Logo
শিরোনাম

সময় বাড়ল মাধ্যমিক পরীক্ষার ফরম পূরণের

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবার (০৯ মে) থেকে ১৬ মে পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এসএসসির ফরম পূরণ করতে পারবেন।

রোববার (০৮ মে) রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এসএসসি পরীক্ষা-২০২২ এর ফরম পূরণের বর্ধিত সময়কাল সোমবার (৯ মে) থেকে ১৬ মে এবং অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মে।

এবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১ হাজার ৬১৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষায় ১ হাজার ৪৯৫ টাকা ও মানবিকে ১ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।

কোনো শিক্ষার্থীর নবম ও দশম শ্রেণির সর্বমোট ২৪ মাসের বেশি বেতন নেওয়া যাবে না। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ জন্য ব্যবহারিক ছাড়া ৩৫০ টাকা আর ব্যবহারিকসহ ৪০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস (পাঠ্যসূচি) অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীরা (নিয়মিত ও অনিয়মিত) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, খেলাধুলা ও ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জিপিএ উন্নয়ন:

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নৈর্বাচনিক সব বিষয়ে অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ ৫ এর কম পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২২ সালের পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এ পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়ন হলে তা গ্রহণ করা হবে। অন্যথায় আগের ফলাফল বহাল থাকবে।

বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর জন্য করণীয়:

আগের বছরের বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে থাকলে ও রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।

এদিকে, গত ২৭ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটি। আগামী ১৯ জুন সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষার মধ্যদিয়ে শুরু হবে পরীক্ষা। চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। এছাড়াও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ১৪টি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



সংরক্ষিত অঞ্চলও সর্বক্ষেত্রে রক্ষা করছে না বন্যপ্রাণী

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নির্বিচারে উজাড় হচ্ছে বন। মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য আহরণে নষ্ট হচ্ছে বিচরণক্ষেত্র। পাশাপাশি অব্যাহত রয়েছে খরা, জলোচ্ছ্বাস ও দাবানলের মতো দুর্যোগও। সব মিলিয়ে হুমকির মুখে পড়েছে বন্যপ্রাণী। বিলুপ্তির মুখোমুখি হচ্ছে হাজারো প্রজাতি। এ অবস্থায় সুরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণার মাধ্যমে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। যদিও নতুন একটি গবেষণা বলছে, জাতীয় উদ্যান ও অন্যান্য সংরক্ষিত এলাকাও সর্বদা বন্যপ্রাণী রক্ষা করতে পারে না। বিস্তৃত একটি গবেষণায় সুরক্ষিত অঞ্চল নিয়ে এমন মিশ্র ফলাফল পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত গবেষণাটিতে বিশ্বের ১ হাজার ৫০৬টি সংরক্ষিত অঞ্চলের জলাভূমির পাখির তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা ২৭ হাজারেরও বেশি পাখির প্রবণতা বিশ্লেষণ করেছেন। তারা দেখতে পেয়েছেন, পাখির জন্য নেয়া অতিরিক্ত ব্যবস্থা সরাসরি কোনো সহায়তা করেনি।

গবেষকরা বলেছেন, চলতি দশকের শেষ নাগাদ বিশ্বের ৩০ শতাংশ বন্যপ্রাণী বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। গবেষণার ফলাফল অনুসারে, বন্যপ্রাণীর প্রজাতি ও তাদের আবাসস্থল রক্ষার জন্য জাতীয় উদ্যানগুলো যথাযথ ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের পদক্ষেপ ছাড়া উদ্যান কিংবা সংরক্ষিত অঞ্চলগুলো অকার্যকর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গবেষণাটির প্রধান ও যুক্তরাজ্যের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইকোলজি অ্যান্ড কনজারভেশনের গবেষক ড. হান্না উয়োহোপ বলেন, আমরা জানি সংরক্ষিত অঞ্চলগুলো বন্যপ্রাণীর আবাস্থলের ক্ষতি রোধ করতে পারে। বিশেষ ক্ষেত্রে বন উজাড় বন্ধ করার ক্ষেত্রে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে বন্যপ্রাণীকে সহায়তা করে তা নিয়ে আমাদের খুব কম জ্ঞান রয়েছে। আমাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, অনেক সুরক্ষিত অঞ্চল বন্যপ্রাণী রক্ষায় ভালোভাবে কাজ করছে। অন্যদিকে আবার অনেক অঞ্চল ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হচ্ছে। জীববৈচিত্র্যের সুবিধার জন্য এলাকাগুলো সুপরিচিত হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের আরো মনোযোগ দিতে হবে। বিশ্বের সরকারগুলো বর্তমানে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ দশকের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আলোচনা করছে। বেশ কয়েকটি দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ স্থল ও সমুদ্র অঞ্চল রক্ষা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। যদিও এ গবেষণায় কেবল জলপাখির দিকে নজর দেয়া হয়েছে। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, এ পাখির আধিক্য, উপনিবেশ ও দ্রুত স্থান ত্যাগ করার ক্ষমতা এবং ডাটার গুণমান অন্যান্য বন্যপ্রাণীকে সামগ্রিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। বিজ্ঞানীরা ৬৮টি দেশের সংরক্ষিত এলাকা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে ও পরে জলপাখির জনসংখ্যার প্রবণতা তুলনা করেছেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত অঞ্চলের ভেতরে ও বাইরে একই ধরনের পাখির জনসংখ্যার প্রবণতাও বিশ্লেষণ করেছেন। বেশির ভাগ তথ্য স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

ড. হান্না উয়োহোপ বলেন, আমরা বলছি না যে সংরক্ষিত এলাকা কোনো উপকারেই আসছে না। মূল বিষয় হলো এসব অঞ্চলের প্রভাব ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়। এক্ষেত্রে বড় বিষয় হলো সংরক্ষিত এলাকাগুলোর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সব প্রজাতির কথা মাথায় রাখা হয় কিনা। আমরা যথাযথ ব্যবস্থাপনা ছাড়া সংরক্ষিত অঞ্চলগুলো কার্যকর হওয়ার আশা করতে পারি না। এমনটাও দেখা যাচ্ছে যে ছোটগুলোর চেয়ে বৃহত্তর সংরক্ষিত এলাকাগুলো ভালো কার্যকর হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বন্যপ্রাণী

আরও খবর



আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলেই কিয়েল্লিনির বিদায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাছাইপর্ব থেকে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা না পাওয়ায় প্লে-অফ পর্বে অংশ নিতে হয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালির। কিন্তু এই প্লে-অফেও খুলেনি ভাগ্যের চাকা। প্লে-অফের সেমিফাইনালপর্বের ম্যাচে নর্থ মেসিডোনিয়ার কাছে শেষ মুহূর্তের গোলে ১-০ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ে ইতালি।

জর্জিও কিয়েল্লিনি এ নিয়ে দেশকে বিশ্বকাপে নিয়ে যেতে পারেননি টানা দ্বিতীয়বার। এই গ্লানি নিশ্চয়ই আছে তার। সঙ্গে বয়সের ভার তো আছেই। সব মিলিয়েই জাতীয় দলকে বিদায় বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইতালি অধিনায়ক। এর জন্য উপলক্ষটাও ভালোই পাচ্ছেন তিনি, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যারাডোনা কাপে মাঠে নামবে ইতালি।

এই ম্যাচটিই হচ্ছে কিয়েল্লিনির জাতীয় দলের হয়ে শেষ ম্যাচ। তার নেতৃত্বেই ২০২০ ইউরো জেতে আজ্জুরিরা। কিন্তু ২০২২ বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি। এবার জাতীয় দলের হয়ে আর না খেলার সিদ্ধান্ত জানালেন কিয়েল্লিনি। সিরি আতে সোমবার সাসোলার বিপক্ষে ২-১ গোলে জুভেন্টাসের জয়ের পর এ কথা জানান তিনি।

কিয়েল্লিনি বলেছেন, যদি আমি সুস্থ থাকি, তাহলে ওয়েম্বলিতে আর্জেন্টিনার ব্পিক্ষে জাতীয় দলকে বিদায় বলবো। এটা দারুণ ব্যাপার হবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমন উদযানমূলক একটা ম্যাচে ইতালির হয়ে খেলাকে বিদায় বলা। জাতীয় দলের জন্য, এটাই আমার শেষ।


আরও খবর



আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্টকে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমিরাতের নতুন প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৫ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পদে আপনাকে নির্বাচন করায় এটাই প্রমাণ করে যে, আপনার নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা এবং বিচক্ষণ্নতা ও দূরদর্শিতার প্রতি ইউএই’র ফেডারেল সুপ্রিম কাউন্সিল ও জনগণের গভীর আস্থা রয়েছে।

ইউএই’র সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। যার ফলে উভয়ের মধ্যে বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে চমৎকার সহযোগিতার সম্পর্ক বিরাজ করছে।

বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে ইউএই’র স্বীকৃতি দেওয়ার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৪ সালের ১০ মার্চ উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম ইউএই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দিয়েছিল, যার ফলে ভ্রাতৃপ্রতিম আরব দেশগুলোর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পথ সুগম হয়েছিল। আর এভাবে অঞ্চলটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বের ভিত স্থাপিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করতে চাই যে, আমাদের মজবুত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আজ পারস্পারিক সহযোগিতার উঁচু পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমাদের দুদেশের মধ্যে মানবসম্পদ, ব্যবসা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও প্রতিরক্ষা খাতসহ অনেক ক্ষেত্রে সহযোগিতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান এ সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব আরও গভীর হবে এবং অভিন্ন প্রচেষ্টার মাধ্যমে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে অবদান রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।


আরও খবর



দুর্বল অবকাঠামো নিয়েই ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এখন চাহিদার দ্বিগুণ। উৎপাদনেও একের পর এক রেকর্ড গড়ছে বিদ্যুৎ বিভাগ। তবে সঞ্চালনের দুর্বলতায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। পাশাপাশি চাহিদা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তা প্রতিবন্ধক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। সঞ্চালন লাইন শক্তিশালী করতে নেয়া প্রকল্পের অনেকগুলোরই মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক নয়। প্রত্যাশা ছিল এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে সঞ্চালনের দুর্বলতা কেটে যাবে। যদিও অগ্রগতি বিবেচনায় ২০২৪ সালের আগে প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হচ্ছে না। সঞ্চালন অবকাঠামোর এমন ধীরগতি অনিশ্চয়তা তৈরি করছে বিদ্যুতের বড় প্রকল্পগুলোতেও।

বিদ্যুতের সঞ্চালন অবকাঠামো বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বলছে, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতা, দরপত্র আহ্বান ও কভিড মহামারীর কারণে প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে পড়েছে। এখন দ্রুতগতিতে বেশির ভাগ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলছে। পিজিসিবির তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সংস্থাটির ২০টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। যার সবই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্রিড কানেক্টিভিটি বাড়াতে নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে প্রকল্পের ধীরগতির কারণে মেয়াদ ও খরচ দুটোই বেড়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন এসব প্রকল্পের আর্থিক সংকট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের মেগা প্রকল্পগুলোর উৎপাদন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

সঞ্চালন অবকাঠামো যথাসময়ে প্রস্তুত করতে না পারায় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শেষেও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ২০২০ সালের জুনে উৎপাদনে এলেও তা থেকে ৫৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার জন্য যে গ্রিড লাইন দরকার তার কাজ এখনো শেষ হয়নি। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অর্ধেক সক্ষমতায় চালানো হচ্ছে। বাকি অর্ধেক সক্ষমতা ব্যবহার না করে বসিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে।

২০২৩ সালে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প। এরই মধ্যে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটের মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে। অথচ এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য যে লাইন প্রয়োজন তা এখনো শুরুর দিকে। এ ইভাকুয়েশন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি মাত্র ২৪ শতাংশ। আগামী ২০২৩ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, রূপপুরের বিদ্যুৎ ইভাকুয়েশনের জন্য ৪০০ কেভি ৪৬৪ কিলোমিটার এবং ২৩০ কেভি ২০৫ কিলোমিটার সঞ্চালন লাইন রয়েছে। এর মধ্যে মোট ২০ কিলোমিটার নদী ক্রসিং। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ইভাকুয়েশন প্রকল্পের নদী ক্রসিংয়ের জন্য সম্প্রতি দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এছাড়া জমি অধিগ্রহণ শেষ। এখন মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হচ্ছে। রূপপুরের সঞ্চালন অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে ভারত। দেশটির চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ প্রকল্পে কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পটি এলওসি (ইন্ডিয়ান লাইন অব ক্রেডিট-৩) ঋণের আওতায় করা হচ্ছে। এ প্রকল্পে মোট ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা। যার সিংহভাগ অর্থায়ন করছে ভারত।

এছাড়া ভারত আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ দেশে আমদানির লক্ষ্যে এরই মধ্যে একটি সঞ্চালন লাইন নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। তবে এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত এবং নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে যে গ্রিড লাইন নির্মাণ হওয়ার কথা তার কাজ এখনো শুরুর দিকে। মূলত ভারত থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুৎ দেশের উত্তরাঞ্চলে ব্যবহারের লক্ষ্যে বড়পুকুরিয়া-বগুড়া কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এ প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ১২ শতাংশ। অথচ এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে বাকি আর মাত্র দুই মাস। এরই মধ্যে মেয়াদ বাড়াতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পিজিসিবি।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নির্মাণ করা হচ্ছে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এ প্রকল্পের জন্য আমিনবাজার-মাওয়া-মোংলা ৪০০ কেভি’ সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। চলতি বছরের জুন নাগাদ এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পদ্মা রিভার ক্রসিংয়ের কারণে এ বছর শেষ নাগাদ লেগে যেতে পারে। ফলে রামপালের উৎপাদন শুরু হলে সেখানকার বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা না গেলে তা কোথায় ব্যবহার করা হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

সারা দেশে সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে পিজিসিবির আরো এক ডজনের বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের মেয়াদ চলতি ও আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ শেষ হওয়ার কথা। অথচ পিজিসিবির বিদ্যমান অগ্রগতি দেখে বোঝা যাচ্ছে এসব প্রকল্পের কাজ চূড়ান্তভাবে শেষ করতে আরো দুই-তিন বছর লেগে যাবে।

জানা গেছে, পিজিসিবির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রিড সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ ৫৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের কাজ ৯ শতাংশ, ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড স্ট্রেংদেনিং প্রকল্পের কাজ ৫৯ শতাংশ, পাওয়ার সিস্টেম রিলায়েবিলিটি অ্যান্ড ইফিসিয়েন্সি ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের কাজ ৭ শতাংশ, গ্রিড বেজ পাওয়ার সাপ্লাইয়ের কাজ ২৯ শতাংশ শেষ হয়েছে। এছাড়া বাকি যেসব প্রকল্প রয়েছে সেগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে এলেও তা নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে।

পিজিসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, সঞ্চালন অবকাঠামো বিলম্বিত হওয়ার প্রধানতম জটিলতা হলো ভূমি অধিগ্রহণ। এটি করতে প্রকল্পের অর্ধেক সময় লেগে যায়। এরপর প্রকল্পের দরপত্র আহ্বানে জটিলতা রয়েছে। তাছাড়া এ খাতে যন্ত্রাংশ চীননির্ভর হওয়ায় কভিডের কারণে যথাসময়ে দেশে মালামাল শিপমেন্ট হয়নি। অনেকগুলো প্রকল্প থেকে বিদেশী কর্মী চলে গিয়েছিল। সব মিলিয়ে বিলম্বিত হয়েছে কিছুটা। তবে এখন সব প্রকল্পে গতি পেয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা কাজ সমাপ্ত করতে পারব।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন খাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়ায় সঞ্চালন ও অবকাঠামো খাত পিছিয়ে পড়ছে। এখন এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, দেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বরাবরই উৎপাদনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রস্তুত হয়েছে ঠিকই কিন্তু তা যথাসময়ে চালু করা যায়নি। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে শুধু উৎপাদন নয়, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে না পারলে তার জন্য সরকারকে কেন্দ্র বসিয়ে রেখে মাশুল গুনতে হবে। এখন সময় এসেছে সঞ্চালন ও বিতরণে সরকারের গুরুত্ব দেয়া। তাহলে বিদ্যুৎ খাতে একটা ভারসাম্য তৈরি হবে।


আরও খবর

বাঘাবাড়ী নৌবন্দর খুঁড়িয়ে চলছে

বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২




যে কারণে ভাইরাল হলো পূজার ভিডিও

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাঙালি অভিনেত্রী পূজা ব্যানার্জি। তবে বাংলায় কাজ করেছেন কমই। তার বিচরণ মুম্বাই পাড়ায়। হিন্দি সিরিয়াল, টিভি শোতে নিয়মিত কাজ করেন পূজা। বর্তমানে তাকে দেখা যাচ্ছে দেব কা দেব মহাদেব নামের একটি সিরিয়ালে। সিরিয়ালে পার্বতী নামে শিবের ঘরণীর ভূমিকায় অভিনয় করেন পূজা। তার সাদামাটা রূপ দর্শকদেরও বেশ পছন্দের। পর্দার বাইরে ইনস্টাগ্রামে অবশ্য সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম অভিনেত্রী। নিজেকে সর্বদা খোলামেলা রূপে উপস্থাপন করতেই ভালোবাসেন তিনি।

এবার পূজা শেয়ার করলেন শাড়ি পরার একটি ভিডিও। সেই ভিডিও হুড়মুড় করে হয়ে গেলো ভাইরাল। এতে দেখা গেল, ব্লাউজের ফিতা আটকে শাড়ির কুচি গুঁজে নিচ্ছেন। এরপর লিপস্টিক লাগাচ্ছেন ঠোঁটে, কানে পরছেন দুল। ভিডিওটিতে ১ লাখের বেশি রিঅ্যাকশন এসেছে। সঙ্গে আছে হাজারো মন্তব্য। প্রত্যেকেই পূজার আকর্ষণীয় রূপের প্রশংসা করেছেন। প্রতিনিয়ত ভক্তদের এভাবেই মাতিয়ে রাখেন অভিনেত্রী। পরে আবার ওই শাড়ি পরা ছবিও শেয়ার করেছেন পূজা। সেগুলোতেও লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন পড়েছে। বোঝাই যাচ্ছে, বাঙালি নায়িকাকে শাড়িতে দেখে মন ভরেছে ভক্তদের।

উল্লেখ্য, পূজা ব্যানার্জি ২০০৮ সালে কাহানি হামারি মুহাব্বাত কি সিরিয়ালের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। এর দুই বছর পর অভিনেত্রী নাম লেখান সিনেমায়। তার প্রথম সিনেমা তেলেগু ভাষার ভিদু থেডা। ২০১২ সালে মাচো মাস্তানা সিনেমার মাধ্যমে টলিউডে অভিষেক হয় পূজার। এরপর তাকে দেখা গেছে চ্যালেঞ্জ ২, লাভেরিয়া, রকি, গ্রেট গ্র্যান্ড মাস্তি, হইচই আনলিমিটেড ইত্যাদি সিনেমায়।

নিউজ ট্যাগ: পূজা ব্যানার্জি

আরও খবর