
পূর্ব এশিয়ার দেশ তাইওয়ানের স্বাধীনতা
চাওয়ার বিষয়টিকে সমর্থন করায় দ্বীপটির সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চীন। আজ
মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার
ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর এই নিষেধাজ্ঞা এলো। গণতান্ত্রিকভাবে স্বশাসিত তাইওয়ান
চীনের সার্বভৌমত্বের দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া
জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞায় থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে ওয়াশিংটনে তাইওয়ানের রাষ্ট্রদূত সিয়াও
বি-খিম এবং তাইওয়ানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব ওয়েলিংটন কুও রয়েছেন। তাইওয়ানের
ক্ষমতাসীন দল ও ডেমোক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ পার্টির নেতারাও নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।
এ ছাড়া তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী সু সেং-চাং, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ উ এবং পার্লামেন্টের
স্পিকার ইউ সি-কুনও আগে থেকেই ছিলেন নিষেধাজ্ঞার তালিকায়।
তাইওয়ান অ্যাফেয়ার্স অফিসের একজন মুখপাত্র
বলেছেন যে, যারা নিষেধাজ্ঞায় পড়েছেন তারা চীন, হংকং এবং ম্যাকাও যেতে পারবেন না। তাদের
সঙ্গে সম্পর্কিত সংস্থা এবং বিনিয়োগকারীদেরও চীনে ব্যবসার অনুমতি দেবে না।
চীনের কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও তাইওয়ান
সফর করেন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি।
পেলোসি বলেছিলেন, ‘বন্ধুত্বের খাতিরে আমরা তাইওয়ানে এসেছি’।

