Logo
শিরোনাম

সৌদি আরবে আরও ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সৌদি আরবে আরও দুই বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার মদিনায় তারা দুজনই মারা যান। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি হজযাত্রী মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়জনে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্কের হজের প্রতিদিনের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মৃতরা হলেন- রংপুর পীরগাছার মো. আব্দুল জলিল খান (৬২) এবং ঢাকার কোতোয়ালির বিউটি বেগম (৪৭)। তারা দুজনই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে হজ করতে গিয়েছিলেন।

মৃতদের মধ্যে মো. আব্দুল জলিল খান মঙ্গলবার রাতে মদিনার মসজিদে নববীর ৩৮ নং গেটের কাছাকাছি রিয়াজুল জান্নাহয় প্রবেশের সময় ইন্তেকাল করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- BX0552614। আর বিউটি বেগম স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোরে মদিনার কিং ফাহাদ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তার পাসপোর্ট নম্বর- EA0009584।

বুলেটিনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৭৮টি ফ্লাইটে সৌদি আরবে গেছেন ২৮ হাজার ৩০৯ জন হজযাত্রী। সৌদি আরব যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার ৩ হাজার ৩৮৫ জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ২৪ হাজার ৯২৪ জন রয়েছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৪৩টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৩০টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, এবার হজে সৌদি এয়ারলাইন্স ২৩ হাজার ৫৪৫ জন এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ২৯ হজযাত্রী বহন করবে।

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীর কোটা ৪ হাজার জন। অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় কোটা ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন।

হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাওয়ার ফ্লাইট গত ৫ জুন শুরু হয়েছে। সৌদি আরবে যাত্রার শেষ ফ্লাইট ৩ জুলাই। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু আগামী ১৪ জুলাই, ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে ৪ আগস্ট।


আরও খবর



মেরুর বরফ ছাড়া কি শ্বেত ভালুক বাঁচবে?

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পোলার বিয়ার বা শ্বেত ভালুকের প্রধান আবাসস্থল মেরু অঞ্চলের হিমশীতল পরিবেশ। কিন্তু বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে যেভাবে মেরুর বরফ গলতে শুরু করেছে, তাতে বিনষ্ট হচ্ছে তাদের বাসস্থান। এরই মধ্যে বিপণ্ন প্রাণীর তালিকায় নাম উঠে এসেছে শ্বেত ভালুকের। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা না গেলে এই শতাব্দীর শেষের দিকে প্রাণীটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। এ অবস্থা আশার আলো দেখাচ্ছে ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের সা¤প্রতিক এক গবেষণা।

এতে দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করা একদল শ্বেত ভালুক তুলনামূলক কম শীতল পরিবেশেই বছরের পর বছর ধরে বংশবৃদ্ধি করছে। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, মেরু অঞ্চলের বরফ ছাড়াই এদের কিছু প্রজাতি হয়তো ভবিষ্যতে টিকে থাকতে পারবে। স¤প্রতি দ্য জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দক্ষিণপূর্ব গ্রিনল্যান্ডের পাহাড়ি এলাকাটিতে বছরে মাত্র ১০০ দিনের মতো সামুদ্রিক বরফ থাকে। সেখানেই কয়েকশ শ্বেত ভালুক তুলনামূলক কম উষ্ণ পানিতে শিকারে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে।

ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটনের বিজ্ঞানী ও গবেষণা প্রতিবেদনের প্রধান লেখক ক্রিস্টিন লেড্রে বলেন, শ্বেত ভালুকগুলো বছরে আট মাসেরও বেশি সময় সামুদ্রিক বরফবিহীন এলাকাটিতে বেঁচে থাকে। কারণ সেখানে হিমবাহ, মিঠাপানি ও বরফের সংযোগ রয়েছে। বড় প্রশ্ন হলো- মেরু ভালুকরা কোথায় টিকে থাকতে পারবে? আমি মনে করি, এমন জায়গার ভালুকগুলো আমাদের সে বিষয়ে অনেক কিছু শেখাতে পারে।

প্রতিবেদনের সহ-লেখক ও জিনতত্ত¡বিদ ড. বেথ শাপিরো জানান, তারা পৃথিবীর সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন শ্বেত ভালুকের দল পর্যবেক্ষণ করেছেন। এই দলটি অন্তত কয়েকশ বছর ধরে অন্য মেরু ভালুকদের থেকে আলাদা বসবাস করছে।  বিচ্ছিন্ন এসব শ্বেত ভালুকের খুব একটা উন্নতি হচ্ছে তা নয়। এদের বংশবৃদ্ধির গতি খুবই ধীর এবং আকারেও ছোট। পৃথিবীতে আনুমানিক ২৬ হাজার শ্বেত ভালুক অবশিষ্ট রয়েছে। এটি স্পষ্ট যে, আমরা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার কমাতে না পারলে মেরু ভালুক বিলুপ্ত হওয়ার পথে। এই অসাধারণ প্রজাতি সম্পর্কে আমরা বেশি বেশি শিখতে পারলে তাদের আরও ৫০ থেকে ১০০ বছর বেঁচে থাকতে সাহায্য করতে পারবো।

নিউজ ট্যাগ: শ্বেত ভালুক

আরও খবর



ফের চালু হলো আগরতলা-কলকাতা ভায়া ঢাকা বাস সার্ভিস

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আগরতলা-কলকাতা ভায়া ঢাকা বাস সার্ভিস পুনরায় চালু হলো। শুক্রবার (১০ জুন) আগরতলার আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই বাস পরিষেবা চালু করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের পরিবহন এবং পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায়, আগরতলা পৌর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, আগরতলার বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ, সহকারী হাইকমিশনের প্রথম সচিব রেজাউল হক চৌধুরী, ত্রিপুরা সরকারের সড়ক পরিবহন নিগমের (টিআরটিসি) সচিব এল এস ডার্লং, টিআরটিসি'র ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাজেশ দাস, আগরতলার আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্টের ম্যানেজার দেবাশিস নন্দিসহ ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের আধিকারিকরা।

অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সরকারের পরিবহন এবং পর্যটন দপ্তরের মন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায় বলেন, 'এই বাস সার্ভিস আগেও ছিল মধ্যে করোনা মহামারির কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ ছিল। তবে এই বাস পরিষেবাকে ঘিরে ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে। এই বাস পরিষেবার ফলে খুব দ্রুত আগরতলা থেকে ঢাকা এবং কলকাতাতে যাওয়া সম্ভব। সেই সঙ্গে তিনি আশা ব্যক্ত করেন সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি খুব দ্রুত বিমান পরিষেবা, রেল পরিষেবা এবং নৌ-পরিবহন পরিষেবায় ত্রিপুরা এবং বাংলাদেশ সরাসরি যুক্ত হবে। 

তিনি আরো বলেন, শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন এই বাস চলবে। ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে দুই দেশের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও এই সম্পর্ক অটুট। 

অন্যদিকে নিজের বক্তব্যে বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার আরিফ মোহাম্মদ বলেন, এই বাস পরিষেবা হচ্ছে উভয় দেশের মৈত্রীর প্রতীক। বহু পরিশ্রমের ফলে এই পরিষেবা আবার চালু করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষ খুব সহজে এবং কম সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের আত্মীয়-পরিজন এবং ভারতের কলকাতা সহ অন্যান্য প্রান্তে যোগাযোগ করতে পারবেন। এই জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত সরকার এবং ত্রিপুরা সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। 

তিনি জানান, একইভাবে ঢাকা থেকে বাংলাদেশের বিআরটিসি'র একটি বাস কলকাতায় যাবে এবং কলকাতাতে পৌঁছানোর পর আগামী ১২জুন আগরতলার উদ্দেশে রওয়ানা দেবে।


আরও খবর



চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ধীরগতির আশঙ্কা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাম্প্রতিক লকডাউন শেষে চীনের অর্থনীতিতে পুনরুদ্ধারের লক্ষণ দেখা দিয়েছে। গত মাসে দেশটির কারখানা কার্যক্রম অপ্রত্যাশিতভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে ভোক্তা ব্যয় নিম্নমুখী রয়ে গিয়েছে। এটি কঠোর কোভিডজনিত নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কাটিয়ে অর্থনীতি টেনে তোলার ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারকদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। সব মিলিয়ে এ বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ধীর হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মার্চ ও এপ্রিলে চীনের কয়েক ডজন শহরে পূর্ণ বা আংশিক লকডাউন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের কঠোর আঘাত করেছিল। বাণিজ্যিক কেন্দ্র সাংহাইয়ে দীর্ঘায়িত লকডাউনসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিধিনিষেধ দেশটির অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়। এর পরে গত মাসে দেশটির কারখানা কার্যক্রম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের (এনবিএস) তথ্য অনুসারে, মে মাসে কারখানা কার্যক্রম দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। এর আগে এপ্রিলে ২ দশমিক ৯ শতাংশ পতন হয়েছিল। যেখানে রয়টার্সের জরিপে অর্থনীতিবিদরা গত মাসে কারখানা কার্যক্রম দশমিক ৭ শতাংশ সংকোচনের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কোভিডজনিত বিধিনিষেধ শিথিল এবং শক্তিশালী বৈশ্বিক চাহিদা শিল্প খাতের উন্নতিতে সহায়তা করেছে।

গত মাসে চীনের রফতানি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে দুই অংকের প্রবৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ কারখানাগুলো পুনরায় চালু হয়েছে এবং সরবরাহ চেইনে জটিলতা কিছুটা শিথিল হয়েছে। মে মাসে খনি খাতের বার্ষিক উৎপাদন ৭ শতাংশ বেড়েছে। যেখানে উৎপাদন শিল্প বেড়েছে দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে নতুন জ্বালানিচালিত গাড়ি উৎপাদন বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১০৮ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। চীনের ভোক্তা ব্যয় এখনো বড় ধরনের সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। কারণ ভোক্তারা সাংহাই ও অন্য শহরগুলো বাড়িতে সীমাবদ্ধ ছিলেন। গত মাসে দেশটির খুচরা বিক্রি বার্ষিক ৬ দশমিক ৭ শতাংশ কমেছে। আগের মাসের তুলনায় এ হ্রাসের হার ১১ দশমিক ১। যদিও শস্য, ভোজ্যতেল এবং খাদ্য ও পানীয়ের মতো মৌলিক পণ্যে বর্ধিত ব্যয়ের কারণে আরো বড় সংকোচনের আশঙ্কা করা হয়েছিল।

জংইউয়ান ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ওয়াং জুন বলেন, আমাদের ভোক্তা ব্যয় নিয়ে অত্যধিক আশাবাদী হওয়া উচিত নয়। কারণ পুনরুদ্ধারটি অনেক বেশি ধীর হয়েছে। বারবার কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে ভোক্তাদের আয় বাড়ার গতিও ধীর হয়েছে। পাশাপাশি তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক বেশি সতর্ক রয়েছেন। এ কারণে ভোক্তা ব্যয় হঠাৎ করে শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই। কোভিডজনিত বিধিনিষেধে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি খাত ক্যাটারিং শিল্পের বিক্রি গত মাসে ২১ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে। এপ্রিলে সংকোচনের হার ছিল ২২ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির চালক স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। যদিও ৬ শতাংশ বাড়ার আশা করা হয়েছিল। যদিও এটি চার মাসে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় ধীর হয়েছে। দেশটিতে বেকারত্ব হার এপ্রিলের ৬ দশমিক ১ থেকে মে মাসে ৫ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে। যদিও এটি সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ৫ শতাংশের উপরে রয়ে গিয়েছে।

ডাচ আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান আইএনজির প্রধান চীনা অর্থনীতিবিদ আইরিশ প্যাং বলেন, কারখানা কার্যক্রমের পরিসংখ্যান মে মাসের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি চিত্র তুলে ধরে। যদিও সব মিলিয়ে এ পরিসংখ্যান অনেক ধীর। সরকার সম্ভবত আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করার চেষ্টা করবে।

এ তথ্য প্রকাশের পর চীনা পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। এনবিএসের একজন মুখপাত্র ফু লিংহুই একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, নীতি সমর্থনের কারণে জুনে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে আরো উন্নতি হবে বলে আশা করছি। যদিও আন্তর্জাতিক পরিবেশ এখনো জটিল ও গুরুতর। আমাদের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে পুনরুদ্ধার এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের মূল সূচকগুলোও নিম্ন স্তরে রয়ে গিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চীন

আরও খবর



আঙ্গুল ফোটানো কি খারাপ?

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমাদের শরীরের অস্থিসন্ধিতে (যেমন হাতের আঙুলের যেখানটায় চাপ দেওয়া হয়) কিছু খালি জায়গা থাকে। এ জায়গাগুলো তরল অস্থিমজ্জা দিয়ে ভর্তি থাকে। এত দিন ভাবা হতো, আঙুল ফোটানোর সময় অস্থির মাঝে ফাঁক বেড়ে যায়। এর ফলে বুদ্‌বুদ সৃষ্টি হতো। সেটা বেড়িয়ে যাওয়াতেই সে শব্দটা সৃষ্টি হয়।

এ তত্ত্বটা ভুলে যেতে হচ্ছে। ফিলাডেলফিয়ার রথম্যান ইনস্টিটিউটের হাত ও কবজির চিফ অব সার্জারি ডা. পেদ্রো বেরেজিকলিয়ান জানাচ্ছেন, আঙুল ফোটালে কেন এমন আওয়াজ সৃষ্টি হয়, যখন আপনি আঙুল ফোটান কিংবা টানেন, তখন দুই হাড়ের মাঝে কিছু ফাঁকা জায়গা বের হয়। এতে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং সেখানে হাড়ের মজ্জা ঢুকে যায়। হঠাৎ করে এভাবে তরল ঢোকার ফলেই সে শব্দ সৃষ্টি হয়।’

অনেক তো জ্ঞান নেওয়া হলো, কিন্তু আসল প্রশ্নের জবাব কোথায়? এভাবে আঙুল ফোটালে কি আসলেই হাড়ের ক্ষয় হয়? ডা. বেরেজিকলিয়ান বলছেন, না! আঙুল টানাটানি কিংবা ফোটানোর সঙ্গে শরীরের হাতের ক্ষয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, আঙুল ফোটানোর অভ্যাস অনেক বিস্তৃত। যদি ক্ষতিকরই হতো, তবে এ নিয়ে অনেক রিপোর্টই পাওয়া যেত। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। তাই হাড়ে সমস্যা কিংবা বাতের সঙ্গে আঙুল ফোটানোর কোনো সম্পর্ক নেই।’

এতেও বিশ্বাস না হলে ডোনাল্ড আনগারের ঘটনাটি শুনুন। আনগার নামের ক্যালিফোর্নিয়ার এক চিকিৎসক ৬০ বছর ধরে নিজের ওপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। প্রতিদিন নিয়ম করে বাঁ হাতের আঙুল ফুটিয়েছেন কিন্তু ডান হাত ধরেননি। এত দীর্ঘ পরীক্ষার ফল? দুই হাতের মাঝে কোনো পার্থক্যই খুঁজে পাননি ডক্টর আনগার। এত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য ২০০৯ সালে আইজি নোবেল’ বা ইগনোবেল পুরস্কারও জুটেছে তাঁর।

ফলে সারা দিন মোবাইল টিপে টুপে হাতের আঙুল যদি কড়কড়ে অনুভূতি এনে দেয়, পটাস-মটাস করে আঙুলগুলো একটু ফুটিয়ে নিতেই পারেন। ফুল ফোটানোর সাধ্য হয়তো আমাদের নেই, আঙুল ফোটানোর তো আছে!

নিউজ ট্যাগ: আঙ্গুল ফোটানো

আরও খবর

মাস্ক পরা ভুলে গেলো সবাই?

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




৩০ জুন: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ৩০ জুন ২০২২, বৃহস্পতিবার, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১৮১ তম দিন।

পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন অনেক জ্ঞানী-গুণিজন। একের পর এক রচনা করেছেন এবং করছেন ইতিহাসের পাতা। উন্মোচিত হয়েছে জগতের নতুন নতুন দিগন্ত। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সেই ইতিহাস চিন্তা, চেতনা ও প্রেরণার উৎস। যারা জন্মেছিলেন কিংবা চলে গেছেন আজকের এই দিনে। আবার বহু ঘটনাই রয়েছে ফেলে আসা সময়ের পথে। যেসব ঘটনা এনেছিল প্রশান্তি কিংবা রচনা করেছে অনাকাঙ্ক্ষিত দুঃস্বপ্নে নীলকাব্য। যা ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনেই।

ঘটনাবলি:

০৬৫৬ - ইসলামের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী (রা.) খেলাফত লাভ করেন।

১২৯৪ - সুইজারল্যান্ডের বার্ন থেকে ইহুদিদের বিতাড়ন করা হয়।

১৭৫৫ - ফিলিপাইনে ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী সব চায়নিজ রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেয়।

১৭৫৭ - বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ত্রিশ হাজার সেনা নিয়ে ইংরেজ অধিকৃত কোলকাতা দখল করেন।

১৭৫৭ - নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা স্বীয় পত্নী ও কন্যাসহ পালিয়ে যাবার সময় পথিমধ্যে রাজমহলে রাত কাটাতে গিয়ে তিনি ধরা পড়েন।

১৭৭২ - বাংলাদেশের রংপুরে ফকির মজনু শাহ জেহাদ শুরু করেন।

১৮৫৫ - ব্রিটিশবিরোধী সাঁওতাল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।

১৮৮৬ - ন্যায়বান গভরমেন্ট দক্ষিণ সাহাবাজপুর পরগনা কোর্ট অব ওয়ার্ডসের শাষনাধীনে গ্রহণ করে বাবু পিতাম্বর বন্ধ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী ম্যানেজার নির্ধারণ করে দৌলতখায় প্রেরণ করে।

১৮৯৪ - কোরিয়া চীন থেকে স্বাধীনতা পেয়ে জাপানের সহযোগিতা কামনা করে।

১৮৯৪ - লন্ডন টাওয়ার ব্রিজ উদ্বোধন করা হয়।

১৯০৮ - রাশিয়ার সাইবেরিয়ার বৈকাল হ্রদের উত্তর-পশ্চিমের দুর্গম পার্বত্য এলাকা টাঙ্গুস্কায় এক প্রচন্ড শক্তির বিস্ফোরন ঘটে।

১৯১৬ - রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯২০ - আয়াতুল্লাহ মীর্যা মোঃ ত্বাক্বী শিরাজীর নেতৃত্বে ইরাকের জনগণ বৃটিশ দখলদারদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করে।

১৯৩৪ - জার্মানিতে ফ্যাসিবাদী হিটলারের বিরোধীতা করায় প্রায় এক হাজার লোককে হত্যা করা হয়।

১৯৩৭ সালে এই দিনে বিশ্বের প্রথম জরুরী টেলিফোন নম্বর, ৯৯৯ লন্ডনে চালু হয়।

১৯৪১ - নাজি গ্রুপের অনুসারীরা ইউক্রেনের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৫৭ - আওয়ামী লীগের প্রাদেশিক প্রধান, মাওলানা ভাসানী দলের সভাপতি হিসেবে পদত্যাগ করেন।

১৯৬০ - কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বা জায়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৯৬৯ - নাইজেরীয় সরকার বায়াফ্রায় পাঠানো রেডক্রসের সব ধরনের সাহায্য বন্ধ করে দেন।

১৯৭১ - নিউইয়র্ক টাইমস’- এর প্রতিনিধি সিডনি শ্যানবার্গকে ঢাকা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

১৯৭১ - মুক্তিযোদ্ধারা তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে নীলমনিগঞ্জ, হালসা ও আলমডাঙ্গা রেল লাইন বিষ্ফোরকের সাহায্যে উড়িয়ে দিয়ে পাকসেনাদের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

১৯৭৪ - বিশিষ্ট রাজনীতিক ভাষাসৈনিক জাতীয় লীগ প্রধান জনাব অলি আহাদ বিশেষ ক্ষমতা আইনে গ্রেফতার হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক হন।

১৯৭৯ - সুদানের জেনারেল ওমর আল বাশীর অভ্যন্তরীন সংকটের সম্মুখীন সুদানের সাদেক আল মাহদীর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন।

১৯৯১ - দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদী শাসনের অবসান ঘটে।

১৯৯৩ - ভারতে বাবরী মসজিদ ভাঙ্গার প্রতিবাদে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে লাখো জনতা অযোধ্যা অভিমুখে প্রতীকি লংমার্চ শুরু করেন।

১৯৯৭ - বর্ণাঢ্য এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চীনের কাছে হংকং হস্তান্তর করা হয়।

২০০০ - সমাপ্য অর্থ বত্সরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হইতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণের কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য আইন প্রণয়ন করা হয় ৷

২০০২ - বিশ্বের সবচেয়ে বড় পাটকল আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেয় বিএনপি জোট সরকার৷

২০০৪ - গণপূর্ত অধিদপ্তর মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করে।

২০০৮ - র‌্যাব সাইকি ভবনের মালিক পীরজাদা, মহাগুরু, জ্যোতিষ সম্রাট আর ভণ্ড বাবা ড. জীবন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে ।

২০০৯ - গ্রামীণ মহিলা উন্নয়ন প্রকল্প সমাপ্ত হয়।

২০১১ - বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ হয়।

জন্ম:

১৪৭০ - অষ্টম চার্লস, তিনি ছিলেন ফ্রান্সের রাজা।

১৮০১ - ফ্রেডেরিক বাস্টিয়াট, তিনি ছিলেন ফরাসি অর্থনীতিবিদ ও তাত্তিক।

১৮৮৪ - জর্জ ডুহামেল, তিনি ছিলেন ফরাসি লেখক।

১৮৯৩ - হ্যারল্ড জোসেফ ল্যাস্কি, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ রাষ্ট্র বিজ্ঞানী।

১৯১১ - চেসোয়াফ মিওশ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পোলিশ কবি ও লেখক।

১৯১৭ - লিনা হরনে, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়ক ও ড্যন্সার।

১৯২৬ - পল বার্গ, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান প্রাণরসায়নী।

১৯৩৯ - হোসে এমিলিও পাচেকো, তিনি ছিলেন মেক্সিকান কবি ও লেখক।

১৯৪৩ - আহমদ ছফা, তিনি ছিলেন বাংলাদেশী লেখক, কবি ও সমালোচক।

১৯৫৪ - সেরযহ সারগসয়ান, তিনি আর্মেনিয় রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট।

১৯৬৩ - য়ংওইয়ে মাল্মস্টেন, তিনি সুইডিশ গিটারিষ্ট ও গীতিকার।

১৯৬৫ - গ্যারি এন্ড্রু প্যালিস্টার, তিনি সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৬৯ - সনাথ জয়াসুরিয়া, তিনি শ্রীলংকান সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ।

১৯৭৭ - জুস্টো ভিলার, তিনি প্যারাগুয়ের ফুটবলার।

১৯৭৮ - লুসিয়ানা লেওন লুসি, তিনি ছোটবেলা থেকে রাজনীতির মাঠে এবং অসংখ্য তরুণের মনে ঝড় তুলেন ।

১৯৮০ - রায়ান টেন ডেসকাট, তিনি ডাচ ক্রিকেটার।

১৯৮৩ - শেরিল কোল, তিনি ইংরেজ গায়ক, গীতিকার, ড্যন্সার ও মডেল।

১৯৮৬ - ফ্রেডয় গুয়ারিন, তিনি কলম্বিয়ান ফুটবলার।

মৃত্যু:

০৭১৩ - ইমাম জয়নুল আবেদিন, তিনি ইসলামের মহান বার ইমামদের মধ্যে অন্যতম।

১৬৬০ - উইলিয়াম অউগট্রেড, তিনি ছিলেন ইংরেজ মন্ত্রী ও গণিতবিদ।

১৭১৭ - নবাব মুর্শিদ কুলি খান, তিনি ছিলেন ছিলেন বাংলার প্রথম নবাব।

১৮৩৯ - দ্বিতীয় মাহমুদ খাঁ, তিনি ছিলেন তুর্কি সুলতান।

১৯১৭ - দাদাভাই নওরোজি, তিনি ছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের প্রথম এশীয় সদস্য।

১৯১৯ - জন উইলিয়াম স্ট্রাট ৩য় ব্যারন রেলি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী।

১৯৩৪ - কার্ট ভন সচলেইচের, তিনি ছিলেন জার্মান জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ২৩ তম চ্যান্সেলর।

১৯৫৭ - দক্ষিণারঞ্জন মিত্র, তিনি ছিলেন লোককথা সংগ্রাহক ও লেখক।

১৯৫৯ - শিশিরকুমার ভাদুড়ী, তিনি ছিলেন খ্যাতনামা নাট্যকার ও অভিনেতা।

১৯৬২ - প্রমীলা নজরুল, তিনি ছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলামের পত্নী ।

১৯৭১ - ভ্লাডিস্লাভ ভোল্কোভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান প্রকৌশলী ও মহাকাশচারী।

১৯৭৪ - এ্যালবার্ট কিং, তিনি ছিলেন মার্টিন লুথার কিং এর মা।

২০০১ - চ্যাট অ্যাটকিন্স, তিনি ছিলেন আমেরিকান গায়ক, গীতিকার, গিটার ও প্রযোজক।

২০০৩ - বাডি হাকেট, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা ও কৌতুকাভিনেতা।

২০০৯ - পিনা বাউসচ্, তিনি ছিলেন জার্মান ড্যন্সার, কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক।

২০১৪ - পল মাযুরস্কয়, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।

নিউজ ট্যাগ: ইতিহাসে এই দিনে

আরও খবর

ইতিহাসে আজকের এই দিনে: ২১ জুন

মঙ্গলবার ২১ জুন ২০২২