Logo
শিরোনাম

সৌদিতে গাড়ি চাপায় নোয়াখালী প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১০০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় মো.সাইফুল ইসলাম ওরফে সেলিম (৩৮) নামের এক নোয়াখালীর প্রবাসী যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সেলিম নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৩নং ডমুরুয়া ইউনিয়নের জিরুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের পাটোয়ারী বাড়ির মো. বাবুলের ছেলে। 

গতকাল সোমবার (৫ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সৌদি আরবের জেদ্দা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তার মৃতদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমাগারে রাখা হয়েছে। নিহত সাইফুল মৃত্যুকালে স্ত্রী ২ সন্তান রেখে গেছেন। 

নিহতের ছোট ভাই সুমন জানায়, জীবিকার সন্ধানে ২০২১ সালের জানুয়ারীতে চাকুরী নিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দায় যান সাইফুল। সোমবার কাজে যোগদান করে শেষে বিকেলে কাজ শেষে বাসায় ফেরার জন্য তিনি জেদ্দায় তার কর্মস্থলের সামনে রাস্তায় অবস্থান কালে একটি দ্রুত গতির গাড়ি তাকে চাপা দিলে সে গুরুত্বর আহত হয়। তাৎক্ষণিক পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সময় তার মৃত্যু হয়। সোমবার দিবাগত গভীর রাতে সৌদি আরব থেকে মুঠোফোনের মাধ্যেমে সেলিমে মৃত্যুর খবর বাংলাদেশ পৌঁছলে পরিবারের মাঝে শুরু হয় শোকের মাতম। নিহত সাইফুল ইসলাম সেলিম ৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে সে সবার বড়। লাশ দেশে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন নিহতের পরিবার।


আরও খবর



‘দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিতে ভূমিকা রাখবে ছাত্রলীগ’

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অতীতের গৌরবোজ্জ্বল পথ বেয়ে ছাত্রলীগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে ভূমিকা রাখবে এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।

ড. হাছান বলেন, আজকে ৪ঠা জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ছাত্রলীগের মিছিলের পেছনের সারির কর্মী হিসেবে আমার রাজনীতি শুরু হয়েছিল। সুতরাং আজকে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ দিনে ছাত্রলীগের সমস্ত নেতাকর্মীদের, সাবেক ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সবাইকে আমি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

বাংলাদেশের ইতিহাস আর ছাত্রলীগের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আমাদের বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও পরবর্তী সময়ে দেশ গঠনসহ সবক্ষেত্রে ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। সেই অতীতের গৌরবোজ্জ্বল পথ বেয়ে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাতে ছাত্রলীগ ভূমিকা রাখবে -সেটিই আমার প্রত্যাশা।

এ সময় সাংবাদিকরা বিএনপির আগামী কর্মসূচির ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন করলে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, আমরা বিএনপির সমস্ত কর্মসূচির সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখবো, প্রয়োজনে সতর্ক পাহারায় থাকবো এবং এই দেশে আর কখনো ২০১৩, ১৪, ১৫ সালের মতো পরিস্থিতি কাউকে তৈরি করতে দেবো না।

তথ্যমন্ত্রীর সাথে প্রণয় ভার্মার সাক্ষাৎ:

এর আগে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি, টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি, কানেকটিভিটি এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের ত্রিপুরা, দিল্লী ও অন্যান্য রাজ্যে আমাদের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো প্রচারে তেমন কোনো অসুবিধা না থাকলেও পশ্চিমবাংলায় দেখাতে পারে না। মূলত সেখানকার ক্যাবল অপারেটররা শুরুতেই কয়েক কোটি টাকা এবং বছরপ্রতি কোটি টাকা দাবি করে, যা আমাদের চ্যানেলগুলোর পক্ষে দেওয়া সম্ভব না। সে প্রেক্ষিতে কেন্দ্র সরকারের পক্ষ থেকে কিছু করা যায় কি না, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু বায়োপিক, দুদেশের যোগাযোগ বিশেষ করে আগরতলা, আখাউড়া ট্রেন রুটের অগ্রগতি, আমাদের ইকোনোমিক জোনগুলোতে ভারতের বিনিয়োগসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক বহুমাত্রিক এবং সেই সম্পর্ক রক্তের অক্ষরে লেখা। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সৈন্য এবং নাগরিকরা আমাদের সাথে জীবন দিয়েছে। সুতরাং দুদেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগ কিভাবে আরো বৃদ্ধি করা যায়, অনেক মানুষ চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে যায় কিন্তু ভিসা পেতে দেরি হয়, সেটিকে আরও কিভাবে সহজীকরণ করা যায় সে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি এবং হাইকমিশনার এ সকল বিষয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন বলেছেন।

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সাথে এটিই আমার প্রথম সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে যে অনন্য বন্ধন রচিত হয়েছে, গত এক দশকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাদের নির্দেশিত বিভিন্ন বিষয় বাস্তবায়ন এবং মানুষে মানুষে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতর করার বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।


আরও খবর



অস্ত্রের গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে ইউক্রেন যুদ্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় রাশিয়ার আগ্রাসন। এরপর থেকেই সামরিক সহায়তা হিসেবে দেশটিতে শত শত কোটি ডলারের অস্ত্র, গোলাবারুদ পাঠিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এখন বলছে, এক বছরে ইউক্রেনের যুদ্ধের ময়দান পরিণত হয়েছে অস্ত্রের গবেষণাগারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মার্কিন সমরাস্ত্রের সঙ্গে নিজস্ব উদ্ভাবনী কৌশলও প্রয়োগ করছে ইউক্রেনের বাহিনী। সেগুলো মুগ্ধ করছে পশ্চিমা কর্তাব্যক্তিদের।

যেমন- অভিনব এক সফটওয়্যার তৈরি করেছে ইউক্রেন। সে সফটওয়্যারটি আশপাশে বিদ্যমান কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোনকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। রিয়েলটাইমে খুঁজে দেয় শত্রুপক্ষকে। এখন গোটা ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী এর সুফল ভোগ করছে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তারা খুঁজে বের করছে শত্রুদের। মার্কিন কর্মকর্তারাও বলছেন, সফটওয়্যারটিকে কাজে লাগিয়ে রুশ লক্ষ্যে সুনিপুণভাবে আঘাত হানতে পারছে ইউক্রেনের সেনারা।  শুধু এই সফটওয়্যার নয়। আরও অনেক কিছু নিজেদের প্রয়োজন মাফিক তৈরি করে নিয়েছে ইউক্রেনের সেনারা। এ রকম সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে- ছোট প্লাস্টিক ড্রোন। যা মাথার ওপর শব্দ করে উড়ে বেড়ায় এবং রাশিয়ার ওপর গ্রেনেড ফেলে আসে। 

এ ছাড়াও ভারী যন্ত্রাংশ মেরামতে সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে বসেই বাড়তি যন্ত্রাংশ তৈরি করে নিচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টারের সহায়তায়। তারা সাধারণ পিকআপ ট্রাককে পরিণত করেছে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বাহনে। এমনকি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র কীভাবে পুরোনো সোভিয়েত যুদ্ধবিমান মিগ-২৯ এর সঙ্গে জুড়ে নেওয়া যায়, সে উপায়ও বের করেছেন ইউক্রেনীয় প্রকৌশলীরা। এরই বদৌলতে যুদ্ধের ৯ মাস পরেও আকাশে দাপটের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের বাহিনী। জলেও থেমে নেই ইউক্রেন।

সেখানেও নিজস্ব জাহাজ-ধংসকারী অস্ত্র নেপচুন তৈরি করে নিয়েছে দেশটির বাহিনী। এই অস্ত্রগুলো রাশিয়ার রণতরিতে প্রায় দুইশ মাইল দূর থেকে আঘাত হানতে পারে। ইউক্রেনের এই অভিনব প্রচেষ্টা মার্কিন কর্মকর্তাদের আকৃষ্ট করেছে। তারা কিয়েভের এ সক্ষমতাকে দেখছেন যুদ্ধক্ষেত্রের ম্যাকগাইভার সমাধান হিসেবে। এগুলো একদিক থেকে ইউক্রেনকে যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করছে। আরেক দিক থেকে পশ্চিমা অস্ত্রসম্ভারের যে ফাঁকফোকর আছে, তা ঘুচিয়ে দিচ্ছে।

মার্কিন কর্মকর্তা এবং বিশ্লেষকরা এখন বলছেন, ইউক্রেন যুদ্ধক্ষেত্রের গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে। যেখানে সস্তা এবং কার্যকরী সমাধানের নমুনা দেখা যাচ্ছে হরহামেশাই। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিচালক সেথ জোনস বলছেন, তাদের উদ্ভাবন অবিশ্বাস্যভাবে আকর্ষণীয়।  

আরও একটি দিক থেকে পুরো বিষয়টি মনোযোগ কাড়ছে বিশেষজ্ঞদের। তা হলো- ইউক্রেনের বদৌলতেই প্রথমবারের মতো অনেক অস্ত্র হাতেনাতে ব্যবহার হতে দেখা যাচ্ছে। অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতিও ধরা পড়ছে। পশ্চিমা গোয়েন্দা বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক সূত্র এ প্রসঙ্গে বলেন, এটি বাস্তব বিশ্বের যুদ্ধপরীক্ষা।  ইউক্রেন যুদ্ধের বরাতে নিজেদের বিভিন্ন অস্ত্র ও ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রচুর তথ্য-উপাত্ত পাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে অনেক কিছুই নতুন আলোতে দেখছে তারা। যেমন- ইউক্রেনকে সুইচব্লেড ৩০০ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যার মূল কাজ- শত্রুর রাডার ব্যবস্থায় আঘাত হানা। কিন্তু পরে দেখা গেল, যতটা ভাবা হয়েছিল, ততটা কার্যকরী নয় এটি।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এম১৪২ রকেট লঞ্চার বা হিমারস ইউক্রেনের সফলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব অস্ত্র ব্যাপকভাবে ব্যবহারে কী পরিমাণ সারাইয়ের প্রয়োজন পড়ে, সে সম্পর্কে পোক্ত একটি ধারণা পেয়েছেন মার্কিন কর্তাব্যক্তিরা। যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলছেন, ইউক্রেন নিজেদের স্বল্পসংখ্যক হিমারস ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে যেভাবে রুশ সেনাদের ওপর ধ্বংসলীলা চালিয়েছে, তা নিয়ে সামরিক নেতারা বছরের পর বছর গবেষণা করবেন।

ঠিক একইভাবে এম৭৭৭ হাওয়িটজারের কার্যকারিতা সম্পর্কেও ভালো ধারণা পেয়েছেন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। স্বল্প সময়ের মধ্যে বেশি গোলা ছুড়ে ফেললে নিজের রাইফেলিং ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে অস্ত্রটি।  ইউক্রেন যুদ্ধকে কাজে লাগিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদাররাও। তারা এ সুযোগে নিজেদের অস্ত্র নিয়ে গবেষণা করছেন। পাশাপাশি চলছে সেগুলোর প্রচারণাও। অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বিএই সিস্টেমস বলছে, রাশিয়ার সেনাদের সফলভাবে কামিকাজে ড্রোনের ব্যবহার তাদেরকে নতুন ঘরানার সাজোয়াঁ যান তৈরির ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছে। যা সেনাদেরকে মাথার ওপরের এ ধরনের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে পারবে।


আরও খবর



জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, শ্যামল দত্ত সাধারণ সম্পাদক

প্রকাশিত:শনিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় প্রেস ক্লাবের ২০২৩-২৪ মেয়াদে ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি হয়েছেন ফরিদা ইয়াসমিন। সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন করে নির্বাচিত হয়েছেন শ্যামল দত্ত।

দুজনই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা-ই-জামিল।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল থেকে সভাপতি পদে জয়ী ফরিদা ইয়াসমিন পেয়েছেন ৫৬৭ ভোট। বিপরীতে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে কামাল উদ্দিন সবুজ পেয়েছেন ৪০১ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী শ্যামল দত্ত পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট। বিএনপি সমর্থিত প্যানেল থেকে ইলিয়াস খান পেয়েছেন ৪৭৪ ভোট।

শনিবার দিনভর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গণনা শেষে রাতে ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা-ই-জামিল।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ মেয়াদে ১৭ সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচনে বিজয়ী অন্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসান হাফিজ, সহ-সভাপতি রেজোয়ানুল হক রাজা, যুগ্ম-সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া ও আশরাফ আলী, কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী। এছাড়া ব্যবস্থাপনা কমিটিতে ১০ জন সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচিতরা আগামী দুই বছর সাংবাদিকদের শীর্ষ এ সংগঠনের নেতৃত্ব দেবেন।

নির্বাচনে কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৭টি পদে এবার ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ভোটার ১ হাজার ১০২ জন।

নির্বাচনে ক্লাবের বর্তমান সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম মনোনীত ফরিদা-শ্যামল পরিষদ এবং সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজের নেতৃত্বে সবুজ-ইলিয়াস পরিষদ নামে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এছাড়াও প্যানেলের বাইরে আরও ১০ জন সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।


আরও খবর



টুঙ্গিপাড়ায় বিষমুক্ত নিরাপদ বেগুনের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় চলতি মৌসুমে বিষমুক্ত নিরাপদ বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পেয়ে খুশি উপজেলার বেগুন চাষিরা। এতে একদিকে যেমন কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন অন্যদিকে বেগুন চাষে আগ্রহ বাড়ছে অন্য কৃষকদের। বর্তমানে তারা বেগুন ক্ষেত পরিচর্যা ও বেগুন সংগ্রহের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর জমিতে কৃষকরা বেগুন চাষাবাদ করেছেন। গত মৌসুমের চেয়ে এবার  ২০ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষাবাদ বেশি হয়েছে। ভাঙর, বিটি বেগুন ও বারি বেগুন-৫ এই তিন জাতের বেগুনের চাষাবাদ করেছেন উপজেলার ৭৫ জন কৃষক। কৃষি দপ্তর থেকে চাষীদের বিনামূল্যে সার, বীজ, নেট সহ ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা দমনের জন্য ফেরোমন ফাঁদ দেওয়া হয়েছে।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, মানবদেহের জন্য নিরাপদ ও বিষমুক্ত বেগুনের চাষ সম্প্রসারণে আমরা রবি মৌসুমের শুরুতে উদ্যোগ গ্রহণ করি। উপজেলার ৭৫ জন কৃষককে আমরা প্রশিক্ষণ দেই। তারপর তারা বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে বেগুন চাষাবাদ করেন। এরপর পোকা মাকড় দমনে ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করে দেই। বেগুন ক্ষেতে কৃষক আমাদের পরামর্শে প্রয়োজন অনুযায়ী সুষম হারে বালাইনাশক স্প্রে ও পরিচর্যা করেছে । এভাবেই তারা নিরাপদ বেগুন উৎপাদন করেছে। এপদ্ধতিতে ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে গাছে ফল ধারনের উপযোগী হয়। এছাড়া ৬০-৬৫ দিনের মধ্যে বেগুন পূর্ণরূপ ধারণ করে। এরপর বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়। 

ওই কর্মকর্তা আরো জানান, চলতি মৌসুমে হেক্টর প্রতি ৩৫ মেট্রিক টন বেগুনের ফলন হয়েছে। সেই হিসাবে কৃষক  ১ হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন বেগুনের ফলন পাবেন। বাজারে কেজি প্রতি নিরাপদ বেগুন খুচরা মূল্য ৩০-৩৫ টাকা ও পাইকারি ২০-২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। যা গত মৌসুমের তুলনায় ৫-১০ টাকা বেশি। এ বছর  বেশি দাম পেয়ে খুশি উপজেলার বেগুন চাষিরা। 

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামের কৃষক হানিফ ফকির বলেন, চলতি রবি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে বিটি বেগুন চাষাবাদ করেছি। আগে বেগুনে পোকার আক্রমণ দমনে  বেশি বেশি বালইনাশক প্রয়োগ করতাম । এতে বেগুন উৎপাদনে খরচ বেশি হত। এ বছর কৃষি অফিসের পরামর্শে  ফেরোমন ফাঁদ দিয়ে পোকা দমন করেছি। পরিমিত মাত্রায় বালাই নাশক ব্যবহার করেছি। এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে বেগুনের বাম্পার ফলন পেয়েছি। বালাই নাশকের ক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ক্ষেত থেকে বেগুন সংগ্রহ করেছি। এ বেগুনে বিষ নেই। এটি নিরাপদ বেগুন। প্রথম দিকে প্রতি কেজি বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। এখন প্রতিকেজি বেগুন গড়ে ২৫ টাকা দরে বিক্রি করতে পারছি। বাজারে বেগুনের দাম ভালো থাকায় আমি খুবই খুশি। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে সার, বীজ, ফেরোমন ফাঁদ, নেট পেয়েছি। তাই বেগুন চাষাবাদে খরচ কম হয়েছে। এবার বেগুনে বেশ লাভবান হবো।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলি ইউনিয়নের দক্ষিণ বসুরিয়া মনির মোল্লা ও ফায়জুল মোল্লা বলেন, বেগুনে ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ বেশি হয়। তাই মাত্রাতিরিক্ত কীট নাশক প্রয়োগ করতে হয়। এইভাবে উৎপাদিত বেগুন মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। আমরা দুইজন কৃষি বিভাগের পরামর্শে বেগুন চাষের আধুনিক কলাকৌশল প্রয়োগ করে ২ বিঘা জমিতে এ বছর  ভাঙর জাতের বেগুনের চাষাবাদ করেছি। ফেরোমন ফাঁদ দিয়ে ফল ও ডগাছিদ্রকারী পোকা দমন করেছি। এ বেগুনে কোন বিষ প্রয়োগ করতে হয়নি। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে সুষম মাত্রায় অনুমোদিত বালই নাশক প্রয়োগ করেছি। তাই নিরাপদ বেগুন চাষে খরচ কম লেগেছে।  বিষ প্রয়োগ ছাড়াই বেগুনের ভালো ফলন হয়েছে। এছাড়া বাজারে এই জাতের বেগুনের ভালো দাম রয়েছে। তাই আমরা খুব আনন্দিত। আমাদের দেখাদেখি আগামীতে প্রতিবেশি চাষিরা আগামী বছর বেগুন চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। একই গ্রামের চাষি রবিউল মিয়া বলেন, বেগুনে আমার প্রতিবেশি চাষিরা বাম্পার ফলন পেয়েছেন। ভালো দামে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। আগামী বছর আমিও ১ একর জমিতে বেগুনের চাষাবাদ করব।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জামাল উদ্দিন বলেন, বেগুন সারা বিশ্বে একটি জনপ্রিয় সবজি। এসবজি আরো জনপ্রিয় করতে এ উপজেলায় বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে উৎপাদন করা হয়েছে। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আমরা কৃষকদের দেখাতে সক্ষম হয়েছি যে, নিরাপদ বেগুন চষে অন্য যেকোন সবজির তুলনায় ফলন বেশি পাওয়া যায়। লাভও ভালো হয়। তাই আগামী মৌসুমে নিরাপদ বেগুন চাষাবাদে কৃষক আগ্রহ দেখাচ্ছে। আশাকরছি টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় বেগুনের চাষাবাদ সমানের মৌসুমে আরো বাড়বে। নিরাপদ সবজির চাহিদা সারাদেশেই রয়েছে। আমরা এনিরাপদ বেগুন বাজারজাত করণের উদ্যোগ নেব। কৃষক এ বেগুনের আরো ভালো দাম পায়ে আয় বৃদ্ধি করতে পারবেন।

নিউজ ট্যাগ: টুঙ্গিপাড়া

আরও খবর

লোগো পদ্ধতি ধান চাষে ফলন বাড়ে

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩

লালশাক চাষ করার সহজ উপায়

মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩




শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা নামল ৫ ডিগ্রিতে

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ওই এলাকায় কনকনে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে কুয়াশা যোগ হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে চলতি মৌসুমে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরেই কুয়াশায় ঢেকে আছে চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের তাপ কিছুটা বাড়ে। তবে বিকেল থেকে আবার ঠাণ্ডা জেঁকে বসে। সন্ধ্যা এবং রাতে সেই ঠাণ্ডা তীব্রতা ছড়ায়।

জেলায় কনকনে ঠাণ্ডায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত। বৈরি আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে-খাওয়া মানুষ। শীতের তীব্রতায় জবুথবু জনজীবন।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩