Logo
শিরোনাম

সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে রাবির ভর্তি পরীক্ষা

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকেই প্রশ্ন করা হবে।

রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার প্রধান এ এইচ এম আসলাম হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গত ১১ এপ্রিল ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত ভর্তি কমিটির সভায় উক্ত বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত হয় এইচএসসি ২০২১ পরীক্ষায় বোর্ড কর্তৃক যে পাঠ্যসূচি বা সিলেবাস অনুসরণ করা হয়েছে তার আলোকেই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে রাবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছিলেন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও গুচ্ছভুক্ত বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইতিমধ্যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষায় রাজি হয়েছে। গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগেই সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েও এভাবে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, রাবিতে ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের তারিখ ২৫ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন ফি ৫৫ টাকা। এছাড়া বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত আবেদন ১৫ জুন থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৮ জুন পর্যন্ত এতে সার্ভিসচার্জ সহ ১১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২৫ জুলাই সোমবার 'সি' (বিজ্ঞান) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এই ভর্তি যুদ্ধ শুরু হবে। পরেরদিন ২৬ জুলাই মঙ্গলবার 'এ' (মানবিক) ইউনিটের ও শেষের দিন ২৭ জুলাই বুধবার 'বি' (বাণিজ্য) ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে শেষ হবে।

ভর্তি পরীক্ষা ৮০ টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হবে। বিপরীতে নম্বর থাকবে ১০০। অর্থাৎ প্রতিটি প্রশ্নের মান ১.২৫। এছাড়া পাঁচটি ভুল উত্তরের জন্য ১ নম্বর কাটা যাবে। আর পাস নম্বর ৪০।


আরও খবর



পিকে হালদারের বিপুল সম্পত্তির সন্ধান মিললো ভারতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদার ওরফে পি কে হালদারের বিপুল সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।

শুক্রবার সকালে রাজ্যটির রাজধানী কলকাতাসহ অন্তত নয়টি স্থানে একযোগে অভিযান চালায় ভারতের অর্থ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি)। প্রথমে অভিযান চালানো হয় উত্তর চব্বিশ পরগণার অশোকনগরে তিনজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে। এদের মধ্যে একজনকে আটকও করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ এইটিন এক প্রতিবেদনে বলেছে, অশোকনগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভারতী ক্লাব এলাকার বাসিন্দা সুকুমার মৃধা নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সকালে প্রথমে অভিযান চালায় ইডি৷ এলাকায় মাছ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত সুকুমার পিকে হালদারের ঘনিষ্ট সহযোগী। তবে তিনি নিজেকে পিকের ক্লায়েন্ট হিসেবে পরিচয় দিতেন।

ইডির সূত্র বলছে, অশোকনগরের ওই এলাকায় পিকে হালদার ও সুকুমার দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী। বাংলাদেশ থেকে পিকে হালদারের লুট করা টাকা দিয়ে বিপুল সম্পত্তি ক্রয়ে এই দুজনের দীর্ঘদিনের যোগসাজশ রয়েছে।

অশোকনগরের ভারতী ক্লাব এলাকার পাশেই নবজীবন পল্লীতে প্রশান্ত কুমার হালদারের আত্মীয় প্রণব কুমার হালদার নামের এক ব্যক্তির বিলাসবহুল বাগানবাড়ি রয়েছে। এটির পাশেই সুকুমার মৃধার আছে আরেকটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি।

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে, অশোকনগরের এই এলাকাতেই একাধিক সম্পত্তি ক্রয় করেছে পিকে হালদার-সুকুমার মৃধা জুটি। শুক্রবার এখানকার তিনবাড়িতে অভিযান চালানোর সময় সুকুমার মৃধার জামাতা সঞ্জীব হাওলাদারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

অশোকনগরের যে বাগানবাড়ি থেকে সঞ্জীবকে আটক করা হয়েছে সেটি পিকে হালদারের ভাই প্রীতিশ সুকুমার হালদারের নামে কেনা। তবে তিন বছর আগে সুকুমার মৃধার কাছে প্রীতিশ বাড়িটি হস্তান্তর করার পর সেখানে সঞ্জীব বাস করতেন। সঞ্জীবও বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে।

নিউজ এইটিন বলছে, বেশ কয়েকবছর আগে কয়েক কাঠা জায়গার ওপরে এই বিলাসবহুল বাগানবাড়ি তৈরি করা হয়। এদিকে ওই বাড়িটির পাশেই স্বপন মিত্র নামে আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চালিয়েছে ইডি। তাকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়াও অশোকনগরের বিল্ডিং মোড় এলাকায় প্রণব হালদার নামে আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও হানা পড়েছে ইডির। এরা প্রত্যেকেই পিকে হালদারের অর্থ পাচারের সহযোগী বলে তদন্তে উঠে এসেছে।


আরও খবর



২০২৩ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আগামী বছরের মাধ্যমিক (এসএসসি) ও উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) এবং সমমানের সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটি এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পরীক্ষার্থীদের ও সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ২০২২ সালের পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

এসএসসি পর্যায়ে আইসিটি পরীক্ষার পূর্ণনম্বর ৫০ এবং অন্যান্য প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি পর্যায়ে প্রতিটি বিষয়ে তিন ঘণ্টা সময়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সব বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছ।


আরও খবর



বনির সঙ্গেই প্রযোজনা সংস্থা খুলতে চলেছেন কৌশানী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মান-অভিমান অতীত। কথা দিয়েছিলেন দুজনেই, সাময়িক দূরত্ব মিটিয়ে বড় করে ফিরছেন তাঁরা। কথা রাখলেন বনি সেনগুপ্ত, কৌশানী মুখোপাধ্যায়। ১৭ মে কৌশানীর জন্মদিনে যুগলের ঘোষণা, প্রযোজনা সংস্থা আনতে চলেছেন তাঁরা! বিশেষ দিনে প্রকাশ্যে আসবে সংস্থার নাম।

কৌশানীর জন্মদিনের উল্লাস-পর্ব যদিও আগের দিন থেকে শুরু। এ দিন তিনি দুর্গাবাড়িতে দুহাজার লোককে খাইয়েছেন। পাশাপাশি ভোগ উৎসর্গ করেছেন দেবীপ্রতিমাকে। মন্দির সেজে উঠেছে নায়িকার ফুলে। সেজেছেন দেবীপ্রতিমাও। এই সমস্ত কাজে পাশে ছিলেন বনি। জন্মদিনের আগের রাত যথারীতি উদ্‌যাপনে মাতোয়ারা। কেক, পানীয়, উল্লাস সব সাজিয়ে দিয়েছেন বনি। কৌশানীর কথায়, জন্মদিনের কেক, বন্ধুদের আমন্ত্রণ, বাজি পোড়ানো, বাড়ির ছাদ সাজানো, ভাল-মন্দ খাওয়া দাওয়া কিচ্ছু বাকি রাখেনি বনি।

তাতেই কি সব অভিমান গলে জল? প্রশ্ন শুনে গলা ছেড়ে হাসি নায়িকার। যুক্তি, বলেইছিলাম, ছেড়ে যাচ্ছি না। নিজেকে সামলাতে সময় নিচ্ছি। এত সহজে ছেড়ে চলে যাওয়ার মতো সম্পর্ক নয় আমাদের। অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছি। আরও অনেক পথ হাঁটা বাকি। মান-অভিমান থাকবেই। সে সব ধরে বসে থাকলে চলবে কেন? জন্মদিনের সন্ধেও উৎসবমুখর। বনি-কৌশানী এ দিন নায়িকার সমস্ত অনুরাগীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, অনেক দূর থেকে ছোট-বড় নানা বয়সের মানুষ সাড়া দিয়েছেন তাঁর আমন্ত্রণে। তাঁদের নিয়ে কেক কাটবেন। আমন্ত্রিতরাও অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।

বনি রাতপার্টির আয়োজন করলেও এখনও নাকি বিশেষ কোনও উপহার কৌশানীর হাতে তুলে দেননি। তবে নিজেদের প্রযোজনা সংস্থা সম্পর্কে বনি জানিয়েছেন, ছবি প্রযোজনা দিয়েই কাজ শুরু করবেন তাঁরা। পাশে রয়েছেন পরিচালক বাবা অনুপ সেনগুপ্ত, ইম্পা-র সদস্য বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত। জুলাই মাসে ছবির শ্যুট শুরুর ইচ্ছে তাঁদের। কোনও বড় পরিচালককে দিয়ে কি প্রথম ছবি বানাবেন? অভিনয়ে কোন কোন তারকাদের দেখতে পাওয়া যাবে? নায়কের দাবি, আপাতত সবটাই আলোচনার পর্যায়ে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ভাবে ছবির নাম ঘোষণা হবে।

নিউজ ট্যাগ: বনি-কৌশানী

আরও খবর



রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা, গ্যাস সংকটে বিপাকে ইউরোপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউরোপে গ্যাস সরবরাহে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনের ভেতর দিয়ে যাওয়া রুশ গ্যাসলাইনগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় তীব্র গ্যাস-সংকটে পড়েছে ইউরোপ। তাদের ওপর গ্যাস সরবরাহের বিকল্প ব্যবস্থা দ্রুত ঠিক করার চাপও বাড়ছে।

শুক্রবার (১৩ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে গ্যাস সরবরাহে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা এবং ইউক্রেনের ভেতর দিয়ে যাওয়া রুশ গ্যাসলাইনগুলো বন্ধ করে দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তীব্র গ্যাস-সংকটে পড়েছে ইউরোপের দেশগুলো। ফলে গ্যাসের বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করার চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউরোপজুড়ে বেড়ে গেছে গ্যাসের দাম।

ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্বে মস্কো ইতোমধ্যে বুলগেরিয়া ও পোল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এ ছাড়া ইউরোপের অন্য দেশগুলোও সামনে শীত মৌসুমের আগে নিজেদের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের মজুদ পূরণের জন্য কার্যত হন্যে হয়ে দৌড়াচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাশিয়া গত বুধবার রাতে গ্যাজপ্রমের ইউরোপীয় সহযোগী সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার মধ্যে গ্যাজপ্রম জার্মানিয়াও রয়েছে। মূলত জ্বালানি সরবরাহ সুরক্ষিত রাখার জন্য জার্মানি গত মাসে ট্রাস্টিশিপের অধীনে এটি চালু করেছিল। এ ছাড়া ইউরোপে রুশ গ্যাস বহনকারী ইয়ামাল-ইউরোপ পাইপলাইনের পোলিশ অংশের মালিকের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মস্কো।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, এসব কোম্পানির সঙ্গে কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে না বা তারা রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহের কাজে অংশ নিতে পারে না।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা এসব কোম্পানির নাম রাশিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান মূলত সেসব দেশের যারা ইউক্রেনে আগ্রাসন চালানোর কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। আরও ভালোভাবে বললে, এসব দেশের বেশিরভাগই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।

ইউরোপে রাশিয়ার জ্বালানির শীর্ষ গ্রাহক জার্মানি। দেশটি বলছে, গ্যাজপ্রম জার্মানিয়ার কিছু সহযোগী সংস্থা নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্যাস পাচ্ছে না।


আরও খবর



১০ মাসেই রপ্তানির লক্ষ্য অর্জন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারির ভয়াবহ অবস্থা থেকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন আগের অবস্থায় ফেরায় গার্মেন্টস পণ্যের রফতানি বেড়েছে। সার্বিকভাবে গত এপ্রিলে দেশে রফতানি আয় ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়েছে। সোমবার (৯ মে) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে জুলাই থেকে এপ্রিল, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় আয় ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে ৪৩ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইপিবির তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছর শেষ হওয়ার ২ মাস আগেই রফতানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের দশম মাস এপ্রিলে বিভিন্ন পণ্য রফতানি করে ৪৭৩ কোটি ৮৭ লাখ (৪.৭৪ বিলিয়ন) ডলার বিদেশি মুদ্রা এনেছেন বাংলাদেশের রফতানিকারকরা।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাই-এপ্রিল সময়ে তৈরি পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এই খাত থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ।

গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি রফতানি আয় দেশে এসেছে। এ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি এসেছে ৪০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অর্থবছরের হিসাবে ১০ মাসে অর্থাৎ জুলাই-এপ্রিল সময়ে ৪৩ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন রফতানিকারকরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের পুরো সময়ের (২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের এপ্রিল) চেয়েও ১২ শতাংশ বেশি।

রফতানির এই ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে এবার রফতানি আয় ৫২ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করে রফতানি বাণিজ্যে ইতিহাস সৃষ্টি করবে বাংলাদেশ। অর্থবছরের বাকি দুই মাসেও (মে ও জুন) এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন রফতানিকারকরা।

এপ্রিল মাসে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা ছিল ৩৩৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের এপ্রিলে পণ্য রফতানি থেকে ৩১৩ কোটি ৪৪ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। ১০ মাসের হিসাবে সার্বিক রফতানি আয় বেড়েছে ৩৫ দশমিক ১৪ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি এসেছে ২০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

একক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের ইতিহাসে এপ্রিল মাসের এই আয় চতুর্থ সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বেশি এসেছিল গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ৪৯০ কোটি ৭৭ লাখ (৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন) ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এসেছিল চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার (৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন) ডলার। মার্চে এসেছিল ৪৭৬ কোটি ২২ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ৪২৯ কোটি ৪৫ লাখ (৪ দশমিক ২৯ বিলিয়ন) ডলার।


আরও খবর