Logo
শিরোনাম

সুনামগঞ্জের শাল্লা থানার ওসি সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি বদলি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুনামগঞ্জ থেকে জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়ন হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রাম নোয়াগাঁও হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ ছাড়া দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) রাতে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে সুনামগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত নূর আলমকে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমনার বলেন, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাল্লা থানা ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত ও দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামকে মৌলভীবাজারে বদলি করা হয়েছে, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছিলো।

এ ব্যাপারে সিলেট পুলিশ রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, শাল্লা উপজেলায় হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে হামলার ঘটনায় শাল্লার থানার ওসি ও দিরাই থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গিয়েছে সেজন্য শাল্লা থানার ওসি নাজমুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করে বরিশাল রেঞ্জে সংযুক্ত হতে নির্দেশ দেওয়া হয় এবং দিরাই থানার ওসি আশরাফুল ইসলামে মৌলভীবাজার জেলায় বদলী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মার্চ রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের গোপেন্দ্র দাসের ছেলে ঝুটন দাস আপন।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ সেই রাতে শশখাই বাজার থেকে ঝুটন দাসকে আটক করে। পরদিন, ১৭ মার্চ সকালে উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে  হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ১৮ মার্চ সকালে র্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এলাকা পরিদর্শন করেন। ওই দিন বিকালে বাড়ি ঘরে হামলার বিষয়ে পৃথক দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী শাল্লা থানার এসআই আব্দুল করিম। এ মামলায় অজ্ঞাতনামা দেড় সহস্রাধিকজনকে আসামী করা হয়েছে। অন্য মামলার বাদী স্থানীয় হবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল। মামলায় ৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০০জনকে আসামী করা হয়।

এরই প্রেক্ষিতে ১৯ মার্চ গভীর রাতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানা এলাকা থেকে আত্বগোপনে থাকা শহিদুল ইসলাম ওরফে স্বাধীন মেম্বারকে গ্রেফতার করে পিবিআই। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও নোয়াগাও গ্রামের সংখ্যালঘুদের গ্রামে হামলার ঘটনায় ১৮ মার্চ দুটি ও ২২ মার্চ আরেকটি মামলা হয়। ১৮ মার্চ করা দুটি মামলার একটির বাদী শাল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল করিম। ২২ মার্চ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝুমন দাশের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেছেন শাল্লা থানার এসআই আবদুল করিম। এদিকে সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আদালতে ৭২জনের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছেন নিভা রানী দাস। তিনি ঐ গ্রামের বাসিন্দা ও মাওলানা মামুনুল হক কে কটুক্তি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আসামী ঝুমন দাস আপনের মা। মামলায় আসামি করা হয়েছে শহীদুল ইসলাম স্বাধীন মেম্বার সহ ৭২ জন ও অজ্ঞাত ২ হাজার। বৃহস্পতিবার (০১ এপ্রিল) আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট শাল্লা জোন আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



অবশেষে সুয়েজে আটকেপড়া জাহাজ ভাসল

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় সাতদিন প্রাণান্ত চেষ্টার পর অবশেষে নড়ানো গেল মিসরের সুয়েজ খালে আটকে পড়া দৈত্যাকার জাহাজ এমভি এভার গিভেনকে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাতে জাহাজটিকে আবারও সচল করা সম্ভব হয়েছে। শিগগিরই বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই বাণিজ্যিক পথটি খুলে দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র জানিয়েছে, খালের মধ্যে আড়াআড়ি আটকে পড়া জাহাজটিকে সোজা করা সম্ভব হয়েছে। লোহিত সাগরের সঙ্গে ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করতে মানুষের তৈরি বৃহত্তম এই খাল দিয়ে জাহাজ চলাচলও শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের খবর অনুসারে, ৫০০ মিটার লম্বা, ৫৯ মিটার চওড়া, দুই লাখ ২০ হাজার টনের জাহাজটি ভূমধ্যসাগরের দিকে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারায়। একপর্যায়ে সেটি খালের মধ্যে আড়াআড়ি আটকে যায়।

ধারণা করা হচ্ছে, প্রবল বাতাসের কারণে জাহাজের হাল বিচ্যুত হয়। এরপর তা ঘুরে যায়। জাহাজের তলা খালের নিচে কাদামাটির মধ্যে আটকে ছিল। আটকেপড়া দানবাকার জাহাজটি সরাতে চেষ্টা চলছিল নানাভাবে। ড্রেজিং-শিপ এনে, টাগ বোট লাগিয়ে, জোয়ারের সময় বেড়ে যাওয়া পানি ও উঁচু ঢেউকে কাজে লাগিয়ে সেটি নড়ানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কিছুতেই যেন কিছু হচ্ছিল না।

এভার গিভেন এভাবে আটকে যাওয়ায় ভূমধ্যসাগর বা লোহিত সাগর কোনোদিক থেকেই জাহাজ আসা-যাওয়া করতে পারছিল না। ফলে দুই পাশেই প্রচুর জাহাজ আটকে পড়ে।

সুয়েজ খাল কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, খালের দুপাশে কন্টেইনারবাহী, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসবাহী, তেলের ট্যাংকার এবং পশুবাহী অন্তত ৩৬৯টি জাহাজ আটকে রয়েছে।

এর মধ্যে রোমানিয়ারই ১৩টি পশুবাহী জাহাজ আটকা পড়েছে, যাতে কয়েক হাজার পশু রয়েছে। মিসর জানিয়েছে, ওই জাহাজগুলোতে পশু চিকিৎসক, খাবার ও পানি পাঠানো হচ্ছে।

সুয়েজ খাল অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছে বিশ্ব। প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে এক হাজার কোটি ডলার ক্ষতি হচ্ছে। এর মধ্যে শুধু মিসরেরই প্রতিদিন ক্ষতি হচ্ছে এক কোটি ২০ লাখ থেকে এক কোটি ৪০ লাখ ডলার।

নিউজ ট্যাগ: সুয়েজ খাল

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




বিএনপি নেত্রী নিপুণ রায় চৌধুরী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সদস্যসচিব ও অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীকে পুলিশ আটক করেছে। রবিবার (২৮ মার্চ) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আটকের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নিপুণ রায়ের বাসা রায়েরবাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। আমি এখন যশোরে অবস্থান করছি। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কিছু মেয়েরা বাসায় গিয়ে হইচই করে তাকে ধরে নিচে নামায়। সেখানে ছেলেরা ছিল। তারা পুলিশ কি-না সে পরিচয়ও জানা যায়নি।

কি কারণে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি গয়েশ্বর। তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা-ও জানতে পারেননি। নিপুণ রায় চৌধুরী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে


আরও খবর



দূরপাল্লার গণপরিবহন চালুর বিষয়টি অপপ্রচার

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জনগণের দাবির মুখে জনস্বার্থে দুর্ভোগ কমাতে সরকার ঢাকাসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনে গণপরিবহন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির অবকাশ নেই।

তিনি জানান, দুই একদিনের মধ্যে দূরপাল্লার বাস সার্ভিস চালুর ব্যাপারে কেউ কেউ অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন যা মোটেও সত্য নয়।

আজ বুধবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিবহন মালিক শ্রমিকদের কাছে নতি স্বীকার করে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে কেউ কেউ যে অভিযোগ করছে তা সঠিক নয়।


আরও খবর



জাতির পিতার প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিনম্র শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে আজ বুধবার সকালে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে নেওয়া হয়েছে ১০ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজন।

এ ছাড়া আজ সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর শিশু সমাবেশ এবং বিকেলে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে থাকছে মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর মূল আয়োজন। এ উপলক্ষে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান বাংলাদেশে আসছেন। ঢাকায় পা রেখেই অতিথিরা যাবেন সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে। আজ ঢাকায় এসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ। এরপর ১৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকশে, ২২ মার্চ নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি, ২৩ মার্চ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ও ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসবেন। এই সফরকে স্মরণীয় করে রাখতে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে তাঁরা গাছের চারা রোপণ করবেন। স্বাক্ষর করবেন পরিদর্শন বইতে। স্মৃতিসৌধ এবং আশপাশের এলাকা ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এবার উদযাপিত হবে এ দিনটি। গত বছর বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন থেকে শুরু হয় মুজিববর্ষ, যা এ বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এই দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসেবেও উদযাপিত হয়। এবারের জাতীয় শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, শিশুর হৃদয় হোক রঙিন

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।

এর আগে গত বছর বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও করোনা ভাইরাসজনিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মুজিব বর্ষের কর্মসূচি পুনর্বিন্যাস করে উদযাপিত হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। বিদ্যমান কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আয়োজিত এসব অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিরা অংশগ্রহণ করবেন।

ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী জানান, অনুষ্ঠানমালায় প্রতিদিন পৃথক থিমভিত্তিক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অডিওভিজুয়াল এবং অন্যান্য বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। ১০ দিনের অনুষ্ঠানমালার থিমগুলো হলো১৭ মার্চ ভেঙেছ দুয়ার এসেছো জ্যোতির্ময়, ১৮ মার্চ মহাকালের তর্জনী, ১৯ মার্চ যতকাল রবে পদ্মা যমুনা, ২০ মার্চ তারুণ্যের আলোকশিখা, ২১ মার্চ ধ্বংসস্তূপে জীবনের গান, ২২ মার্চ বাংলার মাটি আমার মাটি, ২৩ মার্চ নারীমুক্তি, সাম্য ও স্বাধীনতা, ২৪ মার্চ শান্তি-মুক্তি ও মানবতার অগ্রদূত, ২৫ মার্চ গণহত্যার কালরাত্রি ও আলোকের অভিযাত্রা এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর ও অগ্রগতির সুবর্ণরেখা

১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ১৭ মার্চ, ২২ মার্চ ও ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং ১৭ মার্চ, ১৯ মার্চ, ২২ মার্চ, ২৪ মার্চ ও ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন। এই পাঁচ দিনের অনুষ্ঠানে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধানগণ সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আজকের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ, ১৯ মার্চের অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকশে, ২২ মার্চের অনুষ্ঠানে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারি, ২৪ মার্চের অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং এবং ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উপস্থিত থাকবেন।

এই পাঁচ দিনের অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সীমিত আকারে ৫০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া, এই পাঁচ দিনের অনুষ্ঠানসহ অন্য পাঁচ দিনের অনুষ্ঠানমালায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ধারণকৃত বক্তব্য প্রদর্শন করা হবে। প্রত্যেকদিনের অনুষ্ঠান টেলিভিশন চ্যানেল, অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।


আরও খবর



সাংবাদিকদের ওপর হামলা প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
জনগণের সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের ওপর হামলা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি ও জামায়াত

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে কোনও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা যদি ঘটে থাকে, আমরা তা খতিয়ে দেখবো। অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত। দায়িত্ব পালনের সময় তাদের ওপর যেন হামলা না হয় সেজন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তথ্যমন্ত্রী।

আজ সোমবার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চান ডিইউজে নেতারা। এসময় তথ্যমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, হেফাজতের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঙ্গে বিএনপি জড়িত। কারণ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন- এই সরকারকে হটানো হবে এবং নিরপেক্ষ সরকারের আন্ডারে নির্বাচন দিতে বাধ্য করা হবে। এটা তাই প্রমাণ করে। নরেন্দ্র মোদির আগমন মুখ্য বিষয় নয়।

তিনি বলেন, ২০১৩-১৪ সালের বিএনপি ও আজকের বিএনপি এক নয়। তেমনি ২০১৩-১৪ সালের আওয়ামী লীগ ও আজকের আওয়ামী লীগও এক নয়। আজকের আওয়ামী লীগ আরও বেশি শক্তিশালী ও আত্মপ্রত্যয়ী। আর বিএনপি ক্রমান্বয়ে পরিণত হয়েছে ক্ষয়িষ্ণু দলে।

সাংবাদিকরা তথ্যমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, গতকাল রবিবার হেফাজতের হরতালের সময় নারায়ণগঞ্জে রাস্তায় অনেককে কলেমা পড়তে বলা হয়েছে, এটা কিসের আলামত? জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটা ১৯৭১ সালেও হয়েছে। আমরা তখন দেখেছি মানুষকে কালেমা পড়তে বলতে, অনেককে লুঙ্গি খুলে দেখাতে বাধ্য করা হয়েছে। এটা প্রমাণ করে যারা এর সঙ্গে জড়িত তারা পাকিস্তানীদের অনুসারী ও তাদের পরবর্তী প্রজন্ম।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের সম্পত্তি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। দেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের ওপর হামলা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি ও জামায়াত। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী। তাদের বুদ্ধিজীবী বলতে আমার লজ্জা হয়। ২০১৩- ১৪ সালেও এমনটা হয়েছে। সরকার তখন কঠোর হাতে এগুলো দমন করে দেশে শান্তি বজায় রেখেছে। কাজেই এখন যদি কেউ নৈরাজ্য করে তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: ড. হাছান মাহমুদ

আরও খবর