Logo
শিরোনাম

সরিষা শাকের উপকারিতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২২ নভেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীতে বিভিন্ন ধরনের সবজির পাশাপাশি পাওয়া যায় নানা রকম শাকও। এসম বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাক বিশেষ করে সরিষা শাকের দেখা মেলে। শীতের সময়ের সহজলভ্য শাকের মধ্যে এটি একটি। এই শাক কেবল সুস্বাদুই নয়, সেইসঙ্গে নানা ধরনের পুষ্টিগুণেও ভরা। এতে ক্যালোরি থাকে খুব কম, ভিটামিন ও খনিজ থাকে পর্যাপ্ত। সরিষা শাক খেলে পাবেন বেশ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ভারতীয় পুষ্টিবিদ রিধিমা বাত্রা তার ইনস্টাগ্রামে সরিষা শাকের স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং শীতের সময়ে কেন এই শাক খেতে হবে সে সম্পর্কে জানিয়েছেন। শীতের সময়ে বাজারে প্রচুর সবুজ শাক-সবজি পাওয়া যায়। সরিষা শাক একটি নিরামিষ খাবার যা অনেকভাবেই খাওয়া যায়। এটি অন্যান্য শাক যেমন বথুয়া, পালং, মুলা ইত্যাদি শাকের সঙ্গেও মিশিয়ে রান্না করা যায়। রিধিমা বাত্রা তার পোস্টে এভাবেই লেখেন।

সরিষা শাক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে: ভারতীয় এই পুষ্টিবিদ তার পোস্টে আরও লেখেন, পর্যাপ্ত পুষ্টি পেতে চাইলে সরিষা শাক খেতে পারেন। এই শাকে ক্যালোরি কম থাকে। এদিকে ফাইবার এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকে পর্যাপ্ত। সরিষা শাক ভিটামিন কে, এ এবং সি- তিনটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস। এই শাকে থাকে ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন ই এবং ফোলেটও। এসব উপাদান একসঙ্গে শরীরের জন্য কার্যকরী ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে হার্টের সমস্যা, অ্যাজমা কিংবা মেনোপজ ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটি বেশি উপকারী। এই শাকে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মূখ্য ভূমিকা রাখে।

দীর্ঘস্থায়ী অসুখ প্রতিরোধ করে: সরিষা শাকে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র‌্যাডিক্যাল ও অন্যান্য অসুখের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে। তাই দীর্ঘস্থায়ী বিভিন্ন অসুখ থেকে বাঁচতে সরিষা শাক খেতে পারেন।

স্বাস্থ্যের জন্য ভালো: সরিষা শাকে থাকে প্রচুর ভিটামিন এ যা আমাদের চোখের জন্য ভীষণ উপকারী। এই ভিটামিন আমাদের ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্যও উপকারী। 

হার্ট ভালো রাখে: বেশিরভাগ সবুজ শাকই হার্ট ভালো রাখতে কাজ করে। সরিষা শাকও এর ব্যতিক্রম নয়। এই শাক খেলে তা শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে এনে হার্টের সমস্যার ঝুঁকি কমায়। 

কীভাবে খাবেন: সরিষা শাক অন্যান্য শাকের মতোই রান্না করে খেতে পারেন। এছাড়াও এটি মসুর ডালের সঙ্গে, স্যুপ হিসেবে, পাস্তা, সালাদ, স্মুদি কিংবা জুস হিসেবেও খেতে পারেন।

নিউজ ট্যাগ: সরিষা শাক

আরও খবর

আপনার আজকের দিন- ৩০ নভেম্বর, ২০২২

বুধবার ৩০ নভেম্বর ২০২২

আজকের রাশিফল!

মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২




শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৮ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-কুমিল্লা মনোহরগঞ্জ উপজেলার হাতিমারা (উত্তরপাড়া) এলাকার বাচ্চু মিয়া (৫০) ও আমির হামজা (৩৫)। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় এ রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ১ নম্বর আদালতের বিচারক আবদুলাহ আল মামুন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের ১ এর স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত।


আরও খবর



রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৮

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রোববার (২৭ নভেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার ভোর ৬টা থেকে রোববার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৯১৯ পিস ইয়াবা, ২১৫.৪ গ্রাম ১৩০ পুরিয়া হেরোইন, ৫৩ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১০২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হলে কী লাভ? কত টাকা আয়?

প্রকাশিত:রবিবার ২০ নভেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অলিম্পিকের চেয়ে বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া ইভেন্ট ফুটবল বিশ্বকাপ। এবার জমজমাট আসরটি বসেছে আরব রাষ্ট্র কাতারে। খেলায় চোখ রাখতে যাচ্ছেন পাঁচশো কোটিরও বেশি ফুটবল প্রেমিক। আর ১০ লাখ মানুষ সরাসরি এসেছেন মহাযজ্ঞ উপভোগ করতে। আয়োজক দেশগুলো কী বিশ্বকাপ থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারে? করলেও কি পরিমাণ হতে পারে, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে।

টিকিট, পণ্য বিক্রি থেকে শুরু করে স্পন্সরপিশ, পুরস্কারের অর্থ এবং পর্যটককে ঘিরে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। কিন্তু একটি আয়োজক দেশ কি এতে আর্থিকভাবে লাভবান হয়ে থাকে? সহজ উত্তর হলো, না।

বিশ্বকাপের আগে মহাপরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামে আয়োজক দেশ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগে থেকেই অবকাঠামো উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক হোটেল নির্মাণসহ নানা খাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে থাকে। কিন্তু এসব খরচের বেশিরভাগই উঠে আসে না। বিশেষ করে নগদ অর্থের ক্ষেত্রে।

বিশ্বকাপ থেকে অবশ্যই বিপুল অর্থ আয় হয়, যেমন রাশিয়ায় ২০১৮ সালে বিশ্বকাপের টিভি স্বত্ব বিক্রি হয়েছিল ৪৬০ কোটি মার্কিন ডলারে। যার পুরো অর্থটাই যায় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে।

টিকিট বিক্রিতে যে আয় হয় তার শতাভাগ মালিকও ফিফা। ২০১৮ সালে মার্কেট রাইটস বিক্রি করে আয় হয় একশো কোটি মার্কিন ডলার। যদিও মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্ট পরিচালনার মূল খরচ বহন করে থাকে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। এবারের আয়োজক দেশ কাতারকে ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর জন্য রয়েছে ৪৪ কোটি ডলারের পুরস্কার। বিশ্বকাপ আয়োজন, অবকাঠামো, সড়ক, রেলপথ নির্মাণসহ সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ করেছে কাতার।

প্রায় মাসব্যাপী বিশ্বকাপে কয়েক লাখ লোকের সমাগম হবে দেশটিতে। এতে পর্যটন ব্যবসা, হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের আয় বৃদ্ধি পাবে। তবে এই খরচ তুলতে অতিরিক্ত সক্ষমতার প্রয়োজন। কেননা বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনে ব্যয় সাধারণত স্বল্প মেয়াদে উৎপন্ন রাজস্বের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। তাই সংক্ষিপ্ত সময়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে আয়োজক দেশের।

তবে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করলে সেই দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল আসার সম্ভবনা রয়েছে। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার পরও নতুন সড়ক এবং পরিবহন ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।

নিউজ ট্যাগ: কাতার বিশ্বকাপ

আরও খবর

রোনালদোকে টপকে গেলেন মেসি

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




সাবেক রাষ্ট্রদূতসহ ৬ হাজার বন্দিকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ভিকি বোম্যান, জাপানি চলচ্চিত্র নির্মাতা তরু কুবতা ও অং সান সুচির সাবেক অর্থ উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শন টারনেলসহ ছয় হাজার বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন সময়ে তাদের আটক করা হয়। মিয়ানমার আর্মির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামি বছরের ৪ জানুয়ারি দেশটির স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দিদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বোম্যান ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের দূত হিসেবে কাজ করেন। গ্রেফতারের সময় তিনি ইয়াঙ্গুনভিত্তিক মিয়ানমার সেন্টার ফর রেসপন্সিবল বিজনেসের (এমসিআরবি) পরিচালনায় ছিলেন। চলতি বছরের ২৪ আগস্ট শান রাজ্য থেকে ইয়াঙ্গুনে যাওয়ার সময় বোম্যান ও তার স্বামী হিটেন লিনকে গ্রেফতার করা হয়। সেসময় বোম্যানের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘন ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে তাকে মিয়ানমারে থাকতে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়। তাদের উভয়কেই এক বছর করে কারাদণ্ড দেন দেশটির সামরিক আদালত।

এদিকে, অভ্যুত্থানের পরপরই ইয়াঙ্গুন থেকে গ্রেফতার করা হয় শন টারনেলকে। অভ্যুত্থান শুরু হওয়ার কয়েকদিন পরে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের অধীনে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। পরে বিভিন্ন অভিযোগে টার্নেলকে ২০ বছরেরও বেশি সময়ের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, চলতি বছরের ২৬ জুলাই ইয়াঙ্গুনে জান্তা সরকারবিরোধী সমাবেশ চলাকালে গ্রেফতার হন জাপানি তথ্যচিত্র নির্মাতা তরু কুবতা। রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ও যান্ত্রিক যোগাযোগ আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জানা যায়, গ্রেফতার হওয়ার মাসেই প্রথমবারের মতো মিয়ানমার আসেন কুবতা। পরে স্থানীয় এক নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র বানানো শুরু করেন। ২০১৪ সালে কুবতা জাপানে একজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে দেখা করেন। পরবর্তীকালে তিনি মিয়ানমারের উদ্বাস্তু ও জাতিগত সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকটি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছিলেন।

রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস জানায়, আজকের সাধারণ ক্ষমার আগে অন্তত ৬৮ জন সাংবাদিককে আটক করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠতে শুরু করে। বিভিন্ন অভিযোগে দেশি-বিদেশি প্রায় ১৬ হাজার মানুষকে বন্দি করে তারা। অ্যাসিসট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার জান্তা সরকারের হাতে ২ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।


আরও খবর

‘নীতি পুলিশ’ বিলুপ্ত করলো ইরান

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




লেখক আনিসুল হককে হেয় করে প্রশ্নপত্র তৈরিকারী শিক্ষক চিহ্নিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নের একটি উদ্দীপকে লেখক ও সাংবাদিক আনিসুল হককে হেয় করে প্রশ্ন প্রণয়নকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি হলেন ময়মনসিংহের মহাকালী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী আকবর গণমাধ্যমকে এ কথা জানান।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, বিতর্কিত এই প্রশ্ন প্রণয়ন করেছেন ময়মনসিংহের মহাকালী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. সাখাওয়াত হোসেন। অপরদিকে মডারেশন বোর্ডের সভাপতি হিসেবে প্রশ্নটি পরিশোধন করেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পারভীন আক্তার।

এছাড়া ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক শিউলী বেগম মডারেশন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এর আগে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিদর্শক খালেদ হোসেন এবং উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ডিপ্লোমা) মোহাম্মদ শাহিন কাওসার সরকার।

প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলা-২ সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে লেখা হয়, প্রখ্যাত সাহিত্যিক আনিসুল হক লেখালেখি করে সুনাম অর্জন করতে চান। একুশের বইমেলায় তাড়াহুড়ো করে তিনি বই প্রকাশ করেন। পাঠকদের কাছে তার লেখা খাপছাড়া মনে হয়। ফলে পাঠকদের কাছে তিনি সমাদৃত হন না।


আরও খবর