইসলাম তানজীল, চেয়ারম্যান কায়সার হাবিব, পরিচালক মো. আবদুর রউফ বারেক, আহনাফ তাহমিদ নাহিয়ান ও মো. কামরুজ্জামান; অ্যানেক্স ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী রিমন, এমডি মোহাম্মদ জুলফিকার আলী, পরিচালক মো. মোফাজ্জেল হোসেন ও মো. ফিরোজ আলম এবং ব্রাইট হ্যাশ ও এর মালিক মো. ছালেকিন।

এছাড়াও রয়েছে স্বাধীন ও এর পরিচালক শাদমান ওয়াই, শামীরা ও ডেডরিক ভ্যান ওম্মেরেন; আকাশ নীল ও এর এমডি মসিউর রহমান এবং পরিচালক ইফতেখার উজ জামান রনি; গেজেট মার্ট ডটকম ও এর মালিক হারুন অর রশিদ। শেরেস্ত ডটকম ও এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান ইমরান রাসেল, পরিচালক মো. শামীম রেজা, ইরফান হোসাইন, জুনায়েদ হোসাইন, রাহাত হোসাইন চৌধুরী ও শেখ আহমেদ; আস্থার প্রতীক ও এর মালিক রুশো তালুকদার; টিকটিকি, শপ আপ ই-লোন, বাড়ি দোকান ডটকম, ই-শপ ইন্ডিয়া, বিডি লাইক, সান টিউন, চলন্তিকা, সুপম প্রোডাক্ট এবং নিউ নাভানা।

এর আগে ইভ্যালিসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন গোয়েন্দারা। ওই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কালো তালিকায় যোগ হলো এই ২৩ প্রতিষ্ঠান। ফলে কালো তালিকাভুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩টিতে। উচ্চ ছাড়ে প্রলোভন দে‌খি‌য়ে পণ্য বিক্রি, গ্রাহকের অর্ডার নিয়েও পণ্য সরবরাহ না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

অবশ্য বিতর্কিত ই-কমার্স ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, কিউকমের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে বিএফআইইউ। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও মালিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে।


আরও খবর

বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম

শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১




পিকে হালদারসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে সাত মামলা অনুমোদন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বোর্ডের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করেন আসামিরা

ব্যাংক ও আর্থিক খাত থেকে হাজার কোটি টাকা লোপাট করে বিদেশে পলাতক পিকে হালদার (প্রশান্ত কুমার হালদার) ও তার ২৯ সহযোগীর বিরুদ্ধে আরও ৩২০ কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক সাতটি মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।  সংস্থাটির জনসংযোগ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা যায়, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রাশেদুলসহ ২৯ জনকে মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে।

মামলার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বোর্ডের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে জাল রেকর্ডপত্র তৈরি করেন আসামিরা।

তারা অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ঋণ পেতে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা করেছেন এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে প্রায় ৩২০ কোটি টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ সালের ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পৃথক সাতটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ নভেম্বর ৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দেয় দুদক।  অনুমোদিত চার্জশিটে আরও রয়েছেন, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শংখ বেপারী, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা, পূর্ণিমা রানী হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রিতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গ মোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি।

২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পিকে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী। এখন চার্জশিটে আসামির সংখ্যা আরও যুক্ত হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পিকে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন। যা দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন।

ক্যাসিনো অভিযানের ধারাবাহিকতায় পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় তিন হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতায় এ পর্যন্ত ৮৩ ব্যক্তির প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে ফ্রিজ করেছে দুদক।

নিউজ ট্যাগ: পিকে হালদার

আরও খবর



মালালার বিয়ে নিয়ে টুইট করে তসলিমার কটাক্ষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাইয়ের এক পাকিস্তানি নাগরিককে বিয়ে করা তিনি কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না! টুইট করে সেই হতাশা প্রকাশও করে ফেললেন তসলিমা নাসরিন। ৯ নভেম্বর ব্রিটেনের বার্মিংহামে ঘরোয়া অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের উদ্যোগপতি অসর মালিকের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন মালালা। সেই খবরটি তিনি নিজেই নেটমাধ্যমে জানান।

মালালার বিয়ের খবরে যখন সকলে উচ্ছ্বসিত, তার ঠিক বিপরীত মেরুতে হাঁটতে দেখা গেল তসলিমাকে। জানালেন, মালালার বিয়েতে মোটেই তিনি খুশি হননি। বরং মর্মাহতই হয়েছেন। কেন?

মামালা কাকে বিয়ে করলেন? এক জন পাকিস্তানিকে। এখানেই আপত্তি লেখিকার। টুইটে তিনি লেখেন, এটা জেনে খুবই হতাশ হচ্ছি যে, মালালা এক জন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেছেন। ওঁর বয়স মাত্র ২৪। মালালা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। আশা করেছিলাম এক জন সুদর্শন এবং প্রগতিশীল ইংরেজের প্রেমে পড়বেন তিনি। ৩০ বছরের আগে বিয়ের কথা ভাববেন না।

১৯৯৭ সালের ১২ জুলাই উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াট জেলায় এক সুন্নি মুসলিম পরিবারে জন্ম মালালার। ২০১২ সালে স্কুলে যাওয়ার পথে জঙ্গি হামলার শিকার হন তিনি। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান। হাজারো বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও নারীশিক্ষা বিস্তারে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার জন্য ২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা। হামলার পর তাঁকে চিকিৎসার জন্য ইংল্যান্ডে নিয়ে আসা হয়। তখন থেকেই পাকাপাকি ভাবেই ইংল্যান্ডের বাসিন্দা মালালা। এবং সেখান থেকেই নারীশিক্ষা বিস্তারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

পাকিস্তানের সুদূর পাখতুনখোয়ার রক্ষণশীল সমাজ থেকে উঠে আসা মেয়েটি ভাগ্যচক্রে ইংল্যান্ডের মতো প্রগতিশীল সমাজে গিয়ে পড়েছিলেন। সেই মেয়ে সেই প্রগতিশীল সমাজের কাউকে নিজের জীবনসঙ্গী না বানিয়ে পাকিস্তানিকেই বিয়ে করলেন এটা মানতে পারছেন না তসলিমা। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যারা ওঁকে হত্যার চেষ্টা করছিল, তারা কারা ছিল? পাকিস্তানি। কেন নিজের দেশ ছাড়তে হল? সেই পাকিস্তানের জন্যই। কিন্তু যারা তাঁকে আশ্রয় দিয়েছেন, ওঁর চিকিৎসা করেছেন, জীবন বাঁচিয়েছেন, তাঁরা তো সাদা চামড়ার মানুষ। যাঁর সঙ্গে উনি বই লিখেছেন, যাঁরা ওঁকে তহবিল সংগ্রহে সাহায্য করেছেন, নোবেল দিয়েছেন, তাঁরাও তো সেই একই শ্রেণির মানুষ। কিন্তু এর পরেও মালালা বিয়ে করলেন কাকে? সেই পাকিস্তানিকেই! বিষয়টি সত্যিই হতাশাজনক, বলেছেন তসলিমা।

তবে মালালার বিয়ে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় কটাক্ষের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের লেখিকা। বলা হয়েছে, মালালা কাকে নিজের জীবনসঙ্গী বাছবেন, তা ঠিক করার উনি কে? তসলিমার ওই টুইটকে অত্যন্ত নীচ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, সব পাকিস্তানি তো এক নয়!

 


আরও খবর



রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবশেষে রাষ্ট্রায়ত্ত ৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সত্যতা পেয়েছেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ । ফাঁস চক্রের সদস্যরা প্রথম ব্যক্তির কাছে একটি প্রশ্ন বিক্রি করে ১৫ লাখ টাকায়। সেই প্রশ্ন হাত বদল করে কোটি কোটি টাকা পকেটে তুলেছে চক্রের সদস্যরা।

যারা প্রশ্ন ফাঁস করেছেন এবং যারা প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ১০ জনকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। এদের মধ্যে দুজন এর আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে ব্যাংকের চাকরি পান। তখন থেকেই প্রশ্ন ফাঁস চক্রে জড়িত তারা। এ চক্রে জড়িত তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কেও খোঁজখবর নিচ্ছেন গোয়েন্দা শাখা।

শনিবার নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ করেন অনেক চাকরিপ্রত্যাশী। তাদের অভিযোগ ছিল, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্তে বের হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগের সূত্র ধরে প্রাথমিক তদন্তে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ  বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাটি সত্য। প্রশ্নপত্র যারা ফাঁস করেছেন এবং যারা ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় টেন্ডারের মাধ্যমে এ প্রশ্নপত্র তৈরি ও পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়। প্রথম ব্যক্তি ১৫ লাখ টাকায় একটি প্রশ্নপত্র কিনেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে ধরা হবে।

গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির মাধ্যমে হয়। নিয়োগ কমিটি সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। আর পরীক্ষা নেওয়ার জন্য তারা দরপত্র আহ্বান করে। এবার ৫টি রাষ্ট্রয়াত্ত ব্যাংকে নিয়োগের এ পরীক্ষা নেওয়ার কাজ পায় তেজগাঁওয়ের একটি বেরসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখান থেকেই মূলত প্রথমে প্রশ্ন ফাঁস হয়।

ডিবির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেফতারকৃত ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই ব্যাংক কর্মকর্তা। আর ২ জন চাকরি প্রার্থী পরীক্ষার্থী। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন প্রথম ১৫ লাখ টাকায় একটি প্রশ্ন কেনেন। এরপর তিনি একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে ওই প্রশ্ন বিক্রি করেন। তার মাধ্যমেই চক্রের অন্য সদস্যরা এ প্রশ্ন বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। সর্বনিম্ন ৩ লাখ টাকায় একটি প্রশ্ন বিক্রি হয় বলে গোয়েন্দারা জানতে পারেন।


আরও খবর