Logo
শিরোনাম

স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষাবোর্ড

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে সব কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

আজ সোমবার (৭ জুন) বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষার নতুন কেন্দ্র স্থাপন ও কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন আহ্বান করে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার জন্য নতুন কেন্দ্র স্থাপন এবং কেন্দ্র পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বরাবর আবেদন করতে হবে। এ আবেদন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্যাডে করতে হবে। নতুন কেন্দ্রের জন্য আবেদন বাবদ ৩ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) এবং কেন্দ্র পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১ হাজার টাকা (অফেরতযোগ্য) ফি সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। ফি জমা দেওয়ার স্লিপ আদেনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে।

এদিকে কয়েকমাস আগে এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। সিলেবাস প্রকাশের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর ৮৪দিন ক্লাস করিয়ে পরীক্ষা নেয়া হবে।


আরও খবর



খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রথম ধাপে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি যদি খুব বেশি খারাপ না হয়, তাহলে ১৩ জুন থেকে স্কুল-কলেজ খোলার চিন্তা রয়েছে। স্কুল-কলেজ খুললে প্রথম ধাপে দশম শ্রেণি ও দ্বাদশ শ্রেণির সপ্তাহে ৬ দিন করে ক্লাস নেয়া হবে।

বুধবার দুপুরে মহামারি করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ও শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় তিনি বলেন, প্রাথমিকের ব্যাপারে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সপ্তাহে একদিন করে ক্লাস নেয়া হবে।

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। আমাদের সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে ক্লাস নিতে পারবো।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনলাইন রেডিও এবং সংসদ টিভিতে পাঠদানের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গত ৫ এপ্রিল থেকে ফের মানুষের চলাচল ও সার্বিক কার্যক্রমে বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়। গত ২৪ মে থেকে চালু করা হয় গণপরিবহন। এমতাবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল; যা নতুন করে আবার ১২ জুন পর্যন্ত গড়ালো।


আরও খবর



দক্ষিণখানে সেপটিক ট্যাংক থেকে ছয় টুকরো লাশ উদ্ধার, ইমাম গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর দক্ষিণখানের সরদারবাড়ী জামে মসজিদে ৩৩ বছর ধরে ইমামতি করেন মাওলানা মো. আব্দুর রহমান। পাশাপাশি শিশুদের কোরআন শিক্ষাও দেন তিনি। গত বুধবার রাতে সাবেক ছাত্র আজহারকে (৩০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি। এরপর লাশ গুম করতে ছয় টুকরো করে মসজিদের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

আজহারকে হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগে মাওলানা মো. আব্দুর রহমানকে আজ মঙ্গলবার সকালে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১-এর সদস্যরা। সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করেছে আজহারের লাশের ছয় খণ্ড গলিত অংশ।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আব্দুল মোত্তাকিম এসব তথ্য জানান।

আব্দুল মোত্তাকিম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমরা জানতে পেরেছি, অভিযুক্তের সঙ্গে ভুক্তভোগীর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। কারণ, ভুক্তভোগীর ছেলে মো. আরিয়ান (৪) ওই মসজিদের মক্তবে পড়ালেখা করত। শুধু তাই নয়, আজহারও ইমাম আব্দুর রহমানের কাছে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। ইমাম প্রায়শ আজহারের বাসায় যেতেন।

র‍্যাবের অধিনায়ক আরও বলেন, গত ১৯ মে অর্থাৎ বুধবার রাতে আজহার মসজিদে যান। তারপর ইমামের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। ইমাম আমাদের বলেছেন, আজহার এসে অভিযোগ করেন, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তিনি নাকি পরকীয়া করেন। অথচ এটি মিথ্যা অভিযোগ। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আজহারকে কোপ দেন ইমাম আব্দুর রহমান। এতে আজহার ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে ঘটনা লুকাতে তিনি লাশ টুকরো করেন।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে আব্দুল মোত্তাকিম বলেন, মো. আব্দুর রহমান স্বীকার করেছেন, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং তিনি একাই আজহারকে হত্যা করে লাশ ছয় টুকরো করেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমরা আজহারের স্ত্রীকে আজ হেফাজতে নিয়েছি। এ হত্যাকাণ্ডের মধ্যে আর কোনো মোটিভ আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছি আমরা। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



আরও খবর



প্রকল্প পরিচালকদের প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করতে হবে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রকল্প পরিচালকদের আবশ্যিকভাবে প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করে প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। প্রকল্প এলাকায় না থাকলে গুণগতমানের কাজ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যায় না। যেকোন মূল্যে প্রকল্পের কাজ ত্বরান্বিত করতে হবে। অনিবার্য কারণে প্রকল্পের সময় বৃদ্ধি করা হলেও অর্থ কোনভাবেই বৃদ্ধি করা হবে না।

সোমবার (২৪ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, গবেষণাধর্মী প্রকল্পের মাধ্যমে রাষ্ট্র লাভবান না হলে সে প্রকল্প নেওয়ার কোন অর্থ হয় না। এজন্য প্রকল্প শেষে এর ফলাফলের সাথে যাতে জনগণকে সম্পৃক্ত করা যায় সে বিষয়টি মাথায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।

এসময় তিনি বলেন, করোনাকালে মৎস্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটিয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে এ খাত ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। মৎস্য খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত আশাবাদী। এজন্য করোনাকালেও মৎস্য খাতের সকল প্রকল্প তিনি অনুমোদন দিয়েছেন। এ বিষয় বিবেচনায় রেখে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে নিষ্ঠাবান হতে হবে। প্রকল্পের কাজে কোন ধরণের ফাঁকি দিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নীলুফা আক্তার, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ এবং পরিকল্পনা কমিশন ও আইএমইডি এর প্রতিনিধি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের  মৎস্য উপখাতে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৩টি, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৪টি, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৩টি এবং মন্ত্রণালয কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২১ টি প্রকল্পের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। এ প্রকল্পসমূহের এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ৬৯.০২ শতাংশ, যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ৪৯.০৯ শতাংশ।


আরও খবর



রিয়ালের কোচের পদ থেকে সরে গেলেন জিদান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রিয়াল মাদ্রিদের কোচের পদ থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জিনেদিন জিদান।

সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে লা লিগার শিরোপা হারানোর পর নিজের ভবিষ্যত শঙ্কায় থাকায় এই সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

এর আগেই অবশ্য গুঞ্জন উঠেছিল লিগ শিরোপা জিতলেও এই মৌসুম শেষে লস ব্লাঙ্কসদের হয়ে আর ডাগ আউটে দাঁড়াবেন না জিদান। যেখানে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে চেলসির কাছে হেরে বিদায় নিতে হয় রিয়ালের।

স্প্যানিশ প্রকাশনা এএস জানায়, জিদান ইতোমধ্যে ক্লাব ডিরেক্টরস ও তার শিষ্যদের রিয়াল ছাড়ার ব্যাপারটি জানিয়েছেন।

২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত দুই ধাপে রিয়ালের কোচিং করিয়েছেন জিদান। যার মধ্যে প্রথম ধাপে তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন। দ্বিতীয়ধাপে একটি লা লিগা ট্রফি নিশ্চিত করেন। তবে এ মৌসুমে কোনো শিরাপাই জিততে পারেনি দলটি।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, জিদান তার পরবর্তী অ্যাসাইন্টমেন্ট হিসেবে জুভেন্টাস অথবা ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হবে। এদিকে রিয়ালের পরবর্তী কোচ হিসেবে ভাবা হচ্ছে মাসিমিলিয়ানো অ্যালিগ্রি, রাউল গঞ্জালেস অথবা অ্যান্তোনিও কোন্তেকে।

নিউজ ট্যাগ: জিনেদিন জিদান

আরও খবর



ডায়রিয়ায় বান্দরবানে দুদিনে ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৪ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নে তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার ও আজ সোমবার এ দুদিনে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। আজ ঘটনাস্থলে দুটি মেডিকেল টিম পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৃতরা হলেন মেনলিও ইয়ংচা পাড়ার বাসিন্দা রামধন ম্রো, খাইচাং ম্রো, থুংলাক ম্রো, সোনাদি পাড়ার জনরুন ত্রিপুরা এবং মাংলুম পাড়ার মাংধন ম্রো, রেংচং ম্রো, চিংরে ম্রো।

স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয়রা জানায়, জেলার আলীকদম উপজেলার করুকপাতা ইউনিয়নের দুর্গম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত ইয়ংচা পাড়া, মেনলিও পাড়া, সোনাদি পাড়া, মেনরুং পাড়া, কচ্ছপিয়া পাড়া, আলিশ্যাপা পড়া, রুইথং পাড়া, তংরিং পাড়া এবং মাংলুম পাড়াসহ পার্শ্ববর্তী ১০টি পাহাড়ি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট এবং প্রচণ্ড গরমে প্রায় এক সপ্তাহেরও অধিক সময় ধরে ছড়িয়েপড়া ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে শিশু, কিশোর ও বয়স্ক দুশতাধিকের বেশি।

অসুস্থদের মধ্যে আলীকদম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে সাতজনকে। গতকাল রোববার এবং আজ সোমবার দুদিনে পাড়াগুলোতে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

করুকপাতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ক্রাতপু ম্রো বলেন, তিনটি পাড়ায় ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ডায়রিয়া প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়া ইউনিয়নের ১০টি পাড়ায় আক্রান্ত হয়েছে দুশতাধিকেরও বেশি মানুষ।

ক্রাতপু ম্রো বলেন, ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়ার খবরে গতকাল রোববার এবং আজ ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের দুটি মেডিকেল টিম। এছাড়াও সেনাবাহিনীর দুটি মেডিকেল টিমও ঘটনাস্থলে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা হেলিকপ্টারে মেডিকেল টিমের কাছে প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট এবং খাবার স্যালাইন পাঠিয়েছি আক্রান্ত এলাকাগুলোতে।

পার্বত্য জেলা পরিষদ বান্দরবানের সদস্য ম্রো গবেষক সিইয়ং ম্রো জানান, ম্রো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত করুকপাতা ইউনিয়নে প্রচণ্ড গরম এবং বৃষ্টিতে ছড়া-খালের দূষিত হওয়া পানি ব্যবহারের ফলে ব্যাপকভাবে ডায়রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে। ডায়রিয়ায় এরই মধ্যে সাতজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সেনাবাহিনীর একাধিক মেডিকেল টিম পৌঁছেছে।


আরও খবর