Logo
শিরোনাম

সৌদি পৌঁছেছেন ১১ হাজার হজযাত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছর পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। হজ সম্পর্কিত প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে জানা যায়, (১৫ জুন রাত ২টা) পর্যন্ত ১১ হাজার ১২০ জন হজযাত্রী সৌদি আরব পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩ হাজার ৩৮৩ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রী ৭ হাজার ৭৩৭ জন।

এ ছাড়া, মঙ্গলবার পর্যন্ত ২৮টি হজ ফ্লাইট সৌদি গেছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালিত ১৬টি, সৌদি এয়ারলাইনসের ৭টি ও ফ্লাইনাসের ৫টি ফ্লাইট হজযাত্রী নিয়ে গেছে। বাংলাদেশি হজযাত্রীদের মধ্যে এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মো. জাহাঙ্গীর কবির। ১১ জুনই BG3013 ফ্লাইটে সৌদি পৌঁছান তিনি।

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই হজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজে সৌদি যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। গত ৫ জুন হজের প্রথম ফ্লাইট ঢাকা ছাড়ে। শেষ হবে ৩ জুলাই। হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে আগামী ১৪ জুলাই। শেষ হবে ৪ আগস্ট।


আরও খবর



শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি রুটে ফেরি চলাচল শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তীব্র স্রোতের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত থেকে শরীয়তপুরের শিমুলিয়া ও মাঝিকান্দি রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। তবে পদ্মায় স্রোত কমে যাওয়ায় সোমবার (২০ জুন) সকাল ৭টা থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে ।

বিআইডব্লিউটিসির মাঝিকান্দি ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন বলেন, নদীতে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় রাতে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ৭ ঘণ্টা পর সকাল থেকে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির সূত্রে জানা যায়, রাতে শিমুলিয়া ও কাওড়াকান্দি ঘাটের ফেরি চলাচল বন্ধ থাকে। রোববার সন্ধ্যার পর থেকে নৌপথের বিভিন্ন স্থানে স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে চালকদের ফেরি চালাতে সমস্যা হচ্ছিল। ফলে সন্ধ্যায় যেসব ফেরি জাজিরা প্রান্তের সাত্তার মাদবর-মঙ্গলমাঝির ঘাটে গিয়েছিল, সেগুলো শিমুলিয়ায় ফেরার পর থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এদিকে রোববার ভোরের দিকে দুই ফেরির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় একজন নিখোঁজ ও আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

নিউজ ট্যাগ: ফেরি চলাচল শুরু

আরও খবর



যে কয়েকটি সাজ মেয়েদের জন্য হারাম

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুধুমাত্র স্বামীকে দেখানোর জন্য মেয়েদের সাজসজ্জার অনুমতি রয়েছেন। আর বাকি সব অবস্থায় নারী পর্দা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন মহান রাব্বুল আলামিন। রাসূল পাক (সা.) হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, স্বামী, বাবা এবং আপন ভাইয়ের সামনে যাওয়া ইসলাম সমর্থন দিয়েছে। তাদের সামনে একটু আধটু সাজসজ্জায় কোনো বাধা নেই।

তবে সাজসজ্জা শুধুমাত্র স্বামীকে দেখানোর জন্যই প্রযোজ্য। তারপরও ইসলামে নারীর সাজের ব্যাপারে বেশ কিছু বিধি-নিষেধ রয়েছে।

যেমন:

কপালে টিপ পড়া:

আসুন আজ আমরা জেনে নেই টিপ কোথা থেকে এসেছে?  আর কেনই বা রাসূল (সা.) নারীদের কপালের মধ্যেখানে বড় ধরনের টিপ পড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করার জন্য চড়ক স্থাপন করেছিল; তখন ফেরেশতারা অন্যপ্রান্ত থেকে বাধা দিচ্ছিল। তখন শয়তান এসে নমরুদের লোকেদের পরামর্শ দিয়েছিল, যখন ফেরেশতারা বাধা দেবে তখন তাদের সামনে খারাপ নারীদের এনে রাখতে। যাদের কপালে টিপ থাকবে এবং তারা উলঙ্গ থাকবে। এতে করে রহমতের ফেরেশতারা দূরে সরে যাবে। তাই করা হলো। নারীদের উলঙ্গ করে এনে সামনে বসিয়ে দেয়া হলো। অতঃপর রহমতের ফেরেশতারা চলে গেল। তখন থেকে নারীদের কপালে টিপ দেয়া বিধানটি ইসলামে নিষিদ্ধ রয়েছে। কারণ এটি খারাপ কর্মে লিপ্ত নারীদের প্রতিক হিসেবে ধরা হতো।

তবে যে সব নারীরা কপালে টিপ দিয়ে থাকেন। তারা সবাই দুশ্চরিত্রা বা খারাপ এই কথাটি কোনো ভাবেই বলা যাবে না। তবে না জেনেই সাধারণত নারীরা এই কাজটি করে থাকেন। আশাকরি খারাপ দৃষ্টি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেবেন। কপালে টিপ পড়বেন না।

পরচুলা বা নকল চুল লাগানো:

হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে নারী পরচুলা লাগায়, লাগিয়ে দেয় আর লাগাতে বলে। এছাড়া যে নারী গায়ে উল্কি আঁকে তাদেরকে অভিশাপ দেন রাসূল (সা.)। বর্তমানে নারীদেরকে দেখা যায় শরীরের বিভিন্ন অংশে অঙ্কন করে। যা ইসলামে পুরোপুরি নিষিদ্ধ কাজ। এমনকি এই পাপাচার মানুষকে পথভ্রষ্ট করে ফেলে।

ভ্রু প্লাক করা:

স্বামী চাইলেও কপালের পশম চাঁছা ও ভ্রু প্লাক করা ইসলামে জায়েজ নেই। কেননা এর দ্বারা আল্লাহর সৃষ্টিতে পরিবর্তন করা হয়। যার অনুমতি ইসলামে নেই। এভাবে মুখে বা হাতে সুই ফুটিয়ে নকশা আঁকা বা ট্যাটু করাও বৈধ নয়। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, আল্লাহর অভিশাপ বর্ষিত হোক ওই নারীদের ওপর, যারা দেহাঙ্গে উল্কি উত্কীর্ণ করে এবং যারা করায়, যারা ভ্রু চেঁছে সরু (প্লাক) করে ও যারা সৌন্দর্য বৃদ্ধির মানসে দাঁতের মধ্যে ফাঁক সৃষ্টি করে এবং যারা আল্লাহর সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন আনে। (বোখারি, হাদিস : ৪৮৮৬)।

নখ বড় রাখা:

হাত-পায়ের নখ বড় রাখা বিজাতীয়দের স্বভাব ও একটি ঘৃণিত কাজ। অনেক সময় নখের ভেতর ময়লা জমে খাবারের সময় পেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রতি সপ্তাহে হাত-পায়ের নখ কাটা সুন্নত। অন্তত দুই সপ্তাহে একবার কাটলেও চলবে। তবে ৪০ দিনের বেশি না কাটা অবস্থায় অতিবাহিত হলে গুনাহ হবে। (মুসলিম, হাদিস : ২৫৮)

শরিরে ট্যাটু করা:

হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যে নারী পরচুলা লাগায়, লাগিয়ে দেয় আর লাগাতে বলে। এছাড়া যে নারী গায়ে উল্কি আঁকে তাদেরকে অভিশাপ দেন রাসূল (সা.)।

পারফিউম ব্যবহার করা:

সেন্ট, পারফিউম, বডি স্প্রে ইত্যাদিতে যদি কোনো ধরনের নাপাক বস্তু মিশ্রিত না থাকে, তাহলে তা ব্যবহার করা জায়েজ। মুসলিম নারীরা গৃহের মধ্যে অবশ্যই সুগন্ধি ব্যবহার করবে। (তুহফাতুল আহওয়াজি : ৮/৭১)


আরও খবর

দুই বছর পর পুরনো রূপে রথযাত্রা

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




বেড়েই চলছে সংক্রমণ

একদিনে করোনা শনাক্ত ১ হাজার ৬৮৫

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আরও ১ হাজার ৬৮৫ জনের ভাইরাসটিতে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৬২ হাজার ২১৪। তবে এই সময়ে সংক্রমিত হয়ে আর কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে মৃতের সংখ্যা আগের মতো ২৯ হাজার ১৩৫-ই রয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

দৈনিক শনাক্তের চিত্র থেকে দেখা যায়, গতবছরও (২০২১) জুন-জুলাই মাসে শনাক্তের ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে এসে তা কমতে থাকে। তবে জানুয়ারির মাঝামাঝি এসে তা আবার বাড়তে থাকে। প্রায় আড়াই মাস তাণ্ডব চালিয়ে মার্চের মাঝামাঝি এসে কমে আসে সংক্রমণ। আবার তিন মাস মাঝে বিরতি দিয়ে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। যা প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছেই। গতকালও শনাক্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩১৯ জন।

অধিদফতর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৮৫০টি। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ৮৩৩টি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ১ কোটি ৪২ লাখ ৭২ হাজার ৮৩৯টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ১৮ শতাংশ; যা এখন পর্যন্ত মোট শনাক্তের হারের প্রায় কাছাকাছি। এখন পর্যন্ত মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

এদিন নতুন করে ভাইরাসটি থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন আরও ১৮৫ জন। আর এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৪১৭ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর মারা গেছেন ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


আরও খবর

করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২১৮৩

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




ইভিএমে ত্রুটি, ৪২ মিনিট বন্ধ ছিল ভোট

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে ১০৫টি কেন্দ্রে চলছে ভোট।

সকালে নগরীর পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড কুমিল্লা হাইস্কুল মহিলা ভোটার কেন্দ্রে শুরুতেই ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে দেখা দেয় সমস্যা। ৬টি বুথের এক নম্বর বুথে ইভিএম মেশিনটি বিকল হয়ে যায়। যে কারণে ৪২ মিনিট কোনো ভোটগ্রহণ হয়নি এই বুথে। পরে মোবাইল কারিগরি টিমের সদস্য এসে বিকল মেশিনটি পরিবর্তন করে দিলে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়।

ইভিএম কারিগরি মোবাইল টিমের সদস্য আবদুল আজিজ নোমান বলেন, এখানে মনিটরে সমস্যা হচ্ছিলো। তারপর দেখলাম মেশিনেও সমস্যা। তারপর আমরা মেশিনটি পাল্টে দিয়েছি

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, শুরুতে এখানে ভোট মনিটরে দেখা যাচ্ছিলো না। আমরা দ্রুত মোবাইল কারিগরি টিমকে খবর দেই৷ এখন মেশিন ঠিক আছে। ভোট স্বাভাবিক চলছে।

প্রসঙ্গত, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে দুটি কেন্দ্র রয়েছে। কুমিল্লা হাইস্কুল কেন্দ্রে নারীদের ভোট নেওয়া হচ্ছে। এখানে ১৯০০ জন নারী ভোটার রয়েছেন।


আরও খবর



দুই কিলোমিটার সড়কে ১২টি গতিরোধক

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:

সাধারণত সড়কে দুর্ঘটনা রোধে গতিরোধক দেয়া হয়। কিন্তু ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়ার জিরানী-আমতলা সড়কের বিভিন্ন স্থানে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে যত্রতত্র গতিরোধক নির্মাণ করায় ঘটছে প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনা। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাতায়াতকারী বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীদের। সড়ক ও জনপথ থেকে কোন রকম অনুমোদন না নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সামনে ইচ্ছামত তৈরি করেছে গতিরোধক।

সরেজমিনে আশুলিয়ার জিরানী-আমতলা সড়কের জিরানী বাজার থেকে কলেজপাড় কলাবাগানস্ট্যান্ড পর্যন্ত মাত্র ২ কিলোমিটার সড়কে ১২টি গতিরোধক রয়েছে। এসব গতিরোধক বিভিন্ন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের সামনে ব্যক্তিগতভাবেই তৈরি করা হয়েছে। জিরানী বাজার পাড় হলেই আমতলা সড়কের শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল মান্নানের বাড়ির সামনে সড়কে একটি, ৫০ গজ পার হলেই আরেকটি, চিড়িংগা পুকুরপাড়ে দুইটি, টেংগুরিতে দুইটি, স্প্রিং ট্রেড লিমিটেডের সামনে দুইটি, ইকরা প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাইস্কুলের সামনে দুইটি, আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান ডিগ্রী কলেজের সামনে একটি এবং কলাবাগান নিউ পপুলার হাসপাতালের সামনে একটি। এগুলোর সবক'টি কোন অনুমোদন না নিয়ে এবং নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ব্যক্তিগতভাবে তৈরি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, যত্রতত্র গতিরোধক স্থাপন করায় উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশী হচ্ছে। গতিরোধকের আগে-পরে নেই কোন সতর্কীকরণ চিহ্ন বা জেব্রা ক্রসিং। গতিরোধকগুলো এতো উঁচু করা হয়েছে যার কারণে গাড়ি চালানোর সময় জোরে ঝাঁকুনির সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে চালক ও যাত্রীদের মধ্যে প্রায়ই বাক-বিতাণ্ডার সৃষ্টি হয়। অপরিকল্পিত গতিরোধক নির্মাণের ফলে সাইকেল, ভ্যান, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি চালকরা প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়ছেন। প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। আর পরিকল্পনা ছাড়া স্থাপন করা উঁচু উঁচু এসব গতিরোধকই পথচারীর জন্য যেন মৃত্যুফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়রা আরো জানায়, সড়কের পাশে পাঁচ সাতটি দোকান থাকলেই তার দুই পাশে দেয়া হয়েছে গতিরোধক। পোশাক কারখানা, দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনার সামনে ইচ্ছামতো দেয়া হয়েছে গতিরোধক। রং না থাকায় গতিরোধকগুলো রাতে বোঝার কোন উপায় থাকে না। তাই প্রায়শই ঘটে দুর্ঘটনা।

টেংগুরি এলাকার স্প্রিং ট্রেড লিঃ নামের একটি কারখানার সামনে ব্যক্তিগতভাবে মূল ফটকের সামনে ইচ্ছামত দেয়া হয়েছে গতিরোধক। যা নির্মাণ করতে কোন অনুমোদন বা নিয়ম নীতি মানা হয়নি। উচু করে গতিরোধক দেয়ার কারণেই এখানে ঘটছে দুর্ঘটনা।

কলাবাগান এলাকায় নিউ পপুলার হাসপাতালের সামনে এর মালিক ইচ্ছামত নির্মাণ করেছে গতিরোধক। যেখানে ঘটছে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটানা।

ইকরা প্রিক্যাডেট এন্ড হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামাফিকভাবেই রাস্তার উপর নির্মাণ করেছে দুটি গতিরোধক। যেখানে কোন নিয়ম মানা হয়নি।

এছাড়াও টেংগুরি, চিড়িংগা পুকুরপাড়, মেম্বারের বাড়ির সামনে, কলেজপাড়সহ বিভিন্ন স্থানে মোট ১২টি গতিরোধক দেয়া হয়েছে। যার কোনটিরই কোন অনুমোদন নেই।

এই সড়ক দিয়ে চলাচল করা বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা জানায়, উঁচু করে বিট দেয়ার কারণে অনেক সময় গাড়ি তোলা যায় না আবার যখন বিট থেকে গাড়ি নামে তখন যাত্রীরা কোমরে ব্যথা পায় এবং গাড়ির ক্ষতি হয়। এসব বিট দুর্ঘটনা রোধ করার জন্য দিলেও ঘটছে দুর্ঘটনা।

তারা জানায়, দিনের বেলায় মোটামুটি দেখা গেলেও কোন প্রকার রং কিংবা জেব্রা ক্রসিং না দেয়ার কারণে প্রতিনিয়তই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। অথচ গতিরোধক দেয়া হয়েছে মূলত দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেতে। এছাড়া টেংগুরি, কোনাপাড়া, মরিচকাটা, কলেজপাড়, গোহাইলবাড়ি, রাঙ্গামাটি কিংবা শিমুলিয়া অঞ্চলে কোন অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে সড়কে অতিরিক্ত গতিরোধকের কারণে ঘটনাস্থলে ফায়ারসার্ভিস পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটে। যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই গতিরোধকগুলো যত দ্রুত সম্ভব অপসারণের দাবি জানান তারা।

এব্যাপারে শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ জানান, এগুলো নির্মাণ করার সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে বাঁধা দিয়েছিলেন। কিন্তু লাভ হয়নি। তবে ঈদের পরে এগুলো যাতে সড়কে না থাকে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

সাভার উপজেলা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রামাণিক জানান, জিরানী-আমতলা সড়কের গতিরোধকগুলোর কোন অনুমোদন নেই। দুই বছর আগে রাতের আঁধারে যখন করেছে তখন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছিল। গতিরোধক দিতে হলে ডিসি অফিস থেকে অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু এগুলো কিছুই করা হয়নি। সম্পূর্ণ অবৈধভাবেই ব্যক্তিগতভাবে গতিরোধকগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।


আরও খবর