Logo
শিরোনাম

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে জানিয়েছেন, দেশে মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৬৫ জন। এর মধ্যে শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ হচ্ছে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে এসংক্রান্ত প্রশ্নটি উত্থাপন করেন সরকারি দলের সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার।

লিখিত জবাবে মন্ত্রী দেশের মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা ও শীর্ষ ২০ জনের তালিকা তুলে ধরেছেন। ওই ২০ জনের মোট ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির মধ্যে সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৬৪০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৮৫৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৫২৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এদের পুরোটাই খেলাপি ঋণ। রাইজিং স্টিল কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৪২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ ৯৯০ কোটি ২৮ লাখ টাকা। মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৯৬৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। তাদের পুরোটাই খেলাপি ঋণ।

মন্ত্রী জানান, রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ একই। তাদের খেলাপি ঋণ ৮৭৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। ক্রিসেন্ট লেদারর্স প্রডাক্ট লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮৫৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেমস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮১১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। সাদ মুসা ফেব্রিক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৭৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। বি আর স্পিনিং মিলস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

মন্ত্রী আরও  জানান, এস.এ অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৭২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭০৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। মাইশা প্রপার্টি ডেভেলমেন্ট লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৬৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। রেডিয়াম কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৭৭০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৬০ কোটি ৪২ লাখ টাকা। সামান্নাজ সুপার অয়েল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৫১ কোটি ৭ লাখ টাকা। মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৪৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

একই জবাবে জানানো হয়েছে, আশিয়ান এডুকেশন লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৫৩ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৩৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এস.এম স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৮৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৩০ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৭২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬২৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এহসান স্টিল রি-রোলিং লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬২৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা এবং সিদ্দিকী ট্রেডার্স-এর ঋণের স্থিতি ৬৭০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা।


আরও খবর



নারীদের সম্পৃক্ত করে উন্নত দেশ গড়তে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নারী সমাজকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করে উন্নত দেশ গড়ার সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার নারী সমাজকে সঙ্গে নিয়েই বাংলাদেশকে উন্নত দেশের দিকে নিয়ে যাবে।

রোববার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব উইমেনের (এইউডব্লিউ) কাউন্সিল অব প্যাট্রনস-এর একটি প্রতিনিধি দল সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর চেরি ব্লেয়ার। পরে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ চূড়ান্তভাবে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হবে। আমরা আরও এগিয়ে যাব। সেটা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের সমস্ত উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করছি। আমরা নারীদের সম্পৃক্ত করে এগিয়ে যাব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার জন্য খাদ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

এ প্রসঙ্গে তিনি এইউডব্লিউ প্রতিনিধি দলকে এমন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করতে বলেন- যা শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, শুধু সাধারণ শিক্ষা নয়, এমন শিক্ষা প্রদান করুন যা তাদের দক্ষ করে তুলবে, বেকার তৈরি করবে না।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনি জমি দান করেছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী । তিনি বলেন, যে কোনো দেশের উন্নয়নের জন্য নারী শিক্ষা অপরিহার্য। তিনি সংক্ষিপ্তভাবে তার সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরেন।

বৈঠকে আফগানিস্তানের প্রসঙ্গ এলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলামের নামে নারীদের শিক্ষা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইসলাম সর্বদা নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলে।

এ প্রসঙ্গে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার  সময় নারী নেতৃত্ব নিয়ে নিজে তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

আফগানিস্তান প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বর্তমান আফগান সরকার জোর করে সে দেশের নারী শিক্ষা বন্ধ করে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, পুরো বিশ্ব এটি প্রত্যক্ষ করছে, কেউ এর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে নিজের  জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার রোহিঙ্গা শিশুদের তাদের নিজ ভাষায় শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও এইউডব্লিউর উপাচার্য ড. রুবানা হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে সৌদি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারত সরকারের অনুমান অনুসারে চলতি আর্থিক বছরে দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার পৌঁছবে ৭ শতাংশে। তবে দেশে ও দেশের বাইরে চাহিদা দুর্বল হওয়ার কারণে তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে এ বছর সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির ট্যাগ হারাতে পারে ভারত।

দেশটির পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয় প্রকাশিত সরকারি প্রাককলনে উল্লেখ করা হয়, মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধি পাবে ৭ শতাংশ। পরিসংখ্যানটি তৈরি হয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার অর্থনৈতিক প্রাককলন ও অর্থনীতিবিদদের মতামতের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ সমীক্ষা পর্যালোচনা করে। ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থাটি আগের বছরের ৮ দশমিক ৭ শতাংশ সম্প্রসারণের গতি অনুসরণ করে। তবে জ্বালানির দাম বাড়ায় সৌদি আরবের প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ভারতের প্রবৃদ্ধিকে ছাড়িয়ে যাওয়ারই ইঙ্গিত দেয়।

চলতি অর্থবছরে ভারতের সূচনাটি হয়েছিল আশাব্যঞ্জক। তখন প্রত্যাশা করা হয়েছিল যে বাজার মন্দার কারণে ভোক্তা চাহিদা বৃদ্ধি এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করবে। কিন্তু উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর অভূতপূর্ব আর্থিক কঠোর নীতি অনেক উন্নত অর্থনীতিকেও মন্দার দিকে ঠেলে দেয়ার ফলে সে আশাবাদ দ্রুত ম্লান হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে ভারতেও। এ পরিস্থিতি দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রভাবিত করে বা কমিয়ে দেয়। রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া চলতি অর্থবছর এ পর্যন্ত তার বেঞ্চমার্ক রেট ২২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদদের অনেকেই আশা করছেন যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর নীতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবে ৮ ফেব্রুয়ারিতে নতুন পয়েন্ট নিয়ে আসবে। কেননা মূল্যস্ফীতি চলমান রয়েছে। এদিকে ভারতের উৎপাদন ১ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, খনি শিল্প ২ দশমিক ৪ শতাংশ ও কৃষি ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

ফিচ রেটিং লিমিটেডের অর্থনীতিবিদ সুনীল সিনহা জানান, গ্রস ফিক্সড ক্যাপিটাল গঠনের শোভন বৃদ্ধি দেখায় যে মূলধন ব্যয় সম্পর্কে সরকারের টেকসই অবস্থান রয়েছে এবং চলমান পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু ভারতীয় অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং পুনরুদ্ধারের জন্য বেসরকারি করপোরেট খাতের পুনরুজ্জীবন অপরিহার্য বলেও তিনি যোগ করেন।

নিউজ ট্যাগ: সৌদি আরব

আরও খবর



জগন্নাথপুরে বোমা তৈরির সরঞ্জাম থাকার সন্দেহে বাড়ি ঘেরাও

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় বোমা থাকার সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। উপজেলার আশারকা‌ন্দি ইউনিয়‌নের দিঘরবাগ গ্রা‌মের ওই বাড়িটি আজ রোববার সকাল থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দিঘরবাগপর আখলাক মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ি সকাল থে‌কে ঘিরে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে সেনাবা‌হিনী ও পু‌লিশ তল্লাশি চা‌লি‌য়ে কিছু মালামাল জব্দ করেছে। 

এএসপি (জগন্নাথপুর সার্কেল) শুভাশিস ধর জানিয়েছেন, ওই বা‌ড়ির বিষ‌য়ে এখনই কিছু বলা যা‌চ্ছে না। প‌রে বিস্তারিত জানা‌নো হবে।

 

নিউজ ট্যাগ: সুনামগঞ্জ

আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




৯০ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করছে সিলেট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সেরকে বিপক্ষে ৯০ রানের টার্গেট দিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ধুঁকতে থাকে চ্যালেঞ্জার্সের ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। 

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে দলীয় ১১ রানে মেহেদী মারুফের উইকেট হারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ১৪ বলে ১১ রান করে আউট হন তিনি। এরপর দলীয় ১৮ রানে আরেক ওপেনার দারউইশ রসুলির উইকেট হারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ৯ বলে মাত্র ৩ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি।

রসুলির বিদায়ের পর আবারও উইকেট হারায় চ্যালেঞ্জার্স। দলীয় ২২ রানে ৭ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হয় অধিনায়ক শুভাগত হোম। এরপর আল আমিন ও আফিফ হোসেন মিলে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে ইনিংসের ১০তম ওভারে দলীয় ৪৪ রানে ২০ বলে ১৮ রান করে আউট হন আল আমিন।

এরপর ক্রিজে এসেই আউট হন উসমান খান। দলীয় ৪৭ রানে ৪ বলে মাত্র ২ রান করে আউট হন তিনি। উসমান খানের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন উনমুক্ত চাঁদ। আফিফ হোসেন ও উনমুক্ত চাঁদ মিলে ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। দলীয় ৬২ রানে ১০ বলে ৫ রান করে আউট হন উনমুক্ত চাঁদ।

মাত্র ৬২ রানেই ৬ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। এরপর ক্রিজে আসেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। দলীয় ৬৭ রানে ৪ বলে ৩ রান করে আউট হন মৃত্যুঞ্জয়। এক পাশে উইকেট হারালেও অন্যপ্রান্তের উইকেট আগলে রেখে খেলতে থাকেন আফিফ হোসেন। কিন্তু ইনিংসের ১৬তম ওভারে দলীয় ৭৪ রানে সাজঘরে ফিরে যান আফিফ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৩ বলে ২৫ রান করেন মোহাম্মদ আমিরের বলে আউট হন তিনি।

আফিফের বিদায়ের পর ইনিংসের ১৯তম ওভারে দলীয় ৮০ রানে ১৫ বলে ৮ রান করে আউট হন নিহাদুজ্জামান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ৮৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সিলেট স্ট্রাইকার্সের পক্ষে রেজাউর রহমান রাজা ৩টি ও  মোহাম্মদ আমির নেন ২টি উইকেট।


আরও খবর



‘জনগণের কষ্ট সত্ত্বেও সরকার নিরুপায় হয়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে’

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে জনগণ বার বার প্রত্যাখ্যান করায় বিএনপি এখন হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে এই বিবৃতি দেন তিনি।

সরকার পালানোর পথ পাবে না’— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে ওবায়দুল কাদের বলেন, যে দলের নেতৃত্ব মুচলেকা দিয়ে রাজনীতিকে চিরবিদায় জানিয়ে দেশ ত্যাগ করে, আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামি হিসেবে বিদেশে পালিয়ে বেড়ায়, সেই দলের নেতাদের মুখে এ ধরনের বক্তব্য শোভা পায় না।

তিনি বলেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ করে বিদেশি প্রভুদের কাছে গিয়ে দেশের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে, মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দিয়ে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে "স্যাংশন" আরোপের ক্রমাগত ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির দুর্নীতিবাজ নেতৃত্ব বিদেশে বসে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে দল চালায়, নেতাকর্মীদের নাশকতার উস্কানি দেয়। কিন্তু বিশ্ববাসী ও দেশের জনগণের কাছে গুজব রটনাকারীদের ষড়যন্ত্র আজ ধরা পড়েছে, সত্য উদঘাটিত হয়েছে। তাই বিএনপি নেতৃবৃন্দ দিশেহারা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি-যুদ্ধাপরাধীদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপি-জামাত দেশের মানুষের কোনো মঙ্গল চায় না। তাই দেশের গণতন্ত্র উন্নয়ন-অগ্রগতি তাদের চোখে পড়ে না। অথচ আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আন্তইনেত মনসিও সায়েহ বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সফলতার কথা উল্লেখ করে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ইউরোপে যুদ্ধের কারণে সারা বিশ্বের তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ কারণে বিশ্ব জুড়ে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে পৌনে ৩ গুণ। আর যুক্তরাজ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে পৌনে ৬ গুণ। বাংলাদেশ সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন গড়ে ইউনিট প্রতি ৩ টাকা ভর্তুকি প্রদান করেছে। পিডিবি বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করছে। জনগণের কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও সরকার নিরুপায় হয়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে।

তিনি বলেন, আমরা বিএনপির কাছ থেকে রাজনৈতিক দল হিসেবে দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি। রাজনৈতিক ফয়দা লোটার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও গুজব না ছড়িয়ে তাদের আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানাই। সাংবিধানিক পন্থায় একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিবর্তন হতে পারে।


আরও খবর