Logo
শিরোনাম
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন

স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে রুখে দাঁড়াতে হবে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ২৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে দেশে-বিদেশে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

গতকাল সোমবার (০৫ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে জার্মান আওয়ামী লীগ আয়োজিত ইসলামে উগ্রবাদের স্থান নেই, ধর্ম ব্যবসায়ীদের প্রতিহত করুন শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভুলভাবে সৃষ্ট রাষ্ট্রের মৃত্যুবীজ অঙ্কুরেই বপন হয়েছিল। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোন রাষ্ট্রব্যবস্থা যে স্থায়ী হতে পারে না, তা সেসময় দ্রুত প্রমাণ হতে শুরু হয়েছিল। সে কারনে ভাষার ভিত্তিতে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য একক পরিচয় বাঙালি-তে রূপান্তর করেছিলেন। ধর্মভিত্তিক পরিচিতি সকল ধর্মাবলম্বীদের জন্য ঐক্যের পথে বড় বাধা বিবেচনা করে তিনি আওয়ামী মুসলীম লীগ এর পরিবর্তে সকলের জন্য আওয়ামী লীগ এর দ্বার উন্মুক্ত করে দেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে এক কাতারে নিয়ে এসে অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে প্রতিষ্ঠা করেন। পাকিস্তানিরা ধর্ম ব্যবহার করে অধার্মিক ও শোষণের কাজ করে আসছিল, তা বাঙালিদের বোঝাতে সক্ষম হন বঙ্গবন্ধু। গোটা জাতিকে তিনি বাঙালি জাতীতাবাদের পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করে পাকিস্তানিদের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার করে তোলেন। এভাবে স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের মিছিলে সকলকে নিয়ে আসতে সক্ষম হন বঙ্গবন্ধু।

শ ম রেজাউল করিম এ সময় আরো বলেন, ৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় এবং ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের উদ্ভব হয়। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আবার স্বনামে-বেনামে স্বাধীনতাবিরোধী প্রতিক্রিয়াশীল চক্র প্রায় ২৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় নিয়ে যায়। পরে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২১ বছর রাজপথে থাকা আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্র পরিচালনায় ফিরিয়ে এনে নতুন করে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা করা শুরু করেন। তখনই আবার সক্রিয় হয়ে উঠে স্বাধীনতাবিরোধীরা। অন্তত ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা চালায় তারা। সর্বশেষ ২০০৪ সালে পাকিস্তানি এজেন্ট জঙ্গি জিন্দাল, হরকাতুল জিহাদ নেতা মাওলানা তাজউদদ্দিন ও তৎকালীন খালেদা জিয়া সরকার সরাসরি অংশগ্রহণ করে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে।

তিনি এসময় আরো যোগ করেন, সাম্প্রদায়িক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হলেও দীর্ঘ ২৫ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি যেভাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, সে জঞ্জাল সমূলে বিনাশ করা আজও সম্ভব হয় নি। সে কারণে কখনো হেফাজত, কখনো জামায়াত, কখনো ২০ দলীয় জোট-নানা নামে দেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের কার্যক্রম দেখা যায়। তবে সরকার কঠিনভাবে তাদের মোকাবিলা করছে। সম্প্রীতির বাংলাদেশে কোনভাবেই স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না।

এসময় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা সকল বাঙালিকে আরো তৎপরতার সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি বসিরুল আলম সাবুর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগ ও জার্মান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা অনিল দাশ গুপ্ত, সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এম. নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বিশ্বের ৫০টির অধিক দেশের আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ এ ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।


আরও খবর



শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জমে ওঠেনি শেরপুরের পর্যটন কেন্দ্রগুলো

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ২০৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শেরপুর থেকে সাঈদ আহাম্মেদ সাবাব প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার নয়নাভিরাম গারো পাহাড়ের পিকনিক স্পট (পর্যটন কেন্দ্র) গুলো এবার জমে ওঠেনি। করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদেরও ভালো লাগে না। আবার এখানকার ইজারাদার ও ব্যবসায়ীদেরও লাভের পরিবর্তে গুনতে হচ্ছে লোকসান।

দেশের উত্তর সীমান্তবর্তী শেরপুর জেলার নয়নাভিরাম গারো পাহাড়। এ গারো পাহাড়ের নৈসার্গিক দৃশ্য অবলোকন করার জন্য সারা দেশের মানুষ এখানে প্রায় সারা বছরই বেড়াতে আসেন। তাই এখানে শেরপুর জেলা প্রশাসন গড়ে তুলেছে গজনী অবকাশ ও বনবিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে মধুটিলা ইকোপার্ক নামে দুটি পর্যটন কেন্দ্র। এ পর্যটন কেন্দ্রে শীত ও শুকনো মওসুমে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ এখানে সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য আসেন। কিন্তু করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার দর্শনার্থী খুবইক কম। তাই ভালো লাগেনা এখানে আসা দর্শনার্থীদেরও। এমনই একজন ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা নিশাদ হুছনাইন নামের এক চাকুরীজীবি জানান, আমার ভালো লাগার জায়গা এ পর্যটন কেন্দ্র। কিন্তু দর্শনার্থী কম থাকায় এবার সেই আগের মতো ভালো লাগছেনা।

আর দর্শনার্থীদের জন্য পশরা সাজিয়েছে এখানকার ব্যবসায়ীরা। মওসুমের জন্য দোকানীরা মালামাল মজুদ করে রেখেছেন। এছাড়া বিভিন্ন স্পট ইজারা নিয়ে থাকে ইজারাদাররা। কিন্তু মরণব্যাধী করোনার কারণে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার জমে উঠেনি শেরপুরে পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এতে এখানকার ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা বেকায়দায় পড়েছে। দর্শনার্থী কমে যাওয়ায় তাদের টাকা তুলতে পারে নাই এবার। তাই পুঁজি হারিয়ে এখন তারা দিশেহারা।

অবকাশ কেন্দ্রের মেইন ইজারাদার শাহজাহান সরকার জনান, লোকজন কম আসায় গাড়ীও খুব আসতাছে। এতে আমাদের টাকা উঠছেনা। এতে আমাদের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। দোকানী রোজিনা বেগম জানান, ছাত্র-ছাত্রী না আসায় এবার আমাদের বেচাকেনা নাই। এঅবস্থায় আমরা ঘরভাড়া দিমু কেমনে আর নিজেরাই খামু কি।

শিশুদের ভালো লাগার জায়গা এটা একটা। এখানে শিশুরা এসে বেশ আনন্দ পায়। কিন্তু করোনার কারণে তারাও এখানে আসছে খুবই কম। ফলে এখানে আসা শিশুরাও আগের চেয়ে কম আনন্দ পাচ্ছে। শিশু রত্না জানায়, এ গজনী অবকাশটা আমাদের খুব ভাললাগে। কিন্তু মানুষ আগের তুলনায় এখন কম আসছে। ঢাকা থেকে আসা শিশু ওয়াছেক মাযহার জানায়, এখানে শিশুদের অনেক রাইট আছে। যা আমাদের অনেক আনন্দ দেয়। 

এদিকে দর্শনার্থীদের অভিযোগ পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে আরো আকর্ষনীয় করা প্রয়োজন। উন্নত খাবার হোটেল, পুরুষ মহিলাদের জন্য আলাদা ওয়াশরুম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করাসহ এ পর্যটনকেন্দ্রকে নিয়ে আরো প্রচারনা চালানো দরকার।

নাশেদ হোছনাইন নামের একজন জানান, এ জায়গাটা অনেক সুন্দর। তবে এখানে পুরুষ মহিলাদের জন্য আলাদা ওয়াশ রুম বানানো দরকার। নিচের লেইকটা সুন্দর ও মনমুগ্ধকর করা দরকার।

দর্শনার্থী কম থাকায় এখানে গড়ে উঠা মিনি চিড়িয়ানার মালিকও আছে বেকায়দায়। তারও খরচ ওঠছেনা। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের ক্ষতির কথা স্বীকার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ বলেন, মহামারী করোনা আমাদের অনেক কিছুরই ক্ষতি করেছে। 

এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের বিষয়টি বিচেনার জন্য স্থানীয়রাও দাবী তুলেছেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পর্যটন কন্দ্রের উন্নয়ন ধীরে ধীরে হচ্ছে, সামনে আরো উন্নয়ন হবে। ব্যবসায়ীদের বিচেনা করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: শেরপুর

আরও খবর

সেন্টমার্টিনে ধর্মঘট প্রত্যাহার

মঙ্গলবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২1

পুণ্যার্থীদের পদচারণায় চন্দ্রনাথ পাহাড়

বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর ২০২০




সমগ্র ইউরোপ ও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারা বিশ্বে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাজ্য বাদে সমগ্র ইউরোপ ও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি। এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সার্কুলারের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যে ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেগুলো হলো- আর্জেটিনা, ব্রাজিল, চিলি, তুরস্ক, উরুগুয়ে, পেরু, বাহরাইন, সাউথ আফ্রিকা, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও লেবানন।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের সদস্য চৌধুরী এম জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, আগামী ৩ এপ্রিল রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই সেসব দেশের যাত্রীদেরও প্রত্যেকের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট (৭২ ঘণ্টা আগের পরীক্ষা করা) থাকতে হবে।

এছাড়া চার দিন বাধ্যতামূলক প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আর যদি করোনার কোনো লক্ষণ থাকে তাহলে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিতস্থানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কেউ যদি কোভিড-১৯ সার্টিফিকেট না নিয়ে আসে তাহলে ৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে নিজ খরচে পরীক্ষার পর ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।


আরও খবর



মিয়ানমারে মধ্যরাতে নির্বিচার গুলিতে নিহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মধ্যরাতে নিরাপত্তা বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে মিয়ানমারে অর্ধশতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। জান্তাবিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতভর অভিযান চালায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার বা স্থানীয়রা নিহত সবার মরদেহ সংগ্রহ করতে পারেনি। সেগুলোর বেশিরভাগই নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষোভ দমনে জান্তা বাহিনী বন্দুকের পাশাপাশি মেশিনগানের গুলি, গ্রেনেড এবং মর্টার ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

আরএফএর হিসাব মতে, মিয়ানমারে গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬৫০ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

মার্কিন সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত সংবাদমাধ্যম রেডিও ফ্রি এশিয়ার (আরএফএ) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুক্রবার মিয়ানমারের বাগো শহরে গুলিবৃষ্টি চালিয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। রাজপথে বিক্ষোভকারীদের ব্যারিকেডও তুলে নিয়েছে তারা।

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমাদের এলাকার লোকজন জানত ওরা আসবে এবং এর জন্য রাতভর অপেক্ষা করছিল। সেনারা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এমনকি আমরা মর্টার শেলও পেয়েছি। মেশিরগান থেকে প্রচুর গুলি করা হয়েছে। তাজা গুলির পাশাপাশি সেনারা গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করছিল বলা হচ্ছে।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, রাস্তা ফাঁকা করতে সাধারণ পথচারীদের দিকেও গুলি করেছে সেনারা। নিরাপত্তা বাহিনী প্রায় গোটা রাত এভাবে তাণ্ডব চালানোয় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা রেডিও ফ্রি এশিয়াকে জানান, তারা রাত ৮টা পর্যন্ত মাত্র তিনটি মরদেহ সংগ্রহ করতে পেরেছেন। বাকিগুলো সেনারা নিয়ে গিয়ে জেয়ামুনি প্যাগোডা এবং কাছাকাছি একটি স্কুলে জড়ো করেছে।

এদিকে, রাষ্ট্রপরিচালিত মিয়ানমার রেডিও ও টেলিভিশনের (এমআরটিভি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার ১৯ বেসামরিক লোককে কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে জান্তা সরকার। তাদের বিরুদ্ধে গত মাসে ইয়াঙ্গুনের ওক্কালাপা এলাকায় এক সেনা কর্মকর্তাকে পেটানো এবং নির্যাতন করে আরেক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ওই ১৯ আসামির নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীও রয়েছে। তারা সবাই বর্তমানে পলাতক।

নিউজ ট্যাগ: মিয়ানমার নিহত

আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির এক বছর আজ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষাও হয়নি। পরীক্ষা না নিয়েই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল গত জানুয়ারিতে ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক

প্রাণঘাতী করোনা মহামারির কারণে গেল বছর ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। সে হিসেবে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির একবছর পূর্ণ।

সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৯ মার্চের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা রয়েছিল। তবে বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এ সিদ্ধান্তের রিভিউ হতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বিঘ্নিত হয়েছে গত এক বছর। সংক্রমণ পরিস্থিতিতে গত বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

গত বছরের এইচএসসি পরীক্ষাও হয়নি। পরীক্ষা না নিয়েই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল গত জানুয়ারিতে ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ওপরের শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়। যদিও ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ছিল। সে কারণে ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি কার্যকর ধরা হয়। প্রথমে কওমি মাদরাসাসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হলেও পরে কওমি মাদরাসা চালুর নির্দেশনা দেয় সরকার। তবে বন্ধ থাকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


আরও খবর



করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৮০৯

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে আট হাজার ৭২০ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮০৯ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ৭৩ হাজার ৩৭৮ জনে।

সোমবার (২২ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭৫৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ১৫৯ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২১৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১১৮টি, জিন-এক্সপার্ট ২৯টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৭২টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২৬ হাজার ১টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৫ হাজার ১১১টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার ২৩০টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৩৭ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ, পাঁচ জন নারী। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে চার জন। এছাড়া খুলনা ও সিলেট বিভাগে এক জন করে দুই জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৯ জন, বাড়িতে এক জন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে ২০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এক জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এক রয়েছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১৫৪ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৯১ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন এক লাখ দুই হাজার ৪১৯ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৯২ হাজার ৩০৩ জন। এখন আইসোলেশনে আছেন ১০ হাজার ১১৬ জন।


আরও খবর