
শরীয়তপুরে আওয়ামী
লীগনেতা হাবীবুর রহমান ও তাঁর ভাই যুবলীগনেতা মনির হোসেনকে হত্যার দায়ে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড
ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া তিনজনকে দুই বছর করে কারাদণ্ড
ও ৩৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শফিক হোসাইন
আজ রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ
পাওয়া ছয় আসামি হলেন শহীদ কোতোয়াল, শহীদ তালুকদার, শাহীন কোতোয়াল, শফিক কোতেয়াল, মজিবুর
রহমান ও সোলেমান সর্দার।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ
পাওয়া আসামিরা হলেন বাবুল তালুকদার, ডাবলু তালুকদার, বাবুল খান ও টোকাই রশিদ। যাবজ্জীবন
সাজার পাশাপাশি তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে
তাদের জেল খাটতে হবে।
আসামিদের মধ্যে
দুই বছর করে কারাদণ্ড হয়েছে মণ্টু তালুকদার, আসলাম সর্দার ও জাকির হোসেন মঞ্জুর।
এ মামলার ৫৩ জন
আসামির মধ্যে শরীয়তপুরের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপিনেতা কে এম হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গসহ
তিন আসামি বিচার চলাকালেই মারা যান। বাকি ৫০ আসামির মধ্যে ৩৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে
জানা যায়, সংসদ নির্বাচনে উত্তেজনার মধ্যে ২০০১ সালের ৫ অক্টোবর শরীয়তপুরের জেলা জজ
আদালতের সাবেক পিপি হাবীবুর রহমান ও তাঁর ভাই মনির হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
হাবীবুর রহমান
ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাঁর
ভাই মনির হোসেন ছিলেন পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
ওই হত্যাকাণ্ডের
পর হাবীবুর রহমানের স্ত্রী জিন্নাত রহমান বাদী হয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আওরঙ্গসহ ৫৫ জনকে
আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

