
সকালে হাঁটার স্বাস্থ্য উপকারিতা জানলে আপনিও হাঁটবেন। প্রতিদিন সকালে
অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট টানা হাঁটার অভ্যাস আছে অনেকেরই। আর যাদের এই অভ্যাস নেই তাদেরও
এই অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কারণ প্রতিদিন সকালে মাত্র ২০-৩০ মিনিটের এই হাঁটা সারা
দিন ভালো কাটাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে। তাই নিয়মিত আলো-বাতাস পূর্ণ
যায়গায় আধা ঘণ্টা করে হেঁটে নিন।
সুস্থ দেহ ও ফুরফুরে মেজাজের জন্য হাঁটা জরুরি। অন্য সময়ের চেয়ে ভোরে
হাঁটা স্বাস্থ্যকর। প্রতিদিন ভোরে হাঁটতে বের হোন শরীর থেকে রোগবালাই দূরে থাকবে। সকালে
হাঁটার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে।
আসুন জেনে নেই ভোরে হাঁটার কিছু উপকারিতা-
> নিয়মিত হাঁটার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি অর্ধেক কমে যায়। হৃদপিণ্ডে রক্ত
সঞ্চালন স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। এর সাথে শরীর চর্চার একটা সংযোগ রয়েছে।
> হাঁটার ফলে কেবল হার্ট এবং ফুসফুসই সুস্থ থাকে না, দৈনন্দিন কাজ
কোনো ক্লান্তি ছাড়াই ভালোভাবে সম্পাদন করা যায়। সকালে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে রোগবালাই সহজে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে না।
> নিয়মিত হাঁটার ফলে উচ্চ রক্তচাপ কমে। রক্ত সঞ্চালনের উন্নতি ঘটায়,
হাইপারটেনশন দূর করে এবং হার্ট সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে পারে।
> রক্তে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে ভোরে হাঁটা জরুরি। এতে হৃদরোগের
ঝুঁকি কমে যায়।
> ভোরে হাঁটাহাঁটির ফলে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পাওয়া যায়। এতে ভালো শক্তি
পাওয়া যায়, বিশেষ করে শরীরের জয়েন্টে।
> হাঁটার ফলে প্রতিদিন মানসিক চাপমুক্ত জীবন উপভোগ করা যায়। শারীরিকভাবে
সুস্থ থাকার পাশাপাশি মনকে সতেজ রাখে এবং আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
> নিয়মিত হাঁটার ফলে ব্যাকপেইন আক্রমণ করতে পারে না। এটি পেশীর উন্নতি
ঘটায়।
> সপ্তাহে চারবার অন্তত ৪৫ মিনিট করে হাঁটতে হবে। একজন ব্যক্তি বছরে গড়ে ৮-১০ কেজি ওজন কমাতে পারে হাঁটার মাধ্যমে। ডায়েটের কোনো প্রয়োজন নেই। হাঁটার ফলে পেশী গঠনের পাশাপাশি শরীরের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

