Logo
শিরোনাম

সুরক্ষা’র ওয়েবসাইট অচল, বন্ধ টিকাদান কার্যক্রম

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার টিকা রেজিস্ট্রেশনের একমাত্র পোর্টাল সুরক্ষার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে (চমেকে) বন্ধ হয়ে গেছে টিকাদান কার্যক্রম। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন  টিকা গ্রহণ করতে আসা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৭ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ টিকাদান কেন্দ্রে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সকাল থেকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়েও টিকা নিতে না পারায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাধিক শিক্ষার্থী।

টিকা নিতে আসা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী নুর নবী রবিন বলেন, সকাল থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু সার্ভার ডাউন থাকায় টিকা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে তা জানা নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকার নেওয়ার অপেক্ষায় আছি। 

কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করে তার প্রমাণপত্রও সঙ্গে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপরও নিবন্ধন নম্বর যাচাইয়ের কথা বলা হচ্ছে।


আরও খবর

পেগাসাসের তালিকায় বাংলাদেশ

সোমবার ১৯ জুলাই ২০২১




এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ চলতি সপ্তাহে

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরের আটকে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংক্ষিপ্ত আকারে পরীক্ষা নাকি অটোপাস দেয়া হবে সে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। চলতি সপ্তাহে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে ঘোষণা দেবেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০২১ সালের ঝুলে থাকা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে পাস করানোর চিন্তাভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য একাধিক প্রস্তাব তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রচনামূলক বা সৃজনশীল প্রশ্ন বাদ দিয়ে কেবল বহুনির্বাচনী প্রশ্নে (এমসিকিউ) পরীক্ষা নেয়া। বিষয় ও পূর্ণমান (পরীক্ষার মোট নম্বর) কমিয়ে পরীক্ষা নেয়া। এক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ের দুইপত্র একীভূত করা।

পাশাপাশি ২০০ নম্বরের বদলে ১০০ নম্বরে পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু উভয়ক্ষেত্রেই করোনা পরিস্থিতির উন্নতি জরুরি। অর্থাৎ সংক্রমণ ১০ শতাংশের নিচে নেমে এলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পরীক্ষা নেয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কেন্দ্রের সংখ্যা বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ করে এই পরীক্ষা নেয়া হবে।

এমনটি সম্ভব না হলে এসএসসির ক্ষেত্রে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার ফলের ৫০ শতাংশ এবং অ্যাসাইনমেন্ট ও ক্লাস অ্যাকটিভিটিসের ওপর ৫০ শতাংশ ফলাফল নিয়ে ফল প্রস্তুত করা হতে পারে। এইচএসসির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর এসএসসির ফলের ৫০ শতাংশ, জেএসসির ২৫ শতাংশ এবং অ্যাসাইনমেন্টের ফলের ২৫ শতাংশ সমন্বয় করে ফল প্রকাশের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৮৪ দিনে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করা হবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা সেটির ওপর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হঠাৎ করে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করে পরীক্ষা নেয়া অসম্ভব তা শিক্ষামন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিকল্প পদ্ধতি খোঁজা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


আরও খবর



চলছে কঠোর বিধিনিষেধ, তবুও ঢাকার রাস্তায় যানজট

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ জুলাই ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকার ঘোষিত দ্বিতীয় দফায় সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। এর মধ্যেই রাজধানীতে মানুষের চলাচল অনেক বেড়ে গেছে। রাজধানীর বেশিরভাগ সড়কে যানজট লেগে ছিল। গণপরিবহণ ছাড়া সবই আছে সড়কে।

সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকেই রাজধানীর মহাখালী, ফার্মগেট,  কারওয়ান বাজার, বিজয় সরণি, শাহবাগ, বাড্ডা এলাকায় তীব্র যানজট রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনপি চালিত অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেল চলাচলের কারণে এই যানজট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ছিল বেশি।

অন্যদিনের তুলনায় আজ ঢাকায় কোলাহল একটু বেশিই ছিল। অলিগলিতে বেশ কিছু দোকানপাটও খুলতে দেখা গেছে।

এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, লোকজন মনে করছেন ঈদুল আজহা আসন্ন, তাই লকডাউন শিথিল হতে পারে। এমন ধারণা থেকেই মানুষ রাস্তায় নেমেছে।


আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




কোভিড-১৯ : শিশুর জগত ও তাদের ভাবনা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৯৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিশুরা বাধাহীন। চলাফেরা, চিন্তা-চেতনায় অপ্রতিরোধ্য। পরিপূর্ণ উচ্ছলতায়। সীমানা নির্ধারণ বলাই বাহুল্য। এরা চঞ্চল, এরা পাখির মতো ডানা মেলে স্বপ্নের জগতে উড়বেই।

থমকে দিলো করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। বিশ্ব্য ব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিপর্যস্ত মানবজীবন। এর থেকে বাঁচার জন্য মানবকলে উৎকণ্ঠা। আর এই মানবকল বা মানব জাতির বড় একটা অংশ হলো শিশুরা। এ মুহূর্তে শিশুরা ভুগছে মানসিক চাপে। স্কুল নেই, বন্ধুদের সাথে দেখা নেই, খেলা নেই, ঘরের চার দেয়াল ছাড়া কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।

মার্চ ০৮, ২০২০ ইং তারিখে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।  জনসমাগম এড়াতে ১৮ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পর থেকে ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকে। দুর্ভাগ্য, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আসে আরও শক্তিশালী হয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য নেয়া হয় বিভিন্ন পদক্ষেপ। বর্তমান এ পরিস্থিতিতে চলছে কঠোর লকডাউন। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও জুলাই ২০২১ সাল পর্যন্ত চলমান। এ পরিস্থিতিতে শিশুরা গৃহবন্দী। চিন্তার বিষয় দীর্ঘ সময় শিশুরা এ অবস্থায় থেকে তাদের মানসিক অবস্থা কী দাঁড়ায়? ভাবতেই গা শিউরে ওঠে। ছোট একটি শিশু প্রায় দেড় বছর ধরে ঘরের বাইরে যাচ্ছে না। নেই কোন সামাজিক যোগাযোগ (ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম নয়), সংস্কৃতি চর্চা। এর ফলে শিশুদের মনোজগতে পড়ছে বিরূপ প্রভাব। গভীর উদ্বেগের বিষয়।

দীর্ঘদিনের আবদ্ধ অবস্থা শিশুর সকল ধরনের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। একটি শিশুর ছবি আঁকা, নাচ, গান, আবৃত্তি চর্চা এসব মানসিক বিকাশের অংশ। এ পরিস্থিতিতে শিশুর সকল ধরনের বিকাশ, বুদ্ধির বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া শিশুর সময় কাটানোর জন্য দরকার আরেকটা শিশুর।

শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখার জন্য দেশের প্রায় অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা চালু হয়েছে। বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জুম অ্যাপস, গুগল ক্লাসরুম, গুগল মিট, ওয়েবএক্স, ফেসবুক লাইভ, ইউটিউবের মতো বিভিন্ন সাইট ব্যবহার করে তাদের শিক্ষকদের সঙ্গে ক্লাস করছে। কিন্তু শিশুরা দীর্ঘ সময় ধরে ডিভাইসের সামনে বসে ক্লাস করায় তাদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা। এ সকল সমস্যা দূর করার জন্য শিশুদেরকে বেশি বেশি সময় দিতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বেশি সময় অনলাইনে ক্লাস করার কারণে অনেক শিশুর পিঠ, কোমর, চোখ ও ঘাড়ে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এতে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। আর অধিকাংশ সময় জুমে ক্লাস করা নিয়েও বিরক্ত হচ্ছে শিশুরা। মাঝে মধ্যে শোনা যায়, এ করোনাভাইরাস লাইফটা শেষ করে দিলো। আর ভালো লাগে না এসব। কবে, কখন স্কুলে যাবএ প্রশ্নই তাদের মনে। অভিভাবকরাও কিছু বলবেন তার উপায় কোথায়? কারণ প্রতিউত্তর তোমরা বাইরে যাও, চাকরি করো, কলিগদের সাথে দেখা হয়, গল্প করো...কিন্তু আমরা কোথায় যাবো??? একজন অভিভাবক হিসেবে আমারও জানার আগ্রহ সত্যিই ওরা কোথায় যাবে, কী করবে? এই সরল প্রশ্নের উত্তর কী হতে পারে, একজন অভিভাবক হিসেবে কী করা উচিত? কোমলমতি এসব শিশুদের রক্ষা করার উপায় কী? আমার জানা নেই। নৈতিক শিক্ষা, শিক্ষাগুরুর সন্নিকটে শিক্ষা গ্রহণ, বুদ্ধিবৃত্তির বিকাশ এসব থেকে বঞ্চিত তারা। কিন্তু আমাদের শিশুদের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। তারা স্বপ্ন দেখে ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রতিবদ্ধ। মোটেও কল্পনার জগতে বাস করে না তারা। আমাদের শিশুরা বিভিন্ন ধরনের গল্পের বই পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বই পড়ার তালিকায় রয়েছে জনপ্রিয় বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লেখক, কলাম লেখক, পদার্থবিদ, শিক্ষাবিদ মুহম্মদ জাফর ইকবালের বই। শিশুরা তাঁর লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হয়ে হতে চায় বিজ্ঞানী। তারা নাসার বিজ্ঞানী হতে চায়, হতে চায় জুনিয়র আইনস্টাইন। আজকালকার শিশুদের আলোচনার বিষয় সৌরজগত, ফুটবল (কোপা আমেরিকা, ইউরো কাপ) ও ক্রিকেট খেলা ইত্যাদি। অভিভাবকদের জন্য এটি স্বস্তির।

এতোকিছুর পরেও সন্তানদের ওপর ভীষণ রাগ করি। দীর্ঘ সময় ডিভাইস নিয়ে থাকার কুফল নিয়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেই বেধে যায় লঙ্কাকান্ড (একটু আগেই লিখেছি ধারাবাহিকভাবে ডিভাইস ব্যবহারে কী কী ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে শিশুরা)। দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ, মোবাইল নিয়ে থাকার ফলে খিটখিটে মেজাজ, ধৈর্যের ঘাটতিসহ আচরণগত কিছু পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। এছাড়া, প্রাত্যহিক জীবনেও এসেছে ভয়াবহ পরিবর্তন। নিয়মানুবর্তিতা ও শৃঙ্খলার বিষয়টি তাদের মাথায়ই নেই। রাত জাগা ও দিনের অধিকাংশ সময় ঘুমিয়ে থাকা (ক্লাসের একটু আগে ওঠা) একটি শিশুর জন্য কতোটা ক্ষতিকর তা কেবল ভুক্তভোগীরাই বোঝে। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১:০০টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে (১০ মিনিটের বিরতি কথা থাকলেও) ক্লাস চলে। জুমে ক্লাস করা, গাদাগাদা অ্যাসাইনমেন্ট এসবের চক্রাকারে পড়ে তারা আজ বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে এটাই বাস্তব যে, জুমে ক্লাস অন করে শিশুরা শুয়ে-বসে সময় কাটায়। ক্লান্তি আর বিরক্ত। যা একটি পরিবারের জন্য বেদনাদায়ক ও কষ্টদায়ক। সন্তানের এ অবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কী? সংশ্লিষ্ট মহল এ বিষয়টি আরোও গুরুত্বসহকারে বিশ্লেষণ ও নজরদারিতে আনবেন একজন অভিভাবক হিসেবে এ আকুতি।

করোনা সংক্রমণের এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিকে অবান্তর বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেছেন, করোনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের কম না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বিজ্ঞানসম্মত নয়। করোনা মহামারীর মধ্যে শিক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শ নেয়া হয়ে থাকে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সহমত পোষণ করে সবিনয়ে বলতে চাই : পড়াশুনা দরকার কিন্তু তার আগে প্রয়োজন সুস্থ-স্বাভাবিক শিশুকে রক্ষা করা। এ সমস্ত প্রতিযোগিতায় দুরন্ত শিশুদের ধ্বংস করা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সুন্দর ভবিষ্যৎ। বিকলাঙ্গ ভবিষ্যৎ কারো কাম্য নয়। সুস্থ থাকুক শিশুরা, সুন্দর হোক আগামী।

নিউজ ট্যাগ: শিশুর জগত

আরও খবর



প্রেমের জালে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারন : স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বাসাবো এলাকা থেকে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (৪ জুলাই) রাত আটটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত শিক্ষার্থীর ফুপা জানান, বাসাবো এলাকার এক কিশোর ওই স্কুলছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে। পরে সেই ভিডিও প্রচারের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মেয়েটিকে ব্ল্যাকমেল করে অনেক টাকা আদায় করে।

সম্প্রতি আরও টাকা দাবি করে কিন্তু মেয়েটি টাকা না দিতে পারায় ওই কিশোর আপত্তিকর ভিডিও এলাকায় ছড়িয়ে দেয়। আর বিষয়টি মেয়ের মা-বাবা জানতে পেরে তাকে বকাঝকা করেন। রবিবার রাতে ওই কিশোরী নানীর বাসায় গলায় ফাঁস দেয়। দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। কিশোরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার জন্য ওই কিশোরকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান নিহত শিক্ষার্থীর ফুপা।

সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রবীন্দ্র নাথ সরকার বলেন, ওই শিক্ষার্থীর বাবা পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় থাকেন। নিহত শিক্ষার্থী বাসাবোতে তার নানীর বাসায় থেকে লেখাপড়া করত। কী কারণে মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে, সেটি জানতে তদন্ত চলছে। নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর

মতিঝিলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১




সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ঘিরে নানা অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৯১জন দেখেছেন
Image

সোনারগাঁ প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা ১০ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। একটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেখানকার কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ। সরেজমিনে হাসপাতালটিতে গিয়ে অভিযোগের সত্যতাও পাওয়া যায়। ৩ টাকার টিকেট ৫ টাকা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালে আসা গর্ভবতী মহিলাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাহিরে, সেখানে দরকষাকষিতে মহিলাদের মাতৃত্ব চিকিৎসা দিচ্ছেন নার্স সাবিনা।

প্রতিবেদক এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলেন নার্স সাবিনা, আর সে নিজেই স্বীকার করেন হাসপাতাল চলাকালীন সময় বাহিরে কাজ করে দরদাম এর মাধ্যমে স্বল্প খরছে ভালো চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তিনি।

নার্স সাবিনার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। আবার এদিকে দেখা গেছে ইমারজেন্সিতে কর্মরত ডাক্তার থাকা সত্বেও নাইটগার্ড আব্দুল কে দিয়ে রোগীর ইনজেকশন দেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা এই নাইটগার্ডের মাধ্যমে কেমন সেবা পাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে! এখানেই শেষ নয়, ভর্তি হওয়া রোগীদের খাবার বিতরণে রয়েছে নানান অনিয়মের অভিযোগ।

আবার দেখা যায়, প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও জনসাধারনের জন্য কোন টয়লেটের ব্যবস্থাও নেই হাসপাতালটিতে। হাসপাতালে কর্মরত ডাক্তারগণ টিএইচও'র চোখ ফাঁকি দিয়ে আশপাশের ক্লিনিক ও চেম্বারগুলোতে নিয়মিত রোগী দেখছেন।

হাসপালে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়েই রোগীদের দামাদামী টেস্ট করাতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন তাদের কমিশনভুক্ত ক্লিনিকগুলোতে। জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকরতা ডাঃ পলাশ কুমার শাহা বলেন, যারা এসকল অনিয়মের সাথে জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে যাচাই পূর্বক অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরও খবর