Logo
শিরোনাম

স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমল

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | ৬৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১ হাজার ৯৬ টাকা। সোমবার থেকে নতুন এ দর কার্যকর হবে।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীয়দের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সংগঠনটি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা স্বর্ণ) দাম কমার কারণে নতুন এ দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংগঠনটির নির্ধারণ করা নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭ হাজার ১৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে করা করা হয়েছে ৭৪ হাজার ৫৯১ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬২ হাজার ১৬৯টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার এক হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের রূপা এক হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা এক হাজার ৪০০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রূপা এক হাজার ৫০ টাকা ভরি বিক্রি হচ্ছে। এর আগে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমানো হয়। এর ফলে চলতি মাসে দেশের বাজারে দুই দফায় সোনার দাম কমানো হলো। 

তার আগে অবশ্য কয়েক মাস ধরে স্বর্ণের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত বছরের ৩০ ও ৪ ডিসেম্বর, ১৮ ও ১৩ নভেম্বর দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি আবারও বাড়ানো হয়। তখন দেশে প্রথমবারের মতো ভালো মানের (২২ ক্যারেট) প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯০ হাজার টাকা ছাড়ায়। সপ্তাহ না ঘুরতেই ১৪ জানুয়ারি সেই রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন উচ্চতায় পৌঁছায় দাম। তখন দাম গিয়ে ঠেকে ৯৩ হাজার ৪২৯ টাকায়। এভাবে গত দুই মাসে ৬ দফা বাড়ার পর দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাজুস। ৪ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণে দাম কিছুটা কমার পর আবার রোববার আরেক দফা দাম কমল। 


আরও খবর

এলপিজির দাম আরও বাড়ল

বৃহস্পতিবার ০২ নভেম্বর 2০২3




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩