Logo
শিরোনাম

সুইস ব্যাংকে বাড়লো বাংলাদেশিদের টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুইস ব্যাংকে রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে বাংলাদেশিদের টাকা। গত এক বছরে বাংলাদেশিরা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করেছেন। ব্যাংকস ইন সুইজারল্যান্ড-২০২২ শিরোনামে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদন থেকে বাংলাদেশিদের জমানো অর্থের সর্বশেষ তথ্য পাওয়া গেছে।

এসএনবির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশিদের আমানত দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। প্রতি ফ্রাঁ বাংলাদেশি ৯৫.৭০ টাকা হিসেবে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৩৩৩ কোটি, যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।  ২০২০ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ৩০ লাখ সুইস ফ্রাঁ। ২০১৭ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থের পরিমাণ ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ সুইস ফ্রাঁ, ২০১৮ সালের শেষে এই অর্থের পরিমাণ কমে হয় ৬২ কোটি সুইস ফ্রাঁ। ২০১৯ সালে এসে দাঁড়ায় ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁতে। দেশটির ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের টাকার পরিমাণ বলা হলেও পাচার সম্পর্কে কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। এমনকি আমানত হিসাবে কার কত অর্থ আছে, তা-ও জানা যায়নি।

সুইজারল্যান্ডের এই তথ্য এমন সময় প্রকাশ করা হয়েছে, যখন সরকার বাজেটে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে নানাভাবে অবৈধ উপায়ে পাচার হওয়া অর্থ যেমন সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা হয়, তেমনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশিরাও দেশটিতে অর্থ জমা রাখেন। ফলে সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশিদের মোট অর্থের মধ্যে বৈধ-অবৈধ সবই রয়েছে। সাধারণত সুইস ব্যাংক অর্থের উৎস গোপন রাখে। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা দেশটির বিভিন্ন ব্যাংকে অর্থ জমা রাখেন।

সারা বিশ্বের ধনীদের অর্থ গোপনে গচ্ছিত রাখার জন্য বহু দিনের খ্যাতি সুইজারল্যান্ডের। কঠোরভাবে গ্রাহকদের নাম-পরিচয় গোপন রাখে সুইস ব্যাংকগুলো। যে কারণে প্রচলিত বিশ্বাসঅবৈধ আয় আর কর ফাঁকি দিয়ে জমানো টাকা জমা রাখা হয় সুইস ব্যাংকে। নির্দিষ্ট গ্রাহকের তথ্য না দিলেও এক দশক ধরে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক। এক বছর আগে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের মোট টাকার পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ফ্রাঁ, বা ৫ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরেই সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ২ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা।

সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, যদি কোনও বাংলাদেশি তার নাগরিকত্ব গোপন করে অর্থ জমা রেখে থাকেন, তবে ওই টাকা এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি এই প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যাচ্ছে, তাতে ২০২১ সালেই বাংলাদেশিদের সবচেয়ে বেশি আমানত ছিল সুইস ব্যাংকে। ২০০২ সালে আমানত ছিল মাত্র ৩ কোটি ১০ লাখ ফ্রাঁ,  দুই দশকে তা বেড়েছে প্রায় ৩০ গুণ। বৃদ্ধির হারও সবচেয়ে বেশি ছিল ২০২১ সালে। অবশ্য মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির হিসাবে, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে থাকে ৭১ হাজার কোটি টাকা।

নিউজ ট্যাগ: সুইস ব্যাংক

আরও খবর



প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পেশাজীবীদের মাঝে চেক ও সনদপত্র বিতরণ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ১০০জন দেখেছেন

Image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

'বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন' শীর্ষক প্রকল্প, সমাজসেবা অধিদপ্তর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় সংশ্লিষ্ট পেশার মানোন্নয়নে ৫ দিনব্যাপী সফটস্কিল প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের মাঝে প্রশিক্ষণ সমাপনান্তে রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন ও রাণীশংকৈল সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে সনদপত্র ও এককালীন অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান

বুধবার (৮ মে) উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

হেয়ার ড্রেসিং, মৃৎশিল্প, জুতা মেরামত ও প্রস্তুতকারী, কাঁসা পিতল পণ্য প্রস্তুতকারী, কামার, বাঁশ-বেত পন্য প্রস্তুতকারী পেশার উপর দক্ষ  জনগোষ্ঠী প্রস্তুত ও তাদের পেশার মানোন্নয়ন এবং তাদের পেশা সুচারুভাবে নিশ্চিতকরণের জন্যই এই প্রশিক্ষণ ও  অনুষ্ঠান বলে অবহিত করেন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ আব্দুর রহিম।

অনুষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জনাব মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ এমপি। প্রধান অতিথি এসময় তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার, উন্নয়নের সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বর্তমান সরকার দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে আপামর জনতার সব ধরনের পেশার মানুষের জীবন-জীবিকা উন্নয়নের জন্য সার্বিক ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তারই প্রতিফলন আজকের এই অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি দেশের প্রতিটি  প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু করে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে থেকে প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাণীশংকৈল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শাহরিয়ার আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং রাণীশংকৈল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ সইদুল হক, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান মোছাঃ শেফালী বেগম, রাণীশংকৈল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ সহ আরো অনেকে।

বক্তাগণ এসময় তাদের বক্তব্যে বিভিন্ন পেশাজীবীদের কথা এবং তাদের বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পেশাজীবীদের  অবদান সবার মাঝে তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে উপজেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন পেশার ১৫০ জন ব্যক্তিকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করার কৃতিত্ব স্বরূপ  প্রত্যেককেই সনদপত্র ও এককালীন ১৮ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

এরকম প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে ও সনদপত্র পেয়ে এবং নগদ এককালীন ১৮০০০/- টাকা অনুদান পেয়ে চোপড়ার হেয়ার ড্রেসিং কারিগর মানিক শীল খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলেন, বর্তমান সরকার তাদের জন্য অনেক কিছু করে যাচ্ছেন যা তাদের ভুলবার নয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা জনাব মোঃ সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির। সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, রংপুর বিভাগের মধ্যে রাণীশংকৈল উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে রংপুর বিভাগের মধ্যে কেবলমাত্র তাঁর উপজেলাতেই এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। রাণীশংকৈল উপজেলাকে একটি আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এসময় তিনি সবার নিকট সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক ও কর্মকর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন আর নেই

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ মারা গেছেন। বুধবার (২৯ জুন) সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

সংগঠনটির সেক্রেটারি আফজাল বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১৬ জুন তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। রঞ্জন গুহের একবার হার্টঅ্যাটাক হয়েছিল। তখন তিনি ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নেন।


আরও খবর



আ.লীগ নেতা টিপু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী মুসা ওমানে আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীতে প্রকাশ্যে শাজাহানপুরে মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপুকে গুলি করে হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী সুমন সিকদার মুসা ওমানে আটক হয়েছেন।

গ্রেপ্তারের ব্যাপারে পুলিশ সদর দফতরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) মাধ্যমে রয়েল ওমান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। পুলিশ সদর দফতর থেকে সে দেশে মুসা আটকের বিষয়টি জানিয়ে বলা হয়েছে, মুসা ওমানের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে রয়েছেন।

গত ২৪ মার্চ রাত সোয়া ১০ টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনি থেকে বাসায় যাওয়ার পথে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের নিচে মাইক্রোবাসে গুলি করলে টিপু (৫৪) ও পাশের রিকশা যাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি (২০) নিহত হন। এ ঘটনায় ডিবির হাতে গ্রেফতার হয় শুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশ। তার দেওয়া তথ্য থেকে যুবলীগ নেতা এরফান উল্লাহ দামালকে গ্রেফতার করে ডিবি।

খুনের এক সপ্তাহ পর র‌্যাব এ ঘটনায় মতিঝিলের ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক (৫২), সুমন সিকদার মুসার ছোট ভাই আবু সালেহ শিকদার ওরফে শুটার সালেহ (৩৮), নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির (৩৮) ও মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশকে (৫১) গ্রেফতার করে।

আন্ডারওয়ার্ল্ডের কাছে মুছা একটি ভয়ঙ্কর নাম। আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে যোগাযোগ হয় মুসার। কোটি টাকায় খুনের চুক্তি হলেও প্রথম দফায় শুটার গ্রুপের কাছে ১৫ লাখ টাকা পৌঁছে যায়। এক গ্রুপ গুলি ও আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে আসে। অতঃপর কাট আউট পদ্ধতিতে শুটার গ্রুপ রেকি করে। সব পরিকল্পনা করে ১২ মার্চ মুসা দুবাই পালিয়ে যায়। সেখানে শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা নেয় খুনের। এর পাশাপাশি ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার যুবলীগের ল্যাংড়া খালেদের সঙ্গেও শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের যোগাযোগ হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত মাসের শুরুর দিকে মুসা দুবাই থেকে ওমানে যান। ওমানে যাওয়ার কয়েকদিন পর সেখানে রয়েল ওমান পুলিশের হাতে মুসা আটক হন। তবে ইন্টারপোল থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে রয়েল ওমান পুলিশ আটক করেছে।

পুলিশ সদর দফতরে ইন্টারপোলের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর (এনসিবি) সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মহিদুল ইসলাম বলেন, ওমানে মুসার আটকের বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। ওমানে আমরা যোগাযোগ করছি। তাকে আটক করা হয়েছে কি না তা আমরা নিশ্চিত হইনি। তবে সে সেদেশের নজরদারির মধ্যে আছে। ৫-৬ দিন পর এ ব্যাপারে ভালো কিছু রেজাল্ট জানানো সম্ভব হবে।

অপরদিকে, টিপুকে গুলি ছোঁড়া ব্যক্তিকে মোটরসাইকেলে বহনকারী ব্যক্তি মোল্লা শামীম লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। পরে ভারত থেকে তিনি ভুটানে চলে গেছেন। ভুটানে তার অবস্থানের তথ্য পেয়ে পুলিশ সদর থেকে যোগাযোগ শুরু করেছে।

এ ব্যাপারে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, এ হত্যার অন্যতম পরিকল্পনাকারী মুসা। মুসাকে গ্রেফতার করা গেলে হত্যায় কারা কারা জড়িত তার একটা তালিকা পাওয়া যেত। দুবাইয়ে মুসার পালিয়ে যাওয়ার তথ্যসহ বিস্তারিত তথ্য পুলিশ সদর দফতরকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দফতর মুসাকে নিয়ে কাজ করছে।


আরও খবর



জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী রিফাত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নিজের জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। বুধবার (১৫ জুন) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরুর কিছুক্ষণ পরেই নিজের কেন্দ্র ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি।

ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে। কেন্দ্রে বুথ কমিয়ে দিলেও আমার মাথা ব্যথা নেই। বিষয়টি নির্বাচন কমিশন দেখবে। তবে আমি নির্বাচনে শতভাগ জয়ের আশাবাদী।

ইভিএমে ভোট দিয়ে প্রতিক্রিয়ায় রিফাত বলেন, এখন পর্যন্ত চমৎকার পরিবেশ দেখছি। আমি আশাবাদী লোক। নিরাশার ধারে কাছেও যেতে চাই না। সবাইকে বলল, আশাবাদী হোন। এরপরই তিনি দলীয় সমর্থকদের নিয়ে কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরিয়ে যান।

কুমিল্লা সিটিতে এবারের নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থীসহ সাধারণ ও সংরক্ষিত মিলিয়ে ১৪৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে। কুমিল্লা নির্বাচনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন দুইজন।


আরও খবর



ময়মনসিংহে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহ মহানগরীর গন্ধপা এলাকায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে পারভেজ (৩০) নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার (১ জুলাই) রাতে এ ঘটানা ঘটে।

নিহত পারভেজ তিনি ওই এলাকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (১ জুলাই) রাতে নিজ বাড়িতে ফেরার সময় পারভেজের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে গুরুতর আহত পারভেজকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

পারভেজের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ। তিনি বলেন, মহানগরের গন্ধপা এলাকার রাতে দুর্বৃত্তরা পারভেজকে ছুরিকাঘাত করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর পারভেজের মৃত্যু হয়। কী কারণে এবং কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বলে জানান ওসি।


আরও খবর