Logo
শিরোনাম

সন্তানের দায় নিতে নারাজ পুলিশ কর্মকর্তা ফারুকী, পিতৃত্বের দাবিতে আদালতে শিশুর মা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ মার্চ 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে জন্ম নেয়া শিশুর পিতৃত্ব অস্বীকার করছেন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। আর চার মাসের শিশুটিকে নিয়ে আদালতের বারান্দায় ঘুরছেন ভুক্তভোগী নারী।

ওই নারীর অভিযোগ, পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মহিউদ্দিন ফারুকীর সাথে সম্পর্কের পর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে তাকে বিয়ে করেন ফারুকী। কিন্তু বিয়ের দেড় মাসের মাথায় তালাক দিয়ে শিশুটির পিতৃত্ব অস্বীকার করছেন তিনি।

ফুলের মতো শিশুটি বাবা মায়ের যে ভালবাসার আলোয় আলোকিত হয়ে পৃথিবীতে এসেছে, সেই আলো এখন যেনো পরিণত হয়েছে কালো অন্ধকারে। কারণ জন্মদাতা বাবা শিশুটির পিতৃত্ব অস্বীকার করছেন।

বিয়ের আগে পুলিশ কর্মকর্তার সরকারি অফিসের বিশ্রাম কক্ষে একান্তে সময় কাটানোর ছবি সংবাদমাধ্যম একাত্তর টেলিভিশনের হাতে রয়েছে। ছবিতে থাকা এক নারীর দাবি তিন বছর ধরে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক মহিউদ্দিন ফারুকীর সাথে তার সম্পর্ক ছিলো।

মহিউদ্দিন ফারুকী ওরফে কাজলের সাথে সেই নারীর হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা থেকে বোঝা যায় তার বডিগার্ড ও গাড়িচালক প্রায়ই তাকে বাসা থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে নিয়ে যেতেন। যেহেতু সরকারি গাড়িতে ফারুকী নিজেই থাকতেন তাই দর্শনার্থী বইয়ে নাম লিপিবদ্ধ করা হতো না।

এক পর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ফারুকী তাকে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের দেড় মাসের মাথায় তাকে আবার তালাকও দেন ফারুকী। ওই নারী ও ফারুকীর কথোপকথন থেকে জানা যায় ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে ফারুকী এই বিয়েটি করেছিলেন।

শুধু তালাক দিয়েই শেষ করেননি। শিশুটির বাবা হিসেবে যাতে মহিউদ্দিন ফারুকীর নাম ব্যবহার করা না হয়, সে জন্য আদালত থেকে এক তরফা একটি রায়ও নিয়ে এসেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, তারা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। কেউ দোষী হলে তার দায় নেয়া হবে না। আর বিষয়টি বিচারাধীন দোহাই দিয়ে কোন কথা বলতে রাজি হননি মহিউদ্দিন ফারুকী।

মহিউদ্দিন ফারুকী এবং ওই নারী দুজনেরই স্বামী ও স্ত্রী থাকার পরও তারা বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। আর তাদের এমন কর্মকাণ্ডের বলি হচ্ছে নিষ্পাপ শিশুটি।

ভুক্তভোগী নারীর দাবী, এই সন্তানের আগেও ফারুকীর সাথে সম্পর্কের জেরে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। কৌশলে ওষুধ খাইয়ে পরে সেই ভ্রূণ হত্যা করেছিলো পুলিশ সদর দপ্তরের সাপ্লাই ও লজিস্টিক বিভাগের সহকারী মহাপরিদর্শক হিসাবে দায়িত্বে থাকা মহিউদ্দিন ফারুকী।

তথ্য সূত্র: একাত্তর টেলিভিশন


আরও খবর



রাজশাহীর তাপমাত্রা ফের ৪০ ডিগ্রির ওপরে

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহীতে কয়েকদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা আবারও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে। রবিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

অথচ আগের দিন শনিবার রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে রাজশাহীতে তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বাইরে বের হওয়া লোকজন জানান, সকাল থেকেই রোদ তো নয়, যেন সূর্য আকাশ থেকে আগুন ঝড়াচ্ছে। এতে অতিমাত্রা যোগ করেছে পদ্মার বুকে জেগে ওঠা বিশাল বালু চর থেকে ধেয়ে আসা আগুনের মত উত্তপ্ত বাতাস। যাকে স্থানীয়ভাবে বলা হচ্ছে, লু হাওয়া।

গত ১৫ এপ্রিল বিকেল ৩টায় রাজশাহীর তাপমাত্রা ৮ বছরের রেকর্ড ভেঙে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠে। এর আগে ২০১৪ সালের ২৫ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষক কামাল উদ্দিন জানান, গত ৪ এপ্রিলের পর রাজশাহীতে তাপপ্রবাহ চলছে। রবিবার বিকেল ৩টায় রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি আরও জানান, সাধারণত ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বলা হয় মৃদু তাপপ্রবাহ। ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ। ৪০ থেকে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বলা হয় তীব্র তাপপ্রবাহ। এছাড়া দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠলেই তা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।


আরও খবর



শেষ কর্মদিবসে স্বাভাবিক সচিবালয়, ৬ দিনের ছুটি শুরু কাল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে বৃহস্পতিবার সচিবালয় ছিল স্বাভাবিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি অন্য দিনের মতোই ছিল। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) শেষ কর্মদিবস। শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে টানা ছয়দিনের ছুটি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২ বা ৩ মে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ঘুরে দেখা গেছে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) ওয়াহিদা আক্তার বলেন, আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশির ভাগই ঢাকায় ঈদ করবেন। দু-একজন ছাড়া মোটামুটি সবাই উপস্থিত আছেন। মন্ত্রী মহোদয় মিটিং করছেন। দুপুর ২টার দিকে আমাদের একটি সংবাদ সম্মেলনও আছে। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের অফিস চলছে।

বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটি শেষে আগামী ৫ মে অফিসে উপস্থিত থাকবেন। যাদের আগে থেকে ঐচ্ছিক ছুটির আবেদন করা আছে, তারা ৫ মে ছুটি কাটাবেন। তবে এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা দুই-চারজনের বেশি নয়।

শেষ কর্মদিবস হওয়ায় অনেকে সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ একেবারে দূর না হওয়ায় শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে আগের মতো কোলাকুলি নেই।

সচিবালয়ে গাড়ি রাখার স্থানগুলো ছিল অন্যান্য দিনের মতোই পূর্ণ। অভ্যর্থনা কক্ষেও সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য দর্শনার্থীদের আনাগোনা দেখা গেছে।

আগামী ২৯ ও ৩০ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) সপ্তাহিক ছুটি। এরপর ১ মে (রোববার) হচ্ছে মে দিবসের ছুটি। এরপর ৩ মে (রমজান মাস ৩০ দিন ধরে) ঈদ ধরে ২, ৩ ও ৪ মে (সোম, মঙ্গল ও বুধবার) ঈদের ছুটি ধরেছে সরকার। সেই হিসেবে আগামী ৫ মে অফিস করতে হবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।

৫ মে কেউ ছুটি নিলে তিনি টানা ৯ দিনের ছুটি পেয়ে যাবেন। তাই সরকার ৫ মে (বৃহস্পতিবার) ছুটি ঘোষণা করে এ সুবিধাটা দেবে কিনা- সেই বিষয়টি আলোচিত হচ্ছিল। কিন্তু ৫ মে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

আগামী ৫ মে ছুটি থাকছে না জানিয়ে এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম জাগো নিউজকে বলেছিলেন, ৫ মে ছুটি নিলে টানা অনেক দিনের ছুটি হচ্ছে, ওভাবেই পড়েছে আর কী। কর্মচারীদের অপশনাল ছুটির একটা বিষয় আছে। যারা বৃহস্পতিবার ছুটি নেবে, তারা ধারাবাহিকভাবে ছুটিটা ভোগ করতে পারবে। যিনি ছুটি নেবেন না, তাকে তো ওইদিন অফিস করতে হবে।

তিনি আরও বলেছিলেন, কেউ যদি ওইদিন ছুটি না নিয়ে অফিসে অনুপস্থিত থাকে তবে আগে-পিছনের সব ছুটি তার ছুটি থেকে কাটা যাবে।


আরও খবর



বেলাবতে ধর্ষণে অন্ত:সত্ত্বা ভিখারী হাসপাতালে

ধর্ষকের সাথে বিয়ের সিদ্ধান্ত জনপ্রতিনিধির

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন

Image

নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীর বেলাবতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় কাতরাচ্ছেন ধর্ষণের ফলে ৫ মাসের অন্ত:সত্ত্বা এক নারী ভিখারী (৪০)। উপজেলার পাটুলী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

৬ মাস আগে ভিক্ষাবৃত্তি শেষে বাড়ি ফেরার পথে একই গ্রামের মৃত আকু মিয়ার ছেলে শাহাবদ্দীন (৫০) ওই নারীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শাহাবদ্দীন ধর্ষণের দায় স্বীকার করে সুস্থ হলে ওই নারীকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে।

চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ৬ মাস আগে বেলাব বাজার হতে ভিক্ষাবৃত্তি শেষে বাড়ি ফিরছিলেন বিধবা এই নারী। পথে একই গ্রামের মৃত আকু মিয়ার ছেলে শাহাবদ্দীন ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে খুন করার হুমকি দেয়া হয়। পরে আবারও দ্বিতীয় দফায় জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করা হয়। এতে ৫ মাসের অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়া ওই নারী এখন শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। শরীরের স্পর্শকাতর স্থানসহ বিভিন্ন স্থানে ইনফেকশনের কারণে মুমূর্ষ অবস্থায় উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় অযত্ন অবহেলায় ঠায় হয়েছে তার। অতিরিক্ত শারিরীক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে স্পষ্ট করে কথা বলতে পারছেন না। ভয় আর আতংকে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকেন সবার দিকে। ১১ দিন ধরে অমানবিকভাবে একাকী হাসপাতালের বারান্দায় দিনরাত কাটছে তার। ধর্ষকের বিচার দাবি করলেও সুস্থ হওয়ার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সমাজপতি কর্তৃক ধর্ষকের সাথে বিয়ে দেয়ার আশ্বাস পেয়ে নীরব ভুক্তভোগী ওই নারী। দিনদিন অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসা না করাতে পারলে তার মৃত্যু হতে পারে শংকা করছেন স্থানীয়রা।

রাকিব নামে একজন কলেজ শিক্ষার্থী ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করলেও তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নিচ্ছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ দুলাল ও পাটুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইফরানুল হক ভূইয়া জামান। প্রায় ৭ হাজার টাকা এনে ধর্ষিতার চিকিৎসার কাজে ব্যয় করছেন বলে জানান ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া। স্থানীয় প্রশাসনকে ঘটনাটি অবগত না করে ধর্ষিতা নারী সুস্থ হবার পর ধর্ষকের সাথে বিয়ে দেয়ার সিদ্বান্ত নিয়েছেন চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য। এতে প্রকাশ্যেই চলাফেরা করছেন অভিযুক্ত ধর্ষক শাহাবদ্দীন।

বেলাব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মেহেরবা পান্না বলেন, ৪ মাসের গর্ভবর্তী হয়ে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তার সেবা করার মত কেউ নেই। এ কারণে হয়তো তার অবস্থা একটু খারাপ হচ্ছে।

অভিযুক্ত শাহাবুদ্দীন ধর্ষণের দায় স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, আমি ধর্ষণ করেছি, চেয়ারম্যান মেম্বার ও এলাকাবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সুস্থ হলে আমি তাকে বিয়ে করবো।

পাটুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ ইফরানুল হক ভূইয়া জামান ও ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া বলেন, ঘটনাটি খুবই লজ্জাজনক। আগে ধর্ষিতা সুস্থ হওয়ার পর আমরা সামাজিকভাবে ধর্ষক শাহাবুদ্দীনের সাথে ওই নারীর বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করবো।

বেলাব থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার রায় বলেন, ঘটনাটি আপনাদের মাধ্যমেই প্রথম জানতে পেরেছি। জানামতে এ ব্যাপারে কেউ থানায় কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর



‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন জুনে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে আগামী জুন মাসের শেষেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন নিয়ে ধোঁয়াশার কোনো কারণ নেই। আমি মন্ত্রী হিসেবে জেনে-শুনেই বলছি, জুনেই সেতু উদ্বোধন করা হবে।’ বুধবার (১১ মে) বনানীস্থ সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের বোর্ড সভা শেষে সাংবাদিকদের সেতুমন্ত্রী এসব কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী মাসের শেষ দিকে আমরা পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ পাঠাচ্ছি। আমরা শেষ দিকে আছি, সামান্য কিছু কাজ বাকী। এটা মে মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে জুনের শেষেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হবে।

তিনি বলেন, আজকের বোর্ড সভায় আমরা কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেতু বিভাগের আওতায় বেশকিছু জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এরমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্প পদ্মা বহুমূখী সেতু।

সেতুর কাজের অগ্রগতি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, মূল সেতু বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৮ ভাগ, নদী শাসন ৯২ ভাগ, মূল সেতুর কার্পেটিং ৯১ ভাগ, সার্বিক সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজের অগ্রগতি ৯৩ দশমিক ৫০ ভাগ।

সেতুর নাম করণ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা বারবার প্রধানমন্ত্রীকে বলার চেষ্টা করেছি, সেতুর নাম শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু করার জোরালো দাবি এসেছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাজি হচ্ছেন না। উদ্বোধনের যে সামারি আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাব সেখানে আবারও নাম শেখ হাসিনা পদ্মাসেতু প্রস্তাব করা হবে। তিনিই নাম ঠিক করবেন, সেটা ওনার এখতিয়ার।

পদ্মা সেতুর টোল হার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে  ওবায়দুল বলেন, আমরা টোলের সামারি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠিয়েছি। তিনি যেটা অনুমোদন করবেন সেটাই হবে।’ পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জুলাই থেকে রেল সংযোগের কাজ শুরু হবে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল নির্মাণ। টানেল প্রকল্পের সার্বিক কাজের অগ্রগতি ৮৫ ভাগ। আশা করছি এ বছরই টানেল আলোর মুখ দেখবে।


আরও খবর



বায়ুদূষণে বছরে বিশ্বের ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রতি বছর বিশ্বে বায়ুদূষণের কারণে অন্তত ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়৷ এদের মধ্যে অর্ধেকই মারা যায় স্টোভ থেকে ঘরের মধ্যে সৃষ্ট ধোঁয়ার কারণে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, প্রতি আটজনের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ। ফলে বর্তমানে স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বায়ুদূষণ। লন্ডনের কিংস কলেজের পরিবেশ গবেষণা বিভাগের পরিচালক ফ্র্যাঙ্ক কেলি বলেছেন, ‘‘আমরা সবাই নিঃশ্বাস ত্যাগ করি, যা দূষণের প্রধান একটি কারণ আর এটি বন্ধ করার কোন উপায় নেই।''

বায়ুদূষণের ক্ষতিকর দিকটি হল, ছোট ছোট উপাদান ফুসফুসে ঢুকে যেতে পারে, সেখানে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে। বিজ্ঞানীরা এও বলছেন, বায়ুদূষণই হয়ত হৃৎপিণ্ডের প্রদাহের জন্য দায়ী। এর থেকে হার্ট অ্যাটাক হয় বলে ধারণা করছেন তারা।

বায়ুদূষণে মৃত্যুর হার

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে ঘরের ভেতরে সৃষ্ট দূষণের কারণে ৪৩ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষ করে এশিয়ায় যারা ঘরের ভেতর কাঠ বা কয়লার স্টোভে রান্না করেন, তাদের ক্ষেত্রে দূষণের হারটা বেশি। সংস্থাটি বলছে, ২০১২ সালে ঘরের বাইরে সৃষ্ট বায়ুদূষণে নিহত হয়েছে ৩৭ লাখ মানুষ। উন্নয়নশীল দেশের ৯০ ভাগ মানুষের মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ।

বর্তমান পরিসংখ্যান আগের প্রায় দ্বিগুণ। জনসংখ্যা বৃদ্ধি বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। গত বছরের জরিপে দেখা গেছে বায়ুদূষণের কারণে অনেক মানুষ ফুসফুস ও মূত্রাশয়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে এও বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের ফলে মৃত্যুর হার পুরুষদের চেয়ে নারীদের বেশি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরিবার, নারী ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভাগের সহকারী পরিচালক ফ্ল্যাভিয়া বুস্ট্রেও জানালেন, দরিদ্র নারী ও শিশু যারা বেশিরভাগ সময় কয়লার স্টোভে রান্না করে তাদের বেশিরভাগই ইনডোর এয়ার পলিউশন'-এর শিকার। তাঁরা এটাও খতিয়ে দেখছেন সাহারা মরুভূমি থেকে উড়ে আসা ধুলোবালি, ডিজেল বা কয়লা পোড়ানো ধোঁয়ার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর কিনা। ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডনের বৈশ্বিক পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান মজিদ এজাতি বলেছেন, জীবনধারণের পন্থাটা পরিবর্তন করতে হবে, তবেই সম্ভব বায়ুদূষণ রোধ।

চীনে বায়ুদূষণ

মঙ্গলবার চীনে বায়ুদূষণ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণের কারণে চীনে জন্মের আগে শিশু মৃত্যু এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এ কারণে এক বছরে ব্যয় হচ্ছে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চীনের মন্ত্রিসভায় বিশ্বব্যাংক এবং স্টেট কাউন্সিলের উন্নয়ন গবেষণা কেন্দ্র যৌথভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা জানায়, চীন যখন নগরায়নের ক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ নেয়ার কথা ভাবছে, তখন নগরায়নের কারণে বায়ুদূষণ বেড়েই চলেছে। চীনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী চেন ঝো জানিয়েছেন, গত ১৪ মাসের গবেষণায় দেখা গেছে বায়ুদূষণের কারণে এক বছরে চীনে জন্মের আগেই মায়ের গর্ভেই ৫ লাখ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর