Logo
শিরোনাম

সুনামগঞ্জ-সিলেটে মোবাইল নেটওয়ার্কে বিপর্যয়

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বন্যার কারণে সুনামগঞ্জ-সিলেট এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক বিপর্যয় ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু কিছু জায়গায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটর চালিয়ে ব্যাকআপ দেওয়া হচ্ছিল। কোথাও কোথাও জেনারেটরের তেলও (জ্বালানি) ফুরিয়ে গেছে। ফলে মোবাইল টাওয়ারগুলো ডাউন (বন্ধ) হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক না থাকায় বন্যার্তরা কথা বলতে পারছেন না, ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছে না। সিলেট ও সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় অবস্থা সবচেয়ে বেশি খারাপ বলে জানা গেছে।

গ্রামীণফোন সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৮ জুন) কিছু কিছু টাওয়ার বন্ধ ছিল, এ সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। টেলিটকের সিলেট জোনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জের ৬০ শতাংশ টাওয়ার ডাউন হয়ে গেছে। হাওর এলাকায় অবস্থা বেশি খারাপ। যেখানে যেখানে সম্ভব হচ্ছে, কর্মীরা জ্বালানি নিয়ে গিয়ে জেনারেটর চালু রাখার চেষ্টা করছে। সিলেটের হাওর এলাকারও অবস্থা একই। শহরের কিছু এলাকায় নেটওয়ার্ক ঠিক আছে। যেগুলোতে সম্ভব হচ্ছে টাওয়ার চালু করতে জেনারেটর চালানোর জন্য জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকায় জ্বালানি পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে। মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছে, তাদের কর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় পোর্টেবল জেনারেটর (বহনযোগ্য) পৌঁছে দিয়ে মোবাইল টাওয়ার সচল রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

এদিকে সুনামগঞ্জে দ্রুত টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে না পারলে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

শুক্রবার (১৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে বিটিএসগুলো পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে পারছে না। এরফলে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত সুনামগঞ্জে টেলিযোগাযোগ ইন্টারনেট সেবা দিতে না পারলে আটকে পড়া মানুষরা যোগাযোগ করতে পারবে না, এমনকি সেনাবাহিনীর রেসকিউ টিমকে জানাতে সক্ষম হবে না। ফলে প্রাণহানির আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব ভ্রাম্যমাণ জেনারেটরের মাধ্যমে বিটিএসগুলোতে পাওয়ার সাপ্লাই করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।


আরও খবর



আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রভাব বিস্তার করছে ভারত : শহীদ আফ্রিদি

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সম্ভবত আইপিএল। শুধু টাকার দিক থেকেই নয়, প্রভাবের দিক থেকেও আইপিএল অনেক এগিয়ে। আইপিএল অনুষ্ঠিত হয় দুই থেকে আড়াই মাস সময় নিয়ে। এই সময়ে খুব বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হয় না।

বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দল, যাদের প্রচুর ক্রিকেটার আইপিএলে খেলেন, এই দলগুলো আইপিএল চলাকালে কোনো সিরিজ সাধারণত রাখতেই চান না। যা ক্রিকেটের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি।

তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় প্রভাব বিস্তার করছে ভারত। তিনি বলেন, এটা আসলে বাজার আর অর্থনীতির ব্যাপার। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট বাজার হচ্ছে ভারত। তারা যেটাই বলে, সেটাই হবে।

এদিকে, আইপিএলের কারণে যাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রভাব না পড়ে তা গুরুত্ব সহকারেই দেখছে আয়োজক কমিটি। আইপিএলের এই দীর্ঘ সূচির কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কোনো ক্ষতি হবে না বলেই মনে করেন জয় শাহ। সেই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে ভারত নিয়মিত ছোটো দলগুলোর বিপক্ষে খেলবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর উদাহরণ স্বরূপ আসন্ন আয়ারল্যান্ড সিরিজের কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: শহীদ আফ্রিদি

আরও খবর



নবীকে অবমাননা, ‘বিপাকে’ ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতাদের অবমাননাকর মন্তব্যের জেরে অনেকটা বিপদে পড়েছে ভারত। ইতোমধ্যে অন্তত ১৫টি দেশ ভারতের ওপর নিন্দা জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাহরাইন, মালদ্বীপ, লিবিয়া, তুর্কিয়ে এবং ইন্দোনেশিয়া সরকারিভাবে বিজেপি নেতাদের মন্তব্যের জেরে ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়েছে।

এসব দেশ নিন্দা জানানো সঙ্গে নবীর ওপর অপমানের মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। সেই সঙ্গে ভারতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছে।

যদিও গত রবিবার (৫ জুন) ইতোমধ্যে বিজেপি দলের মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও তার সহকর্মী নাভিন কুমার জিন্দালকে তাদের মন্তব্যের জন্য দল থেকে বহিষ্কার ও বরখাস্ত করেছে। তবে এতে আরব দেশগুলোর ক্ষোভ তেমন একটা কমেনি বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এর আগে কুয়েত, ইরান ও কাতার তাদের প্রতিবাদ জানাতে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছিল। কড়া ভাষায় বিবৃতি জারি করেছিল সৌদি আরব। এর জেরে ইতোমধ্যে কুয়েত সিটির এক সুপারমার্কেট থেকে ভারতীয় পণ্য সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই সুপারমার্কেটে শেলফে রাখা সব ভারতীয় পণ্য প্লাস্টিক সিট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি করা চালের বস্তাও ঢেকে ফেলা হচ্ছে। দোকানের বিভিন্ন স্থানে লেখা হয়েছে, ভারতীয় পণ্য সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।  ভারতীয় পণ্য ও সিনেমা বয়কটের ডাক সেখানকার সামাজিক মাধ্যমে ট্রেন্ডিংয়ের তালিকায় উঠে এসেছে।

ভারতীয় কূটনীতিকরা এই দেশগুলোকে কূটনৈতিকভাবে শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এদিকে দেশটির বিরোধীদলগুলো বিজেপির এই দুই নেতার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। একইসঙ্গে বিজেপিকে আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ করেছে।

তবে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, এই দুই নেতার টুইট ও মন্তব্য সরকারের মতামতকে প্রতিফলিত করে না।

ভারতের আলোচিত জ্ঞানবাপী মসজিদ ইস্যুতে গত সপ্তাহে এক টেলিভিশন টকশোতে মহানবী (সা.) প্রসঙ্গে অবমাননাকর মন্তব্য করেন নূপুর শর্মা। এ ঘটনায় কানপুরের মুসলিমদের মধ্যে বিক্ষোভ তৈরি হয়। এছাড়া নবীকে নিয়ে নাভিন কুমার জিন্দালও টুইটারে পোস্ট করেন। এতে মুসলিমদের মধ্যে আরও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যদিও তিনি এই টুইট পরবর্তীতে মুছে দেন।

এর জেরে গত শুক্রবারে কানপুরের একপক্ষ স্থানীয় বাজার বন্ধ করার আহ্বান জানালে অপরপক্ষ পাল্টা অবস্থান নেয়। এর পরে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়। এর মধ্যে ২০ জন পুলিশ সদস্য।

ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় পুলিশ ৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে, মামলা দায়ের করেছে ১ হাজার ৫০০ লোকের বিরুদ্ধে।


আরও খবর



কুড়িগ্রামে বন্যায় পানিবন্দী ১৪৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ২০ জুন ২০22 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন

Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পানিবন্দী ১৪৩ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

জানা গেছে, বন্যার পানিতে বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশেপাশে পানি উঠে রাস্তা-ঘাট তলিয়ে যাওয়ায় রাজিবপুর উপজেলায় ৭টি, রৌমারীতে ৪৪টি, চিলমারীতে ২৬টি, উলিপুরে ২০টি, কুড়িগ্রাম সদরে ১১টি, নাগেশ্বরীতে ২টি এবং রাজারহাট উপজেলায় ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুল আলম বলেন, বন্যার কারণে জেলায় মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ে ৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে এবং নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম সদর ও রৌমারী উপজেলায় ৩টি প্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি বিবেচনা করে ১১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

সোববার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫২ সেন্টিমিটার, নূন খাওয়া পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ৪৫ সেন্টিমিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।


আরও খবর



যে কারণে রংধনু রঙের সব কিছু জব্দ করছে সৌদি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সমকামী অধিকার আন্দোলনের প্রতীক হওয়ায় রংধনু রঙের যাবতীয় পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে সৌদি আরব। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ মাধ্যম আল এখবারিয়ার বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি। এতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের বিভিন্ন দোকান, মার্কেট, সুপারশপ ও সুপারমলে অভিযান চালাচ্ছে সরকারি বাহিনী। খেলনা, নেকটাই, বো-টাই, স্কার্ট, টুপি, পেন্সিল বক্সসহ রংধনু রঙের যা কিছু পাওয়া যাচ্ছেসব জব্দ করা হচ্ছে।

অন্যান্য বছরের মতো চলতি জুন মাসকে গর্বের মাস (প্রাইড মান্থ) হিসেবে উদযাপন করছে উন্নত বিভিন্ন দেশের সমকামী কমিউনিটি। আর দেশ থেকে সমকামের মূলোৎপাটন করতে অভিযান চালানোর জন্য এই মাসকে বেছে নিয়েছে সৌদি। সমকামীদের অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক রংধনু রঙের পতাকা। সমকামী সমাজের নেতাদের ভাষ্য রংধনুতে যেমন বিভিন্ন রঙের বৈচিত্র্য থাকে, তেমনই বিশ্বের মানব সমাজও নানা জাতি-গোষ্ঠী-ভাষা ও যৌনাকাঙ্ক্ষার বৈচিত্র্যে পরিপূর্ণ। নেতাদের দাবি, রংধনু রঙের পতাকা ওড়ানো ও এই রঙের পণ্যের ব্যবহারের মাধ্যমে মানব সমাজের নানামুখী বৈচিত্র্য স্বীকার করেন সমকামীরা।

তবে সৌদি প্রশাসন বলছে, ইসলাম ও সৌদি সংস্কৃতির সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক হওয়ায় সমকামী অধিকার আন্দোলনের কোনও প্রতীক দেশে না রাখার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সমকাম ইসলাম ও আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। কিন্তু আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মকে সমকামে উৎসাহী করতে পরিকল্পিতভাবে রংধনু রঙের বিভিন্ন পণ্য দেশের বাজারে ছেড়েছে কোনও মহল। আমরা আমাদের তরুণ-তরুণী ও শিশুদের এই বিষাক্ত বার্তা থেকে মুক্ত রাখতে চাই। এ কারণেই এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

তবে হঠাৎ কেন এ অভিযান শুরু হলো সৌদিতে তার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে এএফপি জানতে পেরেছে ঘটনার সূত্রপাত মার্কিন চলচ্চিত্র প্রস্তুত ও পরিবেশন কোম্পানি ডিজনির সর্বশেষ ফিল্ম ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস থেকে। চলচ্চিত্রটিতে ১২ সেকেন্ডের একটি দৃশ্য ছিল, যেখানে দুই সমলিঙ্গের চরিত্র নিজেদের পরিচয় দিয়েছিল দম্পতি হিসেবে। এই দৃশ্যটি চলচ্চিত্র থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ডিজনিকে আহ্বান জানিয়েছিল সৌদি প্রশাসন। তবে তাতে সাড়া দেয়নি ডিজনি। পরে ওই চলচ্চিত্রসহ একই অভিযোগে ডিজনির আরও দুটি চলচ্চিত্র নিষিদ্ধ করে সৌদি সরকার। এ দুটি চলচ্চিত্র হল লাইট ইয়ারসেম-সেক্স কিস।

নিউজ ট্যাগ: সমকামী

আরও খবর



ময়মনসিংহে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ময়মনসিংহে মাছ ধরতে গিয়ে পৃথক বজ্রপাতে তিন শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুন) বেলা ২ টার দিকে জেলার সদর ও নান্দাইল উপজেলায় এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, জেলার সদর উপজেলার দড়ি কুষ্টিয়া ইউনিয়নের দড়ি কুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক বাক্কার হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেন এবং নান্দাইল উপজেলার গাঙ্গাইল ইউনিয়নের কংকরহাটি গ্রামের শহীদুল্লাহর ছেলে সাঈদ মিয়া (১২), হাদিস মিয়ার ছেণে স্বাধীন মিয়া (১১), বিল্লাল হোসেনের ছেলে শাওন (৮)।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বজ্রপাতে দুই কৃষক নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, গাঙ্গাইল ইউনিয়নের কংকরহাটি গ্রামের ইউপি সদস্য মো. গোলাপ হোসেন নিশ্চিত করে বলেন, বৃষ্টির সময় ওই তিন শিশু এক সাথে মাছ ধরতে যায়। দুইটার দিকে হঠাৎ বজ্রপাতে তিন শিশু গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দুইজনকে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও একজন কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর