Logo
শিরোনাম

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ | ২৬ ডিসেম্বর ২০২০

প্রকাশিত:সোমবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

সংবাদে আজকের বাংলাদেশ | ২৬ ডিসেম্বর ২০২০ 


আরও খবর



পদ্মা সেতু প্রকল্পের মেয়াদ আরও ২ বছর বাড়াতে আবেদন

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধিত) প্রকল্পের মেয়াদ ২ বছর বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত অনুমোদন দিতে যাচ্ছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ইতোমধ্যে চারবার পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার পঞ্চমবারের মতো এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়তে যাচ্ছে। তবে এবার মেয়াদ বাড়লেও বাড়ছে না ব্যয়।

সোমবার (২২ মার্চ) এ বিষয়ে আইএমইডি সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী গণমাধ্যমকে বলেন, কদিনের মধ্যে মেয়াদ বাড়িয়ে দেব। আমরা মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে। কিন্তু কতটুকু মেয়াদ বাড়াবো, সেটা এনালাইসিস করে জানিয়ে দেব। এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় নাই।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটির মূলসেতু ও নদীশাসন কাজসহ অবশিষ্ট কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ১ বছর এবং দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণ কাজ ও ঠিকাদারদের দেনাপাওনা মিটিয়ে দেয়ার জন্য আরো ১ বছরসহ সুপারিশ ও মতামত প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রকল্পটির ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে মেয়াদ (তৃতীয়বার) ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা যেতে পারে বলে আইএমডি মত দিয়েছে।

আইএমডি সুপারিশ করেছে, বিভিন্ন অঙ্গভিত্তিক কাজ নির্ধারিত মেয়াদে সমাপ্ত করার লক্ষ্যে সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নিয়মিত ফলোআপ সভা করে বাস্তবায়ন অগ্রগতি মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় গৃহীত আয়বর্ধকমূলক কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাসহ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ যাতে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে সে লক্ষ্যে জব প্লেসমেন্টের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদান করা যেতে পারে। প্রকল্পের কারিগরি ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার বর্তমান কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে। এসব বিষয়ের আলোকে গৃহীত ব্যবস্থার তথ্যাদি আগামী ১ মাসের মধ্যে আইএমইডিকে অবহিত করতে হবে।

২০০৭ সালের জুলাইয়ে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৫ সালের জুনে। প্রথম সংশোধনী এনে প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্পের মেয়াদ আরো ৩ বছর বাড়িয়ে করা হয় ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

তারপর ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে পদ্মা সেতুর মেয়াদ দুইবার বাড়ানো হয়েছে। প্রথমবার বাড়িয়ে করা হয় ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয়বার করা হয়, ২০২১ সালের জুন পর্যন্ত। এবার ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে প্রকল্পের মেয়াদ আরও ২ বছর বাড়িয়ে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে তিনবার। প্রকল্পটির মূল ব্যয় ছিল ১০ লাখ ১৬ হাজার ১৭৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা। প্রথম সংশোধনীতে ব্যয় দ্বিগুণ বাড়িয়ে করা হয় ২০ লাখ ৫০ হাজার ৭২০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। আর তৃতীয়বার মেয়াদ বৃদ্ধি করে করা হয় ৩০ লাখ ১৯ হাজার ৩৩৮ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

এই প্রকল্পের প্রধান প্রধান কাজগুলো হলো ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার মূল সেতু, ১৪ কিলোমিটার নদীশাসন, ১২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক ও সার্ভিস এরিয়া নির্মাণ এবং ২ হাজার ৬৯৩ দশমিক ২১ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ করা।

২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি ২৪ হাজার ৫৩২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা, যা শতাংশের হিসাবে ৮১ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর বাস্তব অগ্রগতি ৮৪ শতাংশ।

পদ্মা সেতুর মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি সেতু বিভাগ আবেদনে বলেছে, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের মেয়াদ আগামী ৩০ জুন শেষ হবে। বর্তমানে এই প্রকল্পের বাস্তব কাজ ৮৩ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট বাস্তব কাজ সমাপ্ত করতে ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে এবং ১ বছর ডিফেক্ট নটিফিকেশন পিরিয়ডসহ ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এ অবস্থায় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালকের প্রস্তাব অনুযায়ী ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাবটি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলো।


আরও খবর



পি কে হালদারের দেশত্যাগ : ৬৭ ইমিগ্রেশন পুলিশের তালিকা হাইকোর্টে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দুদকের পক্ষ থেকে লিখিত সে চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর পি কে হালদারসহ ২৪ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া চিঠি পরদিন ২৩ অক্টোবর সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে পাঠানো হয়

কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাসপোর্ট জব্দ থাকার পরও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার (পিকে হালদার) হালদারের দেশত্যাগের সময় বেনাপোল স্থলবন্দরে দায়িত্বরত ৬৭ ইমিগ্রেশন পুলিশের তালিকা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শকের পক্ষ থেকে সোমবার (১৫ মার্চ) সংশ্লিষ্ট হাইকোর্ট বেঞ্চে এ তালিকা দাখিল করা হয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানিয়েছেন।

এর আগে পুলিশের ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছিল, দুদক থেকে তাদের কাছে দেরিতে চিঠি পাঠানোর কারণে পিকে হালদার পালিয়ে যায়। কিন্তু পিকে হালদারের দেশত্যাগের ঘটনায় ইমিগ্রেশন পুলিশের ওই তথ্য সঠিক নয় বলে হাইকোর্টে পাল্টা লিখিত জবাব দাখিল করেছে দুদক। দুদকের পক্ষ থেকে লিখিত সে চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর পি কে হালদারসহ ২৪ জনের বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেয়া চিঠি পরদিন ২৩ অক্টোবর সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে পাঠানো হয়, যা ইমিগ্রেশন গ্রহণ করেন।

এর আগে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পিকে হালদারের পাসপোর্ট জব্দ থাকার পরও তাকে পালাতে সহযোগিতাকারী ইমিগ্রেশন, পুলিশ ও দুদকের কর্মকর্তাদের তালিকা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি পিকে হালদার মামলার আসামিদের জবানবন্দিতে যাদের নাম এসেছে তাদের বিরুদ্ধে দুদকের পদক্ষেপ জানতে চেয়েছিলেন। এছাড়াও পি কে হালদার কাণ্ডে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কর্মরতদের তালিকা জমা দিতেও নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।


আরও খবর



মুন্সিগঞ্জে একশ মণ জাটকাসহ ট্রাক জব্দ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুন্সিগঞ্জে প্রতিনিধি

লৌহজংয়ে একশ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ করেছেন নৌ পুলিশ। এসময় একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়। শনিবার (১০ এপ্রিল) ভোর ৪ টার দিকে উপজেলার হলদিয়া নামক স্থানে ঢাকামুখি ওই ট্রাকটি আটকের পর তল্লাশি চালিয়ে ২০ টি ড্রাম ভর্তি এসব জাটকা ইলিশ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত জাটকার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নৌ-পুলিশে।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবীর জানান, শিমুলিয়া ঘাট থেকে ঢাকায় জাটকা নেওয়া হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে হলদিয়া এলাকার সড়কে অবস্থান নেই। ভোরে ওই সড়কে আমাদের অবস্থানের কিছুটা অদূরে একটি ট্রাক রেখে পালিয়ে যায় ট্রাকে থাকা লোকজন। বিষয়টি সন্দেহ হওয়া ট্রাকটি আটক করে তল্লাশি চালিয়ে ৪ হাজার কেজি (একশ মণ) জাটকা ইলিশ জব্দ করি। পরে সকালে স্থানীয় এতিমখানা, মাদ্রাসা ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে মাছগুলো বিতরণ করা হয়েছে। জাটকার সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি, পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি নৌ-পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।



আরও খবর



শীতলক্ষ্যা থেকে উদ্ধারকৃত লঞ্চে মিলল আরও ২২ মরদেহ

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে আসা হয়েছে।  সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় লঞ্চ থেকে আরও ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

এর আগে রোববার (৪ এপ্রিল) অর্ধশত যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। গতকাল পাঁচ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল ২০ জনকে। এছাড়া নিখোঁজ ছিলেন অন্তত ২৯ জন। বিআইডব্লিউটিএর ১৮ ঘণ্টা ধরে চলা উদ্ধার অভিযান শেষে আরও ২২ জনের মরদেহ পাওয়া যায়।

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক বলেন, ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে অর্ধশত যাত্রী ছিলেন। গতকাল ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। লঞ্চটি উদ্ধারের পর আরও ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ২৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।

এদিকে স্বজনদের খোঁজে নদীর পাড়ে পরিবারের সদস্যরা ভিড় করেছেন। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা। স্বজনহারাদের আর্তনাদে ভারী হয়ে উঠেছে শীতলক্ষ্যার তীর। লঞ্চটি তীরে আনার সঙ্গে সঙ্গে নিখোঁজদের সন্ধানে ভিড় করেন স্বজনরা।

এদিকে মোবাইল ফোনে ধারণ করা ছবিতে দেখা যায়, বড় একটি কার্গোজাহাজ যাত্রীবাহী একটি লঞ্চকে ধাক্কা দিয়ে পিষে চলে যায়। আর এতেই ঘটে এ দুর্ঘটনা।

রোববার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল দোতলা ছোট আকারের যাত্রীবাহী লঞ্চ সাবিত আল আসাদ। মদনগঞ্জ এলাকায় নির্মাণাধীন তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু এলাকায় পৌঁছালে এসকে-৩ নামের একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় সেটি ডুবে যায়। দুর্ঘটনার পর লঞ্চের অনেক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠে আসলেও নিখোঁজ ছিলেন অনেকে।


আরও খবর

ফেরিতে উঠতে গিয়ে ট্রাক পদ্মায়

শুক্রবার ২৬ মার্চ ২০২১




পাইকারি বাজারে দাম কমছে পেঁয়াজের

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম ৫০ টাকায় ওঠার পর আবার কমতে শুরু করেছে। ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় দুদিনেই কেজিতে দাম কমেছে ৩ থেকে ৫ টাকা। পাইকারদের দাবি, মুড়িকাটা পেঁয়াজের সরবরাহ কমে আসায় বেড়েছে দাম। দেশি রাখি পেঁয়াজ বাজারে উঠলে দাম কমার আশা তাদের। এদিকে খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, রমজান সামনে রেখে নানা অজুহাতে আগেভাগে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

কখনো সরবরাহ ঘাটতি কখনো ভারতের পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্তের মতো নানা সংকটকে পুঁজি করে সিন্ডিকেটের কারসাজিতে যখন তখন লাগামহীনভাবে বাড়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ ভোগ্য পণ্যের দাম। ঘাটতি নিরসনে দেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজের ব্যাপক আবাদের পাশাপাশি চীন, তুরস্ক ও মিশর থেকে আমদানিতে গত নভেম্বর থেকে বাজার স্থিতিশীল হয়। দাম কমে ২৫ থেকে ৩০ টাকায় ঠেকে। কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ করে ঝাঁজ বাড়ে পেঁয়াজের। দাম বেড়ে পাইকারিতে প্রতি কেজি ৪৬ থেকে ৪৮ ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয় ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। আড়তদারদের দাবি, মুড়িকাটার মৌসুম শেষ হলেও রাখি পেঁয়াজ পুরোদমে বাজারে না আসাই দাম বাড়ার কারণ।

এদিকে এক মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ভারতীয় পেয়াঁজ আমদানি শুরু হওয়ায় দাম পড়ছে। শ্যামবাজারে পাইকারি আড়তে ৩ থেকে ৫ টাকা কমে প্রতি কেজি দেশি পেয়াঁজ ৩৫ থেকে ৩৭ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে ৪২ থেকে ৪৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি রাখি পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে দাম আরো কমার প্রত্যাশা পাইকারি বিক্রেতাদের।


আরও খবর