
লক্ষ্মীপুরের
রামগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে (৪) হত্যার পর মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগে আটক সৎ মাকে আদালতের
মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় মায়ের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে আটককৃত সৎ মা কোহিনুর বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে একই দিন সকালে নিহত শিশুর বাবা মিরন হোসেন রামগঞ্জ থানায় মামলা করেন। নিহত শিশু চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়চর জিয়ানগর এলাকার মিরন হোসেনের ছেলে সাঈফ।
জানা গেছে, গত
সপ্তাহে স্বামীর বাড়ি হাজীগঞ্জ থেকে শিশু সাঈফকে নিয়ে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বাবার
বাড়িতে আসেন অভিযুক্ত কোহিনুর। এ সময় গত শনিবার বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে গিয়ে
শিশুকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তিনি। এ অবস্থায় সাঈফকে খুঁজে বের করতে সংবাদ দেওয়া
হয় চাঁদপুরের ডুবুরি দল ও ফায়ার সার্ভিসকে। পরে তারা আশপাশের পুকুর ও ডোবা-নালায় অনেক
খুঁজেও পায়নি সাঈফকে। পরে মিরন গত শনিবার হাজীগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
এদিকে এক দিন
পর গত রোববার বিকেলে পুলিশ কোহিনুরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে
কোহিনুর স্বীকার করেন, সাঈফকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাবার বাড়ির রান্নাঘরের মাটির
নিচে পুঁতে রেখেছেন তিনি। পরে তার তথ্য অনুযায়ী সোমবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে পুলিশ শিশু
সাঈফের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
রামগঞ্জ থানা
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এমদাদুল হক জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কোহিনুর হত্যার
দায় স্বীকার করেছেন। তবে শিশু সাঈফের মায়ের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কোহিনুরকে বিয়ে করেন
মিরন।

