Logo
শিরোনাম

সোমালিয়ার মোগাদিসুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে হতাহত ২৮

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) ভোরে পূর্ব আফ্রিকার দেশটির রাজধানীতে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে বলে কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়। -রয়টার্স

বার্তাসংস্থাটি বলছে, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায় এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলি উঠতে দেখা যায়। সোমালিয়ার আমিন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের পরিচালক আব্দিকাদির আব্দিরহমান রয়টার্সকে জানান, বিস্ফোরণের পর এখন পর্যন্ত ৫ জন নিহত এবং আরও ২৩ জন আহত হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।এদিকে বিদ্রোহী গ্রুপ আল-শাবাব এই হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন গোষ্ঠীটির সামরিক অভিযান বিষয়ক শাখার মুখপাত্র আব্দিয়াসিস আবু মুসাব। রয়টার্সকে তিনি জানান, রাজধানী মোগাদিসুতে জাতিসংঘের একটি গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর প্রাণকেন্দ্র কে৪ জংশনে হওয়া এই বিস্ফোরণের মাত্রা ও তীব্রতা এতোটাই শক্তিশালী ছিল যে সেখান থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত মাকাসার নাম স্থানের দুটি স্কুলের দেওয়াল ভেঙে যায়। এছাড়া বেশ কিছু গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সোমালিয়ার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে এক দশকের বেশি সময় ধরে দেশটিতে লড়াই করছে সেই বিদ্রোহী গ্রুপটি।


আরও খবর



নির্বাচনী সহিংসতা বাড়ায় আমরা বিব্রত: সিইসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সহিংসতা বেড়ে যাচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বিষয়টির জন্য কমিশন বিব্রত ও উদ্বিগ্ন’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ইতিবাচক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিইসির পাশে থাকা নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। আমরা মেসেজ দিতে চাই এ ধরনের ঘটনা ঘটলে এর দায় তাদের ওপরেও বর্তাবে।’

এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন নির্বাচন কমিশনাররা। রুদ্ধদ্বার ওই বৈঠকে সিইসি ছাড়াও তিন জন নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা অংশ নেন। তবে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার উপস্থিত ছিলেন না। আগামী বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গেও বৈঠক করবে ইসি।


আরও খবর



মাটির ভাঁড়ে চা খেলে শরীরের উপর কেমন প্রভাব পড়ে?

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভাঁড়ে চা খেলে কী হয়, সে কথা না জেনেও অনেকে এতে চা খেতে পছন্দ করেন। তার কারণ পোড়া মাটির ছোট পাত্রটিতে গরম চা ঢাললে এক ধরনের সুবাস বেরোতে থাকে। কাচ বা চিনেমাটির পাত্রে তা হয় না। এই গন্ধই চা পানের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়।

কিন্তু শুধুই কি গন্ধ? না কি আরও কিছু হয় ভাঁড়ে চা ঢাললে? বিজ্ঞানীরা বলছেন, পোড়া মাটির পাত্রে চা ঢাললে, তাতে কিছু সামান্য রাসায়নিক বদল হয়। তবে এর কোনওটিই মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়। বরং উল্টোটাই। ভাঁড়ে চা খেলে কিছু কিছু সুবিধাও হতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মতে, পোড়া মাটির পাত্রে চায়ের মতো উষ্ণ পানীয় ঢাললে, তার পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ রূপে বজায় থাকে। কাগজ বা প্লাস্টিকের কাপে তা হয় না। শুধু তাই নয়, চা খেলে অনেকেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়। বিশেষ করে দুধ মেশানো চা খেলে অনেকেই অম্বলে ভোগেন। মাটির ভাঁড়ে চা খেলে এই সমস্যা অনেক কমে যায়। তার প্রধান কারণ, পোড়া মাটি চায়ের অম্লতার পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

কাগজ বা প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া সবচেয়ে বিপজ্জনক। এমনই মত বিজ্ঞানীদের। কারণ এতে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। কিন্তু এ সব দিক থেকে মাটির ভাঁড় একেবারে নিরাপদ।

নিউজ ট্যাগ: মাটির ভাঁড়ে চা

আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী একজন আর্কিটেক্ট: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী একজন যোগ্য আর্কিটেক্ট (স্থপতি) বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, দেশ গড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী একজন আর্কিটেক্ট। তার কারণ হলো- তার প্রজ্ঞা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে।

বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০২৬ সালে বাংলাদেশ উন্নয়শীল দেশের কাতারে যুক্ত হবে। আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য ২০৩১ সালের মধ্যে দেশকে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করা এবং ২০৪১ সালে দারিদ্র অবসান করে উচ্চ আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।

আইনমন্ত্রী বলেন, এমন কোনো পরিকল্পনা বাংলাদেশের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ নেয়নি। তিনি একটা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা নিয়েছেন, যেটা ২০২১ সাল পর্যন্ত। এটি ব্যতিক্রম। এটাতে বোঝা যায়, তিনি একজন আর্কিটেক্ট।

শুক্রবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (কেআইবি) অডিটোরিয়ামে সিনিয়র কৃষিবিদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের ঢাকা মেট্রোপলিটন শাখা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

১২ নভেম্বর দুটি কারণে উল্লেখযোগ্য দিন বলে মনে করেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই দিনে ইনডেমনিটির মতো কালো আইন বাতিল করে আইনের শাসনের দ্বার উন্মোচন হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে এই কালো আইন বাতিল করা হয়। তার ফলেই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড ও জেল হত্যার বিচার হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকে দিনটি আরেকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো ১৯৭০ সালের এই দিনে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল। সেই ঘূর্ণিঝড়ে বহু মানুষ হতাহত হয়। তখন কিন্তু পাকিস্তান সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বঙ্গবন্ধু সেদিন পদক্ষেপ নেওয়ায় ১৯৭০ সালের নির্বাচনে তার বেশ প্রভাব পড়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গবেষণাবান্ধব উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গবেষণায় গুরুত্বারোপ করেন। ২০০৯ সালে তিনি গবেষণার জন্য প্রচুর টাকা দিয়েছেন। মন্ত্রী পরিষদের বৈঠকে আমি দেখেছি, গবেষণার জন্য তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।

আইনমন্ত্রী কৃষিবিদদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা গবেষণা চালিয়ে যাবেন। সেই জন্য সরকার আপনাদের সব ধরনের সহযোগিতা করবে। ১৯৯৬ সালের ২৬ লাখ টন খাদ্য সঙ্কট থেকে এখন খাদ্যশস্যে উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী সারের দাম কমিয়েছেন। তিনি কৃষকবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশ। যেখানে প্রতিনিয়ত জনসংখ্যা বাড়ছে। নগরায়ন হচ্ছে, শিল্পায়ন হচ্ছে, কৃষি জমি কমছে। এর সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত প্রভাবও রয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে খাদ্য সঙ্কট হওয়া স্বাভাবিক। এটা মোকাবিলা করা আপনাদের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমি বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর দেখানো গবেষণা আপনারা চালিয়ে যাবেন। আপনাদের গবেষণার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন হবে, সেই অর্থ সরকার সব সময় দেবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যার জন্য মানুষ গর্ব করবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মো. লিয়াকত আলী জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভুঁইয়া, কেআইবির মহাসচিব মো. খায়রুল আলম (প্রিন্স), আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. তাসদিকুর রহমান সনেট প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আরও খবর



করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৫৬

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৮৩৩টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ৫৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৭ হাজার ২২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীসহ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ পাঁচ ও নারী দুজন। মৃতদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চারজন ও বেসরকারি হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৭ হাজার ৮৮০ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৫৬ জন। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৫ লাখ ৭০ হাজার ২০৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সরকারি ও বেসরকারি ৮৩৩টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ৫৮টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৭ হাজার ২২৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত এক কোটি তিন লাখ ৪৯ হাজার ৮৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। দেশে গত বছরের অর্থাৎ ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা পরীক্ষার ভিত্তিতে রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।

এদিকে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২৩৭ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭৩ জনে।

অন্যদিকে করোনায় মৃত সাতজনের মধ্যে চল্লিশোর্ধ দুজন, ষাটোর্ধ্ব একজন , সত্তোরোর্ধ্ব একজন, আশি বছরের বেশি বয়সী দুজন এবং ৯০ বছরের বেশি বয়সী একজনের মৃত্যু হয়।

বিভাগওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত সাতজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিনজন, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা যান।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



ত্রিপুরায় অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ২১ নভেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর যুব তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপির নির্দেশে অন্যায়ভাবে যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও উত্তাল হয়ে ওঠে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা। 

এদিন সকাল থেকেই আগরতলা পূর্ব থানায় ছিলেন সায়নী। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

তৃণমূল নেতাদের দাবি, শনিবার রাতে প্রচার সেরে হোটেলে ফিরছিলেন তৃণমূল নেত্রী সায়নী। গাড়িতে চালকের পাশের আসনেই বসেছিলেন তিনি। পেছনের আসনে বসেছিলেন তৃণমূলের সাবেক সংসদ সদস্য অর্পিতা ঘোষ ও সুদীপ রাহা। এরইমধ্যে যানজটে আটকে পড়ে গাড়ি। আশপাশের মানুষ সায়নীকে দেখে হাত নাড়েন এবং ‌খেলা হবে‌ স্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় তৃণমূল নেতানেত্রীরাও পালটা স্লোগান দেন। পুলিশের দাবি, তখনই নাকি সায়নীর গাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তি আহত হন। তার বিরুদ্ধে ৩০৭, ১৫৩ এবং ১২০ বি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেন, ভিত্তিহীন অভিযোগে সায়নীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির যে ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন এবং সাজানো। রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামীকাল আগরতলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা আছে। তা বানচাল করতেই সায়নীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারির পরও আদালতে পেশ করা হচ্ছে না। যাতে সায়নী জামিন পেতে পারেন।


আরও খবর