Logo
শিরোনাম

সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টা থেকে শুরু হচ্ছে এই লকডাউন। ৭ দিনের এই লকডাউনে কেউ বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বাইরে বের হলেই কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

বুধবার সকালে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কঠোর এই বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করতে পুলিশ-বিজিবির সঙ্গে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনীও।

জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচল এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা বন্ধের বিষয়ে সরকার বিধিনিষেধ ও নিষেধাজ্ঞা পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সময়ে জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী কর্মরতরা ছাড়া এবং জরুরি কারণ ছাড়া ঘরের বাইরে কেউ বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়,  এ ছাড়া মাস্ক পরিধানসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়।


আরও খবর



হাসপাতাল থেকে ফের কারাগারে ডেসটিনির এমডি

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন জানান, বন্দী রফিকুল আমিনকে বিএসএমএমইউর চিকিৎসকরা তাকে ছাড়পত্র দিয়েছেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরাণীগঞ্জ)) নেওয়া হয়েছে কারাবন্দী ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমিনকে। শনিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে তাকে কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছে।

শনিবার (৩ জুলাই) বিকেলে কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন জানান, বন্দী রফিকুল আমিনকে বিএসএমএমইউর চিকিৎসকরা তাকে ছাড়পত্র দিয়েছেন। সেই ছাড়পত্র অনুযায়ী তাকে পুনরায় কেন্দ্রীয় কারাগারে ফেরত আনা হয়েছে।

হাসপাতালে থাকা অবস্থায় রফিকুল আমিন জুম মিটিং করার ঘটনায় ১৩ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে এবং চার কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইজি প্রিজন মোমিনুর রহমান মামুন জানান, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হলে কারাবিধি অনুযায়ী জেলকোড ভঙ্গের কারণে বন্দীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



আলেশা মার্টসহ সাত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব তলব

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ১২২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ই-কমার্সের উপর নজরদারির অংশ হিসেবে এবার আরও সাতটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব তলব করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা বিএফআইইউ। তবে হিসাব তলবের এই তালিকায় বিতর্কিত ও আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির নাম নেই।

হিসাব তলবকারী সাত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আলেশা মার্ট, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম এর নাম। বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এসব প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সংশ্নিষ্ট ব্যক্তির নামে কোনো হিসাব বর্তমানে বা এর আগে পরিচালিত হলে তা জানাতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি প্রোফাইল, শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণীও পাঠাতে হবে। চিঠি পাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের লেনদেন সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে।

এর আগে সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (মহাপরিচালক, ডাব্লিউটিও সেল) হাফিজুর রহমান জানান, ই-কমার্সের গ্রাহক পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ডেলিভারি মেসেজ দিলে বিক্রেতা মূল্য পাবেন। আর এ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গেটওয়ের মাধ্যমে এই অর্থ লেনদেন হবে। তবে তার পরামর্শ ছিলো, গ্রাহকেরা যেন ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ বা নগদের মতো মাধ্যম ব্যবহার করে কেনাকাটা করেন। তারা যেন আগাম নগদ অর্থ পরিশোধ না করেন।

গত ২০ জুন ই-কমার্স নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনের পর এ বিষয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দেনার পরিমাণ ৪০৩.৮০ কোটি টাকা। যেখানে কোম্পানিটির চলতি সম্পদ মাত্র ৬৫.১৭ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৪ মার্চ, ২০২১ পর্যন্ত পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৩.৯৪ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ করেনি ইভ্যালি। অন্যদিকে, ইভ্যলি যেসব কোম্পানির কাছ থেকে পণ্য কিনে থাকে ওই সব মার্চেন্টদের কাছে কোম্পানিটির বকেয়া ১৮৯.৮৫ কোটি টাকা।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে ব্র্যাক, সিটি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ও প্রাইম ব্যাংক এরই মধ্যে তাদের ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড ব্যবহার করে লেনদেন আপাতত স্থগিত করেছে দেশের ১০টি ই-কমার্স সাইটের সঙ্গে। এগুলো হলো- ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ধামাকা, ই-অরেঞ্জ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, কিউকম, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট এবং নিডস।

শমী কায়সার বলেন, এক-দুটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ই-কমার্স খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে, এটা কারও কাম্য নয়। ভোক্তা ও বিক্রেতা উভয়ের স্বার্থের জন্য এ খাতে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর বা পরিচালন নির্দেশিকা দরকার। এ ছাড়া পেমেন্টের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি প্রয়োজন। নীতিমালা হওয়ার পর ডিজিটাল কমার্স আইনের দিকেও যেতে হবে।

ই-ভ্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তারা বিপুল ছাড় দিয়ে লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। যে কারণে দেশের ই-কমার্স ব্যবসায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ভালো ও সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং ভবিষ্যতে এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে।

বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে বেশ কিছু এমন ই-কমার্স সাইট তৈরি হয়েছে, যেগুলো গ্রাহকদের অবিশ্বাস্য ছাড় দিয়ে পণ্য বিক্রি করছে। তবে কোম্পানিগুলোকে আগে টাকা পরিশোধ করতে হয় এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর পণ্য সরবরাহ করে। তবে টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহে বারবার সময়ক্ষেপণের অভিযোগ আছে। আবার তাদের ব্যবসার কৌশলটিও স্পষ্ট নয়। এ কারণে নানা সন্দেহ-সংশয় আছে জনগণের মধ্যে।

এর মধ্যেই ই-কমার্স সাইট ইভ্যালিকে নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি তদন্ত চালিয়েছে। এতে বলা হয়েছে কোম্পানিটি এক টাকা আয় করতে সাড়ে তিন টাকার বেশি ব্যয় করে। আবার তাদের সম্পদের তুলনায় দেনা ছয় গুণ। ফলে তারা এই টাকা আদৌ পরিশোধ করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।

মূলত বিভিন্ন অফারের নামে বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে পণ্য বিক্রি, পণ্য দেয়ার অনেক আগেই টাকা নেয়া এবং সময় মতো পণ্য সরবরাহ না করার অভিযোগ রয়েছে এসব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

ক্রেতার অর্ডার করা পণ্য হাতে না পাওয়া পর্যন্ত ওই পণ্যের পেমেন্ট সংশ্লিষ্ট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। এ জন্য পণ্য অর্ডারের বিপরীতে পরিশোধিত টাকা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সরকার অনুমোদিত মিডলম্যান প্রতিষ্ঠানের কাছে জমা থাকবে।


আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




৩ দিনের জন্য বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২৮ জুন সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যতীত সব গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে লকডাউন শুরু হচ্ছে। আর সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হবে বৃহস্পতিবার থেকে। রবিবার বিকালে ৩ দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২৮ জুন সকাল ৬টা থেকে ১ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যতীত সব গণপরিবহণ বন্ধ থাকবে। একইসঙ্গে বন্ধ থাকবে মার্কেট, পর্যটন কেন্দ্র রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র।

এছাড়া দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (শুধুমাত্র Online Take way) করতে পারবে; সরকারি-বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠানসমূহে শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা/কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নিজ নিজ অফিসের ব্যবস্থাপনায় তাদের আনা-নেয়া করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে নির্দেশনা দেয়া হয়, জনসাধারণকে মাস্ক পরার জন্য আরও প্রচার-প্রারণা চালাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে এয়ার বেলুন বিধ্বস্ত, নিহত ৪

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে হট এয়ার বেলুন বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। শনিবার (২৬ জুন) নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের অ্যালবুকুরকি শহরে চারজন পর্যটকবাহী এয়ার বেলুনটি বিধ্বস্ত হয়ে বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়লে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সময় শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে পর্যটক বহনকারী একটি হট এয়ার বেলুন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হঠাৎ নিচে নামতে থাকে। এ সময় বেলুনটি বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই মারা যান অন্তত চারজন। পরে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আহত অবস্থায় আরও একজনকে উদ্ধার করে পুলিশ। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বলছে, নিহতদের দুজন পুরুষ এবং দুজন নারী। এদের মধ্যে একজন পাইলট ছিলেন। আর পুলিশ জানায়, বেলুনটি ১০০ ফিট ওপর থেকে নিচে পড়লেও বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়ায় এ হতাহত। দুর্ঘটনার পর শহরটিতে বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন ১৩ হাজারের বেশি বাসিন্দা।

অ্যালবুকুরকি পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র গিলবার্ট বলেন,  ঘটনার পরপরই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তারা কাজ করে যাচ্ছি। দুর্ভাগ্যবশত কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। কেন এই দুর্ঘটনা তা জানতে আমাদের বিশেষজ্ঞ প্যানেল তদন্ত শুরু করেছে।

এর আগে ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে হট এয়ার বেলুন বিধ্বস্ত হয়েছে ১৬ জন নিহত হন।



আরও খবর



টিকা কার্যক্রম ইনশাআল্লাহ চলমান থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমাদের ১২ থেকে ১৫ হাজার বেড সারাদেশে করোনা চিকিৎসার জন্য রেডি করা আছে। এখনো আমাদের যথেষ্ট বেড আছে, আমরা রোগী রাখতে পারব। হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা অনেক আছে

শিগগির বিভিন্ন উৎস থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকা পাওয়া যাবে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামীতে ইনশাআল্লাহ টিকা কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে না।

রবিবার (২৭ জুন) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের আওতাধীন দফতর/সংস্থার সঙ্গে ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

করোনাভাইরাসের টিকা আনার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মর্ডানার টিকা আমরা ২৫ লাখ পাচ্ছি। সেটা অল্প দিনেই চলে আসবে। এক্ষেত্রে আমাদের যে সিদ্ধান্ত দেয়ার বিষয় ছিল, সেটা আমরা দিয়ে দিয়েছি। চীন থেকে টিকা আমরা তাড়াতাড়ি পেয়ে যাব বলে আশা রাখি। আগামী মাসেও চায়নার সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হয়তো আমরা টিকা পেতে থাকব। কোভ্যাক্স থেকেও আমরা টিকা পেতে থাকব। রাশিয়ার সঙ্গেও হয়তো আমরা চুক্তি সমাপ্ত করতে পারব।

তিনি বলেন, টিকা কার্যক্রম আমাদের বন্ধ রাখতে হয়েছিল। আগামীতে বন্ধ রাখতে হবে না। টিকা কার্যক্রম ইনশাআল্লাহ চলমান থাকবে।

দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। ইতোমধ্যে ৫-৬ হাজার বেড পূর্ণ হয়ে আছে। আপনারা পরবর্তী পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সঙ্কট এড়ানোর জন্যই তো লকডাউন দেয়া হচ্ছে। আমাদের এখনো চিকিৎসা দেয়ার যথেষ্ট স্কোপ আছে। আমাদের ১২ থেকে ১৫ হাজার বেড সারাদেশে করোনা চিকিৎসার জন্য রেডি করা আছে। এখনো আমাদের যথেষ্ট বেড আছে, আমরা রোগী রাখতে পারব। হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা অনেক আছে। সরকারি-বেসরকারিভাবে প্রায় এক হাজার ৬০০ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর আছে। ওষুধের কোনো ঘাটতি নেই। সেটা থেকে আমরা মনে করি, সহনীয় পর্যায়ে আছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের এখন থেকেই নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। আমাদের যদি লক্ষ লোক আক্রান্ত হয়ে যায় তবে তো কষ্ট হবেই। সেজন্য লকডাউন দিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

বাংলাদেশে টিকা উৎপাদনের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা উৎপাদনের বিষয়ে আমরা নীতিগতভাবে ইডিসিএলকে (সরকারি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগ লিমিটেড) অনুমতি দিয়েছি। ইডিসিএলকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা করার জন্য। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যা যা নির্দেশনা, সহযোগিতা দেয়া দরকার, সেটা করার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, ইডিসিএল টিকা উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করবে। এটা একটু সময় সাপেক্ষ। যত তাড়াতাড়ি পারা যায় আমরা প্রোডাকশনে যাব, এটাই আমাদের চেষ্টা থাকবে।

কোন দেশের টিকা উৎপাদন হবে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ মালেক বলেন, আমরা উৎপাদন করলে তো বাংলাদেশের টিকাই করব। আমরা যদি কারও সঙ্গে কোলাবরেশনে যাই, সেটাও আমরা দেখব। যদি কেউ আমাদের অফার করে, তাদের টিকা বাংলাদেশে উৎপাদন করবে। তাহলে প্রাইভেট কোম্পানিজ আছে, তারা সেখানে উৎপাদন করতে পারবে। সেই ফ্যাসিলিটি আমাদের নেই, প্রাইভেট কোম্পানিগুলোর আছে। সেটা আমাদের নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়া আছে।


আরও খবর