Logo
শিরোনাম

শুধু টিকা দিয়েই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৫ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শুধু টিকা দিয়েই শুধু করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী জাহিদ মালেক

তিনি বলেন, টিকা দিয়েই শুধু করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, আমাদের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব মানতে হবে। সবাই মিলে চেষ্টা করলে বাংলাদেশ থেকে করোনা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।'

শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা গড়পাড়া হাইস্কুল মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, যাদের দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে, তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো আছে। আর যাদের করোনা নিয়ন্ত্রণে নেই, তারা বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। কাজেই আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে।

তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বাস্থ্য বিভাগসহ সকল বিভাগ করোনা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে,  যে কারণে আমাদের দেশে ওষুধের অভাব হয়নি, খাদ্যের অভাব হয়নি। আমাদের কৃষিখাদ ও শিল্পকারখানা সচল রয়েছে। আমাদের অর্থনীতির অনেক দেশের চেয়ে ভাল। করোনার কারণে বাংলাদেশসহ তিনটি দেশ ছাড়া সকল দেশ অর্থনীতি মাইনাসে আছে। আমাদের জিডিপির গড় এখনো ৬ পারসেন্ট আছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌস, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহবুবুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকার বক্তব্য দেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন ৫০টি স্টলে উন্নত জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস মুরগি, ঘোড়া, হরিণ, ময়ূর ঘুরে দেখেন।

এদিকে শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ ও হাতপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাতা মরহুমা ফৌজিয়া মালেকের স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


আরও খবর



জাতীয় কবির জন্মদিন আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মবার্ষিকী আজ। তার ডাক নাম ছিল দুখু মিয়া। তিনি ছিলেন বাংলা কবিতার একমাত্র বিদ্রোহী ও গানের বুলবুল। অবিভক্ত বাংলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ) বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুরিয়া থানার চুরুলিয়া গ্রামে ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ সালের ২৫ মে) জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মায়ের নাম জাহেদা খাতুন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন প্রেম, বিরহ-বেদনা ও সাম্যের মানুষ। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্য-সংগীত তথ্য সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান পুরুষ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় কাজী নজরুল ইসলামের লেখনী ধূমকেতুর মতো আঘাত করে জাগিয়ে তুলেছিল ভারতবাসীকে। বিদ্রোহী কবিতে পরিণত হন তিনি।

দুখু মিয়া হিসেবেও পরিচিত এ কবি সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ, নিপীড়ন, অনাচার, বৈষম্য, শোষণ ও পরাধীনতার বিরুদ্ধে অগ্নিকণ্ঠে সোচ্চার হয়ে লিখে গেছেন অসংখ্য গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও গান। এছাড়াও তিনি ছিলেন চির প্রেমের কবি। প্রেম নিয়েছিলেন এবং দিয়েছিলেন। তিনি বিদ্রোহী কবি হলেও প্রেমিক রূপ ছিল প্রবাদপ্রতিম। এ কারণেই অনায়াসে এ কবি বলে গেছেন, আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনায়। এছাড়াও একাধারে তিনি কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, শিশু সাহিত্যিক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক, সম্পাদক, সাংবাদিক, গীতিকার, সুরকার, স্বরলিপিকার, গীতিনাট্যকার, গীতালেখ্য রচয়িতা, চলচ্চিত্র কাহিনীকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, বাদক, সঙ্গীতজ্ঞ ও অভিনেতা।জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখে গেছেন ২২টি কাব্যগ্রন্থ, সাড়ে ৩ হাজার, মতান্তরে ৭ হাজার গানসহ ১৪টি সংগীত গ্রন্থ, ৩টি কাব্যানুবাদ ও ৩টি উপন্যাস গ্রন্থ, ৩টি নাটক, ৩টি গল্পগ্রন্থ, ৫টি প্রবন্ধ, ২টি কিশোর নাটিকা, ২টি কিশোর কাব্য, ৭টি চলচ্চিত্র কাহিনীসহ অসংখ্য কালজয়ী রচনা।

১৯৪১ সালের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এ কবি। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসা চলে লুম্বিনী পার্ক ও রাচি মেন্টাল হাসপাতালে। পরে ১৯৫৩ সালে ইংল্যান্ড ও জার্মানিতে পাঠানো হয় তাকে। এই সময়ে একেবারেই বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন তিনি। ফলে ১৯৫৩ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় নীরবে-নিভৃতেই কাটে তার জীবন।

১৯৭২ সালের ২৪ মে জন্মদিনে ঢাকায় এনে তাকে জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কবির চল্ চল্ চল্- ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদলকে সামরিক সংগীত হিসেবে নির্বাচিত করে সম্মানিতও করেন।

১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তৎকালীন পিজি (বর্তমানে বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয় এ কবিকে। সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।


আরও খবর



কাদের মির্জার গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সেতুমন্ত্রীর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে তার কর্মী সমর্থক ও অনুসারীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে।

শনিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে এ ঘটনায় কাদের মির্জার সম্পৃক্ততার অভিযোগে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে কাদের মির্জার বিচার দাবি করে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে বক্তারা তার গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, অবরোধ করে দেওয়া হয়েছে বসুরহাট টু বাংলাবাজার-চাপরাশির হাটের প্রধান সড়ক এবং উপজেলার ৮ ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়কগুলো উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক শহর বসুরহাট থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বসুরহাট বাজারের প্রেসক্লাব কোম্পানীগঞ্জের সামনে বসুরহাট টু দাগনভূঞা সড়কে এই ঘটনা ঘটে। অপরদিকে এ হামলার প্রতিবাদে কোম্পানীগঞ্চের বিভিন্ন ইউনিয়নে এখনো কাদের মির্জার বিরোধী মিছিল করছে বাদল অনুসারীরা।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, আমরা সড়ক অবরোধের কথা শুনেছি।  তবে দ্রুত আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

উল্লেখ্য, শনিবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আ.লীগ নেতা আলালসহ ঢাকার উদ্দেশ্যে বসুরহাট হয়ে রওনা করে। যাত্রা পথে বসুরহাট বাজারের প্রেসক্লাব কোম্পানীগঞ্জের একটু সামনে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে কাদের মির্জা তার ৪০-৫০জন অনুসারী নিয়ে বাজার পরিদর্শন করে আসার পথে বাদলের গাড়ির মুখোমুখি হয়। এ সময় কাদের মির্জার নেতৃত্বে তার অনুসারী কেচ্ছা রাসেল, ডাকাত মাসুদ, খান, শিহাব, সজল, আরিফ, ওয়াসিমসহ ৪০-৫০জন অনুসারী মিজানুর রহমান বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র মঞ্জু অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা প্রথমে তার গাড়ির পিছনে গুলি করে। এক পর্যায়ে গাড়ির গতিরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তার হাত-মাথা ফাটিয়ে দেয়, পা ও বুকের হাড় ভেঙ্গে দেয় এবং কানে গুরুত্বর জখম করে।

এ বিষয়ে জানতে কাদের মির্জার ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যের কাছে টিকা চাইল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২২ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারত টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় তৈরি হওয়া সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কাছে জরুরি ভিত্তিতে টিকা সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি দেশটির টেলিভিশন আইটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের টিকা পরিস্থিতিকে সংকট আখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, টিকা পেতে আমরা মরিয়া।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত ভয়ংকর সংকটময় মুহূর্ত পার করছে। দেশটির করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। আমরা এই পরিস্থিতি বুঝতে পারছি। ফলে তারা যে পরিমাণ টিকা সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।

আইটিভির খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রায় ১৬ লাখ মানুষকে অক্সফোর্ডের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে, যাদের ১২ সপ্তাহের মধ্যে এই টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা। কিন্তু সেরামের কাছ থেকে টিকা না আসায় ১৬ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ দিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে বাংলাদেশ ১৬ লাখ ডোজ টিকা চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার সরাসরি যুক্তরাজ্য সরকারের কাছ থেকে এই পরিমাণ টিকা চেয়েছে। কিন্তু তাদের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা নেই বলে বাংলাদেশের এই আবেদন খারিজ করেছে ব্রিটিশ সরকার। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যুক্তরাজ্য সরকার চেষ্টা করলে এই পরিমাণ টিকার ব্যবস্থা করতে পারবে। আমরা মনে করি, তাদের সেই সামর্থ্য আছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি অনুরোধ, তারা যেন আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করে। তাদের উচিত, কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে সাহায্য করা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের ভালো বন্ধু। অনেক বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। তাই যুক্তরাজ্যের উচিত এগিয়ে আসা। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরও বলেন, আমরা অনেক টিকা চাইছি না। আমরা শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১৬ লাখ ডোজ চাইছি। যে টিকা যুক্তরাজ্যের আছে।


আরও খবর



পশু বা পাখি উত্তর কোরিয়ায় ঢুকলেই গুলি করে মেরে ফেলার নির্দেশ: কিম জং উন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের নিষ্ঠুরতা কথা প্রায়ই শোনা যায়। সবশেষ যে আদেশ তিনি দিয়েছেন, তাতে নিষ্ঠুরতা মাত্রা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ছাড়িয়ে গেছে। সীমান্ত পার হয়ে কোনও বিড়াল ও কবুতর প্রবেশ করলে হত্যা নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। খবর মিররের।

কিমের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে চীন থেকে উত্তর কোরিয়া করোনাভাইরাস নিয়ে আসছে বিড়াল ও কবুতর। জানা গেছে, উত্তর কোরিয়ায় করোনার প্রকোপ খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামে প্রশাসন। আর সেই তদন্তের রিপোর্টে করোনার ছড়ানোর জন্য বিড়ালদের দায়ী করা হয়েছে।

এরপরই চীনের সীমান্ত পেরিয়ে কোনও পশু বা পাখি উত্তর কোরিয়ায় ঢুকলেই গুলি করে মেরে ফেলার নির্দেশ জারি করেছেন কিম। এমনকি বিড়াল পোষার কারণে কর্তৃপক্ষের রোষের মুখেও পড়তে হচ্ছে মানুষজনকে। এজন্য শাস্তির পাশাপাশি আইসোলেশনেও থাকতে হচ্ছে এসব পরিবারকে।

এদিকে স্থানীয় প্রশাসনকে পশু-পাখি মারার জন্য চাপ দিচ্ছে কিম সরকার বলে জানা যাচ্ছে। যদিও কিমের এমন আদেশে উত্তর কোরিয়া জনগণের একাংশ ক্ষুদ্ধ বলেও শোনা যাচ্ছে। যদিও এগুলোর কোনও কিছুই তোয়াক্কা করেন না কিম জং উন।


নিউজ ট্যাগ: কিম জং উন

আরও খবর



করোনায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৩৭

প্রকাশিত:শনিবার ১২ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১ | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৩ হাজার ৭১ জনে।

একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৬৩৭ জন। মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট লাখ ২৪ হাজার ৪৮৬ জনে।

শনিবার (১২ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ এবং ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে বাসায় মারা গেছেন তিনজন। বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে ১১ জন। ঢাকা বিভাগে ১০ জন, রাজশাহীতে সাতজন। এর বাইরে চট্টগ্রামে ছয়জন, বরিশালে দুইজন, রংপুরে দুইজন ও সিলেটে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৬৬১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০টি। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৬১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৬৩টি।

অপরদিকে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ১০৮ জন করোনা রোগী। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হলেন সাত লাখ ৬৪ হাজার ২৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১২ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৫৯ শতাংশ।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর