Logo
শিরোনাম

সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান সরকার নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন কেউ ভোট দিতে যেতে চায় না। আজকে যে সংসদ আছে সেটা হলো একদলীয় ক্লাব অব আওয়ামী লীগ। তাই আজকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও আমাদেরকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য রাজপথে রক্ত দিতে হচ্ছে, প্রাণ দিতে হচ্ছে। তারপরও আমরা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা, দেশের মানুষকে বাঁচাতে চাই।

আজ সোমবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেছেন সংগঠনের সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরী।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, অনির্বাচিত আওয়ামী লীগ সরকার, যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যায়। অথচ তাদেরকে ৭২-৭৫ সালে গণতন্ত্র হরণ করে কেন বাকশাল করতে হয়েছে জিজ্ঞাসা করলেই গায়ে আগুন লেগে যায়। আমরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চাই- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চাই, ভোটাধিকার চাই, গণতন্ত্র ফিরে পেতে চাই। ঐহিত্যগত, সংস্কৃতি, জীবনমান ও মূল্যবোধ বিরোধী কার্যক্রম পাঠ্যপুস্তকে মেনে নিতে পারি না দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন আপনারা কেউ ইস্যু তৈরি করবেন না; আমরা সংশোধনের ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমাদের বক্তব্যে হচ্ছে অবিলম্বে পাঠ্যপুস্তকের অসংযুক্তিগুলো বাতিল করতে হবে। ইস্যু তো আমরা তৈরি করছি না, বরং আপনারা (সরকার) ইস্যু তৈরি করছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা একটি অসম যুদ্ধে সংগ্রাম করছি। যেখানে আমাদের প্রতিপক্ষ অত্যন্ত প্রভাবশালী। যাদের হাতে রয়েছে রাষ্ট্রশক্তিসহ বন্দুক, পিস্তল, গ্রেনেড যা তারা ছুড়ে মারে আর আমাদের নামে মামলা দেয়।

জনগণের উত্তাল তরঙ্গের ঢেউয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ভেসে যাবে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, দেশে চলছে এক ব্যক্তির শাসন, কিসের ভোট; তোমাদের ভোটও আমরা দেব। কথায় কথায় বলে গণতন্ত্র হবে আমাদের মতো করে। অথচ তাদের গণতন্ত্রতো বহুদলীয় গণতন্ত্র থেকে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা। স্পষ্ট কথা- বাংলাদেশের মানুষ না খেয়েও হাসে। তারা গণতান্ত্রিক দেশে কথা বলতে চায়, মৌলিক অধিকার আদায়ে তাদের কোনো কম্প্রোমাইজ নাই। সেই লক্ষ্যে বিএনপির ঘোষিত ১০ দফার প্রথম দাবি হচ্ছে এই সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মাধ্যমে তাদের অধীনে নির্বাচন হবে। জনগণের মধ্যে জাতীয় ঐক্যে সৃষ্টি করে আমরা সেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করব।

এসময় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সাংবাদিক নেতা কামাল উদ্দিন সবুজ, শহীদুল ইসলাম, প্রফেসর সহিদুল হাসান, ড. বোরহান উদ্দিন, প্রফেসর কামরুজ্জামান প্রমুখ।


আরও খবর



বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় আবারও শীর্ষে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) স্কোর ২২৬ রেকর্ড করা হয়েছে। যার অর্থ হলো জনবহুল এ শহরের বাতাসের মান খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার এ তালিকা প্রকাশ করেছে।

২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে একিউআই স্কোর খুবই অস্বাস্থ্যকর বলা হয়, যেখানে ৩০১ থেকে ৪০০ এর স্কোর ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

এ তালিকায় ২১৭ একিউআই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা; ২০০ স্কোর নিয়ে তৃতীয়ভিয়েতনামের হ্যানয়। এরপর চতুর্থ স্থানে থাকা ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি স্কোর ১৮৯ এবং পঞ্চম স্থানে থাকা ইরাকের বাগদাদ শহরের স্কোর ১৮৫। ষষ্ঠ স্থানের চীনের উহানের স্কোর ১৮৪।

একিউআই স্কোর ১০০ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে স্বাস্থ্যসতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ ও অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।


আরও খবর



মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নবান হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রত্যেকটা কাজে বাধা দেওয়া দেশের কিছু মানুষের চরিত্র। শুধু পদ্মা সেতু নয়, মেট্রোরেল নির্মাণেও বাধা এসেছিল। তিনি মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নবান হওয়ার তাগিদ দেন। আজ সোমবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গত ২৮ ডিসেম্বর বহুল কাঙ্ক্ষিত মেট্রোরেল উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথম ধাপে উত্তরার দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বর নাগাদ মতিঝিল পর্যন্ত চালু হওয়ার কথা রয়েছে। আর ২০২৫ সালের মধ্যে মেট্রোরেল যাবে কমলাপুর পর্যন্ত।

সরকারপ্রধান আজ আবারও মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নবান হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, মেট্রোরেল ব্যবহারকারীদের যত্নের সঙ্গে চলাচল করতে হবে। রাষ্ট্রীয় এই সম্পদের গুরুত্ব বুঝতে হবে।

এ সময় বিমানবন্দর স্টেশন থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত আন্ডারপাস নির্মাণ করে দেওয়া হবে বলে জানান শেখ হাসিনা। হজযাত্রী এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্যই এই উদ্যাগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



বাংলাদেশে ঢুকতে পারবে না রাশিয়ার ৬৯ জাহাজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাশিয়ার একটি জাহাজের খবর বেশ কয়েকদিন ধরে আলোচিত। স্পার্টা-৩’ ওরফে উরসা মেজর’ নামের জাহাজটি রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণসামগ্রী বহন করে মোংলা বন্দরে ভেড়ার অপেক্ষায় ছিল গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে। তার আগেই ২০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে জানানো হয়- এটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা স্পার্টা-৩’ জাহাজ। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। পরে বিষয়টি যাচাই করে বাংলাদেশ সরকার নিশ্চিত হয়ে জাহাজটিকে বন্দরে ভিড়তে নিষেধ করে দেয়।

এরপর জাহাজটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া বন্দরে গিয়ে সরাঞ্জাম খালাসের চেষ্টা করে। কিন্তু জাহাজটি নয়াদিল্লির অনুমতি পেতে ব্যর্থ হলে পণ্য খালাস করতে পারেনি। এ অবস্থায় ১৬ জানুয়ারি ভারত ছেড়ে যায় জাহাজটি।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়ার আরও ৬৯টি বাণিজ্যিক জাহাজ মোংলা বন্দরে পণ্য নিয়ে আসতে পারছে না। বিশ্বের শিপিং সংস্থার সাতটি কোম্পানির এসব জাহাজকে বন্দরে প্রবেশ, নিবন্ধন, জাহাজ বাঙ্কারিং (তেল সরবরাহ), শ্রেণিকরণ, সনদায়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, পুনঃসরবরাহ, রিফুয়েলিং, বীমা এবং অন্যান্য সামুদ্রিক পরিসেবা নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে মোংলা বন্দরকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পতাকা রেজিস্ট্রেশনকারী সংস্থাকে জাহাজগুলোর জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী যে কোনো রেজিস্ট্রেশন না দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

গত ৫ জানুয়ারি উপসচিব এস এম মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নিষেধাজ্ঞার তথ্য বন্দরকে অবহিত করা হয়। নিষেধাজ্ঞার সেই চিঠি এরই মধ্যে দৈনিক ইত্তেফাকের হাতে এসেছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ দৈনিক ইত্তেফাককে চিঠিতে নিষেধাজ্ঞার উল্লেখিত তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ক্যাপ্টেন শাহীন মজিদ বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে আসা মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষে এই চিঠিতে আমেরিকার শিপিং সংস্থার নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী সাতটি কোম্পানি ও ৬৯টি জাহাজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এরই মধ্যে এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করতে ৬৯টি জাহাজের তালিকা বন্দর সংশ্লিষ্ট এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে এসব জাহাজ মোংলা বন্দরে যেন প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়ার উল্লেখযোগ্য জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে এম ভি স্পার্টা-১, স্পার্টা-২, বেলোমোরস্কাই, সিজহোবকা, ডিভিনস্কাই জালিভ, ইনযিনার টারবিন, ইনযিনার ভেসনিয়াকব, আইহোহান মাহমাসতাল, ক্যাপ্টেন কোকোভিন, রাইনসিন, মেখানিক আরভেস, মিকালইল লোমোনোসোভ, এস কুজনিসোভ, সাইয়ানি সেভারা, এস এমপি নোভোডিভিনেস্ক ও এস এমপি সেভারোডিভিনেস্ক। রাশিয়ার এসব জাহাজে মেশিনারিজ পণ্য আনার কথা ছিল।

মোংলা বন্দর ব্যবহারকারী এইচ এম দুলাল বলেন, নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা রাশিয়ার ৬৯টি জাহাজের তালিকা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে হাতে পেয়েছি। আগে থেকে অবহিত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, না হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় আদর্শ, মানবাধিকারসহ কিছু মৌলিক বিষয়ে রাষ্টীয়ভাবে স্থিরচিত্ত হওয়া প্রয়োজন। পক্ষ নেওয়ার প্রশ্নে জনমতের প্রতিফলন করা প্রয়োজন, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ছাড়া সম্ভব নয়। এগুলো ফিরে আসলে বাংলাদেশকে আর কেউ ঝুঁকি’র হুমকি দেওয়ার সাহস করবে না।


আরও খবর



বিজেপি সভাপতি পদে নাড্ডার মেয়াদ বাড়ল আরও এক বছর

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে জয় প্রকাশ নাড্ডার মেয়াদ বাড়ল আরও এক বছর। আগামী ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত দলটির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে থাকছেন তিনি।

মঙ্গলবার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিজেপির কার্যনির্বাহী সমিতির বৈঠকের দ্বিতীয় ও শেষ দিনে সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কর্ম সমিতির এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীসহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সেখানে নাড্ডার নাম প্রস্তাব করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাতে সমর্থন জানান দলের কার্যনির্বাহী সমিতির বাকি সদস্যরা।

এর অর্থ- আগামী লোকসভা নির্বাচনে নাড্ডার ওপরেই ভরসা রাখছে গেরুয়া শিবির। চলতি বছরে গোটা ভারতে নয়টি রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন। ওই রাজ্যগুলোতেও নাড্ডাকে সামনে রেখে সর্বাত্মক ঝাঁপাতে চাইছে বিজেপি।

এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে বলেন, জে পি নাড্ডার নেতৃত্বে বিহারে বিজেপি সেরা ফল করেছে, মহারাষ্ট্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় গণতান্ত্রিক মোর্চা (এনডিএ) সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে, উত্তরপ্রদেশেও সরকার গড়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আসন সংখ্যা বেড়েছে। সর্বশেষ গুজরাটে বিরোধীদের বিপর্যস্ত করে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে সরকার গড়েছে বিজেপি।

 তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জেপি নাড্ডার যৌথ নেতৃত্বে ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে দল আরও বেশি আসন পাবে। নাড্ডার নেতৃত্বের প্রশংসা করে অমিত শাহ জানান, করোনা মহামারির সময় জনগণের সেবার সাথে তিনি সংগঠনকে সুন্দরভাবে সংযুক্ত করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির তৎকালীন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সেই জায়গায় কার্যকরী সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় জেপি নাড্ডা-কে।

নিউজ ট্যাগ: বিজেপি সভাপতি

আরও খবর



বলাৎকারে ব্যর্থ হয়ে শিশু শিহাবকে হত্যা করা হয় : পিবিআই

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ জানুয়ারী ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাজীপুর মহানগরীর মাজুখান এলাকার শিশু সিহাব হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ছাড়া এ হত্যা মামলার আসামি নাসির মিয়াকে (২৮) গত ১৬ জানুয়ারি মাজুখান থেকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

নাসিরের বাড়ি নোয়াখালির কবিরহাট থানার সোনাপুর জমিদারহাট গ্রামে। তিনি গাজীপুর মহানগরের মাজুখান বাগের টেকের সাইদের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

নিহত শিশু শিহাব মাজুখান এলাকার জুয়েলের ছেলে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় সে। পরদিন সকালে হাজী ছালাম মুন্সির বাড়ী সংলগ্ন এলাকায় তার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় শিহাবের দাদি বাদী হয়ে পুবাইল থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর পুবাইল থানা-পুলিশ ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ব্যর্থ হলে পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে এর দায়িত্ব পায় গাজীপুর পিবিআই। ঘটনার প্রায় চার মাসের মধ্যেই হত্যার কারণ উদ্‌ঘাটন করেছে পিবিআই।

পিবিআই জানায়, মাজুখান উত্তরপাড়ায় ফারুকের মুরগীর দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন নাসির। বেশির ভাগ সময় মালিক দোকানে থাকতেন না। তখন নাসির নিজেই মুরগি ও ফিড বেচাকেনা করতেন। পাশের গলির জুয়েলের ছেলে সিহাব মাঝে মধ্যে তার দোকানে আসত।

ফিড খেয়ে ফেলার সময় মুরগি তাড়ানোর জন্য দোকানদার খেলনা পিস্তল ব্যবহার করতেন। খেলনা পিস্তলের ছোড়া গুলি সিহাব কুড়িয়ে আনত। নাসির মাঝে-মধ্যে সিহাবকে চিপস্ কিনে দিতেন। ভুক্তভোগী সিহাব নাসিরকে মুরগি চাচ্চু বলে ডাকত। এভাবে সিহাবের সঙ্গে নাসিরের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ২৫ নভেম্বর নাসির তার ভাড়া বাসায় নিজ কক্ষে ল্যাপটপে পর্ণ দেখছিলেন। দুপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সময় সিহাব নাসিরের রুমে যায়। তখন নাসির সিহাবকে বলাৎকার করতে চাইলে সে চিৎকার দেয়।

নাসির মুখ চেপে ধরলে সিহাবের দেহ নিথর হয়ে যায়। সিহাবের মরদেহ খাটের নিচে রেখে দরজা লাগিয়ে নাসির বাইরে চলে যান। পরে ভোর রাতে সিহাবের মরদেহ সালাম মুন্সীর বাড়ির পাশে ফেলে রাখেন নাসির। ঘটনার তিন দিন পরে নাসির এলাকা ছেড়ে চট্টগ্রাম চলে যান। দুই দিন পরে চিটাগাং থেকে ফিরে আসেন তিনি। এর এক সপ্তাহ পর নাসির তাবলিগ জামাতের ৪০ দিনের চিল্লায় চলে যান।

এ বিষয়ে পিবিআই, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, ঘটনায় জড়িত একমাত্র আসামি নাসির বিকৃত মানসিকতা সম্পন্ন। ল্যাপটপে নীল ছবি দেখে উত্তেজিত হয়ে শিশু সিহাবকে বলৎকারের চেষ্টাকালে পাশবিক নির্যাতনের পর  হত্যা করেন। বৃহস্পতিবার আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর