Logo
শিরোনাম

শক্তিশালী নেটওয়ার্কের আওতায় আসছে তিন পার্বত্য জেলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পার্বত্য অঞ্চলের ইউনিয়নগুলো অতিদুর্গম বিধায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও পারিপার্শ্বিক প্রতিবন্ধকতার কথা বিবেচনা করে এই কাজটি বাংলাদেশ

দেশের তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানকে শক্তিশালী প্রযুক্তিগত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসার কাজ শুরু করেছে সরকার। এ জন্য অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হচ্ছে এই তিন জেলাতে। সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এই কাজটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৬তম বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রকল্পটির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শামসুল আরেফিন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

শামসুল আরেফিন বলেন, দুর্গম এলাকায় স্থায়ী নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্যে টেলিযোগাযোগ সুবিধা বঞ্চিত এলাকাসমূহের ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি স্থাপন (কানেক্টেড বাংলাদেশ) প্রকল্পের অধীন পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি জেলায় (বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি) মোট ৫৯টি ইউনিয়নে অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের ইউনিয়নগুলো অতিদুর্গম বিধায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও পারিপার্শ্বিক প্রতিবন্ধকতার কথা বিবেচনা করে এই কাজটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ১১টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। তার মধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের ছয়টি, স্থানীয় সরকার বিভাগের দুটি, জননিরাপত্তা বিভাগের একটি, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব ছিল।


আরও খবর

বন্ধ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০

সোমবার ১৪ জুন ২০২১




চীনা টিকার প্রয়োগ শুরু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে উপহার হিসেবে পাওয়া চীনের সিনোফার্মের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষামূলক এ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী অনন্যা সালাম সমতা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে এই গ্রহণ করেন।

এদিন রাজধানীর চারটি সরকারি হাসপাতাল- ঢাকা মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ, মুগদা ও সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্টদের পরীক্ষামূলকভাবে এ টিকা প্রদান করা হয়। পরীক্ষামূলক টিকা প্রদানের পর টিকা গ্রহণকারীদের সাত থেকে ১০ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর চীন থেকে পাওয়া উপহারের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা আড়াই লাখ মানুষকে দেওয়া হবে।

চুক্তি সম্পন্ন হলে জুনেই চীন থেকে আনা টিকা গণহারে প্রয়োগ সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. জাহিদ মালিক। তিনি আরও বলেন, চীনের সঙ্গে আমাদের পুরোপুরি চুক্তি সম্পূর্ণ হলে সারাদেশে গণহারে টিকার প্রয়োগ শুরু হবে।

সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা জানান, শুরুতে একটু ভয় কাজ করছিল। পরে টিকা নিয়েছি। এখন খুবই ভালো লাগছে।

দশ দিনের মধ্যে দেশে সব সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে এই টিকার প্রয়োগ শুরু হবে বলেও জানান মন্ত্রী।


নিউজ ট্যাগ: চীনা টিকা

আরও খবর



‘বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই দেশের মৎস্য খাতে সমৃদ্ধির সূচনা’

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই দেশের মৎস্য খাতে সমৃদ্ধির সূচনা হয়েছে। তিনি মৎস্য খাতকে দেখেছিলেন দূরদৃষ্টি দিয়ে। স্বাধীনতাত্তোর তিনি বলেছিলেন মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার জন্য জলাশয়ে মৎস্য অবমুক্ত করা, মৎস্য চাষিদের সুযোগ-সুবিধা দেয়া, সমুদ্রে মৎস্য আহরণের জন্য তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ১০টি ফিশিং ট্রলার সংগ্রহ, বাণিজ্যিকভাবে বঙ্গোপসাগর হতে মৎস্য আহরণের লক্ষ্যে মেরিন ফিশারিজ ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং মৎস্য জরিপ কাজ শুরু করা ছিল তাঁর অন্যতম দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পদক্ষেপ। তাই তিনি আমাদের পাথেয়, আমাদের আদর্শ, আমাদের দর্শন।

শনিবার (১৯ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: ইলিশ উৎপাদনে গৌরবোজ্জ্বল অর্জন ও জাটকা সুরক্ষা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, জাটকা সংরক্ষণে ইলিশ ধরা নিষিদ্ধকালে জেলেদের জন্য সরকার ভিজিএফ দিচ্ছে। পাশাপাশি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, ভ্যান বিতরণসহ নানা উপকরণ দিয়ে তাদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জাটকা ধরা বেআইনী। তবু শেখ হাসিনা সরকার কেউ অনিয়মের মধ্যে থাকলেও তাকে বিকল্প কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ভালোভাবে পুনর্বাসন করতে চায়। কারণ বঙ্গবন্ধু কন্যা আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি সৎ, সাহসী, পরিশ্রমী রাষ্ট্রনায়ক। মানুষের জন্য কল্যাণকর পদক্ষেপ শেখ হাসিনা যা নিতে পেরেছেন, তা অতীতে কেউ করেন নি।

এসময় তিনি আরো যোগ করেন, নানাভাবে সরকার মৎস্য খাতের বিকাশে সহযোগিতা করছে। এ খাতের বিকাশের জন্য দেশের বিভিন্ন জায়গায় ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। শুধু ঢাকায়ই নয়, দেশের যে যায়গায় প্রয়োজন সেখানে গবেষণা ইনস্টিটিউট করা হচ্ছে। এ খাতে যারা বিনিয়োগ করতে আগ্রহী তাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। যারা ফিড মিল বা অন্যান্য মৎস্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন করতে চান, তাদেরকে মেশিনারিজ আমদানির ক্ষেত্রে উৎসে কর অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে। বিদেশে মাছ রফতানির সুযোগ সৃষ্টির জন্য হাইকমিশন সহযোগিতা করছে। তবে এ খাতের বিকাশে সরকারের পাশাপাশি দেশের নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। তাদের সচেতন ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, বিএফআরআই-এর প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও মোহনা অঞ্চলে ইলিশ গবেষণার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন উন্নতমানের ভেসেল কেনা হয়েছে। এতে দেশের নদ-নদী এবং সাগর উপকূলে ইলিশ বিষয়ক গবেষণা পরিচালনা সম্ভব হবে। গবেষণালব্ধ ফলাফল ইলিশের সহনশীল উৎপাদনে ভূমিকা রাখবে। বিএফআরআই এর গবেষণা থেকে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা ও নির্ধারিত সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় ইলিশের প্রজনন সফলতা এসেছে। সর্বশেষ ২০২০ সালে ২২ দিন নিষিদ্ধকালে ইলিশের প্রজনন হার ৫১ দশমিক ২ শতাংশ নিরূপন করা হয়েছে। গবেষণায় নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচনে মৎস্য বিজ্ঞানীদের কাজ করতে হবে। গবেষণা হতে হবে মানুষের কল্যাণে, দেশের স্বার্থে।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম এবং প্রবন্ধের উপর আলোচনায় অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্য বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহা. ইয়ামিন হোসেন ও মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মোঃ ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও মৎস্য অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক, মৎস্য বিজ্ঞানী এবং মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধি সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর



৫০তম বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কঠোর সতর্কতা মেনে জাতীয় সংসদের বাজেট (ত্রয়োদশ) অধিবেশন শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন শোক প্রস্তাব গ্রহণ শেষে মুলতবি করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অধিবেশনে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সংসদে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করবেন তিনি। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আর চলতি সংশোধিত বাজেটের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার বাড়ছে ৬৪ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে আলোচনা শেষে আগামী ২৯ জুন অর্থ বিল ও ৩০ জুন বাজেট পাস হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের টানা তৃতীয় মেয়াদের তৃতীয় বাজেট এটি। জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ শিরোনামের এবারের বাজেটটি প্রস্তুত হয়েছে সরকারের অতীতের অর্জন এবং উদ্ভূত বর্তমান পরিস্থিতির সমন্বয় ঘটিয়ে।

করোনাভাইরাসের কারণে সবচেয়ে কমসংখ্যক সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে দেশের ৫০তম বাজেট ঘোষণা করা হবে। যাঁরা উপস্থিত থাকবেন তাঁদের মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে একটি করে আসন ফাঁকা রেখে আসন বিন্যাস করা হবে। যাঁরা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাঁদের সংসদে আসতে নিষেধ করা হবে। বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত থাকবেন না কোনো সাংবাদিক কিংবা বিশিষ্টজনরা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এবারের পুরো বাজেটটি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে জীবন ও জীবিকা দুটিকেই সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাজেটে প্রান্তিক মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা যেমন থাকবে, তেমনি থাকছে নানা ছাড়।

বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭.২ শতাংশ। আর মূল্যস্ফীতি ৫.৩ শতাংশের মধ্যে সহনীয় পর্যায়ে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।



আরও খবর



বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃত্যু ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ মে 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বে মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার। একই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ কোটি ৫৮ লাখেরও বেশি মানুষ।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার (২১ মে) সকাল ৭টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে মারা গেছেন আরও প্রায় ১৩ হাজার মানুষ এবং আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ৬ লাখ। এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৪ লাখ ৪৪ হাজার ২৫৮ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ কোটি ৫৮ লাখ ৩১ হাজার ১৬১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ কোটি ৬৫ লাখ ১৬ হাজার ৮৯৩ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৩৮ লাখ ৩২ হাজার ৫০৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২ হাজার ৬১৪ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ৬০ লাখ ৩০ হাজার ৬৭৪ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৩৬৫ জনের। আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৫৮ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৮ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৩৯১ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে ৪র্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫৫১ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন এক লাখ ৮ হাজার ৩১৪ জন। এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে তুরস্ক। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৪৫ হাজার ৬২৬ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় রাশিয়া ষষ্ঠ, যুক্তরাজ্য সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্পেন নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে রয়েছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৫৩ হাজার পরিবার পাচ্ছে জমিসহ সেমিপাকা ঘর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে দুই শতক জমি ও সেমিপাকা ঘর করে দেয়া হচ্ছে। ২০ জুন এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

তিনি বলেন, মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান। ইতোমধ্যে এ বছরের ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ ও ব্যারাকে ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী ২০ জুন তিনি দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে (স্বামী ও স্ত্রীর যৌথ নামে) বিনামূল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও এক লাখ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

ড. আহমদ কায়কাউস জানান, এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সরকারের সিনিয়র সচিব ও সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছেন। এছাড়া জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারকে বহুতল ভবনে একটি করে ফ্ল্যাট প্রদানের মাধ্যমে এ পর্যন্ত চার হাজার ৪০৯টি পরিবারকে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।

মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মাহবুব হোসেন, উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) জাহেদুর রহমান প্রমুখ।



আরও খবর