Logo
শিরোনাম

শ্যামাপূজা আজ, হচ্ছে না দীপাবলির উৎসব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দুর্গাপূজার পর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় আচার শ্যামাপূজা আজ বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর)। এবার দুর্গাপূজায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণে শ্যামাপূজার অন্যতম অনুষঙ্গ দীপাবলী উদযাপন করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, সারাদেশে দুর্গাপূজা ঘিরে যে নারকীয় তাণ্ডব সংঘটিত হয়েছে, এতে করে উৎসব করে পূজা করার মতো মানসিক পরিস্থিতি নেই। তবে পূজা যথানিয়মেই হবে। যেসব মন্দিরের প্রতিমা ভেঙে ফেলা হয়েছে, সেসব মন্দিরে ঘটপূজা চলবে।

সংস্কৃত ভাষার কাল শব্দ থেকে কালী নামের উৎপত্তি। হিন্দু পুরাণ মতে, দেবী দুর্গারই একটি শক্তিরূপ কালী। কালীপূজা তাই হচ্ছে শক্তির পূজা। জগতের সব অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে শুভশক্তির বিজয়ের মধ্যেই রয়েছে কালীপূজার মাহাত্ম্য। দেবী কালী অবশ্য তার ভক্তদের কাছে শ্যামা, আদ্য মা, তারা মা, চামুণ্ডি, ভদ্রকালী, দেবী মহামায়াসহ বিভিন্ন নামে পরিচিত। কার্তিক মাসের অমবস্যা তিথিতে তার বন্দনাতেই এই শ্যামাপূজা বা কালীপূজা হয়ে থাকে। এবার তিথি মেনে বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) মন্দিরে মন্দিরে হবে কালিপূজা।

রাজধানীর রমনা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি উৎপল সাহা বলেন, রাজধানীর সবচেয়ে পুরনো রমনা কালী মন্দির। নামেই কালী মন্দির, তাই এখানে পূজা তো করতেই হবে। আমাদের আয়োজনে কমতি নেই। তবে এবার দুর্গাপূজার সময়ে যে সহিংসতা আমরা দেশের বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে দেখেছি, তাতে ভীষণ রকম ব্যথিত হয়েছি। আমরা মনে করি, এ দেশে সম্প্রীতির দেশ। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলেই আশা করি।

উৎপল সাহা বলেন, এবার সাম্প্রদায়িক সহিংসতার কারণেই আমরা কালীপূজা করলেও দীপাবলীর আয়োজন স্থগিত রাখছি।

কালীপূজার দিন হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে বাড়িতে ও শ্মশানে সন্ধ্যা থেকেই প্রদীপ জ্বালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে তারা স্বর্গীয় পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদেরও স্মরণ করেন। এই আনুষ্ঠানিকতাকে বলা হয় দীপাবলী। তবে এবার দুর্গাপূজায় দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক সহিসংতার কারণে এই দীপাবলীর উৎসব থেকে সরে এসেছেন আয়োজকরা।

বাংলাদেশে পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি বলেন, আমাদের এখনো ভয় কাটেনি। যদিও সরকার সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের ক্ষতি পুষিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু মনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে তা কী করে মুছে ফেলা সম্ভব!

তিনি বলেন, মায়ের পূজা তো করতেই হবে, সে যত বাধাই থাকুক। আমরা আমাদের মতো করে আয়োজন করব। তবে দীপাবলীর উৎসবটা আমরা সহিংসতার প্রতিবাদ হিসেবে বর্জন করেছি। পূজার দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত আমরা দেশের সব মন্দিরের সামনে প্রতিবাদ জানাব। কালো কাপড় মুখে বেঁধে মন্দিরের সামনে ১৫ মিনিট অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

নির্মল চ্যাটার্জি আরও বলেন, আমরা মনে করি যারা সহিংসতা ঘটিয়েছে তারা আবারও এমন ঘটনা ঘটাতে পারে। সে আশঙ্কা থেকেই সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এ কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহা ধুমধাম করে শ্মশান কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ, সিদ্বেশ্বরী কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরেও শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।


আরও খবর

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আজ

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

লক্ষ্মীপূজা আজ

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা আইনগত ব্যাপার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরেও আমরা অমানুষ নই। অনানুষ নই দেখেই তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি অন্তত সেই এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা বলে, আমার হাতে যতটুকু রয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেয়া হবে কি না, তা আইনগতভাবেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্য আমি আমার নির্বাহী ক্ষমতা বলে যা করতে পারি তাই করেছি, আইন পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে।’

’৭৫ এর বিয়োগান্তক অধ্যায় টেনে এনে জাতির পিতার খুনীদের পুরস্কৃত করার পরও তাঁর সরকার খালেদা জিয়াকে মানবতা দেখিয়েছে অভিমত ব্যক্ত করে সরকার প্রধান বলেন, আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরও তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি।কারণ আমরা অমানুষ নই ।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিকেলে তাঁর সাম্প্রতিক স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ এ অংশগ্রহণ এবং লন্ডন ও ফ্রান্সে দু-সপ্তাহের সফর বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খালেদা জিয়ার বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিএনপি’র দাবির প্রেক্ষিতে একথা বলেন।

তিনি গণভবনে থাকা সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সরাসরি এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি এই প্রশ্নোত্তরপর্বে অংশগ্রহণ করেন।

দুর্ণীতির মামলায় দন্ড নিয়ে তিন বছর আগে কারাগারে যাওয়ার পর গত বছর মার্চে করোনাভাইরাসের কারণে সরকার দন্ডের কার্যকারিতা স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে কিছু শর্তে সাময়িক মুক্তি দেয়। শর্তানুযায়ী তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। তবে, তার বাসায় থেকে চিকিৎসা নেয়ার কথা থাকলেও তিনদফায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর একই হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার কাছে চান কিভাবে, খালেদা জিয়াকে যে বাসায় থাকতে এবং চিকিৎসা করার সুযোগ দিয়েছি সেটাই কি বেশি নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বারবার তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টায় খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উত্থাপন করে উল্টো প্রশ্নকারী সাংবাদিককে প্রশ্ন করেন, আপনাকে কেউ হত্যার চেষ্টা করলে আপনি কি তাকে ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন? বা আপনার পরিবারকে কেউ হত্যার পর বিচার না করে সেই খুনীদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করতো তাহলে কি করতেন?

‘৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে জাতির পিতার খুনী রশিদকে সংসদ সদস্য করে বিরোধী দলের নেতার আসনে বসানো, জাতির পিতার অপর খুনী খায়রুজ্জামানকে তার বিচারের রায় হবার সময় নতুন করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চাকরী দেয়া এবং রাষ্ট্রদূত করা, মারা যাওয়া অপর খুনী পাশাকে মারা যাওয়ার পর প্রমোশন দিয়ে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান সহ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সেই গ্রেনেড তিনিই ভ্যানিটি ব্যাগে করে এনে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন, খালেদা জিয়ার এই বক্তব্য এবং একইসঙ্গে  কোটালিপাড়ায় বোমা পূঁতে রেখে তাঁকে হত্যা প্রচেষ্টার ঠিক আগে খালেদা জিয়ার বক্তব্য শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা কোনদিন বিরোধীদলের নেতাও হতে পারবে না, স্মরণ করিয়ে দিয়ে খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্রেনেড হামলায় দলের ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যাওয়া এবং বিপুল সংখ্যক আহত হওয়ার পরও একদিন সংসদে আলোচনা পর্যন্ত করতে না দেয়ার সঙ্গে দুর্ণীতির মাধ্যমে দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাওয়ার রুপকার খালেদা জিয়াকে এতকিছুর পরও তাঁর সরকার মানবতা দেখিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে প্রচলিত প্রবাদ রাখে আল্লাহ মারে কে, উল্লেখ করে এর উল্টোটাও উচ্চারণ করেন, মারে আল্লাহ রাখে কে?

‘কাজেই খালেদা জিয়ার জন্য যারা তাঁকে দয়া দেখাতে বলেন তাদের লজ্জা পাওয়া উচিত, উল্লেখ করে তিনি ৭৫ এর সেই বিয়োগান্তক অধ্যায়ও টেনে আনেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা,মা, ভাই এমনকি ছোট্ট রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে। তারপরেও আমরা অমানুষ নই। অনানুষ নই দেখেই তাকে বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেছি অন্তত সেই এক্সিকিউটিভ ক্ষমতা বলে, আমার হাতে যতটুকু রয়েছে। বাকীটা আইনগত ব্যাপার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপু মনি এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন অন্যান্যের মধ্যে গণভবনে উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণভবন থেকে সংবাদ সম্মেলনটি সঞ্চালনা করেন।


আরও খবর



কোম্পানীগঞ্জে অটোরিকশা-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সিএনজি চালিত অটোরিকশা এবং কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আরো ৩জন গুরুত্বর আহত হয়েছে।

নিহত নয়ন সূত্রধর (৪৫) সে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ডের সাহাজাদপুর গ্রামের বড় মিস্ত্রি বাড়ির মরিয়াল সূত্রধরের ছেলে  ও একই বাড়ির কান্তি কুমার সূত্রধরের মেয়ে চন্দনা রাণী সূত্রধর (২১)। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক আহতদের পরিচয় জানাতে পারেনি।

রোববার (৩১ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ৩টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৩নম্বর ওয়ার্ড টু পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ড সংযুক্ত বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, বসুরহাট পৌরসভা এলাকার বাইপাস সড়ক দিয়ে একটি যাত্রীবাহী সিএনজি পার্শ্ববর্তী কবিরহাট উপজেলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কাভার্ড ভ্যানের সাথে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে আরো তিন সিএনজি যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়। কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে।



আরও খবর



করোনায় প্রাণ গেলো আরও ৩ জনের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত‌্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মারা গেলেন মোট ২৭ হাজার ৯০৪ জন। ৮ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৯ নভেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত ২০৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৪ জন।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ‌্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ‌্য জানানো হয়েছে। উল্লিখিত সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৩৫৬ জন। এ পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩৯০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ১ দশমিক ১৮ শতাংশ। এ পর্যন্ত করোনা শনাক্তের গড় হার ১৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭১ শতাংশ। করোনায় মৃত‌্যুর হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

করোনায় মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে করোনায় কারও মৃত‌্যু হয়নি।


আরও খবর



গীতাঞ্জলিকে নিঃস্ব করে দেয় মাদকাসক্তি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বলিউডে এমন বহু নামী তারকা রয়েছেন মাদকাসক্ত হয়ে যাঁদের কেরিয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকেও ফিরে এসেছেন অনেকে। তেমনই একজন গীতাঞ্জলি নাগপাল।

এক সময়ে জনপ্রিয় মডেল ছিলেন গীতাঞ্জলি। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকার সময়ই মাদকের নেশা ভর করে তাঁর উপর। তারপর ক্রমে তলিয়ে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মাদক শুধু তাঁর জনপ্রিয়তাই কেড়ে নেয়নি। নিজের ছেলে, স্বামীকেও তাঁর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিল। র‌্যাম্প থেকে রাস্তায় নিয়ে এনে ফেলেছিল তাঁকে।

গীতাঞ্জলি দিল্লির মেয়ে। দিল্লিতে কলেজে পড়ার সময়ই তিনি মডেলিংয়ে আসেন। সে সময় কলেজ পড়ুয়াদের কাছে মডেলিং ছিল খুবই জনপ্রিয় পেশা। হাত খরচের টাকার জন্য অনেকেই টুকটাক মডেলিং করে থাকতেন। গীতাঞ্জলিও তাই ছিলেন।

কলেজ জীবনে তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন সন্দেলি সিন্‌হা। ২০০১ সালের ছবি তুম বিন-এর জন্যই পরিচিত মুখ সন্দেলি। তিনি তখন মডেলিং এবং বলিউড দুজায়গাতেই কাজ পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। বন্ধুকে দেখেই মূলত মডেলিংয়ে আসা তাঁর। যাতে ইন্ধন জুগিয়েছিলেন আমির রাজপাল নামে এক চিত্রগ্রাহক।

ওই চিত্রগ্রাহকই গীতাঞ্জলির ব্যক্তিত্ব, চেহারা দেখে তাঁকে মডেলিংয়ে আসার উপদেশ দিয়েছিলেন। খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় মডেল হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। দিল্লি থেকে ব্যাগ গুছিয়ে মুম্বই চলে আসেন গীতাঞ্জলি। বলিউডে ছবির প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে দিকে না গিয়ে মডেলিং করছিলেন।

কিন্তু সময় যত এগিয়েছে, মডেলিং এবং গ্ল্যামারের পিছনে অন্ধকার জগতের মধ্যে ডুবে যেতে শুরু করেছিলেন তিনি। ক্রমে মাদকের নেশা তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছিল। অত্যন্ত পেশাদার এই মডেল ক্যামেরা চালু হওয়ার পরও অনেক সময় মাদকের জন্য ছটফট করতেন। মাদক নিয়ে তবে তিনি শ্যুট করতেন।

ইতিমধ্যেই জার্মানির এক ব্যক্তির সঙ্গে কর্মসূত্রে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে কয়েক বছর ডেট করার পর দুজনে বিয়ে করেন। তাঁদের এক ছেলেও হয়। কিন্তু এই সম্পর্ক বেশি দিন টেকেনি। মাদকের নেশা তাঁর কাছ থেকে স্বামী-সন্তানকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়। তাঁর স্বামী গীতাঞ্জলির উপর বিরক্ত হয়েই ছেলেকে নিয়ে জার্মানি ফিরে যান। সে সময় ভীষণ একা হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

আর বেশি করে মাদক সেবন করতে শুরু করেছিলেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে, মডেলিং কেরিয়ারও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল। এ দিকে মাদকের নেশায় অর্থাভাবও প্রকট হয়ে উঠতে শুরু করেছিল।

বাধ্য হয়েই গীতাঞ্জলি তখন দেহব্যবসায় নামেন। কিছু দিন পরিচারিকার কাজও করেছিলেন। তাঁর পাশে নিজের বলতে কেউ ছিলেন না। গীতাঞ্জলির একমাত্র সঙ্গী হয়ে উঠেছিল মাদক। মাথার উপর ছাদটুকুও খুইয়ে ফেলেছিলেন তিনি।

কখনও রাস্তায়, কখনও কোনও মন্দিরে আশ্রয় নিতেন তিনি। পরিস্থিতি এতটাই করুণ হয়ে উঠেছিল যে তাঁকে দেখে ভিখারি ছাড়া আর কিছু ভাবতেই পারতেন না পথচলতি মানুষ। মাদক কিনতে ভিক্ষাও করতে হয়েছে তাঁকে।

এক সাংবাদিকের সূত্রেই গীতাঞ্জলির এই পরিস্থিতির কথা জানাজানি হয়। তারপর তাঁকে একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। বহু দিন চিকিৎসার পর সুস্থ হন তিনি।

সুস্থ হওয়ার পর বেশ কিছু সময় মায়ের সঙ্গে হরিদ্বারে কাটিয়েছিলেন। তাঁর সেই জার্মান স্বামী তাঁকে ফেরাতে চাইলেও গীতাঞ্জলি সেই সম্পর্কে ফিরতে চাননি। ২০০৮ সালে ফ্যাশন নামে একটি ছবি মুক্তি পায়। শোনা যায়, গীতাঞ্জলিকে মাথায় রেখেই এই ছবিতে কঙ্গনা রানওয়াতের চরিত্র এঁকেছিলেন পরিচালক। যদিও পরিচালক মধুর ভান্ডারকর কখনও তা মানতে চাননি।


আরও খবর



জ্বালানি মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৬২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জ্বালানি তেলের মূল্য ও গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোটের ডাকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ।

আজ সোমবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জিরো পয়েন্ট দিয়ে সচিবালয়ের সামনে যাওয়ার সময় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বিক্ষোভকারীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১২টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কর্মসূচি শুরু করেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতাকর্মীরা। সেখান থেকে তাঁরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্টন হয়ে জিরো পয়েন্ট দিয়ে সচিবালয়ের সামনে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। বাধার মুখে নেতাকর্মীরা সেখানেই সমাবেশ করেন। সমাবেশে বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেত্রী মোশরেফা মিশু, মোজাফফর আহমদসহ নেতারা বক্তব্য দেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও গণপরিবহনের ভাড়া প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।


আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১